একটি রক্ষণশীল সমাজ এবং লিভ টুগেদার

আমরা বর্তমানে ‘লিভ টুগেদার’ শব্দটার সাথে মোটামুটিভাবে পরিচিত।কিন্তু এদেশের রক্ষণশীল(!)মানুষ বিষয়টাকে ন্যাক্কারজনক বলে ভাবে।আসলে কি তাই?আমার মনে হয়না।একজনের সম্পর্কে না জেনেই তার সারাজীবনের সঙ্গী হবার চেয়ে তার সাথে কিছুদিন যাপন করে সঙ্গী হওয়া কি ভালো না?একদিন হঠাত্ আপনার বাবা মা একটা ছেলে বা মেয়েরসাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে একটা দিন ধার্য করে বিয়ে দিয়ে দিল।আর আপনাদের সম্পর্কটা শুরু হল বিছানা থেকে।কিংবা আপনি একজনকে ভালোবাসেন,কিছুদিন প্রেমকরেছেন,কখনো কখনো কয়েকঘন্টা তার সাথে কাটিয়েছেন;এতেই যে আপনি তারসাথে সুখে থাকবেন তা তো না।এর চেয়ে আপনি যদি তার সাথে কিছুদিন থাকেন তবে মানুষটা সম্পর্কে আপনিভালো করে জানতে পারবেন,তাকে বুঝতে পারবেন।আর এই ‘লিভ টুগেদার’ও আধুনিক যুগের সৃষ্টি না।এটি এসেছে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ ‘পুরাণ’ থেকে।এই ধর্মগ্রন্থে আট প্রকার বিবাহের কথা আছে।তার মধ্যে একটি হচ্ছে গান্ধর্ব।এই গান্ধর্ব বিবাহ মতেনরনারীর ইচ্ছায় তারা একসাথে বসবাস শুরু করলে এবং একে অপরের দায়িত্ব কর্তব্যে সচেতন হলে তারাবিবাহিত।অর্থাত্ এটাও একটা বিয়ে।হয়তো একটু সামাজিকতা কম।কিন্তু জীবনের সব কিছু কি খুবসামাজিকভাবে চলছে?সমাজ মূলত সৃষ্টি হয়েছে আপনার ভালো থাকার জন্য।আর যদি সমাজের কোনো ক্ষতি না করে ভালো থাকেন তবে সমাজের কি এসে যায়?

৪৭ thoughts on “একটি রক্ষণশীল সমাজ এবং লিভ টুগেদার

  1. আরও একটু বিস্তারিত লিখলে ভালো
    আরও একটু বিস্তারিত লিখলে ভালো হতো। মনে হলো লেখাটা শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেলো। তবে যেই বিষয়টা তুলে ধরেছেন সেটা আলোচনার দাবী রাখে। এই বিষয়ে মূলত আপত্তি থাকবে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে। এছাড়া আমি কোন সমস্যা দেখিনা। একজন মানুষের সাথে ভালবাসাহীন বছরের পর বছর থাকাটা চরম হিপক্রেসি। কোন মানে হয়না।

    1. আসলে আপনি যাকে ভালোবাসেন সে
      আসলে আপনি যাকে ভালোবাসেন সে দালানে থাকে নাকি কুঁড়ে ঘরে থাকে তার যদি প্রয়োজনবোধ না করেন।তবে ধর্ম কোনো বাঁধা হওয়ার কথা না।মূল কথা আপনি ভালো আছেন কিনা।তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সমাজ একটা বড় ফ্যাক্ট।

      1. তালাকের ব্যাপারটা জানা ছিল
        তালাকের ব্যাপারটা জানা ছিল না! সমাজ কি আসলেই এখন এসব মানে?
        আদৌ কি পুরুষের ৪-৫টা বিয়েকে এখন কেউ সানন্দে গ্রহণ করে?
        আমি তো সমাজের নিন্ম শ্রেণীতে ছাড়া এমনটা খুব একটা দেখি না! সেখানে অবশ্য নারীকেও ৪/৫টা বিয়ে করার নজির দেখা যায়!

        তবে আপনার কথার সাথে সহমত পোষণ করছি… “লিভ টুগেদার” গ্রহনীয় হবে কিনা সেটা সময় বলে দেবে হয়তো। কিন্তু আসল ব্যাপার হচ্ছে এতে সন্তানের ভবিষ্যত নিরাপদ কিনা সেটা গভির ভাবে ভাবা দরকার। সেই সাথে এটা নারীকে আদৌ কোন নিরাপত্তা দেয় কিনা সেটাও চিন্তা করতে হবে…

        আমার তো মনে হয়- আশিকি-২ এর “অরোহী” লিভ টুগেদার করলে তাতে তার তেমন কোন সমস্যা হয় না কারণ “আর,জে” মারা যাবার পরেও তার ক্যারিয়ারে তেমন কোন সমস্যা আসেনি!
        কিন্তু যে সমাজে বেশির ভাগ নারীই স্বামীর মুখাপেক্ষি- সেই সমাজে এই ব্যাবস্থায় নারীর নিরাপত্তা কোথায়?
        -এটাও কিন্তু ভেবে দেখার বিষয়!

  2. আমারো তাই মত। লেখাটা শুরুর
    আমারো তাই মত। লেখাটা শুরুর আগেই শেষ হইয়া গেল। আরো একটু ডিটেইলস আলোচনার দরকার ছিল এবং লেখকের ভাবনা সত্যকারের আলোচনার দাবি রাখে।

  3. লিভ টুগেদার একটি স্বাভাবিক
    লিভ টুগেদার একটি স্বাভাবিক নৈমিত্তিক ব্যাপার। আদি কাল থেকে এখন পর্যন্ত এর ব্যপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায় কারণ একটাই এটা প্রকৃতি প্রদত্ত বিষয়। কালের ক্রমবর্তমানে একেই আমরা বিবাহ (আধুনিক নাম) বলে থাকি , বা বলা যেতে পারে বিবাহ নামক প্রথায় আবদ্ধ করে রাখা হয়ছে । অনুন্নত দেশ গুলোতে এটা নিয়ে যথেষ্ট পরিমানে এলার্জি রয়েছে ,প্রথমত কারন ধর্মীয় ভীতি, দ্বিতীয়ত সামাজিক ভীতি । আর সেই সাথে সাথে আমরা আত্বার চাহিদা গুলোকে করছি অবদমন, এবং নিজের অজান্তেই নিজের সাথে নিজে ছলনার আশ্রয় নিচ্ছি আর ধর্মীয় নামক বিধি নিষেধে হচ্ছি প্রতারিত ।।

    1. আগের কমেন্ট থেকে একটু কোট না
      আগের কমেন্ট থেকে একটু কোট না করে পারছি না-

      “লিভ টুগেদার” গ্রহনীয় হবে কিনা সেটা সময় বলে দেবে হয়তো। কিন্তু আসল ব্যাপার হচ্ছে এতে সন্তানের ভবিষ্যত নিরাপদ কিনা সেটা গভির ভাবে ভাবা দরকার। সেই সাথে এটা নারীকে আদৌ কোন নিরাপত্তা দেয় কিনা সেটাও চিন্তা করতে হবে…
      আমার তো মনে হয়- আশিকি-২ এর “অরোহী” লিভ টুগেদার করলে তাতে তার তেমন কোন সমস্যা হয় না কারণ “আর,জে” মারা যাবার পরেও তার ক্যারিয়ারে তেমন কোন সমস্যা আসেনি!
      কিন্তু যে সমাজে বেশির ভাগ নারীই স্বামীর মুখাপেক্ষি- সেই সমাজে এই ব্যাবস্থায় নারীর নিরাপত্তা কোথায়?
      -এটাও কিন্তু ভেবে দেখার বিষয়!

      কাজেই অনুন্নত দেশগুলোতে “এলার্জি” থাকবে সেটাই স্বাভাবিক…
      এলার্জির কারণে সেগুলো অনুন্নত দেশ নয় বরং অনুন্নত দেশ বলেই এগুলোতে এলার্জি, ধর্মীয় ভীতি, সামাজিক ভীতি এগুলো একটু বেশী…
      কথায় বলে না- গরীবের শুধু ‘সম্মানটুকু’ ছাড়া আর আছে কী?
      😀

  4. লিভ টুগেদার করা যায় তবে
    লিভ টুগেদার করা যায় তবে শালীনতার ভিতরে ।একে অন্যকে জানার বা বুঝার সুযোগ মোটামুটি সব ধর্মেই দেয়া আছে ।লিভ টুগেদারের নামে নষ্টামি কোন সমাজেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না ।

    লিংকটা দেখে নিয়েন ।
    http://dhakatimes24.com/apps/webliteunicode/index.php?ref=MjBfMDdfMjZfMTNfMV80XzU1MTg4

      1. অধিকারভুক্ত দাসীদের মধ্য থেকে
        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
        অধিকারভুক্ত দাসীদের মধ্য থেকে ২/৪ জনকে বেঁচে নেয়াই শরিয়া মোতাবেক লিভ টুগেদার… এইখানে স্বীকার্য দাসী সমাজে থাকতেই হবে!! 😉

    1. লিভ টুগেদার নষ্টামি?
      লিভ টুগেদার নষ্টামি? মাইরালা… শহিদ ভাই, সঙ্গীর সাথে সুখী থাকব কিনা আদৌ সেটা জানার জন্য লিভ টুগেদার করা হয় বহির্বিশ্বে। আমরা এখনো ঐ চিন্তায় উন্নিত হতে পারিনি বলে আমরা সুখের সঙ্গা মাটি চাপা দিয়ে মেনে নেই সব কিছু।

      1. “বহির্বিশ্বের” সাথে সব
        “বহির্বিশ্বের” সাথে সব ব্যাপারে তুলনা করা বোধহয় ঠিক হবে না। কারণ, সামাজিক ভাবে গ্রহনযোগ্যতা রাতারাতি তৈরী হয় না। সব কিছু হজম করতেও সমাজকে একটু সময় দেয়া দরকার। সেই সাথে দরকার বহির্বিশ্বের মত নিজেদের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবকাঠামো।

        আমাদের দেশে বিয়ের সময় (ইসলামী আইন অনুসারে) স্ত্রীর একটা “দেন মোহর” ধার্য করা হয় যা বহির্বিশ্বে হয়তো হাস্যকর শোনাবে… কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সেটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে!
        আমার জানা মতে এমন অনেক নব দম্পতির মধ্যে স্বামী শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর অনেক কিছু কম্প্রোমাইজ করে শুধু মাত্র “দেন মোহর” শোধ করার ভয়ে!
        কারণ, আমরা স্বীকার করতে না চাইলেও এটা একটা নির্মম সত্য যে- আমাদের সমাজের নারীরা এখনও অর্থনৈতিক ভাবে বহির্বিশ্বের নারীদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে…

        1. সহমত। শুধু সমাজের কথা চিন্তা
          সহমত। শুধু সমাজের কথা চিন্তা করে এরকম মৃত সম্পর্ক নিয়ে আমাদের সমাজে হাজারো দম্পত্তি এক ছাদের নীচে দুর্বিসহ জীবন পার করছে।

          1. “শুধু সমাজের কথা চিন্তা করে
            “শুধু সমাজের কথা চিন্তা করে এরকম মৃত সম্পর্ক নিয়ে আমাদের সমাজে হাজারো দম্পত্তি এক ছাদের নীচে দুর্বিসহ জীবন পার করছে…”

            কথা হলো- তবুও তো “জীবন পার করছে!” সুখ-দুঃখ মিলিয়ে কোন রকম একটা জীবন হলেও তো জীবন…!
            কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটেই চিন্তা করি- প্রতিটা স্বামীকে যদি সুযোগ দেয়া হয় স্বীয় স্ত্রীদের চাইলেই ত্যাগ করতে পারে! ধর্মীয়-সামাজিক বা আইনানুগ কোন বাধা নেই!
            চিন্তা করুন তো কতজন নারী ডিভোর্সি হবে! তাদের সবাই কি নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম?

            একটি চরম সত্য হচ্ছে- সমাজে পুরুষদের চাহিদা পূরণের জন্য অন্তত পতিতালয় আছে যেখানে সস্তায় “নারী” ভাড়া পাওয়া যায়…
            কিন্তু নারীর চাহিদা পূরনের জন্য নির্ঝঞ্জাট কোন ব্যাবস্থা নেই! নারীর জন্য এখনো এমন কোন পতিতালয় তৈরী হয়নি যেখানে সস্তায় “পুরুষ” ভাড়া পাওয়া যায়…!
            সত্যটা অনুচিৎ শোনালেও সত্যি।

  5. আমাদের দেশের যে সমাজ ব্যবস্থা
    আমাদের দেশের যে সমাজ ব্যবস্থা এবং আমরা যে রক্ষণশীল সমাজে বাস করি এখানে লিভ টুগেদারের কথা চিন্তা করা আর পাগলের প্রলাপ ব্যক্ত করার সামিল………

  6. এক সমাজ ব্যাবস্থায় আরেক সমাজ
    এক সমাজ ব্যাবস্থায় আরেক সমাজ ব্যাবস্থার মিশ্রণ ঢুকানোর চেষ্টা করলে ঝামেলা হবেই। আমাদের সমাজ ব্যাবস্থায় নিশ্চই লিভ টু গেদার মানায় না।

    1. সমাজে কোন কিছুই স্থির নয়,
      সমাজে কোন কিছুই স্থির নয়, একসময় ২৫ এর মেয়ে বিয়ে করি নি এইটাও মানাত না!!
      সময় হলে সব মানাবে… খালি মানবকূলকে ভালটা বেছে নিতে হবে!

      1. আমারও সেটাই মনে হয়… সময়ই
        আমারও সেটাই মনে হয়… সময়ই আসলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কোন কিছুই রাতারাতি সম্ভব নয়।

      2. আমিও এটাই বলি। সময় সবচেয়ে বড়
        আমিও এটাই বলি। সময় সবচেয়ে বড় নিয়ামক। সময়ের প্রয়োজনেই মানুষ পরিবর্তনকে মেনে নেয়। একটা সময় ছিল মেয়েরা ঘরের বাইরে যাবে, পড়ালেখা করবে এইটা কেউ ভাবতেও পারত না। সেই অবস্থা কি চেঞ্জ হয়নি? হয়েছে। তাই কোন কিছুই স্থির নয়, বদলায়।

  7. ছুটি ভাই-
    আপনি অতি

    ছুটি ভাই-
    আপনি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে খুব হালকা একটা আলোচনা করেছেন!
    এমন যথা-তথা-প্রথাবিরোধী সংস্কারধর্মী একটা বিষয় নিয়ে একটু ডিটেইলে না লিখলে আসলে হয় না; বরং অযথায় পাঠকের মনকে বিষয় সম্পর্কে হালকা একটা ধারণা দেয়…
    আপনার প্রয়াস ভাল কিন্তু পরিপূর্ণতা পাইনি লিখাটি।। লিখতে থাকুন!!

  8. লিভ টুগেদার এর পক্ষে সাফাই
    লিভ টুগেদার এর পক্ষে সাফাই মনে হল…
    বিষয়টিকে ভাল মনে করলে নিজ জিবনে প্রয়গ করতে পারেন…
    সমাজে চালু করার আয়জন্টা কেন জানতে চাই…

  9. ভাই আমি লিখা মধ্যেই বলছি যে
    ভাই আমি লিখা মধ্যেই বলছি যে লিভ টুগেদার আমাদের সমাজে ছিল।হিন্দুদের মাঝে ৮ প্রকার বিয়ের মধ্যে এটি একটি।যেহেতু হিন্দুরা আমাদের সমাজে বাস করে সেহেতু বুঝতেই পারছেন।কিন্তু অন্য ধর্মাবলম্বীদের কথা আমি ঠিক ভাবে দেখিনি।তবে দেখবো এবং আবার পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখবো।দুঃখিত এই কারণে যে আমার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য নেই।

  10. ভাইরে তবে আমার আর সমাজবিহীন
    ভাইরে তবে আমার আর সমাজবিহীন পশু,পাখিগো পার্থক্য কি?? সো লেটস মুবড টু জাঙ্গেল।যদি ও এখন ঐখানে মাইনষের জ্বালায় পশু পাখি থাকবার পারছে না।তবে এমনটা অসম্ভব নয়।ধর্মগুলো আমাদের শত্রু নয়…আমাদের সুশৃঙ্খল রাখা ধর্মের কাজ।

  11. ভাই মানুষ সংস্কারবাদী।সময়ের
    ভাই মানুষ সংস্কারবাদী।সময়ের সাথে সাথে যেকোনো কিছুকেই মানুষ সংস্কার করতে চায়।পৃথিবী সৃষ্টির সময় ধর্ম ছিলনা।মানুষ সৃষ্টির সময়ও ছিলনা।বিয়েও ছিলনা।এরপর মানুষ তার প্রয়োজনে একটি বিধি তৈরী করল,ধর্মবিধি।একটা প্রতিষ্ঠান তৈরী করল,বিবাহ।আপনি কী জানেন একসময় একটি মেয়ের বিয়ে হত পুরো একটি পরিবারগোষ্ঠীর সাথে?কোনো আলাদা ছেলের সাথে না।ঐ পরিবারগোষ্ঠীর সকল পুরুষ হত মেয়েটির স্বামী।কারণ তখন সমাজে ছিল বিশৃঙ্খলতা।মানুষের মেধা ছিল অপরিপক্ব।ধীরে ধীরে তা পরিপূর্ণতা পাচ্ছে।সংস্কার হচ্ছে সব কিছুর।হয়তো একদিন এই বিধির প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাবে মানুষের কাছে।মানুষ তার সংস্কারবাদী চিন্তাভাবনা দিয়ে সৃষ্টি করবে অন্য কোনো বিধি।

  12. (প্রথমেই দেরী হওয়ার জন্য
    (প্রথমেই দেরী হওয়ার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্চি।এই মন্তব্যটা আগেও একবার করেছি কিন্তু ব্রাউজার সমস্যার কারনে পোস্টিং হয়নি ।আজকে ইমেইল চেক করতে গিয়ে খেয়াল করলাম তাই আবার পোস্টিং দিলাম ।তবে সেদিনের মত গুছিয়ে বলতে পারিনি ।)

    ধর্ম(ইসলাম) বা শরীয়ত মতে, বিয়ের আগে বর কনে একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাত ও কথা বার্তার মাধ্যমে প্রত্যেকে একজন আরেকজনকে জানার সুযোগ রয়েছে ।তবে সেটা হতে হবে শ্লীলভাবে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্মুখেই।বিশেষ ক্ষেত্রে বর কনে একান্ত আলাপ আলোচনায় মিলিত ও হতে পারে তবে এখানেও তাদের প্রত্যেকের ব্যাক্তিগত সম্মতি ও অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন হয় ।

    আমি বর কনেদের একে অন্যকে জানার বা বুঝার পদ্ধতিটিকে লিভ টুগেদার নামেই বলার চেষ্টা করেছি ।এখানে আমাকে ভুল বুঝার কোন অবকাশ নেই ।

    যেহেতু পোস্টটি প্রথাবিরুধী ও ধর্ম সম্পর্কিত সেহেতু এর পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলতে গেলে অনেক তথ্য প্রমানের প্রয়োজন ।কিন্তু সময় স্বল্পতা, ব্রাউজার সমস্যা ও উপযুক্ত তথ্য প্রমানের অপ্রতুলতার দরুন বিস্তারিত তুলে ধরতে পারলাম না বলে দুঃখিত।আগামীতে এ ব্যপারে একটি পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করব ।
    ধন্যবাদ সবাইকে ।

    1. আমি কিন্তু প্রথম মন্তব্যেই
      আমি কিন্তু প্রথম মন্তব্যেই বলে দিয়েছি, এক্ষেত্রে একমাত্র বাঁধা হচ্ছে ধর্ম। সমাজ টয়াজ যাই বলেন, সবকিছুই ধর্মীয় দিক বিবেচনায় রেখেই বাঁধা দেয়।

  13. আপনাকেও ধন্যবাদ।আমিও ঘাটাঘাটি
    আপনাকেও ধন্যবাদ।আমিও ঘাটাঘাটি করছি।ভাবছি আরেকটা বিস্তারিত ব্লগ লিখবো এ ব্যাপারে।ধন্যবাদ আবারো আপনার মন্তব্যের জন্য।

  14. লিভটুগেদার এদেশেও কম-বেশী
    লিভটুগেদার এদেশেও কম-বেশী হচ্ছে। হয়তো সামাজিক স্বীকৃতি পায়নি।
    কেন হচ্ছে? আমরা যাতে আমাদের সঠিক সঙ্গিটিকে খুঁজে নিতে পারি। এটা নিঃসন্দেহে ভালো দিক।
    কিন্তু কিছু প্রশ্ন আমার মনে থেকেই যাচ্ছে—

    আমরা কি আসলেই সঠিক পথে আগাচ্ছি?
    আমাদের আগের জেনারেশন, মানে আমাদের মা-বাবাদের সময় পর্যন্ত শিক্ষিতের হার অনেক কম ছিলো। তারা তাদের মা-বাবার পছন্দে বিয়ে করতেন,
    তারপরেও তারা কি অসুখি ছিলেন? এখন পাঁচ-সাত বছরের প্রেমের বিয়েও তিন মাসের মাথায় ভেঙ্গে যায়। কেন?
    আমাদের মা-বাবাদের যুগে বছরে কয়টা ডিভোর্স হতো? এখন প্রায় ঘরে ডিভোর্সি পাওয়া যায়।

    আমাদের মা-বাবাদের যুগে স্বামী-স্ত্রীর কোন্দলে কয়টা খুন হতো? এখন দু’চার দিন পরপর পত্রিকায় এমন খবর পাওয়া যায়।

    আমরা আধুনিক হয়েছি আরো হচ্ছি।
    আমরা কথায় কথায় বলি—আগে গুনবিচারী, পরে দর্শনদারী। এটা কি আমাদের মনের কথা? তাহলে আমরা ঘরে বৌ রেখে কেন পরনারীর কাছে যাই?
    অফিসে স্বামীকে রেখে কেন পরপুরুষের কাছে যাই?

    আমাদের মা, বাবা, সন্তান যদি অনেক খারাপও হয়, আমরা তা মেনে নেই। কিন্তু আমাদের বৌ বা স্বামীর একটু অমিল হলেই আমরা মানতে পারিনা কেন?

    এক বাবা, মা, সন্তান যদি চিরকাল
    ভালো লাগতে পারে, তবে এক স্ত্রী বা স্বামী কেন চিরকাল ভালো লাগবে না?

    1. তারা তাদের মা-বাবার পছন্দে

      তারা তাদের মা-বাবার পছন্দে বিয়ে করতেন,
      তারপরেও তারা কি অসুখি ছিলেন?

      সরলীকরণ হয়ে গেল মনে হয়।আর তাছাড়া তখন অসুখী হওয়ার প্ল্যাটফর্মও আজকের মত ছিল না।

      1. পাভেল ভাই,
        আমি আপনার সাথে

        পাভেল ভাই,

        আমি আপনার সাথে একমত। উদাহরন স্বরূপ কিছু কথা আনতে হয়েছে।
        কিন্তু আমার কথা ওখানেই যে লিভটুগেদার তো এখনও আমাদের এখানে আছে। আগে ছিলোনা। তাহলে কি আমরা আগের থেকে ভালো আছি? যদি ভালো না থাকি, তাহলে কেন এই পরিবর্তন? পরিবর্তন তো হবে ভালোর জন্য।

        আমিও বলছি—অসুখি হওয়া প্ল্যাটফর্ম ছিলোনা। কিন্তু বর্তমান প্ল্যাটফর্মে আমরা কি আসলেই সুখি?

        1. আমিও বলছি—অসুখি হওয়া

          আমিও বলছি—অসুখি হওয়া প্ল্যাটফর্ম ছিলোনা। কিন্তু বর্তমান প্ল্যাটফর্মে আমরা কি আসলেই সুখি?

          কোনো মানুষ চিরসুখী হতে পারে না।কোনো মানবসমাজ নিখুঁত হতে দেখা যায়নি আজ পর্যন্ত।তাহলে তো পৃথিবীই হোত স্বর্গের অন্য নাম। তবে আমাদের চেষ্টা সব সময়ই থাকে সুখ খুঁজে নেওয়ার।আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যাতে আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না।জীবন সরলরেখা নয়।আগে নারীর এত ক্ষমতা ছিল না যে স্বামীর ধমকের প্রতিবাদ করতে পারে।এখন নারী পারে আর এই ভারসাম্য নিঃসন্দেহে পারিবারিক জীবনে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত করেছে।আগে খাবার পছন্দ না হলে শ্বশুর খাবার টেবিল থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।তবুও স্ত্রী পড়ে থেকেছে শ্বশুরবাড়িতে।ওই স্ত্রী এসব অত্যাচার বলে মনে করেনি।সুখ খুঁজে নিয়েছে এরই মাঝে।আজকের একজন মহিলা পুলিশ অফিসার নিশ্চয়ই এসব সহ্য করতে পারবে না। এখানে প্রশ্ন ব্যক্তিস্বাধীনতারও।
          পত্রিকায় পড়ে জানলাম যে অভিনেতা আরেফিন শুভ লিভ টুগেদার করত নাদিয়া খানম নদীর সাথে।নদীকে শুভ বলেছিল যে সে তাকে বিয়ে করবে।কিন্তু শুভ অন্য একটা মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে নদীকে ভুলে যায়।এখন নদী নিজেকে প্রতারিত ভেবে অসুখী হবে? না একটা খারাপ ছেলে তাকে ছেড়ে চলে গেছে বলে খুশিই হবে?সামনে পড়ে থাকা জীবনের দিকে তাকাবে।হয়ত খুঁজে নেবে নতুন কোনো সঙ্গী,যাকে সে বিয়ে করতে পারে।না-ও পারে।সে তো নিজের ইচ্ছাতেই লিভ টুগেদার বেছে নিয়েছিল কিন্তু ওসব মৌখিক প্রতিশ্রুতির তো দাম নেই বিয়ের ক্ষেত্রে।এসব বিষয়ে নদীকে চাপাচাপির জন্য কেউ নেই কিংবা সে সর্বোচ্চ স্বাধীনতাই পেয়েছে।

          তবে লিভ টুগেদার কিংবা বিয়ে যা-ই হোক,সন্তানের দায়িত্ব কেউ এড়াতে পারে না।সন্তান যথেষ্ট বেড়ে ওঠা না পর্যন্ত কোনোভাবেই পিতা-মাতা দায়িত্ব এড়াতে পারে না।এখানে ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে কিছু নেই।

  15. আরেকটা ব্যাপার বোধহয় আলোচনার
    আরেকটা ব্যাপার বোধহয় আলোচনার দাবী রাখে। সেটা হচ্ছে “লিভ টুগেদার” বিষয়টাও কিন্তু আমার জানামতে পুরুষতান্ত্রিক সমাজেরই একটা প্রতিফলন! এখানেও কিন্তু নারীকে মোটেই স্বাধিনতা দেয়া হয়নি!

    সমীক্ষায় দেখা যায় একজন পুরুষ এক জীবনে যতবার তার সঙ্গী পরিবর্তনে আগ্রহী, নারীরা সে তুলনায় খুব কমই সঙ্গী পরিবর্তন করতে চায়! কারণ, জীববিজ্ঞান বলে- জৈবিক ভাবে নারীরা বেশী “প্রতিশ্রুতি” প্রবন। প্রাকৃতিক ভাবেই একাধিক পুরুষ সঙ্গ তাকে কোন “বিবর্তনীয় উপযোগীতা” দেয় না। কারণ, সন্তান ধারন করতে হয় নারীকেই…
    একজন নারীর তাই এক জীবনে একজন পুরুষ সঙ্গীই যথেষ্ট!

    কিন্তু বিবর্তনবাদ অনুসারে যেহেতু পুরুষরা সহজাতভাবেই বহুগামী প্রবন সেহেতু সে প্রায়শঃই একাধিক সঙ্গী কামনা করে। সেক্ষেত্রে “লিভ টুগেদার” নারীর জন্য মোটেও কোন বিশেষ সুবিধা নয় যতটা একটা পুরুষের জন্য!

    আপাত দৃষ্টিতে “উন্নত দেশগুলো”তে “লিভ টুগেদার” রিতিটাকে অনেক বেশী নারী স্বাধীনতার নজির হিসেবে দেখা গেলেও খোদ আমেরিকাতেই বিভিন্ন ভাবে এই সিস্টেম থেকে পুরোপুরি স্বনির্ভর নারীদেরও হতাসা উঠে এসেছে!

    কাজেই- ব্যাপারটা আসলেই কিন্তু ভাববার বিষয়!

    1. সেক্ষেত্রে “লিভ টুগেদার”

      সেক্ষেত্রে “লিভ টুগেদার” নারীর জন্য মোটেও কোন বিশেষ সুবিধা নয় যতটা একটা পুরুষের জন্য!

      কারণ–

      জৈবিক ভাবে নারীরা বেশী “প্রতিশ্রুতি” প্রবন। প্রাকৃতিক ভাবেই একাধিক পুরুষ সঙ্গ তাকে কোন “বিবর্তনীয় উপযোগীতা” দেয় না।সন্তান ধারন করতে হয় নারীকেই…

      সন্তান নিয়েও একজন নারী কি অন্য পুরুষের সাথে ঘর বাঁধছে না? সাধারণভাবে নারী এক পুরুষ চায়,যে কিন্তু পুরুষ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি তার সাথে কি নারী থেকেই যাবে?পুরুষের স্বভাবে তো পাল্টাচ্ছে না। এই দুইয়ের দ্বন্দের সমাধান তো নেই বোধ হয়,সেক্যুলার দৃষ্টিকোণ থেকে।
      যে মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজকে এত ভালোভবাসত,তারও তো হারেরমে অনেক উপপত্নী ছিল।কিন্তু মমতাজের ক্ষমতা ছিল না শাহজাহানের বিরোধিতা করার।
      পিতা-মাতার মন যুগিয়ে বিয়ে করলেও প্রাচীন যুগে(মানে নারীর কাছে থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার পরবর্তী সময়ে) পুরুষের বহুগামিতা দূর হয়নি।একে দেখা হয়েছে পুরুষের সবলতা হিসেবেই।আর নারী তো এমন কিছু ভাবতেই পারত না।
      আপনি বোধহয় জেনে থাকবেন যে,অফিসে অন্য নারীর সাথে ধরা পড়ে গেলে এরশাদের দিকে রওশন ফুলদানি ছুঁড়ে মারে যাতে এরশাদের নাক ভেঙ্গে যায়।এরপর এরশাদের কাছে থেকে রওশন যুবক সংসর্গের অধিকার লাভ করে।
      জীববিজ্ঞানে যা বলা হয়েছে তা তো আমার অস্বীকার করার ক্ষমতা নেই।তবে একজন ধার্মিক নারী পুরুষের কাছে তার সন্তানের দায়িত্ব পালন বেশি করে চাইবে বলে মনে করি।সেক্যুলার এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম এমন কোনো নারীর কাছে সন্তানের পিতার কাছে থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার মনোভাব কতটুকু রয়েছে তা ভাব্বার বিষয়।ইমরান খান নিয়াজির মেয়ের ব্রিটিশ মা ঠিকই ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিয়েছে।
      ভারতের এক অভিনেত্রী(নাম মনে পড়ছে না)-র অবৈধ সন্তানের পিতা ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডস। কিন্তু রিচার্ডস সন্তানকে দেখাশোনার কোনো দায়িত্ব পালন করেনি। ওই অভিনেত্রীরও এ নিয়ে কোনো অভিযোগ শোনা যায়নি। রিচার্ডস নাকি জানতই না যে ভারতে ‘লাভ চাইল্ড’ বিষয়টিকে খুব গুরুত্বে সাথে দেখা হয়!

      1. সেটাই তো আমি বললাম! তার মানে
        সেটাই তো আমি বললাম! তার মানে দেখা যাচ্ছে লিভ টুগেদার কিন্তু আসলেই নারীর জন্য বিশেষ কোন সুবিধা নয়!
        আপনি শাহজাহান-মমতাজ এর ব্যাপারটাই ভাবুন… মমতাজ-এর লিভ টুগেদার করার সুযোগ থাকলেও কি কোন লাভ ছিল? বরং তার নামে কোন মহল তৈরী না হয়ে উপরন্তু সেও পরিনত হতো শাজাহানের হেরেম-এর আরেকজন উপপতি হিসেবে! হয়তো সে তখন শাহজাহানের মন্ত্রী-সেনা পতিদেরও ভোগের বস্তুতে প্রিনত হতো- এর বেশী কিছু কিন্তু নয়!
        স্ত্রী হবার কারণে অন্তত তার নামে একটা সৌধ তৈরী হয়েছে। সেটা তাকে সম্মানিত করেছে কিনা সেটা আলোচনার দাবী রাখে কিন্তু বিখ্যাত যে করেছে তাতে কিন্তু কোন সন্দেহই নেই!

        নিজের পায়ে দাঁড়ানো নারীদের হিসাব আলাদা। সেটা যখন সমাজে প্রভাব বিস্তার করবে তখন এমনিতেই সমাজ বদলে যাবে… সেদিন আর এরকম পোস্ট লিখে “লিভ টুগেদার”-এর পক্ষে সাফাই গাইতে হবে না কাউকে!
        প্রতিষ্ঠিত নারীদের বেলায় যে এটা কোন সমস্যা করে না সেটা আমিও আগের কমেন্টগুলোতে বলেছি…

        সর্বপরি আবারও ঐ একই কথায় আসবে ঘুরে ফিরে- ” সময় সবচেয়ে বড় নিয়ামক। সময়ের প্রয়োজনেই মানুষ পরিবর্তনকে মেনে নেয়। কোন কিছুই রাতারাতি সম্ভব নয়।”

        :ঘুমপাইতেছে: :হয়রান: :ক্লান্তকাছিম:

  16. আমি আগেই বলেছি যে হিন্দু
    আমি আগেই বলেছি যে হিন্দু সমাজে এক প্রকার বিয়ে ছিল যা অনেকটাই লিভ টুগেদারের মতন।আর এটাও সত্যি যে সব কিছুই সময় বলে দিবে।মানুষের সংস্কারমনা চিন্তাভাবনা হয়তো বর্তমান অবস্থাকে নতুন রূপ দেবে।মানুষ যাতে সুখী হতে পারে সেই ব্যবস্থাই করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *