হামিদ মীর ও সুশীল চরিত্র

মানবতাবাদী, সুশীলের ধ্বজাধারী হামিদ মীর বরাবরই ভণ্ডামির ধারক ছিলেন। তার কলম সেই বাক্তি বা গোষ্ঠীর অপকাজের বিরুদ্ধে সরব যখন তারা দুর্বল অবস্থানে। তার কলম এখন যতটা সরব সেনা শাসনের বিরুদ্ধে এর কিয়দংশও সরব ছিলনা পারভেজ মোশারফ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়। তিনি মূলত কাজ শুরু করেন তার পিতা জনাব ওয়ারিস মীর এর তৈরি প্ল্যাটফরম এ। উদার, গনত্রান্তিক কথা বলার পাশাপাশি তালেবান এর মত জঙ্গি সংগঠনের বিশ্বস্ততা তিনি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন! একই সাথে দুই মেরুর মত ভিন্ন মতাদর্শ তার মাঝে বিদ্যমান।


মানবতাবাদী, সুশীলের ধ্বজাধারী হামিদ মীর বরাবরই ভণ্ডামির ধারক ছিলেন। তার কলম সেই বাক্তি বা গোষ্ঠীর অপকাজের বিরুদ্ধে সরব যখন তারা দুর্বল অবস্থানে। তার কলম এখন যতটা সরব সেনা শাসনের বিরুদ্ধে এর কিয়দংশও সরব ছিলনা পারভেজ মোশারফ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়। তিনি মূলত কাজ শুরু করেন তার পিতা জনাব ওয়ারিস মীর এর তৈরি প্ল্যাটফরম এ। উদার, গনত্রান্তিক কথা বলার পাশাপাশি তালেবান এর মত জঙ্গি সংগঠনের বিশ্বস্ততা তিনি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন! একই সাথে দুই মেরুর মত ভিন্ন মতাদর্শ তার মাঝে বিদ্যমান।

মীর সাহেব বাংলাদেশে পরিচিতি লাভ করেন প্রথমআলো পত্রিকার মাধ্যমে ৫ বছর আগে। সে সময় তিনি পাকিস্থানের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ মর্মে কলাম লিখে সবার নজরে আসেন। সেসময় তার এ অনুভূতির কারণে তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি তাকে একটা মেইল ও করেছিলাম। ভদ্রতা সরুপ তিনি সে মেইলর জবাব ও দিয়েছিলেন।

পাকিস্থানি ও পশ্চিমাদের কাছে তার ভাল একটা পরিচিতি আছে। চলন, বলনে স্মার্ট গেটাপ এর এই বাক্তি শেষ পর্যন্ত তার ভারা করা বুদ্ধিজীবীতার মুখোশ আর ধরে রাখতে সক্ষম হলেন না। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শুধু মিথ্যাচারই করেননি পাকিস্থানের দ্বারা মানবতার যে বিপর্যয় ঘটেছিল তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে অন্যায় করেছেন।

হামিদ মীর এর মূল কষ্টের জায়গা, ক্ষোভের জায়গা বাংলাদেশের স্বাধীনতা তার কথায় পাকিস্থান বিভাজন। একজন পাকিস্থানি হিসাবে তার কখনও বোঝা সম্ভব আমরা কখনও যে সংস্কৃতি ধারণই করিনি তার মাঝে সম্পর্ক তো দূরের ব্যাপার।

তার গোলাম আযম সংক্রান্ত লেখা যুদ্ধপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের একটি অংশ মাত্র। গার্ডিয়ান, ইকোনমিস্ট, বিবিসি এর মত তার লেখাও প্রেসক্রাইবড করা।

যাহোক, সামনে দেশে-বিদেশে এরকম আরও মুখোশধারী কুলাঙ্গার এর পরিচয় আমাদের সামনে উন্মোচিত হবে।

১৬ thoughts on “হামিদ মীর ও সুশীল চরিত্র

  1. মতি আমু ফত্রিকা যারেই হিরো
    মতি আমু ফত্রিকা যারেই হিরো বানায় সে মতি মিয়াকে ছ্যাঁকা মাইরা দেয়। হামিদ মীর যে একটা আন্তর্জাতিক ভন্ড এইটা সবার জানা। যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে পাকিস্তান বিভাজন বলে তার রুচিবোধ এবং ইতিহাসজ্ঞান সম্পর্কে আমি সন্দিহান।

    এজন্যই স্যার হুমায়ূন আজাদ বলেন “পাকিস্তানিরা গোলাপ নিয়ে এলেও আমি তাদের বিশ্বাস করিনা।”
    দোষ হামিদ মীরের নয়। দোষ পাকিস্তান জাতির। সারা পৃথিবী এত নষ্ট জাতি আজ পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করেনি। করবেও না কোনো দিন।
    পাকসার জমিন বরবাদ হোক। হালা ফাকি গুন্ডার দল। :ক্ষেপছি:

  2. গত মার্চ মাসে হামিদ
    গত মার্চ মাসে হামিদ মীর
    বাংলাদেশে এসে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা নেন তার
    বাবার হয়ে। তখন কোন এক পত্রিকায় তার
    ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছিল। আমি তা ৩ বার
    পড়েছিলাম।একজন পাকিস্তানির এই রকম উদার
    মনোভাব আমাকে পুরো মুগ্ধ করে ফেলেছিল।
    বিশবাস করতে পারি নি। পাকিস্তনি দের
    প্রতি আমার শূন্য শ্রদ্ধার কাটা একটু উপরেও
    উঠলো।
    যাই হোক ৩ মাস পর মীর সাহেব জাত চেনালেন।
    গোলাম আজমের মত কীটকে তিনি জাতীয় বীর
    বলেছেন!
    ধন্যবাদ মীর সাহেব।
    গোলাপ হাতেও হুমায়ুন আজাদ স্যার
    পাকিস্তানিদের বিশবাস করতে না করেছিলেন।
    উনার বাকি কথাগুলির মত এটাও যথার্থ ছিল।

  3. “পাকিস্তানিরা গোলাপ নিয়ে এলেও

    “পাকিস্তানিরা গোলাপ নিয়ে এলেও আমি তাদের বিশ্বাস করিনা।”

    আরেকবার কথাটার সত্যতা প্রমানের জন্য হামিদ মীরকে ধন্যুবাদ। শালা :তুইরাজাকার: :তুইরাজাকার: :তুইরাজাকার:

  4. হামিদ মীরের পুরো বক্তব্য
    হামিদ মীরের পুরো বক্তব্য পড়লাম। বেচারা এখনও ফাকিস্থান ভাঙার দুস্কে বেচাইন। গুয়াজমরে এই দেশের মানুষ কি পরিমাণ ঘৃনা করে সেটা জানলে পাতলা পায়খানা শুরু হয়ে যাবে। অথবা জেনেও না জানার ভান করে, হাজার হলেও রক্তেই ভণ্ডামি।

  5. একজন পাকিস্থানি হিসাবে তার

    একজন পাকিস্থানি হিসাবে তার কখনও বোঝা সম্ভব আমরা কখনও যে সংস্কৃতি ধারণই করিনি তার মাঝে সম্পর্ক তো দূরের ব্যাপার।

    :থাম্বসআপ:

  6. আমাদের প্রথম আলো আসলেই একটা
    আমাদের প্রথম আলো আসলেই একটা আন্তর্জাতিক পত্রিকা।আজকের পেপার দেখেছেন? বামদিকে পাকি ডানদিকে আফগান। বেশ কয়েক মাস আগে দেখেছিলাম–“থাকতে চান সাকলায়েন”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *