নাস্তিকতা বলে কিছু নেই

নাস্তিক ব্যাপারটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। একজন মানুষ কখনোই নাস্তিক হতে পারে না। নাস্তিকতা ব্যাপারটি তাই অস্তিত্বহীন। আমার মতে মানুষ কে এক্ষেত্রে তিনভাগে ভাগ করা যেতে পারে। একটি ভাগ এর নাম দেওয়া যেতে পারে ধর্মভীরু এবং ওপর ভাগটির নাম দেওয়া যেতে পারে বিধর্মী।

নাস্তিক ব্যাপারটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। একজন মানুষ কখনোই নাস্তিক হতে পারে না। নাস্তিকতা ব্যাপারটি তাই অস্তিত্বহীন। আমার মতে মানুষ কে এক্ষেত্রে তিনভাগে ভাগ করা যেতে পারে। একটি ভাগ এর নাম দেওয়া যেতে পারে ধর্মভীরু এবং ওপর ভাগটির নাম দেওয়া যেতে পারে বিধর্মী।
এক্ষেত্রে ধর্মভীরু ভাগে আমি তাদের ফেলবো যারা ধর্ম কে বিশ্বাস করে এবং প্রত্যক্ষ ভাবে ধর্মীয় নিয়ম কানুন মেনে চলে। ধর্মভীরু দের ধর্মের প্রতি বিশ্বাস এতো টাই বেশি যে তারা সব ব্যাপার ধর্ম দিয়ে বিশ্লেষণ করতে তৎপর। ধর্ম নিরপেক্ষতাই তাদের কাছে নাস্তিক হওয়ার জন্য যথেষ্ট। ধর্ম নিরপেক্ষ দেখলেই তাদের কে তারা নাস্তিক লেভেল লাগিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না। যদিও ধর্ম মতেই কোন মানুষ কখনও বিচার করার সামর্থ্য রাখে না যে অন্য একজন মানুষ নাস্তিক নাকি আস্তিক। এই হল ধর্মভীরু দের প্রাথমিক কিছু বৈশিষ্ট্য।
আরেক ভাগ হচ্ছে বিধর্মী। এরা ধর্মভীরু নয়। এরা সব কিছু কেই লজিক দিয়ে বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করে। বিশ্বাস বলে যে একটা ব্যাপার আছে সেটি এদের মাথায় ঢুকে না। আর ধর্ম পুরো টাই একটি বিশ্বাস এর ব্যাপার। এরা সবকিছু তে লজিক খুঁজে এবং প্রমাণ দেখতে চায়। তারপরও এদের বিশ্বাস করানো কষ্টসাধ্য। কারণ এরা তো বিশ্বাস বলতে যে একটা ব্যাপার আছে, সেটাই জানে না।
উপরে তিনভাগ বলেও এক ভাগ এর নাম আমি উল্লেখ করিনি। এখন সে ভাগ এর কথা বলছি। যারা ধর্ম কে বিশ্বাস করে কিন্তু মানে না। যাদের মধ্যে ধর্মের ভয় কাজ করে না তাদের কেই আমি এই ভাগে ফেলছি। এই ভাগ এর নামকরণ কি করা যায় সেটি আমার মাথায় আসেনি বলেই আমি এর কোন উপযুক্ত নামকরণ করতে অসমর্থ হয়েছি।
নাস্তিক বলতে কিছু নেই, কেন বলেছি ? আসলে নাস্তিক মানে যে একদম ই বিশ্বাস করে না। এখন আসুন এই তিন প্রকার মানুষ এর মধ্যে ধর্মভীরু রা সবসময়ই সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করেন। এখন কথা হচ্ছে বিধর্মীরা যতই বলুক যে তারা ধর্মে বিশ্বাস করে না কিন্তু বিপদে পরলে বা চরম মাত্রায় মানসিক যন্ত্রণা বা শারীরিক যন্ত্রণায় পরলে ঠিকই মনে মনে প্রার্থনা করে যে যেন সে মুক্তি পায় সেই যন্ত্রণা বা বিপদ থেকে। তাদের কাছে প্রশ্ন, কারে করেন প্রার্থনা ? আপনারা না সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন না ?
আর ধর্মভীরু নয় যারা। তারা আসলে বলবে যে ধর্মে বিশ্বাস করে কিন্তু মানে না কেন, এটা জিজ্ঞেস করলে তাদের কাছে আর কোন উত্তর থাকে না। তবে তারা মাঝে মাঝে ঠিকই ধর্ম মানে। আর বিপদে পরলে তো বিধর্মী রাও খোদা রে ডাকে, এরা তো ডাকবেই।

৩৭ thoughts on “নাস্তিকতা বলে কিছু নেই

  1. ধর্মভীরু দের ধর্মের প্রতি
    ধর্মভীরু দের ধর্মের প্রতি বিশ্বাস এতো টাই বেশি যে তারা সব ব্যাপার ধর্ম দিয়ে বিশ্লেষণ করতে তৎপর। – এরা ধর্মান্ধ। যিনি ধর্মভীরু তিনি লজিকেও বিশ্বাস করতে পারেন। সব বিষয় তিনি ধর্ম দিয়ে বিশ্লেষণ করেন না। যেমনঃ অসুখ হলে ওষুধ খাবার ব্যাপার।
    আর ধর্ম পুরো টাই একটি বিশ্বাস এর ব্যাপার – এ বাক্য হিসেবে ধরলে বিশ্বাস ছাড়া ধর্মের আর কোন ভিত্তি নাই। কিন্ত ভিন্ন মত ধরলেও আমি বলতে পারি আজকাল কুরআন এবং বাইবেলের বিভিন্ন বস্তু ধর্ম দ্বারা প্রমাণ করা হচ্ছে, এঁকে আপনি কি বলবেন?

    লিখার চেষ্টা করেছেন, সে হিসেবে ভালো, কিন্ত আপনার আরো গবেষণা প্রয়োজন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

    1. আসলে এই পোস্ট টি আমার গবেষণার
      আসলে এই পোস্ট টি আমার গবেষণার অংশ। আমি ব্লগ এ পোস্ট করেছি মতামত সংগ্রহ করার উদ্দেশ্য নিয়ে। আর এভাবে কথা চাপিয়ে দেওয়া টা শুধুই এ কারণে ছিল যেন আপনারা মন্তব্য করে আপনাদের মতামত দিয়ে যান। ধন্যবাদ 🙂 আপনার কথা গুলো আমার কাজে লাগবে 🙂

      1. গবেষণা করতে গেলে খেয়ালে যেটা
        গবেষণা করতে গেলে খেয়ালে যেটা রাখবেন, তা হোল, একচোখা নয়, দুই দিকেই জানবার চেষ্টা করবেন। তাহলেই হবে।

        1. ধন্যবাদ। দুদিক জানতেই ব্লগ এর
          ধন্যবাদ। দুদিক জানতেই ব্লগ এর আশ্রয় নেওয়ার ব্যাপারটা মাথায় এসেছে। কারণ, এখানে সব ধরনের মানুষ পাবো বলেই ধারণা করি।

  2. খুবই অপরিনত চিন্তাভাবনা।

    খুবই অপরিনত চিন্তাভাবনা।

    কিন্তু বিপদে পরলে বা সরম মাত্রায় মানসিক যন্ত্রণা বা শারীরিক যন্ত্রণায় পরলে ঠিকই মনে মনে প্রার্থনা করে যে যেন সে মুক্তি পায় সেই যন্ত্রণা বা বিপদ থেকে।

    এই ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত হলেন কিভাবে। কারো মনের ভেতরের খবর আপনি কিভাবে এতোটা কনফিডেন্স নিয়ে বলে দিলেন সরলীকরণ করে?

    1. এতো টা কনফিডেন্স নিয়ে বলতে
      এতো টা কনফিডেন্স নিয়ে বলতে পেরেছি কারণ অনেক জন কেই জিজ্ঞেস করেছি। যারা নিজেদের নাস্তিক বলে দাবিও করেন। আর ব্লগ এ এটা নিয়ে লিখার মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে এখানে অনেকের মতামত পাওয়া যাবে। তাই অনেক টা কেয়ার করি না টাইপ ভাব নিয়ে লিখে দিয়েছি। তাহলে মানুষ তাদের মতামত জোর দিয়ে বলবে। নাহলে কেউ মন্তব্য করবে তো করবে না। কেউ পাত্তাই দিবে না পোস্ট এর প্রতি। কিন্তু আমার মুল উদ্দেশ্য ছিল সবার মতামত নেওয়া। এখনও নিচ্ছি :p দুঃখিত :p আমার গবেষণা এখনও চলছে :p পুরো গবেষণা এর একটা মাত্র অংশ ছিল এটা। কিছু মনে করবেন না 🙂 দুঃখিত 🙂

  3. আপনার কথামতে তাহলে আস্তিকতারো
    আপনার কথামতে তাহলে আস্তিকতারো কিছু থাকেনা।একজন আস্তিক মানে ধর্মান্ধ।কিন্তু তবু সে তার নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রতিনিয়ত ধর্মের কথাও অগ্রাহ্য করে।তাহলে এইটা কী দাড়াচ্ছে?

    1. অবশ্যই না। আস্তিক মানেই
      অবশ্যই না। আস্তিক মানেই ধর্মান্ধ নয়। আস্তিক এর সংজ্ঞা হচ্ছে যিনি ধর্মে বিশ্বাস করেন। অনেকেই ধর্মে বিশ্বাস করেন কিন্তু মানেন না। তাদের কে আমি ধর্মভীরু বলে সংজ্ঞায়িত করিনি। শুধু মাত্র তাদের সংজ্ঞায়িত করেছি যারা ধর্ম বিশ্বাস করেন এবং মানার সর্বচ্চ চেষ্টা করেন।

    1. ধূসর মরীচিকার মত… গবেষণা
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      ধূসর মরীচিকার মত… গবেষণা চলুক!!!

    1. নেতিবাচক কিছু দেখেন নাই লেখায়
      নেতিবাচক কিছু দেখেন নাই লেখায় ? খোঁচা মারিয়া কমেন্ট করতে ভুলেন নাই। কিন্তু আপনি আপনার মতামত জানান নাই। তাইলে খোঁচা না মারলেও চলবে। আপনার খোঁচা টা আপনার কাছেই রাখুন। পারলে নিজের মতামত টা জানিয়ে যাবেন। খোঁচার চেয়ে ওটা বেশি দরকার। আর একটা কথা। খোঁচা মারা ওয়ে টা জানতে হবে আপনাকে। আপনি নিজের মতামত জানিয়ে খোঁচা মারলে ভালো লাগতো 🙂

  4. গবেষনাটা শেষ করে উপযুক্ত
    গবেষনাটা শেষ করে উপযুক্ত তথ্য, প্রমান, রেফারেন্স সহ পোস্ট দিলেই ভাল হতো।
    তাছাড়া এখানের মতামতের ভিত্তিতে আপনি কি গবেষনা করবেন? বাজার থেকে তিন পক্ষের লিখা বইগুলি সংগ্রহ করে গবেষনা করার পরামর্শ রইলো।আমাদের মতামতটা নাহয় আপনার গবেষনার ফলাফলের উপরই নেবেন ।

    1. আসলে আমি বই পরে গবেষণা এর
      আসলে আমি বই পরে গবেষণা এর পক্ষপাতি না। বই আর বাস্তবতা এক নয়। যেমন এখানে আমি অল্প সংখ্যক মানুষ এর উপর গবেষণা চালিয়ে লিখেছি বলে অনেকেই ভাল ভাবে নেননি এটা। আর এই ব্যাপার গুলো তো বই দিয়ে প্রমান করা চলে না। সাধারন মানুষ দিয়ে বুঝাতে হয়। তাই মতামত টা বেশি জরুরী বলে আমি মনে করি। ধন্যবাদ

  5. কতদিনের গবেষনার ফল এটি? এত
    কতদিনের গবেষনার ফল এটি? এত তাড়াতাড়ি আপনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হলেন কেমনে? আমি মনে করি নাস্তিকতা বলে বিরাট এক জিনিস আছে।

  6. মিয়া বাই আপনে অনেক
    মিয়া বাই আপনে অনেক জ্ঞানী।কারন আপনার গবেষণার সিস্টেম ই তা বলে দেয়।আর ফলাফল তো ফাটাফাটি। লোকের কথা আপনি শুনবেন না।দুষ্ট লোকের দুষ্ট কথা।যে যাই বলুক আমি শিওর আপনার অনেক বিষয়ে অনেক জ্ঞান আছে।অন্তত ইনফ্লেশন থিওরি,এম থিওরি,পার্টিকেল সাইন্স,ওয়ার্ল্ড হিস্টরি, প্রাচীন ভারতীয় বাতিক্রমি কিছু দর্শন যেমন-চরবাক দর্শন,নিউ এথিজম,কোয়ান্টাম বলবিদ্যা,সাইকোলজি সম্পর্কে তো আপনার মনে হয় হিউজ নলেজ আছে,নিউরলজি নিয়ে ও আমি নিঃসন্দেহ ।আর আমি শিওর আপনি কার্ল সাগান, রিচাড ডকিন্স এর মত লেখকদের লেখার সমলচনা করার যোগ্যতা রাখেন।তাই বলি কি ভাই লোকের কথা না শুনে লিখে জান গবেষণা করে যান।লোকে উল্টাপাল্টা বললে কিছুই মনে করবেন না।কারন মনে রাখতে হবে আপনি একজন গবেষক। আপনার কাজ আপনাকে করতেই হবে।

    //////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////

    1. :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:
      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. আপনি নাস্তিকদের নাম দিলেন
    আপনি নাস্তিকদের নাম দিলেন বিধর্মী । এবং বললেন নাস্তিক বলে কিছু নাই। আস্তিকদের বললেন ধর্ম ভীরু, তাহলে তো আস্তিক বলেও কিছু নাই। শুধু একদলের জন্য নাম পরিবর্তন হবে , অন্য দলের জন্য হবে না কেন?
    শুরুতেই গলদ করলেন। বিধর্মী বলতে বুঝায় যে অন্য অধর্মের। যেমন মুসলিমের কাছে হিন্দু বিধর্মী। এটাই প্রচলিত সামাজিক সংজ্ঞা।

    বিপদে পরলে বা সরম মাত্রায় মানসিক যন্ত্রণা বা শারীরিক যন্ত্রণায় পরলে ঠিকই মনে মনে প্রার্থনা করে যে যেন সে মুক্তি পায় সেই যন্ত্রণা বা বিপদ থেকে।

    হাসি হাসল। 😀
    যে সত্যি নাস্তিক সে এমন কখনইএমন করবে না। আজ পর্যন্ত কখনো আমার মনে এমন খেয়াল আসে নি।
    আর আপনার পরিচিত কয়েকজনকে দেখেই এমন সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলেন, তাহলে তো আপনি গবেষণা করতেই জানেন না।

  8. আমি সার্বিক ভাবে বিধর্মী
    আমি সার্বিক ভাবে বিধর্মী বলেছি। আর নাস্তিক দের নাম বিধর্মী দেইনি। বলেছিই তো নাস্তিক বলে কিছু নেই। একটা কথা আছে না ভাইয়া… বিপদে পরলে ভূতের মুখেও রাম নাম আসে ?

    1. বিপদে পরলে ভূতের মুখেও রাম

      বিপদে পরলে ভূতের মুখেও রাম নাম আসে ?

      হ ভাই, এই যদি হয় গবেষণার পদ্ধতি তবে করেন। আমরাও বিনোদন পাই। :হাহাপগে:

  9. গবেষকগণ উনাদের গবেষণাকে
    গবেষকগণ উনাদের গবেষণাকে গাণিতিকভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করলে উক্ত গবেষনার মূল বিষয়বস্তু লোপ পায় এবং জটিল থেকে কুটিল হয়ে যায় গবেষণার সমাধান দেওয়া ………………… স্যার একেলা পথের পথিক ।। 😀

  10. দর্শনের ভাষায় আপনার
    দর্শনের ভাষায় আপনার বিভাজনত্রয় হচ্ছে বা হওয়া উচিৎ এমনঃ
    ১) বিশ্বাসবাদ বা Theism; যারা ঈশ্বরের অস্তিত্বে এবং কোন না কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন,
    ২) যৌক্তিক একেশ্বরবাদ বা Deism; যারা যৌক্তিক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন কিন্তু কোন ধর্মকে নয়,
    ৩) নিরীশ্বরবাদ / নাস্তিক্যবাদ বা, Atheism; যারা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না।

    প্রথমে ভাবছিলাম আপনার এমন ছেলেমানুষিপূর্ণ গবেষণার কোন সমালোচনা করব না;
    পরে ভাবলাম একটু হলেও কিছু বলি!! আপনি শুরুতে যে সিদ্ধান্তের প্যারাটি লিখেছেন তা শুধুই অযৌক্তিক নয় একইসাথে অন্তঃসারশূন্যও বটে।। এরেকটু পড়াশুনা করে আমার মনে হয় এমন বিষয়ে সিদ্ধান্তে যাওয়া ভাল…
    গবেষণা চলতে থাকুক,আর কখনই প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবেন না।

    1. ধন্যবাদ। আমার এই পোস্ট এর মুল
      ধন্যবাদ। আমার এই পোস্ট এর মুল উদ্দেশ্য আপনাদের থেকে জানা। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আমার কাছে আপনার মন্তব্য এর কোন অংশই সমালচনা বলে মনে হয়নি। :p

  11. আকর্ষণীও শিরোনাম !!!
    কিছুদিন

    আকর্ষণীও শিরোনাম !!!
    কিছুদিন আগে আমি একজন ৯৪ বছর বয়সী নাস্তিকের সাথে কথা বলেছি ।
    আমার মনে হয় তথাকথিত আজরাইলও তার বেলায় মুখ বেজার করে কর্ম সাধন করে চলে যাবে ।
    এবং নিজের ভীতিকর মিথ এমন মিথ্যে হয়ে যেতে দেখে তার সৃষ্টি কর্তার কাছে বিরাট নালিশ জানাবে ।
    আমি কি কিছু বোঝাতে পারলাম বা আপনার গবেষণায় কোন প্রকার সহযোগিতা করতে পারলাম ?

    1. (No subject)
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *