রসের কথা

উচাটন মন মজে আছে রসবতীর রসে। কিছু মনে করবেন না। ধরুন, এ হল তরুণ আবেগী মনের কবিত্ব। তাছাড়া এই মুহুর্তে ‘রসবতী’ ছাড়া অন্য কোন উপমা আমার মাথায় আসছিল না।

শুনেছি ভাদ্র মাসে নাকি কুকুর পাগল হয়। তাহলে পৌষ মাসে কি মানুষ? তবে যে আমি পাগল হলাম! যতক্ষণ বাসায় থাকি আমার চোখ দুটো শুধু জানালা গলে পুকুর পাড়ে চলে যেতে চায়।


উচাটন মন মজে আছে রসবতীর রসে। কিছু মনে করবেন না। ধরুন, এ হল তরুণ আবেগী মনের কবিত্ব। তাছাড়া এই মুহুর্তে ‘রসবতী’ ছাড়া অন্য কোন উপমা আমার মাথায় আসছিল না।

শুনেছি ভাদ্র মাসে নাকি কুকুর পাগল হয়। তাহলে পৌষ মাসে কি মানুষ? তবে যে আমি পাগল হলাম! যতক্ষণ বাসায় থাকি আমার চোখ দুটো শুধু জানালা গলে পুকুর পাড়ে চলে যেতে চায়।

আকাঙ্ক্ষা তীব্র হতে হতে যখন চরমে তখন সিদ্ধান্ত নিলাম, এভাবে হয় না। কারো সাহায্য দরকার। আমার দাদুর চাপরাসী তাজুলকে ঠিক করলাম। সে দিনের বেশীর ভাগ সময় বাজারে বসে বসে রাজা উজির মারে। একদিন তাকে ডেকে মনের কথা খুলে বললাম। হাবে ভাবে মনে হল ঐ ব্যাটারও লালা ঝরছে একই আশায়। সে মিনমিন করে যা বোঝাতে চাইল, আমি তা বুঝতে চাইলাম না।

এই কাজে তাকে অংশীদার করতে আমার মোটেই ইচ্ছে করছিল না। কৌশলে এড়িয়ে গেলাম। চাচা যাতে টের না পায় সেদিকে ওকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকতে বললাম। এমনিতেই বাবার সাথে চাচার সম্পর্ক তেমন ভাল না। তার উপর বিষয়টা জানাজানি হলে ঝামেলা হতে পারে।

অবশ্য আমি না বললেও তাজুল ঠিকই সতর্ক থাকত। চাচাকে সে যমের মত ভয় পায়। ভেবেছিলাম ভাতিজাকে পেয়ে চাচার মন কিছুটা নরম হবে। কিন্তু না, আমাকে দেখে সন্দেহ আরো বেড়ে গেছে। ভেবেছে আমি এখানে সম্পত্তির ভাগ চাইতে এসেছি।

পরদিন সকাল এগারটায় তাজুলকে বাজারে পাওয়া গেল। ইশারায় খবর জানতে চাওয়াতে সে জানাল, ‘ইট্টু ধৈর্য ধরেন।’ কি জানি বাবা, ভাবলাম গ্রামে যেহেতু ক’দিন আছি অপেক্ষা না হয় করেই দেখি।

অনার্স ফাইনাল দিয়ে ঘরে বসে থাকতে থাকতে বিরক্তি ধরে গিয়েছিল। প্রথমবার যখন বাড়ী আসি তখন আমার বয়স ছিল পাঁচ। এখন প্রায় দেড়যুগ পরে আবার আসলাম। পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে প্রাণটা জুড়িয়ে গেল। ভাঙ্গাচোরা ঘাট। কিন্তু সেই ভাঙ্গা ঘাট যেন আশপাশের সৌন্দর্য্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাবার কাছে শুনেছিলাম বাড়ীর চারিদিকে নাকি অনেক গাছপালা ছিল। কিন্তু এখন দেখি চাচাদের উঠোনে শুধুমাত্র একটি আম গাছ হাতেগোনা ক’টি মুকুল মাথায় দাঁড়িয়ে। এসময় কি মুকুল থাকে? কি জানি।

পুকুরের পাড় ঘেঁষে গোটা সাত নারিকেল গাছ। গুটিকয় বনজ গাছ বাবা আর দাদুর জন্য রেখে ফলজ গাছগুলো চাচা একাই ভোগ করছে। চাচার গাছে কেউ হাত দিলে তার নাকি আর রক্ষা থাকে না।

আমার চোখ গুলো ঘুরতে ঘুরতে এক জায়গায় গিয়ে স্থির হয়ে গেল। সাথে সাথে মনটা গুনগুনিয়ে উঠল, ‘গাছ দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি..।’ নাকি চাঁদ দেখতে গিয়ে? কি জানি। গানের কলিগুলো ঠিক মনে আসছে না। গানটা সংরক্ষনে ছিল, আসার সময় অন্যগুলোর সাথে ওই ক্যাসেটটাও নিয়ে আসলে ভাল হত। অবশ্য আমি যে আসতে পেরেছি এই যথেষ্ট।

আমার গ্রামে আসার কথা শুনে মা আঁৎকে উঠেছিল। কিছুতেই আসতে দিতে চাইছিল না। চাচা চাচীরা আমার খোঁজখবর ঠিক মত রাখবে কিনা, আদর সোহাগ করবে কিনা, বার রকম চিন্তা তার মাথায়।

বাবা পালে পার্বনে আসলেও মা তেমন আসে না বললেই চলে। যে উৎসাহ নিয়ে আমি এসেছিলাম তাতে অনেকটাই ভাটা পড়েছে।

দাদু ছাড়া অতিথি’র খবর তেমন কেউই রাখছে না। বুড়ো আবার আমার একান্ত আপন দাদু নন। বাবার কেমন যেন পেঁচানো চাচা হন। দাদু আর চাচাদের বাড়ীর মাঝ বরাবর একটি বাঁশের বেড়া। একদিন দুপুরে শুয়ে শুয়ে গুনগুন করে গান গাইছিলাম, ‘গাছ দেখতে গিয়ে আমি..।’ নাকি চাঁদ দেখতে গিয়ে? ধ্যাত্তেরি!

হঠাৎ দাদুর বিকট আর্তনাদ শুনে ছুটে গেলাম পুকুর পাড়ে। দেখলাম দাদু ঘাটলায় পড়ে কাতরাচ্ছেন। তাঁর বাম পায়ের গোড়ালিতে ব্যাথা পেয়েছেন। আহত দাদুকে সাহায্য করতে গিয়ে আমার দৃষ্টি আটকে গেল ঘাটলার ধারে ঘাঁড় বাঁকা করে দাঁড়িয়ে থাকা আকাঙ্ক্ষিতের দিকে। মদির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছিতো আছিই। দাদুর কঁকানিতে চমকে উঠে তৎক্ষনাৎ ভোগবাদী মনকে শাসন করলাম।

তারপর দাদুকে নিয়ে হাসপাতাল-ডাক্তার-বাসা করতে করতে দিন তিনেক কেটে গেল। দাদু আমাকে কাছ ছাড়া করতে চান না কিছুতেই। সব সময় পাশে বসিয়ে রাখেন। তবে সুযোগ পেলেই আমার বাঁধনহারা মনটা জানালা টপকে পুকুর পাড়ে চলে যেতে চায়।

দাদুর সাথে তাঁর একটা বিধবা বোন থাকেন, নিঃসন্তান। তাঁকে আমি বুবু বলে ডাকি। বুবুটা কেমন যেন কাঠখোট্টা, খিট্খিটে। সারাদিন শুধু ক্যাট ক্যাট করেন। আশেপাশে কেউ না থাকলেও নিজে নিজেই বকেন।
একদিন সকালে বুবু থালায় করে পাঁচ ছ’টি চিতই পিঠা এনে আমাকে খেতে দিলেন। কিন্তু এই পিঠা আমার পছন্দ নয়। আমার পছন্দ ভাপা। ঈশ্… ভাপা পিঠা! ভাপা পিঠার কথা মনে পড়ায় আমার ভেতরটা ফের গুনগুনিয়ে উঠল।

চিতই পিঠাটা দেখতে কেমন যেন। উপরের অংশ ফোঁড়া ফোঁড়া, যেন অসংখ্য বিষ পিঁপড়ের ঘর। উল্টো পিঠটা পোড়া, শুষ্ক মরুভূমি মত। আর ভাপা পিঠা? ওফ্ গড়নটাই শালার অন্যরকম। খাওয়ার আগে গরম গরম ভাপা পিঠার উত্তল অংশ করতলে নিয়ে খানিক্ষণ ঝিম মেরে বসে থাকতে ইচ্ছে করে।

বুবু বললেন, ওসব কুলসুম বানিয়েছে। পিঠা থেকে আমার চিন্তা মুহুর্তেই ছুটে গেল তাজুলের কাছে। ব্যাটাকে আজ পাকড়াও করতেই হবে। বুবুকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কুলসুম কি করে?’ বুবু অকথ্য কিছু বিশেষন যুক্ত করে জানাল, ধিঙ্গি মেয়েটা নাকি সারাদিন খালি ঢ্যাং ঢ্যাং করে। তবে মেয়েটা দেখতে বেশ, আমার চাচী’র বোনঝি। চাচীদের সাথেই থাকে। তাকে যখন প্রথম দেখি তখন আমার বুকের ভিতর কেমন যেন ছ্যাঁৎ করে উঠেছিল।

আহ্ মাথার ভিতর শুধু তাজুল ঘুরছে। তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে বাজারের দিকে রওনা দিলাম। বটগাছের নীচে ঐ হারামজাদাকে পাওয়া গেল। একটা ডব্কা সাপুড়ে মহিলার সাথে বসে ঘুচুর ঘুচুর করছে। তাদের সামনে দু’টি গোলাকার চ্যাপটা মুখবন্ধ ঝুড়ি।

পিছন থেকে গিয়ে মাথায় চাটি দিলাম, তুমি শালা আমার নাকের ডগায় মূলা ঝুলিয়ে বেদেনীর সাথে বসে সাপের গল্প করছো? ওমা, সে দেখি আমাকে চিনতেই পারছেনা। শেষে ধমক ধামক খেয়ে একপাশে সরে এসে আমার সাথে ছলচাতুরী শুরু করে দিয়েছে। ইনিয়ে বিনিয়ে বলছে ‘ইট্টু সমস্যা আছে.. আর ইট্টু..আর ইট্টুখানি ধৈর্য ধরেন ছোড মিয়া।’ তাছাড়া সে নাকি গতকাল জায়গা মত গিয়ে জানতে পেরেছে, আগে থেকেই কেউ একজন.. .. ইত্যাদি ইত্যাদি হাজারটা অজুহাত। মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল। তাকে কিছু বললাম না। ঠিক করলাম ব্যাটাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। মাথার ভিতর দুষ্টু বুদ্ধি খেলে গেল। আজ রাতে আমিই না হয়.. .।

রাত সাড়ে বারটা। শহরের যান্ত্রিক শব্দমালার চাইতে এখানকার ঠাণ্ডা ছিমছাম শব্দগুলো আমাকে ধীরে ধীরে মোহে ফেলে দিচ্ছিল। কুলসুমদের বাড়ী হতে ভেসে আসা ঢেঁকির ছন্দময় শব্দ দুপুর বেলায় আমার চোখে ঝিমুনি ধরিয়ে দেয়। অবাক কান্ড, সেই একই শব্দ আমাকে ভীত করে তুলছিল যখন সেটা এই মাঝরাতে নিজের বুকের ভেতর হতে শুনতে পাচ্ছিলাম।

গায়ে মুখে চাদর জড়িয়ে একটু ভেবে নিলাম, সাথে করে কিছু নেয়ার দরকার আছে কি? বিছানার দিকে চোখ যাওয়াতে ছোঁ মেরে প্যাকেটটা তুলে নিয়ে লুঙ্গির প্যাঁচে গুঁজে নিলাম। বাসায় থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পড়ে থাকতাম। এখানে এসে প্রথম লুঙ্গি পড়তে শুরু করেছি। দাদু ব্যবহার প্রণালী শিখিয়ে দিয়েছেন। পোষাকটি ব্যবহার করে বড় আরাম বোধ করছি। এককথায় চমৎকার। শুধু ঘুমোনোর আগে বাড়তি সতর্কতার জন্য দু’পায়ের মাঝখানে একটি গিঁট দিয়ে দিতে হয়। লুঙ্গি খুলে প্যান্ট পড়ে নেব কিনা ভাবছিলাম। আবার ভাবলাম, নাহ্ লুঙ্গিই থাক। প্যাকেটটা কেউ দেখে ফেলেছে কিনা কে জানে। অবশ্য বুবু আজ বিছানা ঠিক করতে আসেননি। তিনি দাদুকে নিয়ে ব্যস্ত।

ধীরে ধীরে দরজা খুলে বের হলাম। ঘরের চালা থেকে মাথার উপর টুপ্ করে কি যেন পড়ল। হাত দিয়ে দেখলাম, কুয়াশা। লুঙ্গির নিম্নপ্রান্ত দু’হাতে আলতো করে ধরে সন্তর্পনে পুকুর পাড়ের দিকে এগুতে লাগলাম।
কুলসুমদের বাসায় আলো জ্বলছে। কি ব্যাপার, এত রাতে কে জেগে? কুলসুম নাকি? হঠাৎ বুকের ভিতর ছ্যাঁৎ করে উঠল।

কয়েক গজ দূরের গোরস্থানে একটি ল্যাম্পপোস্ট আপ্রাণ চেষ্টা করছে অন্ধকারকে শায়েস্তা করার। তার মৃদু আলোয় কিছুটা সাহস পেলাম। তবুও কেন জানি আমার সাড়া শরীর কাঁপতে লাগল। আজ শীতটা বেশ জাঁকিয়ে পড়েছে। মনে মনে স্রষ্টাকে ডাকছি। ঘাটলার কাছে পৌঁছুতেই হঠাৎ কর্কশ গলায় ‘ক্যাডা’ ডাক শুনে শরীরের কাঁপন বেমালুম বন্ধ হয়ে গেল। একি, হৃদয়ের কাঁপন শুরু হল যে! দেখলাম ঝোপের আড়াল থেকে সাড়া গায়ে কাঁথা জড়ানো রহস্যময় কেউ একজন এগিয়ে আসছেন। কোন অতৃপ্ত মূর্দা কবর ছেড়ে বেরিয়ে এল বুঝি? না না তা কি করে হয়। হাতে আবার একটি বিশাল লাঠি দেখা যাচ্ছে।

তিনি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছেন। আমি এক পা দু’পা করে পিছোচ্ছি। পিছোতে পিছোতে আমার পিঠ গিয়ে ঠেকল একটা গাছে। আবছা আলোয় তাকিয়ে দেখি খেজুর গাছ। আর পিছোনোর জায়গা নেই। যাস্ সালা এবার আমি শেষ।

ওমা মূর্দা দেখি হঠাৎ কথা বলে উঠল। ‘পাইছি তরে’ বলে লাঠি উঁচিয়ে যেই আমাকে আঘাত করতে যাবে অমনি আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, ‘আমি আমি.. আমি ছোট মিয়া’। তাজুল সাঁই করে মাথা থেকে কাঁথাটা সরিয়ে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।

তাকে দেখে আমিও অবাক। আমি সহজ হওয়ার জন্য লুঙ্গির প্যাঁচ থেকে প্যাকেট বের করে সিগারেট ধরালাম। তাজুল বলল, ‘ছোডসাব আপনে?’ আমি কেশে গলা পরিষ্কার করে বললাম, ‘না মানে.. দেখতে এলাম..।’ তাজুলের দৃষ্টিতে তখন আগুন ঝরছে। সে বলল, ‘লগে কাঁথা নিয়া আসছি, আইজ সারা রাইত আছি.. আপনে বাড়ীত যান।’

আমার ঠোঁট শুকিয়ে কাঠ। যেতে উদ্যত হলাম, মাথার উপর টুপ্ করে কি যেন পড়ল। ডান হাতের তর্জনিটা আনমনে মাথা ছুঁয়ে এনে জিভে ছোঁয়ালাম। দু’চোখ মুদে একটি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। তাজুল হিস হিস করে বলে উঠল, ‘দেহি.. কোন হালায় আইজ রস চুরি করে।’

৩৪ thoughts on “রসের কথা

  1. প্রথমদিকে ভেবেছিলাম গল্পটা
    প্রথমদিকে ভেবেছিলাম গল্পটা আপনের মত খাইস্টা পাবলিকের একটা খাইস্টা গল্প হবে।শেষের দিকে এসে ভাবলাম সূচনা পরে কখনো উপসংহার ভাবা ঠিক না।চটি চটি ভাবতে গিয়ে চমত্কার একটা বৈপরিত্য দেখলাম। এরকমিতো চাই বাছাধন !!!!

      1. আতিক ভাইসাব ,রস দিয়ে শুরু
        আতিক ভাইসাব ,রস দিয়ে শুরু করেছিলাম শেষ কর করছি ফুটা দিয়া ,আর আছে কিনা জানি না।তয় আমার একটা জিগাসা আছে উনার কাছে -উনি নিজেকে খাইস্টা পাবলিক ভাবে কেন,উনার কোনো লেখায়-ই খাইস্টামির গন্ধ পাইলাম না।কথার সাথে কাজের মিল না থাকলে কি করতে মুন্চায় কন ? :কনফিউজড:

  2. চটি চটি গন্ধ পাইয়াও পড়তাছিলাম
    :হাহাপগে: :হাহাপগে: চটি চটি গন্ধ পাইয়াও পড়তাছিলাম :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    :bow: অসাধারণ মজা পাইলাম :bow:

  3. নাসির ভাইয়ের লেখা তো, আগেই
    নাসির ভাইয়ের লেখা তো, আগেই জানতাম- বোতল মিনারেল ওয়াটারের হলেও ভেতরে জিনিস ভিন্ন।
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. দুর্দান্ত সাহিত্য রস সমৃদ্ধ
    দুর্দান্ত সাহিত্য রস সমৃদ্ধ শক্তিশালি লেখা !!!
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  5. আমি আরো ভাবলাম আপনি কাউকে খুন
    আমি আরো ভাবলাম আপনি কাউকে খুন টুন করতে যাচ্ছেন। আর শেষ হল খেজুরের রস চুরিতে ব্যর্থতায়!! ব্রাভো।

  6. হাহাহাহাহাহা…….
    চমৎকার

    হাহাহাহাহাহা…….
    চমৎকার উপস্থাপনা। অনলাইনে ছোট গল্প পড়ার মজা অনেকদিন পাচ্ছিলাম না। আপনি আসলেই চমৎকার গল্পকার। আপনার ভাষার গাঁথুনীগুলোতে অসাধারণ শৈল্পিকতা আছে। ফ্যান হয়ে গেলাম।

  7. বেশ রসালো হয়েচে মাইরি! হবেই
    বেশ রসালো হয়েচে মাইরি! হবেই না বা কেন, রস নিয়েই তো নিকেচিস। মার কাটারি মজা পেয়েচি। :নৃত্য: :নৃত্য: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :ফুল: :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *