ধর্মহীন ও ধর্মপ্রান ভাইয়েরা তোমাদের বলছি।

শীতল বাতাসটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার ভাই বাতাসের আঘাতে জর্জরিত হয়।
চিতল মাছের পেটিটা ও উপভোগ্য হয় না যখন আমার রাঁধুনির উপর মাছ রান্নার গরম খুন্তিটা বসে পড়ে।
স্বিক্ত বিকেলটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার বোন ক্ষুধার্ত থাকে।
স্নিগ্ধ রাতের বেলী ফুলের সুভাসটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার মা না ঘুমিয়ে থাকে।
শুভ্র সকালটা উপভোগ্য হয়ে উঠে কেননা নেই ক্ষত বিক্ষত ভাই,ক্ষুধার্ত বোন ও রাত জাগা পাখি মা।
কিন্তু তখন উপভোগ করা হয় না শ্বেত-শুভ্র সকালটা কারন আমি নিজেই ক্ষত বিক্ষত,ক্ষুধার্ত,ঘুমহীন।

জীবন মানেই সব কিছু…….
শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবা নয়।


শীতল বাতাসটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার ভাই বাতাসের আঘাতে জর্জরিত হয়।
চিতল মাছের পেটিটা ও উপভোগ্য হয় না যখন আমার রাঁধুনির উপর মাছ রান্নার গরম খুন্তিটা বসে পড়ে।
স্বিক্ত বিকেলটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার বোন ক্ষুধার্ত থাকে।
স্নিগ্ধ রাতের বেলী ফুলের সুভাসটা উপভোগ্য হয় না যখন আমার মা না ঘুমিয়ে থাকে।
শুভ্র সকালটা উপভোগ্য হয়ে উঠে কেননা নেই ক্ষত বিক্ষত ভাই,ক্ষুধার্ত বোন ও রাত জাগা পাখি মা।
কিন্তু তখন উপভোগ করা হয় না শ্বেত-শুভ্র সকালটা কারন আমি নিজেই ক্ষত বিক্ষত,ক্ষুধার্ত,ঘুমহীন।

জীবন মানেই সব কিছু…….
শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবা নয়।

আমার কোন ভাইটি ধর্মপ্রান বা ধর্মহীন তা দেখার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল কোন ভাইটি ক্ষুধার্ত।

কাজেই আসুন না সব ভেদাভেদ বলে সবাই এক হয়ে যায়।

সবই তো চাউল তবে কেন পৃথক পাত্রে রান্না হবে।
মোটা চিকন সব এক পাতিলে রান্না করে দেখা যাক না স্বাদটা কেমন হয়।

বিস্বাদ লাগলে ও আমরা আমরাই তো খাব।

ভাই কে ক্ষুধার্ত রেখে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে আর কত লোল চাটবেন।

না হয় দুবোতল কম গিলবেন….

একটা রাত সাধারন ঘরে ঘুমোবেন।

আর কত রক্তের স্বাদ পেতে চান এবার থামুন।

অনেক হয়ে গেছে এমন ভাবে চলতে থাকলে নিজেকে আবিস্কার করবেন দুর্ভিক্ষের ক্ষুধার্তদের মাঝে।

পিঠের সাথে পেট লেপটে থাকবে,ঠোঁট শুকিয়ে যাবে,গলা দিয়ে স্বর বেরুবে না।

চলার শক্তি থাকবে না।
চর্বি গলে পড়বে…..
তপ্ত রোদে চর্বি পোড়া গন্ধে মাছি ভন ভন করে নিজেকে মাইকেল জ্যাকসন প্রমান করতে চাইবে…

৩৭ thoughts on “ধর্মহীন ও ধর্মপ্রান ভাইয়েরা তোমাদের বলছি।

  1. পাকিস্তানিদের আমি অবিশ্বাস

    পাকিস্তানিদের আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও।

    — হুমায়ূন আযাদ

  2. অনভুতিটা ভালোয় প্রকাশ পেলো
    অনভুতিটা ভালোয় প্রকাশ পেলো কিন্তু আসলে কি সম্ভব এই অনুভূতির সঠিক বাস্তবায়ন করা…………?

  3. পাকিস্তানীদের আমি ঘৄনা করি
    পাকিস্তানীদের আমি ঘৄনা করি যখন শত আবেগ নিয়ে ও চুম্বন করে,তখনও। —সত্যের তলোয়ার

    1. ভাই আমি বুঝি নাই। এখানে
      ভাই আমি বুঝি নাই। এখানে পাকিস্তানি কেন আসলো? এটা কি পাকিস্তানিদের উদ্দেশ্যে লেখা?

        1. কোন মন্তব্য করবো না করবো না
          কোন মন্তব্য করবো না করবো না করেও না করে পারলাম না!

          আমরা সব সময়ই একটা লেখা/পোস্ট পড়ার সময় এর পেছনের ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করি! এটা কি আসলেই উচিৎ?
          আমরা পোস্টের মন্তব্য করছি- পেছনের ব্যক্তিটির নয়!

          কবি মাইকেলের সনেট কবিতার সমালোচনায় এই আলোচনা আসা সমিচিন মনে করি না যে- “উনি একজন ধর্মান্তোরী ও মদ্যপ ছিলেন!”

          সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি আমরা ব্যক্তিকে মূল্যায়ন না করে তার কাজকে মূল্যায়ন করতাম তাহলে হয়তো সমাজটা আরেকটু সুন্দর হতে পারতো…

          ধন্যবাদ।
          :আমিকিন্তুচুপচাপ:

          1. সফিক ভাই! কেমন আছেন? অনেক
            সফিক ভাই! কেমন আছেন? অনেক দিনপর আসলেন… সব ঠিকঠাক তো? এইবার মূল কথায় আসিঃ
            মানুষ সব সময় কোন কাজ বা কথা কে বলে করে বা বলে দেখে তারপর তার মুল্যায়ন করে; এইটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি,অন্তত আমার তাই মনে হয়!! কেননা ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি যে হুমায়ুন আজাদের বই কোন (বেশীর ভাগ) মা-বাবাই তার সন্তানের জন্যে কিনে না যেখানে বলা হয়ে থাকে বাংলার কিশোরদের জন্যে এই স্যারের অনন্য এই সৃষ্টি বইগুলোই সর্বাধিক শিক্ষামূলক এবং সুখপাঠ্যঃ
            ১) লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী (১৯৭৬)
            ২) ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না (১৯৮৫) (জাপানি অনুবাদ ২০০৩)
            ৩) কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী (১৯৮৭)
            ৪) আব্বুকে মনে পড়ে (১৯৮৯) ISBN 984-401-555-3 (জাপানি অনুবাদ ২০০৩)
            ৫) বুকপকেটে জোনাকিপোকা (১৯৯৩)
            ৬) আমাদের শহরে একদল দেবদূত (১৯৯৬)
            ৭) অন্ধকারে গন্ধরাজ (২০০৩)
            8)Our Beautiful Bangladesh (২০০৪)

            আমাকে একটা সদুত্তর দেন কেন স্যারের এমন অপূর্ব সৃষ্টি নিগৃহীত? আর স্যারের ভাষাবিজ্ঞানের অমূল্য কাজের কথা নাই বা বললাম!!
            তারপর বলেন কেন বাংলা ভাই বা পাপী শফির মত মানুসিকতার কোন ব্লগারকে আমি বাহবা দিব? দেখেন এমন ভণ্ডামিপূর্ণ সাধু সাজার কাজ এরশাদও করতে পারে… ভাল কথা বলতে ভাল মানুষ হওয়া লাগে না!!
            “আমি ভাল মানুষের খারাপ কথাও দুইবার মূল্যায়ন করতে রাজি আছি কিন্তু কোন বদলোকের সুন্দর কথা একবারও কান তুলতে রাজি নাই…”— তারিক লিংকন 😉

          2. বাহ! আপনি নিজেই আমার কথার
            বাহ! আপনি নিজেই আমার কথার স্বাগোক্তি করলেন!
            এবার আপনিই বলুন- হুমায়ূন আজাদের বই অভিবাবকেরা পড়তে দেয় না… এটাকে কি আপনি মেনে নিলেন নাকি অভিযোগ করলেন?

            যদি মেনে নিয়েই থাকেন যে- এটাই স্বাভাবিক, তাহলে কোন কথা নাই। কারণ “কারো লেখার সুর শুনেই, সেই লেখার ২৫% না পড়েও” আপনি যদি সেই লেখার ওপড় মন্তব্য করার অধিকার রাখেন আর এটা তো… 😛

            আমি কিন্তু বরাবরই নিরেপেক্ষ মন্তব্য করতে পছন্দ করি… আমার ফিলোসফি হলো- “একজন মানুষ ভালো না খারাপ সেই সিদ্ধান্তে আসাটা অনেক আপেক্ষিক ব্যাপার। ব্যক্তিটা বড় নয়, তার কথাটা গুরুত্বপূর্ণ!”
            তা না হলে একজন অখ্যাত মূর্খ চাষা “আরজ আলি মাতুব্বর”-এর কিছু “নিছক প্রশ্ন” দর্শনে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা যেতো না…

          3. ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি যে

            ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি যে হুমায়ুন আজাদের বই কোন (বেশীর ভাগ) মা-বাবাই তার সন্তানের জন্যে কিনে না

            কী!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!সব বাবা মা এক না। সাহিত্যের ‘সা’ ও যারা বুঝে না সে সব বাবা মা পড়তে দিবে না।
            আমার হাতে প্রথম হুমায়ুন আজাদের বই আমার ভাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া। এরপর আমার বাবা নিজে আমাকে হুমায়ুন আজাদের বই এনে দিয়েছে।
            তাই আমার কথাটি পছন্দ হয় নাই।
            :ভাঙামন: :ভাঙামন: :ভাঙামন: :ভাঙামন: :ভাঙামন:

          4. আমিও কিন্তু প্রথম তসলিমা
            :থাম্বসআপ:

            আমিও কিন্তু প্রথম তসলিমা নাসরিনের বই পড়েছি- “ক”।
            আর সেটা বাসায় এনেছিল আমার বড় ভাই!
            হুমায়ূন আজাদ এবং তসলিমা নাসরিনের একটা কালেকশন আমাকে পড়তে দিয়েছেন আমার বড় মামা!

            আমার খুব প্রিয় একজন ব্যক্তি হচ্ছে- ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।
            উনার একটা কথা আমার খুব ভালো লাগে- “বই পড়ার সময় কোন বাছ-বিচারের দরকার নেই। কারণ, বইয়ের মধ্যে ভাল-খারাপ বলে কিছু নেই। আমি ছোট বেলা থেকে ভাল-খারাপ সব বইই পড়েছি। আর সেজন্যই আমি খারাপ হয়ে যাইনি…”

            আমিও মনে করি- পড়ার ক্ষেত্রে (সেটা বইই হোক বা ব্লগ!) কোন বাছ বিচার করা উচিৎ না। সব কিছু থেকেই শেখার আছে… আমি কিভাবে নিচ্ছি সেটাই বড় কথা।

            মেডিটেশনের একটা চমৎকার সুন্দর কথা দিয়ে শেষ করি-
            “Doesn’t matter what’s happens to you, matter is- how you react!”

            ভালো থাকুন… 🙂

  4. কেন সম্ভব হবে না।আমরা সবাই
    কেন সম্ভব হবে না।আমরা সবাই একই বাতাসে,একই দেশে জন্মেছি।প্রয়োজন মানষিকতা পরিবর্তন।প্রয়োজন সংকীর্নতার দেয়াল গুড়ে দেওয়া।

  5. তেলে জলে কি মেশে। তেল মিশতে
    তেলে জলে কি মেশে। তেল মিশতে চাইলেও জল মিশবে না, জল মিশতে চাইলেও তেল মিশবে না। আস্তিক নাস্তিক যাই হোক না কেন, আগে ভালো মানুষ হওয়াটা জরুরী।

  6. আসবার কালে কি জাত ছিলে
    এসে

    আসবার কালে কি জাত ছিলে
    এসে তুমি কি যা নিলে
    কি জাত হবা যাবার কালে
    সে কথা ভেবে বল না

    জাত গেল জাত গেল বলে একী আজব কারখানা?

  7. না ভাই এটা বাংলাদেশে বসবাস
    না ভাই এটা বাংলাদেশে বসবাস কারী পাকিস্তানী,ইন্ডিয়ান তথা ভীনদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়ন কারী আমাদের রক্ত চোষকদের না বুঝে বা স্বল্পলাভে
    সমর্থন
    কারীদের উদ্দেশ্যে লেখা।

  8. ইয়ে বস আপনি আমার পূর্ববর্তী
    ইয়ে বস আপনি আমার পূর্ববর্তী পোস্ট গুলো থেকে আপনার পাকিস্তান/ইন্ডিয়ান ফর্মূলা আবিষ্কার করলেন।বড় ভাই একটা কথা বলি ঠিক আমার কথা না প্রচলিত প্রবাদ ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাইনি।

  9. মিস্টার তলোয়ার হোসেন সায়েদী
    মিস্টার তলোয়ার হোসেন সায়েদী ,আপনি এইটা অস্বীকার করতে পারবেন না যা আগের পোস্ট গুলোতে আপনি যথেষ্ট জল ঘোলা করেছেন। তাই এই পোস্টে ঘোলা জল রিকভারি করা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই সন্দেহ হইতেছে। যৌনতা ছাইড়া মানবতায় কেন নামলেন সেটা তদন্ত করে দেখলে আপনার ডিব্বার তেল বাইর হয়ে যাচ্ছে কেন বুঝলাম না! চোরের মন পুলিশ পুলিশ।

  10. হিপোক্রেট সোর্ড।—
    :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
    হিপোক্রেট সোর্ড।—

  11. আমার চশমা আছে। তেলের ডিব্বায়
    আমার চশমা আছে। তেলের ডিব্বায় তেল নাই ভালা কথা। মধু যেটা আছে সেটাকি মওদুধী মধু?? তেলের ডিব্বায় যে মানুষ মধু লইয়া ঘুরে তারে বিশ্বাস নাই। সে তলোয়ারের খাপের ভিতর মলম নিয়া ঘুরতে পারে।

    তা ভাইজান ,ইয়ে মানে ,আপনার মডেমটা কি তেলের ডিব্বায় নাকি দুই ঠ্যাং এর চিপায়??

    1. আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণে
      আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণে খেলা তো ভালোয় জমে উঠেছে ………… চালিয়ে যান ……উই আর এনজয়িং……… :নৃত্য:

  12. না এইটা শ্রীমতি দরবেশ বাবা ও
    না এইটা শ্রীমতি দরবেশ বাবা ও রাবিশ আবুলের সংগৃহিত মধু যা উৎপাদনে সততার সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে।যে ফুল থেকে এই মধু এসেছে তা প্রজাপ্রতি মন্ত্রী চেনেন।এই মধু কালো বিড়াল চেখে দেখেছে মতির আলুতে এডটা শুধু দেওয়া হয়নি।ইয়ে জাগরনের জন্যে উক্ত মধু মৃগনাভীর সাথে খুবই চমৎকার কাজ করে।
    তলোয়ারের খাপে মলম নয় গ্লিসারিন থাকে।ভাই মডেমটা পদ্মাসেতুর ফাঁদে পড়ছে…..থ্রীজি থ্রীজি করে ঝুলে আছে থ্রীজিটা ঝুলে আছে মৃত ফেলানীর মত।তাই হয়ত মডেমটা তেলের ডিব্বায় যায় নি।…..মধুর কতিপয় কারিশমা আছে এই মধু থেকে জয় চাঁদ টেন নয় টু পার্সেন্ট পেলে ও ক্ষুধার্ত থাকত না প্রিয়া,ইমন,আবিরের মত শিশুরা।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    1. কিন্তু,
      পাকিস্তানিদের আমি

      কিন্তু,

      পাকিস্তানিদের আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও।
      — হুমায়ূন আজাদ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *