একজন “শিক্ষক” (!) ও আমাদের বোকা বোনেরা……………..

এখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ঘেটে অপরাধীদের পরিচয় ও অপরাধ পরবর্তী ঘটনা আমি তুলে ধরার চেষ্ঠা করেছি।

কুষ্টিয়ার লম্পট স্কুলশিক্ষক হেলাল উদ্দিন পান্না ও তার তৈরি সেক্স ভিডিও।


এখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ঘেটে অপরাধীদের পরিচয় ও অপরাধ পরবর্তী ঘটনা আমি তুলে ধরার চেষ্ঠা করেছি।

কুষ্টিয়ার লম্পট স্কুলশিক্ষক হেলাল উদ্দিন পান্না ও তার তৈরি সেক্স ভিডিও।

কুষ্টিয়ার লম্পট স্কুলশিক্ষক হেলাল উদ্দিন পান্না যার যৌন অত্যাচারের শিকার প্রায় ১৫০ এর মতো ছাত্রী, যাদের অধিকাংশই ৮ম থেকে ১০ম শ্রেণির।নিজ স্কুলের একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার এক মাস পর তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার চুমকীও ত্যাগ করেছেন এই নরপশুকে। একই সঙ্গে তিনি তার স্বামীর ঘৃণিত এ অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেছেন। অথচ সারাদেশে তেমন কোন প্রতিবাদ নেই। প্রতিটি ঘটনার পর অনলাইন যেভাবে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে এই ভয়াবহ ঘটনার পর তা যেন কেমন হারিয়ে গেছে !! এখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ঘেটে অপরাধীদের পরিচয় ও অপরাধ পরবর্তী ঘটনা আমি তুলে ধরার চেষ্ঠা করেছি। আসুন, এদের বিরুদ্ধে আমাদের নৃশংস হবার সময় এসেছে !!

কে এই হেলাল উদ্দিন পান্না ?
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১নং হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হাটশ হরিপুর গ্রামের তসলিম উদ্দিনের ( কাঠ মিস্ত্রী) পুত্র হেলাল উদ্দিন পান্না। সে ২০০৩ সালে কুষ্টিয়ার আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক হিসাবে যোগদান করে। যোগদানের পর থেকেই সে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিদ্যালয়ের ছাত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের দৃশ্য গোপনে ভিডিও করে তাদের ব্ল্যাক মেইল করে অবাধে অনৈতিক কাজে মিলিত হতে বাধ্য করতো। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ফাঁদে ফেলে তার সাথে পান্না মেলামেশার চেষ্টা করলে বিষয়টি টের পায় ওই ছাত্রীর আত্মীয় স্বজন। এর জের ধরে ওই ছাত্রীর ফুপাতো ভাই স্কুল শিক্ষক হেলাল উদ্দিন পান্নার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ কেড়ে নেয়। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ থেকে উদ্ধার করা হয় ওই শিক্ষকের ধারন করা বিভিন্ন ছাত্রীর সঙ্গে মেলামেশার শতশত ছবি ও গোপন ক্যামেরায় ধারন করা ৬ টি সেক্স ভিডিও। শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এসব ভিডিও ছবি। পুলিশের নাকের ডগায় বসে স্থানীয় সিডির দোকানে ১০ টাকায় পাঁচটি দৃশ্য বা ক্লিপ পাওয়ার মত ভয়ঙ্কর খবর পাওয়া যায় !!

যেভাবে অপকর্ম করতো হেলাল ?
পান্না মেয়েদের সঙ্গে সখ্য তৈরির পর শহরের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে অবৈধ মেলামেশার দৃশ্য গোপন ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখতো। বিশেষ করে স্কুল পড়–য়া সুন্দরী ছাত্রী ছিল তার টার্গেট। এই শিক্ষক মেয়েদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে আপত্তিকর দৃশ্যের ছবি তুলে পরে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। পরে ওইসব অশ্লীল ছবি দেখিয়ে সে দিনের পর দিন ছাত্রীদের নিপীড়নে বাধ্য করেছে। এমনকি বিয়ের পরও তার লালসা থেকে রেহাই পায়নি কয়েক ছাত্রী।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীদের জাপটে ধরা, শ্লীলতাহানী করাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এক ছাত্রী জানায়, স্যারের কাছে পড়তে গেলে তার ল্যাপটপের স্কীনে (তার জাঙ্গিয়া পরা) ছবিসহ বিভিন্ন নগ্ন ছবি রেখে আমাদের পড়তে বলে বাইরে যেতেন। এসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে আস্তে আস্তে সম্পর্ক গড়তেন তিনি। এই স্কুল থেকে ২০০৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেয়ে জানান, আমি অল্পদিন ওই শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়েছিলাম। সে ছেলেদের প্রাইভেট পড়াতো না। শুধু মেয়েদের প্রাইভেট পড়াতো। প্রাইভেট পড়ানো অবস্থায় শরীরে হাত দিত। এছাড়া বিভিন্ন পর্ণ গল্পের বই (চটি গল্প) বই ও খাতার মধ্যে গুঁজে দিত। বই পাওয়ার পরের দিন পড়তে গেলে ওই শিক্ষক এসব গল্প নিয়ে আলোচনা করত আর গায়ে হাত দিত। একপর্যায়ে সে ফ্রি হয়ে গেলে প্রেমের সর্ম্পক তৈরীর মাধ্যমে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করতো। পরে গোপন ক্যামেরায় তোলা ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাক মেইল করতো। বর্তমানে বিবাহিত ও ২০০৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ভুক্তভোগী জানান, ভাই নিজের কথা নিজের বলতে লজ্জা করে। বাংলা চটি গল্পের বইয়ের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এইসব আজেবাজে বই পড়তে দিত।

আমার মাথায় আসছে না, যে মেয়েরা এতটা বোকা কিভাবে হয় ? এক-দুজন নয়; এতজন মেয়েকে একা ভোগ করেছে তথাকথিত একজন শিক্ষক ! এটা কিভাবে সম্ভব ? প্রিয় বোনেরা, তোমরা সচেতন হবে কবে ?

পান্নার সহযোগীরা :
প্রকৌশলী দুলাল
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১ নং কবুরহাট গ্রামের লোকমান হোসেনের পুত্র প্রকৌশলী দুলাল। তার নানা বাড়ী হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে। তারা মামা বীমা কর্মী মনিরুল ইসলাম মনো। সবচেয়ে বড় ব্যপার পান্নার ডেরায় এই মামা-ভাগ্নে দুজনই একাধিক মহিলার সাথে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করেছে। বর্তমানে যশোর সদর উপজেলার এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত।

প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম সজল
মেহেপুরের গাংনী উপজেলা এলজিডিইতে কর্মরত প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম সজল। যে নিজেও পান্নার ডেরায় স্কুল ছাত্রীসহ একাধিক মহিলার সাথে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করেছে। তার একটি ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার হয়েছে পান্নার ল্যাপটাপ থেকে।

প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল
প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী। এছাড়াও শহরে কয়েকটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতো সে। শহরে একজন সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেলেও বর্তমানে এই সেক্স স্ক্যান্ডালে অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি। উদ্ধার হওয়া ভিডিও’র মধ্যে তার দুটি ভিডিও কিল্প রয়েছে।

মনিরুল ইসলাম মনো
মনিরুল ইসলাম মনো। কুষ্টিয়ার হটাশ হরিপুর ইউনিয়নের মালদহ গ্রামের পোকাড়ে মিস্ত্রির ছোট ছেলে। মনো পেশায় একজন বীমাকর্মী। বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা তার। তাঁর মেজো ভাই আওয়ামী লীগের হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।বাড়ী হটাশ হরিপুরে। বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত সে। নিজেকে শহরের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও দুই সাংবাদিকের নিকটজন বলে পরিচয় দেন। একটি সুত্র জানায়, বিভিন্ন কলগার্ল এর সাথে যোগাযোগ ও পান্না’র ডেরায় মাদকদ্রব্য সরবারাহের কাজ করতো মনো। উদ্ধারকৃত ভিডিও এর মধ্যে মনোর একটি ভিডিও ক্লিপ

মামলার অবস্থা :
কুষ্টিয়া মডেল থানায় এসআই মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জুলাই চারজনকে আসামি করে মামলা করেছে। বাংলাদেশ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮ (১) ( ৬) ও (৭) ধারায় করা মামলায় হেলাল ছাড়া অন্য আসামিরা হচ্ছেন প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান ওরফে টুটুল, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ওরফে সজল ও প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান হাসান। চার আসামিরই বাড়ি কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে। কিন্তু প্রকাশ হয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপে হেলাল ছাড়া অন্য যে পুরুষদের দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে দুজনকে আসামি করা হয়নি। পুলিশ এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত মাত্র একজনকে (হাসানুজ্জামান হাসান) গ্রেপ্তার করেছে, যাঁকে অবশ্য প্রাপ্ত দৃশ্যগুলোয় দেখা যায় না। মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে এসপি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, অভিভাবকেরা পুলিশকে সহযোগিতা করছেন না। পরিবারগুলোর মানসম্মানের কথা ভেবে পুলিশও খুব সতর্ক হয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।

বেঁচে যাবে কি পান্না ?

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লম্পট শিক্ষক পান্না এখন নিজেকে বাঁচাতে নানা ফর্মুলা করছে। বর্তমানে আত্মগোপনে থেকে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছে। বিচারের মুখোমুখি যাতে না হতে হয় সেজন্য বিভিন্ন প্রভাবশালীকে ম্যানেজ করে চলেছে। একটি সুত্র জানায়, গত কয়েকদিন আগে সর্বশেষ ইসলামী ব্যাংকে পান্নাকে তার ব্যাংক হিসাব থেকে মোটা অংকের টাকা তুলতে দেখা যায়। এই টাকা দিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজসহ বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। অবশ্য কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিকদার মো. মশিউর রহমান বলেন, ঘটনার বেশ কিছুদিন পর মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে আসামিরা পালিয়ে গেছে। তাদের ফোনও এখন বন্ধ। তবে তিনি বলেন, আসামিরা যাতে দেশ ছাড়তে না পারে, পুলিশ সে ব্যবস্থা নিয়েছে।

সর্বশেষ :
মূল আসামী পান্না গ্রেফতার হয়নি এখনো। স্থানীয় বাজারে এখনো এসব ভিডিওর সিডি অবাধে বিক্রি যাচ্ছে। অথচ এসব ভিডিও জব্দে পুলিশের কোন জোরালো ভূমিকা নেই। ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। এমনকি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অনেকে। এসব অত্যাচারে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে একটি পরিবার। অনেকেই গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। পুলিশ যে সময়মতো পদক্ষেপ নিতে পারেনি, তা স্বীকার করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রেজা। তিনি বলেন, “যেদিন হেলাল উদ্দিনকে এলাকাবাসী আটক করে সেই সময়েই থানা পুলিশ তৎপর হলে পরবর্তীতে যা কিছুই ঘটেছে তার সবই পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসত। এই অপরাধে জড়িত সবাইকে এরইমধ্যে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতো।”

একটি আহ্বান :
কুষ্টিয়ার কোন ব্লগার বন্ধু কি আছেন ? থাকলে একটু সম্মিলিত মুভমেন্ট করুন যাতে ভিডিওগুলি না ছড়ায়।

২৬ thoughts on “একজন “শিক্ষক” (!) ও আমাদের বোকা বোনেরা……………..

  1. এই পশু পান্নাকে ধিক্কার
    এই পশু পান্নাকে ধিক্কার জানাচ্ছি তার সাথে আমি আমাদের পুরো পুরুষ জাতিকে।
    এই আমরাই সেই পর্ন ছবি দেখি। টাকা দিয়ে মেমরিতে নেই। অনেক আগেই এই নিয়ে পোস্ট লিখতে চেয়েছিলাম। অনেক তথ্যও যোগার করেছি কিন্তু পোস্ট টা লিখা হয় নি শীঘ্রই পোস্ট দেব।

    আর আরেক টা কথা এই পশু গুলো ধরা পরেছে এদের বড় অপকর্মের জন্য, কিন্তু আমরাই তো রাস্তাঘাটে এই বোনদের চক্ষু দ্বারা ভোগ করি। তখন ও তারা লাঞ্চিত হয় কিন্তু আমাদের কাছে তা কিছুই মনে হয় না। যারা রাস্তা ঘাটে মেয়েদের টিচ করে তারা বেশির ভাগ সময় ই পার পেয়ে যায় । এদের মধ্যে থেকেই বেরিয়ে আসে এক এক টি পান্না…

    1. আমরা মেয়েদের মানুষ ভাবতে পারি
      আমরা মেয়েদের মানুষ ভাবতে পারি না….পারিনা বন্ধু ভাবতে । তাই তাদের দেখলেই লালা ঝড়ে ! আসলে ছোট থেকেই আমাদের মনোজগতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় যে ছেলেদের সাথে কথা বলা যাবে না , পরষ্পরকে জানা যাবে না , নারীরা সবসময়ই অধ:স্তন ইত্যাদি ইত্যাদি । একটি বিশেষ শ্রেষ্ঠ ধর্ম(!) এই ব্যবধানটি আরও স্পষ্ট ও ভয়ানক করে তুলে ।

  2. এদের জন্য লিঙ্গ কর্তন অভিযান
    এদের জন্য লিঙ্গ কর্তন অভিযান শুরু করা আবশ্যক… এছাড়া অন্য কিছু এদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়………

  3. জনগণের মানসিকতার পরিবর্তন না
    জনগণের মানসিকতার পরিবর্তন না হলে শুধু মুভমেন্টের মাধ্যমে বোধ হয় এই জিনিস বন্ধ করা যাবে না

    1. একমত হতে পারলাম
      একমত হতে পারলাম না……………………….মুভমেন্টে না নামলে মানসিকতার পরিবর্তন ঘটবে না……….. মনে রাখবেন ৯০ ভাগ পুরুষ এখনো নারীদের ভোগ্যবস্তু ভাবে……………. ঘরে বসে তাদের মনোজগতে প্রবেশ সম্ভব নয়।

  4. জয় ভাইয়ের সাথে
    জয় ভাইয়ের সাথে সহমত.
    রাস্তাঘাটেই তো ছড়িয়ে থাকে অসংখ্য পান্না!
    আর যারা শিক্ষকতার মত মহান পেশার ফায়দা লুটে এইসব কাজ করে তাঁদের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় না রেখে উচিৎ এমন শাস্তি দেয়া যাতে পরবর্তী কেউ এই কাজ করতেও এক হাজার বার ভাবে :ক্ষেপছি: আর পান্নারে পাইলে ওর ইয়ে কেটে দিতেও আমার কষ্ট হতোনা.

    আর ছাত্রীদের এইসব ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকাও বোকামী,এইসব পান্নাদের আরো সাহসী ও উৎসাহী করা বৈকি কিছুই করে না :জলদিকর:

    1. আর ছাত্রীদের এইসব ব্যাপারে

      আর ছাত্রীদের এইসব ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকাও বোকামী,এইসব পান্নাদের আরো সাহসী ও উৎসাহী করা বৈকি কিছুই করে না

      সহমত।

  5. trust নামের একটা মুভি
    trust নামের একটা মুভি দেখেছিলাম। ১৪ বছরের একটা মেয়ে অনলাইনে একজনের প্রেমে পড়ে। প্রথমে লোক্টা তার বয়স বলে ১৬। পরে ইন্টিমিসি বাড়লে বলে ২১ তারপর ২৫। এবং কিশোরি মেয়েটিকে বোঝাতে সক্ষম হয় তার কথার গুরুত্ব সবচেয়ে সেই বেশি দেয়। য কিনা কিশোর বয়েসীরা সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়।
    তো লোকটির সাথে মেয়েটির যখন দেখা হয় তখন তার বয়স বেরিয়ে আসে ৩৫। মেয়েটি প্রচন্ড শক খেলেও লোকটির কথায় কনভিন্স হয়ে যায়। এবং সেক্স করে। বিষয়টা জানাজানি হয়ে গেলে এফবিআই ভার নেয় তদন্তের, লোকটিকে খুঁজে বের করার। আর মেয়েটিকে পাঠানো হয় মনো রোগ বিষেষজ্ঞের কাছে, সে ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে। কিন্তু মেয়েটি বার বার রাগান্বিত হয়, সে বলে সে ধর্ষিত হয়নি। মেয়েটি ভাবে সে তার প্রেমিকের সাথে সেক্স করেছে। ততক্ষন, যতক্ষন না এফবিআই খুঁজে বের করে আরো কয়েকটা মেয়ের সাথে সে এমন করেছে।
    অন্য মেয়েদের সাথে এমন করেছে জানার পর মেয়েটার উপলব্ধি হয় সে ধর্ষিত হয়েছে। এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিবার বন্ধুদের সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
    এই মুভিটা দেখার পর আমার সামনে নতুন এক চিন্তার জগৎ খুলে যায়। আমাদের দেশে কোনো মনোবিজ্ঞানীও থাকে না, আর মেয়েদের নিজেদের বোঝারও সুযোগ থাকে না। অনেক মেয়ে অনেক বয়স হবার পর বুঝতে ছোটবেলায় সে তার আত্মীয়স্বজন দ্বারা যৌন হয়রানীর শিকার হয়েছিল। এই জায়গাগুলো নিয়ে আসলে অনেক কাজ করা দরকার

    1. মিতু আপার সাথে একমত। এই
      মিতু আপার সাথে একমত। এই ব্যাপারে আসলেই অনেক কাজ করা উচিৎ। হাজারো সমস্যার ভিড়ে এই দেশে এসব নিয়ে ভাবার লোক নাই। অথচ হাজারো হাজার ঘটনা আমাদের অগোচরে ঘটে চলেছে।

      1. ভাই আমরা কি জড়তা কাটিয়ে উঠতে
        ভাই আমরা কি জড়তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি? আমরা কি সবার সামনে বলতে পারি ধর্শন কারীর শাস্তি চাই। আমাদের মাঝে অন্তত বাঙ্গালির মাঝে চক্ষু লজ্জা টা একটু বেশিই।
        আর ভাই আপনার আমার মাঝে age গ্যপ অনেক। তাই হয়তো বর্তমানে আমার বয়সী মেয়েদের অর্থাৎ কিশোরিদের সম্পর্কে জানেন না। এখন যে ছেলের আগে দুই একটা রিলেশন ছিল অথবা বন্ধুর বয়ফ্রেন্ড এমন রিলেশন করতে পছন্দ করে।

        আমি দুঃখের সাথে বলছি আমার এক বন্ধু সে সারা দিন এই মেয়ে নিয়েই ব্যস্ত এখন এর সাথে তো পরে ওর সাথে। এবং মেয়ে গুলো এই সবই জানে। তবুও ওর সাথে সবই করে।বুঝতেই পারছেন কি বলছি।
        এই ব্যপারে কি করা যায় বলবেন কি??

    2. কিন্তু মেয়েটি বার বার

      কিন্তু মেয়েটি বার বার রাগান্বিত হয়, সে বলে সে ধর্ষিত হয়নি। মেয়েটি ভাবে সে তার প্রেমিকের সাথে সেক্স করেছে। ততক্ষন, যতক্ষন না এফবিআই খুঁজে বের করে আরো কয়েকটা মেয়ের সাথে সে এমন করেছে।

      তাই লিখেছি আমাদের বোনেরা এত বোকা কেন ? এত সহজেই বোকা বনে যায় কেন ?

      1. আসলে ঐসব বোনেরা বোকা না।
        আসলে ঐসব বোনেরা বোকা না। তাদের যে বয়স তাতে অনেকে বোঝেই না তারা ধর্ষিত হয়েছে। এই কারনেই ওই মুভিটার কথা উল্লেখ করেছি। যে সব মেয়েদের সাথে পান্না এমন করেছে তারাও ভাবতো কুলাঙ্গার পান্না তাদের প্রেমিক!

        1. কিন্তু আপু, এর সমাধান কি ?
          কিন্তু আপু, এর সমাধান কি ? এখানে কিন্তু এক দু জন নয় । শতাধিক মেয়ে ঐ কুত্তার লালসার শিকার ! হয়তো তারা প্রত্যেকে প্রতারিত হওয়ার পর লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে বলেনি । একজন সাহস করে বলে ফেলায় ঐ কুকুর ধরা পড়েছে ।

          দ্বিতীয়ত, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতারিত মেয়েদের সংখ্যাটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে । সংখ্যাটা যদি সত্য হয় তবে একটি স্কুলের এতগুলি শিক্ষার্থী তথাকথিত সমাজের চোখে “কলঙ্কীনি”(!) বলে প্রকাশিত হচ্ছে ! ভেবে দেখেছেন বিষয়টা কত ভয়াবহ ! গণমাধ্যম যেন বিষয়টিকে নিয়ে রসালো আলোচনায় ব্যস্ত !

  6. পরিমল,পান্না … হু ইজ নেক্সট
    পরিমল,পান্না … হু ইজ নেক্সট … ?
    কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ব্লগার ইষ্টিশনে লেখে । নামটা মনে পড়ছে না ।
    কিছুদিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়ে একটা লেখা পোস্ট করেছিলেন ।
    ওনার সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে ।

    1. দয়া করে গালি গালাজ করে
      দয়া করে গালি গালাজ করে ইস্টিশনের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
      ভদ্র ভাষায় ও প্রতিবাদ করা যায়

  7. এই মেয়ে গুলা কিভাবে এত গাধা
    এই মেয়ে গুলা কিভাবে এত গাধা হ​য় এটা আমি মেয়ে হয়েও বুঝতে পারি না। আসলে এইটা সমাজের দোষ। ছোটবেলা থেকে মেয়ে বাচ্চাদের হাতে তুলে দেয় পুতুল আর ছেলে বাচ্চাদের হাতে রেসিং কার আর ফুটবল। মেয়েদের কে বোঝায় তার স্বপ্ন হতে হবে প্রিন্সেস হ​য়ে রাজপুত্রের অপেক্ষা করা তাকে বাঁচানোর জন্য আর ছেলেটাকে শেখায় রাজপুত্র হতে। ফলে মেয়ে গুলা ধরেই নেয় তার জীবন হল নির্ভরতার, তাই ব্রেইন এর ব্যবহার ই বন্ধ করে দেয়।

    1. ছোটবেলা থেকে মেয়ে বাচ্চাদের

      ছোটবেলা থেকে মেয়ে বাচ্চাদের হাতে তুলে দেয় পুতুল আর ছেলে বাচ্চাদের হাতে রেসিং কার আর ফুটবল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *