[Engineering Marvels]Bugatti Veyron:বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম রেসিং কার

একবার চিন্তা করে দেখুন, ঢাকা থেকে চিটাগাং যেতে আপনার ১ ঘন্টারও কম সময় লাগবে। যদি আমার কাছে এইরকম কোন ভেহিক্যাল থাকতো তাইলে অবশ্যই আমি হলে থাকতাম না। প্রতিদিন চিটাগাং থেকে এসে বুয়েটে ক্লাস করতাম। হলের অখাদ্যি খেতে খেতে জীবন ওষ্টাগত প্রায়!

It’s a masterpiece of Art and Engineering. An weird combination of Science and Mechanical Engineering. Yes. It’s Bugatti Veyron.

NatGeo’র একটা ডকুমেন্টারিতে এমনভাবেই বিশেষায়িত করা হয়েছে এই সুপার কারকে। আসুন আজকে তাহলে এই গড়ি সম্পর্কে একটু ধারণা লাভ করি।


একবার চিন্তা করে দেখুন, ঢাকা থেকে চিটাগাং যেতে আপনার ১ ঘন্টারও কম সময় লাগবে। যদি আমার কাছে এইরকম কোন ভেহিক্যাল থাকতো তাইলে অবশ্যই আমি হলে থাকতাম না। প্রতিদিন চিটাগাং থেকে এসে বুয়েটে ক্লাস করতাম। হলের অখাদ্যি খেতে খেতে জীবন ওষ্টাগত প্রায়!

It’s a masterpiece of Art and Engineering. An weird combination of Science and Mechanical Engineering. Yes. It’s Bugatti Veyron.

NatGeo’র একটা ডকুমেন্টারিতে এমনভাবেই বিশেষায়িত করা হয়েছে এই সুপার কারকে। আসুন আজকে তাহলে এই গড়ি সম্পর্কে একটু ধারণা লাভ করি।

Bugatti Veyron External Look

Bugatti Veyron Internal Look

Bugatti Veyron Super Sport হলো বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম রেসিং কার। এর অবিশ্বাস্য গতির জন্য একে শুধুমাত্র ‘কার’ না বলে “সুপার কার” বলা ভাল। এর টপ স্পিড একটা বিমানের টেক অফ স্পিডের সমতুল্য!!!! গাড়িটি ডিজাইন ও ডেভেলাপ করছে বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Volkswagen এবং এর উৎপাদনের দায়িত্বে ছিলো ফ্রান্সের মোলশেইমে অবস্থিত Bugatti Automobiles S.A.S.

Bugatti Veyron প্রথম উৎপাদনের পর থকে আজ পর্যন্ত অনেক সংস্করণ বের হয়েছে। ডেভেলাপমেন্টের সময়ানুযায়ী একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

১.Bugatti Veyron (2005-2011)
২.Bugatti Veyron Grand Sport (2009-)
৩.Bugatti Veyron Super Sport(2010-)

শুধু তাই নয়, Buggatti তাঁদের গ্রাহকদের ফরমায়েশ অনুযায়ী বিভিন্ন মোডিফিকেশন ও ডেভেলাপ করে গাড়ি তৈরি করে থাকে। Bugatti Super Sport ভার্সনটি আইনত রাস্তায় চলাচল উপযোগী সবচেয়ে দ্রুততম গাড়ি। এর টপ স্পিড ৪৩১.০৭২ কিলোমিটার/ঘন্টা(২৬৮ মাইল/ঘন্টা) যেখানে এর অরিজিনাল ভার্সনটির গতি তুললনামূলকভাবে একটু কম ৪০৮.৪৭ কিলোমিটার/ঘন্টা(২৫৪ মাইল/ঘন্টা)। বিবিসির জনপ্রিয় টেলিভিশন প্রোগ্রাম “Top Gear” একে “Car of the deacde”(2000-2009) বলে ঘোষণা দিয়েছে এবং ২০০৫ সালে এটি “Best Car Driven All Year” অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

স্পেসিফিকেশনঃ
প্রথমেই বলে রাখা ভাল, Bugatti Veyron এর ইঞ্জিন ডিজাইন করতে এর ইঞ্জিনিয়ারদের প্রায় ৫ বছর সময় লেগেছিলো। এটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো তাঁদের কাছে। কেননা এত দ্রুত গতির একটা “সুপার কার” এর ইঞ্জিনকে ছোট ও Sustainable করার জন্য ইঞ্জিনিয়াররা একটা উপায় খুঁজছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছরের জটিল ও অসাধারণ সব পরীক্ষা শেষে ইঞ্জিনিয়াররা সাফল্যের মুখ দেখতে পান। Veyron এর প্রধান ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন Hartmut Warkuss এবং এর অভ্যন্তরীণ ডিজাইন করেন Volkswagen এর Jozef Kaban। এবং এ সমস্তই পরিচালিত হয়েছে প্রধান Wolfgang Schreiber এর তত্ত্বাবধানে।
এবার তাহলে নজর দেয়া যাক এর স্পেসিফিকেশনের দিকেঃ

১.ক্লাসঃ Super Car

২.লে-আউটঃ Longitudinal Mid-Engine

৩.ড্রাইভ মেকানিজমঃ 4 Wheel Drive(4WD)

৪.বডি স্টাইলঃ Coupe

৫.ইঞ্জিনঃ Super Sport এর W-16(২টা V8 Engine এর সমতুল্য) ইঞ্জিনের(১২০০ পিএস বা ৮৮০ কিলোওয়াট ) ক্ষমতা এর অরিজিনাল ভার্সন(১০০১ পিএস বা ৯৮৭ কিলোওয়াট) থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং এর টর্ক ১১০০ পাউন্ড/ফিট যা আগের ভার্সনের তুলনায় ১৮৪ পাউন্ড/ফিট বেশি।

৬.ওজনঃ Bugatti দাবি করেছে তারা গাড়িটিকে হালকা করতে Carbon Fibre দ্বারা তৈরি একটি স্ট্রাকচার ব্যবহার করেছে যা গাড়িটির Torsional Rigidity অনেকাংশে বাড়িয়েছে।

৭.সাস্পেনশনঃ এই ভার্সনে এসে Bugatti তাঁদের সাসপেনশন সিস্টেমেও পরিবর্তন এনেছে। পরিবর্তন গুলো হলঃ Longer Spring Travel, Anti-Roll Bars and New Dampers.

৮.টপ স্পিডঃ যেহেতু গাড়িটি অ্যারোডিন্যামিকেলি তৈরি করা হয়েছে তাই এর স্পিড অন্যান্য সাধারণ রেসিং কারের তুলনায় অনেক বেশি। এর টপ স্পিড ঘন্টায় ৪৩১ কিলোমিটার কিন্তু এর ইনটেলিজেন্ট কম্পিঊটার সিস্টেম চালকের নিরাপত্তার কথা ভেবে ৪১৫ কিলোমিটার/ঘন্টাতেই গাড়ির গতি স্থির রাখে।

সবশেষে, এই দানবীয় গতির গাড়িটির দামও কিছুটা আকাশ চুম্বী!!! ব্রিটিশ পাউন্ডে হিসাব করলে ১.৭ মিলিয়ন পাউন্ড যা বাংলাদেশী টাকায় ২০ কোট টাকার ও কিছু বেশি। কিন্তু হতাশার ব্যপার হলো এই যে, শুধু টাকা থাকলেই আপনি এই গাড়ি কিনতে পারবেন না কারণ Bugatti বলেছে শুধুমাত্র ৩০ টি Bugatti Veyron Super Sport তারা উৎপাদন করবে।

১৭ thoughts on “[Engineering Marvels]Bugatti Veyron:বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম রেসিং কার

  1. ইউটিউবের সুবাদের
    Bugatti

    ইউটিউবের সুবাদের
    Bugatti Veyron
    Lamborghini Aventador
    Lexus LFA
    McLaren MP4-12C
    এর একটা হেড টু হেড একটা ড্র্যাগ রেস দেখেছিলাম।
    গতি মানেই অসাধারণ রোমাঞ্চ।
    Bugatti Veyron সম্পর্কে বাংলায় লেখা দেখে ভাল লাগলো।

  2. আমার দৃঢ় বিশ্বাস Bugatti
    আমার দৃঢ় বিশ্বাস Bugatti Veyron একদিন ঢাকার রাস্তায় চলাচল করতে পারে বা করবেই তবে সেদিন হয়তো আমি আপনি থাকবো না ।

    ভালো লেগেছে ।নতুন কিছু জানলাম ।

    1. বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি, আপনার
      বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি, আপনার এই ধারনা পুরোপুরি ঠিক না। আমাদের দেশের এক শ্রেনীর মানুষের কাছে এখনি কয়েকটা Bugatti Veyron কেনার পয়সা আছে। সমস্যা একটাই, Aero dynamicity maintain করার জন্য low clearance এর কারনে গাড়ীর তলা speed breaker এ ঠেকে যাবে 😀 আরেক হিসাবে আপনার কথা ঠিক। এদেশে আসলেও, আমার বা আপনার কোনদিন এই গাড়ী চড়ার সৌভাগ্য হবে বলে মনে হয় না :কানতেছি:

  3. bugatti vyron সম্পর্কে বাংলায়
    bugatti vyron সম্পর্কে বাংলায় তথ্য দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে। এমনিতেই আমি গাড়ির ভক্ত। কাজ কাম না থাকলে সারাদিন গুগলে গাড়ির ছবি দেখে কাটাই। যদিও সেগুলো কেনার এক ন্যানো পরিমান সম্পদ আমার নাই!

    1. দোয়া করি, আপনার এমন সম্পদ হবে
      দোয়া করি, আপনার এমন সম্পদ হবে যাতে একটি নয় এমন হাজারটি কিনতে পারেন 🙂

      Beneath the mask there is an idea and ideas are bullet-proof.

      Stay Connected @ফেসবুক | পার্সোনাল ব্লগ

  4. প্রতিদিন চিটাগাং থেকে এসে

    প্রতিদিন চিটাগাং থেকে এসে বুয়েটে ক্লাস করতাম। হলের অখাদ্যি খেতে খেতে জীবন ওষ্টাগত প্রায়!

    বুয়েটের খাদ্য কি খারাপ নাকি! জানতাম না… এমন হলে আমরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী প্রকৌশলী কীভাবে পাব!

    1. খাবার মোটেই খারাপ না!! কিন্তু
      খাবার মোটেই খারাপ না!! কিন্তু বাসার খাবারের সাথে তো পার্থক্য অবশ্যই আছে!!! 😉

      Beneath the mask there is an idea and ideas are bullet-proof.

      Stay Connected @ফেসবুক | পার্সোনাল ব্লগ

  5. কিছুদিন আগে দুবাইয়ে প্রবাসী
    কিছুদিন আগে দুবাইয়ে প্রবাসী এক বাংলাদেশীকে দেখলাম যিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ফেরারি গাড়ির মালিক হয়েছেন।

  6. ভালো চলুক গাড়িগুলো,ভালো থাকুক
    ভালো চলুক গাড়িগুলো,ভালো থাকুক গাড়ির মালিকেরা,আর আমরা পরবর্তী মডেলের অপেক্ষায় থাকি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *