[Advanced Warfare Technology] IRON DOME: A Spohisticated Anti-Missile Defense System

কল্পনা করে দেখুন শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে ছুটে আসা রকেট কে থামাতে হবে!!! যে জিনিসটি এই রকেট কে থামাবে তাকেও হতে হবে শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিসম্পন্ন এবং এর রেস্পনস টাইম হতে হবে কয়েক সেকেন্ড!! ভাবছেন এ তো অসম্ভব!! মোটেই না!!

আয়রন ডোমঃ

কল্পনা করে দেখুন শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে ছুটে আসা রকেট কে থামাতে হবে!!! যে জিনিসটি এই রকেট কে থামাবে তাকেও হতে হবে শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিসম্পন্ন এবং এর রেস্পনস টাইম হতে হবে কয়েক সেকেন্ড!! ভাবছেন এ তো অসম্ভব!! মোটেই না!!

আয়রন ডোমঃ
ইসরাইল অ্যারো স্পেস ইন্ডাস্ট্রি ও রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেম এর তৈরি একটি অ্যান্টি-মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। মূলত ইসরাইলের দিকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া রকেট ধ্বংস করতেই তাদের ইঞ্জিনিয়ার রা এটি ডিজাইন, তৈরি ও যুদ্ধক্ষেত্রে ডিপ্লয় করেন। সিস্টেমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি ৪ থেকে ৭০ কিলোমিটার দূর থেকে আসা রকেট হামলা কে প্রতিহত করতে পারে (ভবিষ্যতে এর ইণ্টারেসেপ্টিং রেঞ্জ ৭৫ থেকে ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে এবং একে আরো ভারসেটাইল করার প্ল্যান আছে যাতে করে এটি দু দিক থেকে আসা হামলাকে প্রতিহত করতে পারে)

স্পেসিফিকেশনঃ
দিন-রাত এমনকি প্রতিকূল আবহাওয়াতে কাজ করার উপোযোগী এই আয়রন ডোম। এটি একই সাথে কয়েকটি রকেট হামলা প্রতিহত করতে পারে। আর এই মিসাইলের অব্যর্থ কার্যক্ষমতার পেছনে রয়েছে এর CLASSIFIED ও Sophisticated RADAR System.

আয়রন ডোমের তিনটি প্রধান কম্পোনেন্ট রয়েছেঃ
১. Detection and Tracking RADAR: এটি রকেট উৎক্ষেপণ শনাক্ত এবং এর গতিপথ ট্র্যাক করে।
২. Battery Management and Weapon Control: এটি রিপোরটেড ডাটা অনুযায়ী রকেটের এক্সপেক্টেড হিট পয়েন্ট নির্ধারণ করে এবং সে অনুযায়ী মিসাইল ফায়ারিং সিস্টেম কে ডিসিশন দেয়।
৩.Missile Firing Unit: RAFAEL এর তৈরি Tamir Interceptor Missile নিক্ষেপকারী ইউনিট।

আরো কিছু তথ্য
১.ওজনঃ ৯০ কেজি (২০০ পাউন্ড)
২. দৈর্ঘ্যঃ ৩মি (৯.৮ ফিট)
৩. ডায়ামিটারঃ ১৬০ মিমি
৪. ডেটোনেশন মেকানিজমঃ Proximity Fuze
৫. Launch Platform: তিনটা মিসাইল বহনকারী প্ল্যাটফর্ম যার প্রত্যেকটা ২০টা করে Interceptor বহন করতে পারবে।
৬. ইউনিট কস্টঃ প্রতিটি মিসাইল এর মূল্য $35000- $50000 ও ব্যাটারির মূল্য অবাক করার মত!! প্রত্যেকটা ব্যাটারির মূল্য ৫০ মিলিয়ন ডলার!!!!!

ডেভেলাপমেন্টঃ
সাধারণত একটি মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ডিজাইন করা থেকে শুরু করে কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করাতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।অবাক করার মত ব্যাপার আয়রন ডোমের ক্ষেত্রে এই সময় ছিলো মাত্র ৪ বছর। আমেরিকান জায়ান্ট Lockheed Martin এই কাজে যুক্ত ছিলো।আর ইসরায়েলি কোম্পানি mPrest এর দায়িত্ব ছিলো Battle Management System এর কোর প্রোগ্রামিং করা।

There was no system like this, anywhere in the world, in terms of capabilities, speed, accuracy. We felt like a start-up

—Eyal Ron, a manager at mPrest

যুদ্ধক্ষেত্রে এটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ২০১১ সালে দক্ষিণ ইসরাইলে।

কিভাবে এটি কাজ করেঃ

তবে রকেটের তুলনায় উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক অস্ত্র বিশেষজ্ঞ এটি ব্যবহারের বিরোধিতা করলেও IRON DOME কে বলা হচ্ছে ISRAEL DEFENSE SYSTEM এর সবচেয়ে কার্যকরী অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেম।

৮ thoughts on “[Advanced Warfare Technology] IRON DOME: A Spohisticated Anti-Missile Defense System

  1. ধন্যবাদ অ্যানোনিমাস ভাই,
    ধন্যবাদ অ্যানোনিমাস ভাই, সামরিক একটি অজানা বিষয় জানিয়ে দেবার জন্য ।

  2. শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন
    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। নতুন কিছু জানলাম। আসলে রকেট থামানোর এই প্রযুক্তির কথা আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম।

    1. পিএল এর বন্ধে বাসায় আসার পর
      পিএল এর বন্ধে বাসায় আসার পর একদিন ডিসকভারি চ্যানেলে “কম্ব্যাট কাউন্টডাউন” নামে একটা প্রোগ্রামে আয়রন ডোম সম্পর্কে জানতে পারি। যেহেতু মেকানিক্যাল এ পড়ছি এবং আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ আছে তাই ইন্টারনেট ঘেঁটে এইটা নিয়ে একটা পোস্ট লিখে ফেলি 🙂

      Beneath the mask there is an idea and ideas are bullet-proof.

      Stay Connected @ফেসবুক | পার্সোনাল ব্লগ

  3. এই জিনিসটা আমাকে খুব আকর্ষন
    এই জিনিসটা আমাকে খুব আকর্ষন করে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। এটা কি সিরিজ হবে? :ভালাপাইছি:

    1. এই ধরনের তথ্যসমূহ সবসময় ভালো
      এই ধরনের তথ্যসমূহ সবসময় ভালো লাগে আর নতুন কিছু জানার আগ্রহের কারনেই আরো কিছু আশা থেকে গেলো আপনার কাছ থেকে ………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *