লাখো শহীদের স্বপ্নপূরন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই গোলাম আজম সাহেব শুনলেন তার দল জামাতে ইসলাম হরতাল দিছে।হরতাল জিনিসটা খারাপ না।তবে টানা তিনদিন রোযা রমজানের মাসে হরতাল দিলে আল্লাহ নারাজ হতে পারে।আল্লাহ অবশ্য মনেহয় আমার উপর একটু খুশিই।এত ধর্ষন,হত্যার শাস্তি হিসেবে আমারে মাত্র ৯০বছরের কারাদন্ড দিছে।খিকজ।এই এদিকে আয়-
–জ্বি স্যার।
-নাস্তা আন দ্রুত।
–জ্বি স্যার আনছি
এই বলেই কনস্টেবল রুহুল আমিন নাস্তা আনতে গেল।

আচ্ছা একটা কাজ করলে কেমন হয় ,এই লোকটারে বিষ খাওয়ায় মাইরে ফেলাই।এই কুত্তায় কত মানষেরে মারছে।এরেও মাইরে ফালাই।ভাবছিলাম এই কুত্তারবাচ্চার ফাঁসি হবে।কিন্তু তা যখন হইলই না এরে বিষ খাওয়ায় মাইরা ফালাই।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই গোলাম আজম সাহেব শুনলেন তার দল জামাতে ইসলাম হরতাল দিছে।হরতাল জিনিসটা খারাপ না।তবে টানা তিনদিন রোযা রমজানের মাসে হরতাল দিলে আল্লাহ নারাজ হতে পারে।আল্লাহ অবশ্য মনেহয় আমার উপর একটু খুশিই।এত ধর্ষন,হত্যার শাস্তি হিসেবে আমারে মাত্র ৯০বছরের কারাদন্ড দিছে।খিকজ।এই এদিকে আয়-
–জ্বি স্যার।
-নাস্তা আন দ্রুত।
–জ্বি স্যার আনছি
এই বলেই কনস্টেবল রুহুল আমিন নাস্তা আনতে গেল।

আচ্ছা একটা কাজ করলে কেমন হয় ,এই লোকটারে বিষ খাওয়ায় মাইরে ফেলাই।এই কুত্তায় কত মানষেরে মারছে।এরেও মাইরে ফালাই।ভাবছিলাম এই কুত্তারবাচ্চার ফাঁসি হবে।কিন্তু তা যখন হইলই না এরে বিষ খাওয়ায় মাইরা ফালাই।
–ভাই ইন্দুর মারার বিষ আছে নাকি?
-আছে।সিরাপ না ট্যাবলেট?
– মানুষ মরবে কোনটাতে?
লোকটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,দুটাতেই মরবে।
–আচ্ছা ট্যাবলেট ই দেন।

ওই হালার পুত কখন খাবার আনতে গেছেএখনো আসতাছেনা কেন?এই কথা ভাবতে ভাবতেই গোলাম আজম দেখে আরেক কনস্টেবল আসতাছে।
-স্যার আপনার ছেলে দেখা করতে আসছে।
–পাঠায় দে
ছেলেকে দেখে গোলাম আজমের মাথায় রক্ত উঠে গেল।বাহ।বাপে জেলে বইসাথাকে আর ছেলে কত লাট সাবের মতস্যুট টাই পড়ে আইছে।থাবরান দরকার।এইগুলারেই হুদা কামে বিদেশ পাঠাইছিলাম পড়ালেখা করাইতে।
-বাবা কেমন আছেন?
ছেলের গোলাপী গাল দেখে গোলাম আজমের রাগটা অনেক কমে গেছে।ছেলেটা মাশাল্লাহ দেখতে হেরকম হয়েছে।নূরানী চেহারা।তবে পেটে পেটে যে আমার মত খারাপি বুদ্ধি তা বুঝাই যায়।
-ভাল ই আছি।খারাপ থাকব কেন?VIP জেলে রাখছে।দামী বিছানা,ফ্যান।যখন যা চাই তা পাচ্ছি।
-তা বললে তো হবেনা বাবা,আপনাকে শুধু শুধু আটকে রেখেছে।আমরা আপিলকরব।চিন্তা করেন না।আপনাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাব।
গোলাম আজমের আবার মাথায় রক্ত উঠে গেল।সরকার পরিবর্তন হলে এমনিতেই ছাড়া পাব।এরা আবার নতুন কেচাল করতাছে কেন?গুরু পাপে লঘু দন্ড পেয়েছি।খারাপ কি।এরা কি আমাকে ফাঁসিতে ঝুলানোর মতলব ফাদতাছে?
-এসব আপিল টাপিল বুঝিনা বাবা।তোমরা যা ভাল বুঝ তাই কর।
–আচ্ছা বাবা আজ আসি তাহলে।
এই বলে ছেলে চলে গেল।গোলাম আজমের খিদায় পেট জ্বলে যাচ্ছে।

রুহুল আমিন খুব সুন্দর করে ট্যাবলেট গুড়া করে গরুর মাংসে দিয়ে দিয়েছে।তার ভয়ে বুক বার বার কেপে উঠছে।ধরা খেলে তার জীবন শেষ হয়ে যাবে।তখন কি হবে চিন্তা করেই ঘাম ঝরছে।খাবারের ট্রেটা হাতে নিতেই পিছন থেকে কে যেন ডাকল,
–রুহুল আমিন!!
পিছে তাকাতেই রুহুল আমিনের নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার মত অবস্থা,মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হওয়া তার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা দাড়িয়ে আছে,
-বাবা আপনি এখানে কীভাবে।
–তোকে আর্শীবাদ করতে আসলাম,যা করতে যাচ্ছিস তা যেন ঠিক ভাবে করতে পারিস।
-বাবা দোয়া করবেন।
–আমি জানি তুই পারবি।জানিস আজ আমার সাথে কত লক্ষ লক্ষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এসেছে,তোকে আর্শীবাদ করতে।ওই যে দেখ রুমী,আযাদ ,বদি ,জুয়েল সবাই আছে।
“রুহুল আমিন অপলক দৃষ্টিতে চারদিকে তাকাচ্ছে।ইস কত অচেনা কিন্তু সুন্দর মুখ দেখা যাচ্ছে।”
“আর ওইজে ওটা হল রুমীর মা শহীদ জননী।সে এই রায়ের পর কিছুতেই শান্তিতে থাকতে পারছেনা।বাবা তোকে কিন্তু আজ পারতেই হবে।জানিসতো আজ তোর দিকে গোটা জাতি তাকিয়ে আছে।লক্ষ লক্ষ শহীদ আজ তোকে দোয়া করছে।বাবা যা, আর দেরী করিস না।আমি গেলাম”
রুহুল আমিন অপলক দৃষ্টিতে এখন ও তাকিয়ে আছে।হ্যা আজ তাকে পারতেই হবে।
রুহুল আমিন খাবার ট্রেটা নিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে হাটতে থাকল।তার মনে হচ্ছে তার দিকে অনেকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,আর তাকে বলছে ,যা রুহুল আমিন যা ,বাংলার সব কলঙ্ক ধুয়ে দে।মুছেদে সব কলঙ্ক।শেষ করে দে ওই নরপিশাচ কে…..

৩০ thoughts on “লাখো শহীদের স্বপ্নপূরন

  1. চান্সটা আমার হাতে আসলে মিস
    চান্সটা আমার হাতে আসলে মিস করতাম না ওরে জন্মের খাওয়ার খাওয়াই দিতাম ।।ডাইরেক্ট বেহেশতে যাওয়ার একমাত্র উপায় এইটা………ভালো লাগলো গল্পের শিরোনাম ভিন্ন হতে পারত…… :থাম্বসআপ:

      1. লাখ শহীদের স্বপ্নপূরণ
        অথবা

        লাখ শহীদের স্বপ্নপূরণ

        অথবা মজার ছলে চাইলে

        রাজাকার নিধন এবং বেহেশতে যাওয়ার টিকেট

        😀

          1. অনেক বেশি ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার
            অনেক বেশি ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার মত অধম একটা অনুরোধ আপনি উত্তম ভাবে গ্রহণ করে প্রয়োগ করেছেন দেখে :নৃত্য: করতে ইচ্ছা করছে………… :বুখেআয়বাবুল:

  2. রাইয়ান ভাই ভালো লিখেছেন,তবে
    রাইয়ান ভাই ভালো লিখেছেন,তবে আমি জেলার বা জেলের সেন্ট্রী হইলে ব্যাটারে কাঁটাচামচ দিয়া নির্ঘাত খুঁচিয়ে মারতাম :মাথানষ্ট:

  3. রাইয়ান ভাইর লেখাটা আরো আগে
    রাইয়ান ভাইর লেখাটা আরো আগে পড়েছি। গূ-আজমরে উদ্দ্যেশ্য করে—-

    ধর শালারে, মার শালারে

  4. ভাই ভাল লিখেছ। আমি নিজে মরে ঐ
    ভাই ভাল লিখেছ। আমি নিজে মরে ঐ কুত্তারে যদি মারতে পারতাম। তবে একটা ভুল করেছে রুহুল আমীন, মানুষ মারার ঔষধ এনেছে কেন। এই আজম কি মানুষ নাকি?
    ঐ টা তো কুত্তা, কুত্তা মারার ঔষধ দরকার।

      1. কিন্তু পরে জিজ্ঞাসা করল না যে
        কিন্তু পরে জিজ্ঞাসা করল না যে মানুষ মরবে কি না।
        জজ্ঞাসা করা উচিত ছিল কুকুর মরবে কি না>

  5. এভাবে যদি সব রাজাকার শেষ হয়ে
    এভাবে যদি সব রাজাকার শেষ হয়ে যেত তবে নিশ্চিন্তে একটু ঘুমানো যেত।ভালো লিখেছেন

  6. শুরু করলেন থার্ড পারসনে। তার
    শুরু করলেন থার্ড পারসনে। তার পরের লাইনেই উত্তম পুরুষে চলে গেলেন। এই ভুলটা আপনার এর আগের লেখাতেও হয়েছিলো। একটু খেয়াল রাখবেন।

  7. আইডিয়া ভাল​।জেলপ্রহরীরে এই
    আইডিয়া ভাল​।জেলপ্রহরীরে এই কাজের জন্য হায়ার করা যায় কিনা দেখেন। ইঁদুর মারার বিষ আমি কিনা দিব।

  8. আতিক ভাই সত্যি একজন মনোযোগী
    আতিক ভাই সত্যি একজন মনোযোগী পাঠক।আমি তো পোস্টটির নাম দেখেই এত উত্তেজনা বোধ করেছিলাম যে ভুলটা চোখে পড়েনি।লেখক আপনি চালিয়ে যান।আরো ভালো পোস্টের আশায় আছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *