আমার পরী-০২

-কি হইছে
ধমকের শুরে বলল সে । মুখ গোমড়া করে বসে ছিলাম
ধমক শুনে হচকচিয়ে গেলাম ।
-নাহ কিছু হয় নাই ।
বউ এসে আমার সামনে বসল
-ডং নতুন শিখেছো নাকি ???
এই কথা শুনেই মন ভাল হয়ে গেলো
-আমার আবার কি ঢং ?
ঊল্ট প্রশ্ন করলাম তাকে ।
-মেয়ে দেখলেই খালি গায়ে হাত দিতে ইচ্ছে করে না ??



-কি হইছে
ধমকের শুরে বলল সে । মুখ গোমড়া করে বসে ছিলাম
ধমক শুনে হচকচিয়ে গেলাম ।
-নাহ কিছু হয় নাই ।
বউ এসে আমার সামনে বসল
-ডং নতুন শিখেছো নাকি ???
এই কথা শুনেই মন ভাল হয়ে গেলো
-আমার আবার কি ঢং ?
ঊল্ট প্রশ্ন করলাম তাকে ।
-মেয়ে দেখলেই খালি গায়ে হাত দিতে ইচ্ছে করে না ??
তুমার স্বভাব ত ভালো না !!
এই রকম কথাবার্তা বউ শুধু অইসময় ই বলে যখন তার
মন প্রচন্ড ভালো থাকে !
আমিও তার এমন কথায় বল্লাম
-একটু আগে ত ভাব মারলা এখন এখানে কেনো ?
বাহিরে থেকে এসেই বউ কে জড়িয়ে ধরেছিলাম ।
-তুমার প্যাচ প্যাচ রাখবা ??
এইটা বলে আমায় দুরে সরিয়ে দিয়ে অন্য
কি কাজে জানি চলে গেছিলো !!!
এই থেকে আমার রাগ !!!
আমার বউ আমার সব আর আমিই একটু জড়িয়ে ও
ধরতে পারব না !
এই রাগে বিছানায় মুখ গোমড়া করে বসে ছিলাম ।
কিন্তু বউ যখন পাশে এসে বসল এবং তার পেলব কোমল
হাত দুটি আমার দুই গাল ধরে মাথা টা তার
দিকে নিয়ে গেলো তখন দুনিয়ার সব কিছু ভুলে আমি শুধু
তার মুখটাই দেখতে লাগলাম ,,,
– একি !!!
তার এমন প্রশ্নে বাস্তবে আসলাম ।
-কি হইছে ???
আমি বললাম ।
-নাহ আমার হাজবেন্ডের মুখ দেখি !!
এটা বলেই আর বলল না ।
আমি বললাম
-কি ???
সে তার অসম্পুর্ন কথা টা পুরন করল ।
-দেখতে ঠিক শাহান গাধার মত !
কথাটা বলেই খিক খিক করে হেসে উঠল !!
আমি তখন মতলব বুঝে গেছি !!! এই মেয়ে আমাকে পাগল
বানিয়েই ছাড়বে !! আমি আর তার দিকে তাকাতে পারলাম
না , ঝড়ের বেগে বউয়ের গলায় চুমু খেতে লাগলাম । কিচ্ছু
বললনা ।
শুধু একবার বলল কে এসেছে মনে হয় ?? আমি বললাম
-আসুক !
ঠীক ঐ সময় তার নকিয়া ফোনটা বেঝে উঠল ।
আমি থামছি না ।
কিন্তু সে অই অবস্থায় ই ফোন টা রিসিভ করল ।
-হ্যালো
অপাশ থেকে কে কি বলল আমি শুনলাম না কিন্তু হটাত
যেনো সে বদলে গেলো ।
আমি সরে এলাম ।
বললাম
-কোনো সমস্যা ?
অ ফোনটা ধরে আছে এখন ও ।
আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম
– কি হইছে ??
বলল না কিছু ।
এটা তার স্বভাব যখন কোনো কথা শুনে হটাত মন খারাপ
হয় তখন তার মুখ দিয়ে কোনো কথাই বের হয় না ।
আমি ফোন টা কান থেকে ছিনিয়ে নিলাম ।
ফোনে যা শুনলাম তাতে আমার মুখ দিয়ে ও কথা বের
হচ্ছিল না । আমি বললাম
-ড্রেস পরে ফেলো । এখনই বেরুতে হবে ।
ও নড়ছে না । আমি তার নাম ধরে জোরে বললাম ,
বাস্তবে ফিরে এলো ।
আমি আবার বললাম
-রেডি হও ।
সে মুখ কঠিন করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-কেনো ?
আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম । একি বলে ? যার জন্য
সে তার সত্বিত্ব আমার কাছ থেকে এখন ও
রহ্মা করে চলছে । যার জন্য তার সে সব কিছু মনে করে।
তার মিত্যু সংবাদ শুনে সে বলে
=কেনো রেডি হবো ?
আমি বললাম
-অকে । আমি গেলাম,,
আমার হাতে ধরল । বলল
-শাহান তুমায় অনেক কষ্ট দিছি আর না । এত সহ্য
করলা কেম্নে ?
আমি বললাম
-এসব কথা পরে বলা যাবে , এখন চলো ।
তার চুখে এখন ও পানি নেই ।
আমি আরোও অবাক হচ্ছি কারন সে স্বাভাবিক আচরনই
করছে ।
উল্ট আমায় বলল
-আমি যাচ্ছি না ।
আমি তখন অসহায়ের মত তার দিকে চেয়ে থাকলাম ।
আমি এই মেয়েটাকে কখনই চিনতে পারলাম ।
বিছানা থেকে উটে এসে আমায় জড়িয়ে ধরল ।
-শাহান তুমি আমায় বলেছিলে না , আমি স্বধীন !!
আমি বললাম
-হ্যা ত ?
-তাইলে আমি স্বাধিন ভাবে তুমাকে পেতে চাই ।
আমি শুধুই তুমাকে ভোগ করতে চাই ।
আমি কিছু বললাম বললাম না । এই রকম
পরস্থিতি তে বললতে নেই । তারপর ও তার চুলে আলত
হাত রেখে বললাম- আমি যাই ?
আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল না । -যাবে না ।
আমি তার সম্পর্কে বেশি জানি না । শুধু
এটা জানি সে যে তাদের অনেক আগে ব্রেক আপ হইছে ।
আমার বউ ভালবাসত কিন্তু কি একটা ঝামেলা হয় ।
যাইহোক আমি তার এই ব্যাপারটা নিয়ে কখনই কিছু
জিজ্ঞেস করি নি । শুধু একদিন বলেছিলাম তুমার
কারো সাথে এফেয়ার থাকলে চালিয়েও
যেতে পারো আমার কোন সমস্যা নাই ।
ও বলেছিলো
-শাহান একটা জিনিস চাই তুমার কাছে দিবে ?
– আমি তার ঠুটে হাত রেখে বললাম
-আমি দিবো কিনা এই চিন্তা জিবনে ও কোরো না !
জাস্ট বলবা ! আমি বেঁচে থাকতে তা অপুর্ন
থাকতে দিবো না।
তার চাওয়াটা আমার কাছে খুব সহজ একটা জিনিস
ছিলো ।
ও বলল
-আমি বাচ্চা এখন নিতে পারব না । আমি চাই আমার
যতদিন না ইচ্ছে তত দিন আমরা আলাদা বেড এ
ঘুমাবো ।
কথাটা শুনে আমি হাসিব না কাদব বুঝিনা !
এই অবস্থায় সে খুব ভয় পেয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছে ,
যে আমি কি বলি এটা দেখার জন্য ।
আমি ডান হত তুললাম তার গালে চড় বসানোর জন্য ।
বসালাম খুব আস্তে একটা ।
বললাম
-তুমি আমার জিবন তুমিই সব । আর এই ছোট্ট জিনিস
টা আমি দিতে না পারলে কি ভালবাসলাম তুমাকে ??
আমার কথা গুলো তার মাথায় ঢুকছে কি না জানি না ।
তবে হা করে সে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ।
আমি আরোও বললাম
আচ্ছা তুমি দেখি আমার ছোট একটা বোন জুহির মত
গাধা মার্কা !!
ও বলল
–কারন ?
আমি বললাম
-দেখো আমি তুমায় কত ভালবাসি এখন ও এটা তুমি জান
না । তুমি যদি বলতে শাহান প্লিজ আমায় মুক্তি দাও
আমি ওর কাছে চলে যাবো তাহলে ও দিয়ে দিতাম । হয়ত
অনেক কষ্ট হত , তারপর ও তুমার শুখ আমার
কাছে আগে ।
সে কোনো কথা বলছে না ।
আমি আরোও সাথে যোগ করলাম
যে আগামি তে যেনো এত ছোট জিনিস আমার
কাছে না চায় ।
কারন সে ই ত পারে দুই টা বেডের ব্যাবস্থা করতে !!!
তার ব্রন অলা দুই গাল ক্রিতজ্ঞতায় ভরে উঠল ।
আমি বললাম
-আমি এখন খাবো !!
ও তার হাত দুটি সামনে বাড়িয়ে দিয়ে বলল তুমি না এই
হাতের অনেক প্রসংশা করো দাও
আজকে মেহেদি পরিয়ে ,
আমার পেটে হ্মুধায় চু চু করছে কিন্তু তার কথার উপর
আমার কোনো কথাই চলে না ।
ড্রেসিং টেবিল থেকে মেহেদির নতুন প্যাকেট
টা এনে খুললাম । তার হাতে মেহেদি দেওয়া শুরু করলাম
এদিকে বাহিরে অঝর ধারায় ব্রিষ্টি শুরু হলো । আমায়
বলল
-এই আজকে ব্রিষ্টিতে ভিজবে ??
-নাহ ।
-না কেনো ???
-আমি না । তুমি যাও ।
সে বলল
-একা একা ভাল্লাগে না । প্লিজ চলো ।
-তুমার মেহেদি নষ্ট হয়ে যাবে ত !
-তুমি কি চলে যাবে ? যে আবার দিতে পারবে না ??
-ওকে চলো ।
সে তার শুকনো চুল গুলো খুলে ফেলল ।
আমি বললাম
-এই তুমি এ কি করো ??
ও আমার কথার উত্তর না দিয়েই ব্রিষ্টিতে নেমে গেল ।
আমি তাকিয়ে দেখছি এক অপরুপ পরী দুই হাত প্রসারিত
করে ব্রিষ্টির মাঝে ভিজছে আর মাঝে মাঝে আমায়
ঢাকছে । আমি ঠিক তখনই মারা যাওয়ার জন্য
প্রার্থনা করলাম । আমি এত সুন্দর শুখের সময় ই
মরতে চাই ।
আমার ভালবাসা আমার প্রেম সব আজ সার্থক

৮ thoughts on “আমার পরী-০২

  1. ভাই, রাত- বিরাত এগুলা কি শুরু
    ভাই, রাত- বিরাত এগুলা কি শুরু করলেন! এখন গুমাব কেম্নে বলেন দেখি?

    এনিওয়ে, পড়তে মজাই লাগতাছিল কিন্তু প্রচুর বানান ভুল আছে। পড়ার সময় দৃষ্টিকটু দেখায়, ঠিক করে দেন!

  2. বানান মারাত্মক রকম ভুল। তবে
    বানান মারাত্মক রকম ভুল। তবে স্বামী স্ত্রীর রোমাঞ্চ ভালো লেগেছে। বানান গুলো ঠিক করে দিবেন।

  3. লিখতে থাকুন, পড়তে ভালোই লাগছে
    লিখতে থাকুন, পড়তে ভালোই লাগছে ।কোনদিন বিয়ে করলে কথা গুলো কিছুটা কাজে লাগবে!:-P

  4. ভুলে মন্তব্যের জায়গায় পোস্ট
    ভুলে মন্তব্যের জায়গায় পোস্ট করে ফেলছি । কিন্তু এখন পোস্ট টা ডিলিট দিতে পারছি না । কেউ সাহায্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *