লম্পটের ফাঁসি নব্য পিতৃ পরিচয় হীনের জন্ম।(সুশীলতা বর্জিত)

ডিম্বানু ও শুক্রানুর মিলনে জাইগোট সৃষ্টি হয়।উক্ত জাইগোটের সুষ্ঠ বিকাশ ও পরিস্ফুটনের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশু।
এই নিষেক প্রকৃয়া সংগঠিত হওয়ার জন্যে মানবদের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু আইন রয়েছে।
যার লক্ষ্য হলো সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
এই আইনি প্রকৃয়ার নাম হল বিয়ে।

বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের ফলে কোন শিশু জন্ম নিলে সমাজ ভাল চোঁখে দেখেনা।
উক্ত শিশুকে জারজ বলা হয়।
যদি ও এই শিশু নিষ্পাপ কোন অপরাধ করে নি।
এদের মাঝে কেউ কেউ হয়ত স্বীকৃতি পায়..!
আবার অনেকেই পায় না,যারা পায় না তাদের কেউ কেউ বড় হয়ে লম্পট পিতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে।
ঘৃনা ভরে শাস্তি স্বরুপ ফাঁসীর দাবী করে।

ডিম্বানু ও শুক্রানুর মিলনে জাইগোট সৃষ্টি হয়।উক্ত জাইগোটের সুষ্ঠ বিকাশ ও পরিস্ফুটনের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশু।
এই নিষেক প্রকৃয়া সংগঠিত হওয়ার জন্যে মানবদের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু আইন রয়েছে।
যার লক্ষ্য হলো সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
এই আইনি প্রকৃয়ার নাম হল বিয়ে।

বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের ফলে কোন শিশু জন্ম নিলে সমাজ ভাল চোঁখে দেখেনা।
উক্ত শিশুকে জারজ বলা হয়।
যদি ও এই শিশু নিষ্পাপ কোন অপরাধ করে নি।
এদের মাঝে কেউ কেউ হয়ত স্বীকৃতি পায়..!
আবার অনেকেই পায় না,যারা পায় না তাদের কেউ কেউ বড় হয়ে লম্পট পিতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে।
ঘৃনা ভরে শাস্তি স্বরুপ ফাঁসীর দাবী করে।
যদিও এদের শাস্তি ফাঁসি থেকেও অনেক বেশি হওয়া উচিত।
ফাঁসির দাবীতে উড়ে যায় দেও,দৈত্য-দানো সহ সকল দাদা বাবুদের কাছে।
দরকার হলে বৌ,বোন সকল সম্পদ বন্ধক রেখে ফাঁসি চায় লম্পট পিতার।

ফাঁসি কারো হয়,কারো হয় না
স্বাক্ষী প্রমানের অভাবে।

এরা মানবে কেন নারী,পুরুষ সবে মিলিত হয় একই মোহনায়।
তীব্র হুঙ্কার উঠে লম্পট পিতার ফাঁসি চাই।
এদের মাঝে কেউ কেউ জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
জন্ম হয় আরো কিছু পিতৃ পরিচয় হীন শিশুর।
শত হলে ও লম্পট পিতার রক্ত এদের শরীরে।

বলতে চেয়ে ও বলা হলো না অনেক কথা।

আসুন না লাম্পট্য পরিহার করি।

তীব্র ঘৃনা কিছুই নয় আপনাদের জন্য যখন দেখি মেয়ের বয়সী বাচ্ছার বুকে নজর দিচ্ছেন ঝুকে ঝুকে।

কিংবা মায়ের বয়সী খালার শরীরটা হাতিয়ে দিচ্ছেন প্রচন্ড ভীড়ের চাপে।

যখন দেখি ছোট ভাইয়ের বয়সী ছেলের গায়ের গন্ধ শুকছেন বাসের ভীড়ে।
কি অসভ্য,কত নোংরা।

অবাক হয়ে যাই,বাসা থেকে বেরুতে চাই না যখন আপনি বেহায়ার মত বলেন বডি স্প্রেটা দারুন হয়েছে ছোট ভাই,অসাধারন স্মেল।
যখন বলি আপু আমি কোন স্প্রে করিনি।
তখন আপনার কাছ থেকে জবাব আসে ন্যাচারাল।
অদ্ভুত জীবন ব্যবস্থা অদ্ভুত এ শহরের মানুষ গুলো।

তালগোল পাকিয়ে একাকার হয়ে যায় আমার ইচ্ছে করে তারস্বরে গলাছেড়ে চিৎকার করে বলি আব্বু আমি এ শহরে থাকব না।
আমাকে তুমি গ্রামে থাকতে দাও,আমার গ্রাম,আমার পৃথিবী।

বাবা বলে ওখানে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ নেই…
তুই থাকতে পারবি না।
আমি চুপ হয়ে যাই।

বাবাকে কি করে বলি বাবা দশ বছরের একটা মেয়ে শিউরে উঠে আমায় দেখে,সমবয়সী একটা মেয়ে ঠোঁট কামড়ায়,বড় মেয়েরা ভ্রু কুচকায়।যখন ছাদে যাই পাশের বাসার মেয়েদের মায়েরা সন্দেহের চোঁখে তাকায়।

এত অবিশ্বাসের মাঝে শ্বাস নেওয়া আমার জন্য মারত্বক পীড়াদায়ক বাবা।
আমার অপরাধ আমি পুরুষ !!

১০ thoughts on “লম্পটের ফাঁসি নব্য পিতৃ পরিচয় হীনের জন্ম।(সুশীলতা বর্জিত)

  1. ভাইজান আজকে তো আবার পোস্টের
    ভাইজান আজকে তো আবার পোস্টের বন্যায় সব অন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছেন। ভাসিয়ে দেওয়ার সময় একটু ইস্টিশনবিধি বেচারাকেও মনে রাইখেন। বেচারারে আর কতো কষ্ট দিবেন?

  2. ইস্টিশনের কার কেমন লাগবে জানি
    ইস্টিশনের কার কেমন লাগবে জানি না! আমি বরাবরই ইস্টিশনে (অনেকের কাছে) স্রোতের বিপরীতে চলা ব্যক্তি…
    আমার কাছে কিন্তু মন্দ লাগেনি! বরং মনে হয়েছে সমাজে এমন চিত্র অপ্রকাশিত কিংবা সংখ্যায় অল্প হলেও অবাস্তব নয় মোটেই। তবে আপনার লেখাগুলো আরেকটু গুছিয়ে লিখলে ভালো হয়। নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট ম্যাসেজটা ধরতে পারছি না। একসাথে একাধিক ম্যাসেজ এসে পড়ে যেন… যা বলার আরেকটু ক্লীয়ার করে ডিটেইল বলুন।

    জানি বলা উচিৎ না তবু না বলে পারছি না-
    আপনার যে কয়টা পোস্ট এখন পর্যন্ত পড়েছি বেশ ভালোই লেগেছে। কিন্তু অনেককেই দেখলাম আপনার পোস্টগুলো ভালো চোখে দেখছে না! কারণটা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না…
    আপনার (“সত্যের তলোয়ার”) আইডির নামটাতে একটু জামাত-শিবির গন্ধ আছে… এটাই কি কারণ? কি জানি! দেখা যাক কি হয়…

    শুভেচ্ছা নিবেন… :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *