অসুস্থতার অভিশাপে লাবণী

কড়াইয়ের গরম তেলে কাকরোল ছেড়ে দিতেই ফোনটা বেজে উঠল। মিষ্টি চুলার জ্বাল কমিয়ে ফোন ধরতে গেলেন।
– হ্যালো।
– লাবণীদের বাসা?
– জি।
– আপনি কে?
– আমি লাবণীর মা। কেন?
– লাবণী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওকে স্কুলের কমন রুমে রাখা হয়েছে। আপনি কি আসতে পারবেন?
– লাবণীর কি হয়েছে?
– ক্লাস করতে করতে খিঁচুনি উঠে এরপর অজ্ঞান হয়ে যায়।
– আমি আসছি।

কড়াইয়ের গরম তেলে কাকরোল ছেড়ে দিতেই ফোনটা বেজে উঠল। মিষ্টি চুলার জ্বাল কমিয়ে ফোন ধরতে গেলেন।
– হ্যালো।
– লাবণীদের বাসা?
– জি।
– আপনি কে?
– আমি লাবণীর মা। কেন?
– লাবণী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওকে স্কুলের কমন রুমে রাখা হয়েছে। আপনি কি আসতে পারবেন?
– লাবণীর কি হয়েছে?
– ক্লাস করতে করতে খিঁচুনি উঠে এরপর অজ্ঞান হয়ে যায়।
– আমি আসছি।
মিষ্টি কড়াইয়ে কাকরোল ফেলে এক কাপড়ে বের হয়ে আসে। পথে লিতুনকে ফোন দিয়ে জানায়। বড় মেয়ে লিজাকে তাড়াতাড়ি বাসা ফিরতে বলে। স্কুলে যখন পৌঁছে ততক্ষণে লাবণীকে নিয়ে ওর ক্লাস টিচার হাসপাতালে চলে গেছে। মিষ্টি দিশেহারা হয়ে সিএনজি নিয়ে হাসপাতালের দিকে ছুটে। এমার্জেন্সি ইউনিটে লাবনীর চিকিতসা চলছে। লাবণীর ক্লাস টিচার মিষ্টিকে খুলে বলে ক্লাসে হঠাত লাবণীর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা। লাবণীর এভাবে খিঁচুনি ওঠা নতুন কিছু না। বাসায় প্রায়ই ওঠে। মুখে চামচ দিয়ে রাখা হয়। একটা সিডিল খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিলে পরে ঠিক হয়ে যায়। কয়েকবার এর জন্য ডাক্তার দেখালেও ডাক্তার কোন সমস্যা বলেনি। মিষ্টি সেজন্য খুব চিন্তিত না থাকলেও বড় মেয়ের বোর্ড পরীক্ষার সময় লাবণীকে হাসপাতালে থেকে যেতে বললে যে সমস্যায় পরতে হবে তা নিয়ে খানিকটা চিন্তা হচ্ছিল। লিতুনকে হাসপাতালে না এসে বাসায় গিয়ে লিজার পড়া দেখতে বলল মিষ্টি, লাবণীকে সে সামলাবে। খানিক্ষণ পর ডাক্তার এসে লাবণীকে কয়েকদিন হাসপাতালে থাকতে হবে বলে গেল। মিষ্টির মেজাজ খুব খারাপ হল। ডাক্তারদের এই এক ফায়দা। কিছুদিন হাসপাতালে আটকে রেখে বারতি আয়। বাসায় এত ঝামেলা এর মাঝে আবার লাবণীকে নিয়ে হাসপাতালে থাকলে বাসার কাজগুলো কে করবে? ধুর! লিতুনকে আবার ফোন করে বিকেলের দিকে হাসপাতালে আসতে বলল মিষ্টি। বাসায় ফোন করে লিজাকে পড়তে বলে দিল। মিষ্টি মনে মনে ভাবছে লাবণীর এই সমস্যার একটা সমাধান করতে পারলে ভাল হয়। এবার ডাক্তাররা যদি কোন দীর্ঘস্থায়ী সমাধান দেয় তাহলে ভাল।

দু’দিন পর লাবণীকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হল। ডাক্তার বলেছে টেস্টে কোন বড় রোগ ধরা পড়েনি। কয়েকটা ট্যাবলেট খেতেও দিয়েছে ১৫ দিনের জন্য। মিষ্টির খুব রাগ হল। এধাক্কায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হল। স্কুলে এমন না হলে এই গচ্ছা দিতে হত না। এমনিতেও কোন সমাধান হল না।

গত সপ্তাহ থেকে লাবণী মাথা ব্যাথা, মাথা ব্যাথা বলছে। মাথা ব্যাথার অযুহাতে কোন পড়ালেখা করছে না, স্কুলে যাচ্ছে না, বিছানা থেকেই উঠছে না ঠিকমত। ডাক্তারের কাছে নিয়ে মাইগ্রেনের ব্যাথার কিছু ঔষধ নিয়ে এসেছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি। লাবণীকে নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে মিষ্টির। এত ঘন ঘন অসুস্থ হয় মেয়েটা! কি যে হবে!
লিজাকে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে বসে আছে মিষ্টি। লিজা সুরা নিয়ে পরীক্ষা দিতে ঢুকে গেল। কিছুক্ষণ পর লিজার এক বান্ধবীর মা মিষ্টির দিকে এগিয়ে আসল।
– কি ভাবি? খবর কি? দেখাই তো পাই না।
– ভাবি আসলে থাকার সুযোগ হয় না। বাসায় ছোটটা অসুস্থ। ওকে একা রেখে থাকতে পারি না। কখন কি হয়? তাই লিজাকে দিয়ে চলে যাই, আবার আসি নিতে।
– কি হল আবার?
– ঐ যে মাথার সমস্যাটা। মাথা ব্যাথায় কিছু করতে পারেনা। মাঝে মাঝে আবার খিঁচুনি হয়।
– ডাক্তার দেখান নাই?
– হুম। দেখিয়েছি। কিন্তু কিছু ঠিকমত বলেনা। সাইক্রেটিস্টের কাছেও নিতে বলেছিল। তাতেও কোন লাভ হয় নাই।
– আমি বলি কি ভাবি- আমার চেনা এক লোক আসে। হুজুর টাইপ। আমার ছোট ভাইয়ের ছেলেটার শরীর খারাপ হবার পর যখন ডাকার কিছু ধরতে পারে নাই। উনার কাছে গিয়ে সব ঠিক হয়ে যায়।
– ও! ভাবি। ঠিকানা দিয়েন।
– আমি ভাইয়ের কাছে থেকে নিয়ে আসব।
– আপনার বাসার খবর কি?
– আছি আর কি। আগের মতই। মিতুকে নিয়েই একটু ব্যস্ত।
– হ্যা, বোর্ড পরীক্ষা বলে কথা। আচ্ছা আসি তাহলে।
– জি ভাবি। পরে কথা হবে।
মিষ্টি বাসায় ফিরতে ফিরতে ভাবছে বাসায় গিয়ে লিতুনকে জানাতে হবে লাবণীকে ঐ লোকের কাছে নিয়ে যাবার কথা। অনেক তো ডাক্তার দেখানো হল। এবার যদি অন্য কাউকে দিয়ে কোন কাজ হয়। একবার দেখালেই বা সমস্যা কি!
রাতে লিতুন বাসায় ফেরার পর লিতুনকে বলল মিষ্টি।
– আজকে মিতুর আম্মু একজন লোকের কাছে নিয়ে লাবণীকে দেখানোর কথা বলছিল।
– নাম কি ডাক্তারের?
– না ডাক্তার না। হুজুর টাইপ নাকি। জানি না। পরে ঠিকানা দিবে।
– হুজুরের কি দরকার?
– আরে! মেয়েটা আর কতদিন এভাবে পরে থাকবে? ডাক্তার তো আর কোন সমাধান করতে পারছে না। হুজুরের কাছে গেলেই বা কি? তাছাড়া হুজুর তো না। হয়ত ডাক্তার গোছের কেউ, দাড়ি টাড়ি রাখে তাই বলছে হুজুর টাইপ।
– তুমি কি করে জান? তুমি তো আর দেখনি। তাছাড়া সার্টিফাইড মানুষ ছাড়া দেখানোর প্রয়োজন নেই। বাড়তি টাকা খরচ।
– আশ্চর্য! ডাক্তার দেখিয়ে যখন লাভ হচ্ছে না। তখন অন্যরা যাকে দেখাতে বলছে দেখালে ক্ষতি কি? যদি কিছু হয়? তোমার সার্টিফাইড ডাক্তার দেখিয়ে তো কোন লাভ হল না।
– আচ্ছা, দেখ তুমি যা ভাল বুঝ। ভাল হলে নিয়ে যাও।
– তুমি রাগ হয়ে বলছ?
– না না। যাও। লাবণী তোমার সাথে বেশি সময় থাকে। ওর সমস্যা তুমি ভাল বুঝবে। দেখাও দরকার হলে।
– হুম। দেখি।

মিষ্টি লাবণীকে নিয়ে বসে আছে। সামনে বসে সেই হুজুর টাইপ লোক। মেহেদি দিয়ে লাল করা লম্বা দাড়ি, মাথায় জালি টুপি, মুখে পান, ডান হাতের অনামিকায় লাল পাথরের আংটি, চোখে কাল মোটা ফ্রেমের চশমা। পান খেতে খেতে চোয়াল শক্ত করলে কপালের পাশের রগ ফুলে উঠছে। চোখে স্থির দৃষ্টির সাথে ক্রমান্বয়ে ফুলে ওঠা রগের দিকে তাকালে কেমন ভয় ভয় লাগে। কিছুক্ষণ পর লোকটা উঠে গিয়ে পানের পিক ফেলে এসে নিজের চেয়ারে বসল আবার।
– কি সমস্যা?
মিষ্টি লাবণীকে সমস্যা বলতে বলল। লাবণী সমস্যা খুলে বলল।
– শুধু মাথা ব্যাথাই?
– না খিঁচুনি আসে। অজ্ঞান হয়ে যাই। আবার মাথা বেশি ব্যাথা করলে কেমন ঝিম ঝিম লাগে চোখের সামনে সব কিছু অন্ধকার হয়ে আসে।
– কবে থেকে?
– বছর খানেক হবে।
– বয়স কত?
– ১৪।
– ঠিকমত ঋতুস্রাব হয়?
– হয়। মাঝে মাঝে মাসে দু’বার হয়। কিন্তু খুব কম সময়।
– এটা তো ঠিকমত হওয়া না। মাসে একবার হওয়ার কথা। বছর খানেক হল ঋতু হয় না?
– হুম।
– ঐ তখন থেকেই।
ডাক্তার দেখাইসো?
– গাইনী দেখাইনি।
– অন্য ডাক্তার কি এগলা বুঝবে?
আচ্ছা কাপড় খোল সমস্যা দেখা নেই।
লাবণী মিষ্টির দিকে তাকায়। মিষ্টি কাপড় খুলতে বলে। লাবণীর খুব অস্বস্তি হচ্ছে। তারপরও মায়ের কথায় খোলে। লোকটা লকলকে দৃষ্টিতে লাবণী নগ্ন শরীর দেখে। উঠতি স্তনে তার দৃষ্টি আটকে যায়। পেটের মাঝে চাঁদের মত স্থান করা নাভির দিকে হালকা চোখ দিয়ে নিচের দিকে আরও নিচে চোখ বাড়ায়। আরেকটা পান মুখে দিয়ে ঐ লোক এগিয়ে আসে লাবণীর দিকে। প্রথনেই লাবণীর ঘাড়ের দিকে হাত নেয়। এরপর ধীরে ধীরে লাবণীর শরীরের বিভিন্ন অংশ হাতড়ায়। স্তন আর যোনিতে লীলাখেলা চালায়। লাবণী হতবাক হয়ে যাচ্ছে। মায়ের সামনে এমন করছে আর মা কিছু বলছে না? কিছুক্ষণ পর লাবণী আর সহ্য করতে পারে না। লোকটাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়।
– আরে! কেমন মেয়ে? রোগ দেখতে দেয় না কেন?
– লাবণী আম্মু, ঊনি তো সমস্যা দেখছে।
– না, আমি দেখাবো না আর ওনাকে।
– আরে! কেমন কথা? মেয়ে বলে সমস্যা দেখায় না। বাচা মেয়েরা কিছু বোঝে না।
লোকটা আবার এগিয়ে আসে। লাবণী এবারও ধাক্কা মেরে দূরে সরিয়ে দেয়।
– আমি দেখাব না। আপনার কি?
– লাবণী আম্মু, এমন করে না। ওনাকে দেখতে দাও। আমি তো আছি।
– না দিব না। আমি আর থাকব না এখানে।
লাবণী দ্রুত কাপড় পড়ে নেয়। লোকটা আর আগায় না। জানালার কাছে গিয়ে আবার পানের পিক ফেলে। জানালা দিয়ে দূরের আকাশটার দিকে আছে এখন। লাবণী কাপড় পরা শেষে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলে – আম্মু চল।
মিষ্টি খানিকটা হতভম্ভ হয়ে আছে। কিছু বলতেও পারছে না আবার করতেও পারছে না। কিন্তু লাবণী গেট ধরে দাঁড়িয়ে আছে দেখে সে উঠে। ব্যাগ থেকে ৮০০ টাকা বের করে রেখে ‘আসি’ বলে উঠে আসে। লাবণী পাশের ঝুড়িতে থু ফেলে বের হয়ে আসে।

– বুবু, একটু ঐ ঘরে আসবে?
– কেন?
– আব্বু ডাকে।
– আমাকে?
– না।
– তাহলে?
– বুবু চল না?
– কেন লাবণী? আব্বু তো কিছু করবে না। আর আম্মু আছে ওখানে।
– বুবু প্লিজ।
– না।
লাবণী ঘরে ফিরে আসে। ইদানিং লাবণীর মানসিক সমস্যাও হয়েছে। ও কোন ছেলের সামনে যায় না লিজাকে ছাড়া। মিষ্টি থাকলেও যায় না। লাবনীর খুব ভয় হয় কারো সামনে একা যেতে। একমাত্র লিজাকে ও বিশ্বাস করতে পারে। কিছুক্ষণ পর লিতুন উঠে আসে।
– লাবণী আমি তোমাকে ডাকছিলাম।
লাবণী দৌড় দিয়ে লিজার ঘরে চলে যায়। লিতুন লিজার ঘরে যেয়ে লাবণীর গালে ঠাস করে চড় লাগিয়ে দেয়। লাবণী তবু লিজার কাঠের চেয়ারটা ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। লাবণীর মা এসে চেয়ার থেকে লাবণীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে। লাবণী আরো শক্ত করে ধরে।
– কিসের এত ভয় তোর! তোর আব্বুকে ভয় ক্যান, হ্যা?
লাবণী কিছু বলে না। চুপচাপ শক্ত হাতে চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। লিতুন তেড়ে এসে মুঠিতে লাবণীর চুল ধরে মারতে শুরু করে। লিজা চেয়ার থেকে উঠে লিতুনকে থামায়।
– আব্বু, এভাবে হবে না। ওকে কোন ভাল সাইক্রেটিস্ট দেখাতে হবে।
– এমন করেই হবে। ভয় তাড়াতে হবে। আমার সাথে একা ঘরে রেখে বোঝাতে হবে যে আমি ভয়ের না।
– রোজ রোজ এমন করে কিছু হয়েছে কি?
– হয়নি, হবে।
– আব্বু না। ছাড় তো।
লিতুনের মুঠি থেকে লাবণীর চুলের গোছা ছাড়িয়ে আনে লিজা। লাবণীকে ওর ঘরে দিয়ে যায়। লিতুন খুব হতাশ হয়ে মেঝেতে বসে পড়ে। বাচ্চা মানুষের মত ভেউ ভেউ করে কান্না শুরু করে। লাবণীকে বেশি আদর করত লিতুন। যে লাবণী ছোট বেলায় লিতুনকে দেখলে পাগলের মত ছুটে আসত আজ সে লিতুনকে দেখলে ভয় পালাচ্ছে। লিতুন কখনো মেয়ের গায়ে হাত তোলে না সেই মেয়েকে আজকে জানোয়ারের মত মেরেছে সে নিজেই। লিতুনের খুব একা একা লাগে। মিষ্টি পাশে এসে বসে সান্ত্বনা দেয়। কিন্তু লিতুনের মাথায় কোন কথা ঢুকে না। চোখ দিয়ে শুধু অঝোর ধারায় পানি পরতে থাকে।

১৭ thoughts on “অসুস্থতার অভিশাপে লাবণী

  1. লাবনীর মায়ের আচরণের কোন
    লাবনীর মায়ের আচরণের কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পেলাম না। এইরকম হয় নাকি? কোন মা এটা এলাউ করবে?

  2. আমার হিসাব মেলে না। কিছুতেই
    আমার হিসাব মেলে না। কিছুতেই মেলে না…

    হয়তো এই অন্ধকারের সাথে আমার পরিচয় নেই… সত্যি কোন পরিচয় নেই…!

    মাঝে মাঝে খুব অবাক হই এটা ভেবে- জীবনের এই এতোটা সময়ে, সত্যি কতো অল্পই না দেখেছি এই পৃথিবীটাকে!

  3. গল্পটা ভালই হয়েছে তবে মা এবং
    গল্পটা ভালই হয়েছে তবে মা এবং বাবার চরিত্রে দেয়া নামগুলি কেমন যেন বেমানান বেমানান লাগছে।

  4. মন্দ লাগেনি কিন্তু গল্পের
    মন্দ লাগেনি কিন্তু গল্পের গাথুনির সাথে মজবুত আরও কিছুটা আবেগ জুড়ে দিলে হয়তো আরো ভালো লাগতো ………

  5. হুম — গভীর কোন আঘাত থেকেই
    হুম — গভীর কোন আঘাত থেকেই লাবনীর এই অবস্থা । যা সে কারও সাথেই শেয়ার করেনা । এবং যা ইংগিত করলেন তাতে মনে হচ্ছে – পুরুষদের প্রতি ওর ভয়টা । এবং আসল কালপ্রিট কোন পুরুষ ই হবে …

  6. হুজুরের সামনে মায়ের আচরনের
    হুজুরের সামনে মায়ের আচরনের ব্যাখ্যা কি?
    তবে গল্পটা ভালো লাগলো। বাস্তবকেন্দ্রিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *