বন্ধু!!!

ব্যাপারটি নিয়ে আমার একটু এলার্জি আছে|
২৩বছর জীবনটি যদিও তেমন একটা বয়স নয় তোবুও এখন থেকেই আমি বিগত দিনগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করে দিয়েছি|
দিয়েছি বললে বোধয় ভুল হয়| আসলে মনের অজান্তে ভাবনাগুলো এসেযায়| সেইসাথে কিছু ব্রিহদাকার নিশ্বাস নির্গত হয়|
তো কথা হচ্ছিল বন্ধুত্ব নিয়ে|
স্কুল পর্যায়ের বন্ধুত্বকে আমরা অনেকেই প্রায়োরিটি দিয়ে তাকে নির্স্বার্থ বলি| তা কি আদৌ কোন বন্ধুত্ব?
মুলত তখনকার বন্ধুগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় যার যার অবিভাবক দ্বারা| কিছু ব্যাতিক্রম থাকবেই|

ব্যাপারটি নিয়ে আমার একটু এলার্জি আছে|
২৩বছর জীবনটি যদিও তেমন একটা বয়স নয় তোবুও এখন থেকেই আমি বিগত দিনগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করে দিয়েছি|
দিয়েছি বললে বোধয় ভুল হয়| আসলে মনের অজান্তে ভাবনাগুলো এসেযায়| সেইসাথে কিছু ব্রিহদাকার নিশ্বাস নির্গত হয়|
তো কথা হচ্ছিল বন্ধুত্ব নিয়ে|
স্কুল পর্যায়ের বন্ধুত্বকে আমরা অনেকেই প্রায়োরিটি দিয়ে তাকে নির্স্বার্থ বলি| তা কি আদৌ কোন বন্ধুত্ব?
মুলত তখনকার বন্ধুগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় যার যার অবিভাবক দ্বারা| কিছু ব্যাতিক্রম থাকবেই|
তেমনি বসবাসের নির্দিষ্ট এলাকায়ও কিছু খেলার সাথি জুটে যায়| এরা নিছক খেলার সাথিই বটে| একে অপরের পারিবারিক বন্ধন ও দির্ঘদিন সহাবস্থানের কারনে কিছু বন্ধুতা গড়ে উঠে|
বন্ধুত্বকে যদিও একৈ আত্মা বলা হয় তবুও পারিবারিক মতাদর্শের উর্ধে যাওয়াটা সমর্থন যগ্য নয়| তথাপি ২টি পরিবারের যোগাযোগ থাকাটা সম্পুরক বন্ধুত্বের জন্য সহায়ক|
স্কুল পর্যায় থেকেই আমার বন্ধুভাগ্য এমন ছিল যে, যার সাথে যতটুকু গভীর বন্ধুত্ব হবে তার সাথে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ততটুকু দুরুত্ব বঝায় রাখার মত অবস্থা তৈরি হয়|
ছোট থাকতে তো মতানৈক্য হলে উভয়ের কনিষ্ঠ আংগুলি ঘর্ষন করে ২-৩মিনিট নিরবতা পালন করতাম|
কিন্তু স্কুল পর্যায়ের শেষের দিকে এসে ব্যাপারটি এমন ভয়াবহ রুপ লাভ করলো যে টানা ৩বছর প্রতিদিন অন্তত একবার মুখোমুখি থেকেও কথা বলিনি কেউ কারো সাথে|
তখন তো যাকে ভালো লাগত তাকে দোস্ত বলে সম্মোধন করতাম, কিন্তু কলেজে এসে দোস্ত শব্দটার এমন অপপ্রয়োগ দেখে রিতিমত বোকা বনলাম|
যে ছেলের সাথে কোনদিন কথা তো হয়নি থাক, দেখেছি কিনা তাও মনে করতে পারিনা সে এসে বলে, দোস্ত তুই কোন সেকশনে?
যাক, তাল মিলানোর উদ্দেশ্যে যাকে তাকে স্বার্থ উপস্থিত হলেই দোস্ত বলে গা ভাসাতাম|
কলেজে বন্ধুর মতো কিছু পাব বলে আমি ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করিনি|
কলেজ থেকে বাসায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত খুব অস্থিরতায় ভুগতাম| আসলে দেখবেন যে, এক মাইল পথ অতিক্রম করতে গিয়ে আধা মাইল পর যদি আপন কারো সাথে সাক্ষাত হয় তবে বাকি পথ অতিক্রম করার পর মুলত আধা মাইল অতিক্রমের কষ্ট অনুভুত হয়|
অনেকগুলো ছেলের সাথে বন্ধুত্বের অভিনয় করতাম|
একদিন একটি ছেলের ফোন নং নিয়েছি এভাবেই খেলার বসে| কিন্তু তার সাথে আমি আমার জীবনের সর্বোচ্চ বন্ধুত্ব স্থাপন করেছি|
ইদানিং খুব বেশি মনোমালিন্য হচ্ছে| তাতে বারবার সেই কথাটিই মনে পড়ে,
যার সাথে যত বেশি বন্ধুত্ব
তার থেকে তত বেশি দুরত্ব|
কিছু ট্রেজিক সময় সামনে|

১১ thoughts on “বন্ধু!!!

  1. লেজ কাটা শেয়াল বাবাজী,
    রক্তের

    লেজ কাটা শেয়াল বাবাজী,

    রক্তের এবং কাগজপত্রের সম্পর্ক ছাড়া একটিমাত্র সম্পর্ক আছে, যা কিনা শুধুমাত্র আত্নার সম্পর্ক—বন্ধু।
    এখনকার অধিকাংশ বন্ধুত্ব শুধু স্বার্থের বন্ধুত্ব। বন্ধু শব্দটাকে অপব্যবহার করছি।

    ইদানিং লক্ষ্য করলাম ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে অনেক ছেলেই অল্প পরিচয়ের সূত্র ধরে বলে ফেলে—”তুমি আমার বন্ধু হবে? আমি তোমার সাথে বন্ধু হতে চাই।”
    কি হাস্যকর ব্যপার! তখন বোঝা উচিৎ যে, এর অন্তরালে স্বার্থ লুকিয়ে আছে। প্রকৃত বন্ধুত্ব কখনও বলে-কয়ে হয় না।

    বন্ধুত্বে মান-অভিমান থাকতেই পারে, তখন দু’জনকেই এগিয়ে আসতে হবে এবং যে কোনো একজনকে একটু ছাড় দিতে হবে। তা না হলে কেমন বন্ধুত্ব?

    1. রক্তের এবং কাগজপত্রের সম্পর্ক
      রক্তের এবং কাগজপত্রের সম্পর্ক ছাড়া একটিমাত্র সম্পর্ক আছে।। আর এই সম্পর্কটি এতই মুল্লবান যে মানুষ অহংকার করে বলে, আমার মা-বাবার সাথে আমার বন্ধুর সম্পর্ক। স্বামীস্ত্রীর সম্পর্কেও বন্ধুত্ব আবশ্যক। আপনার মন্তব্য ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ চাচা।

  2. আপনি তো ভাই
    আপনি তো ভাই অসাধারণ,বন্ধুত্বের অভিনয়?তাও আবার কয়েকটা ছেলের সাথে!!
    আর একটা কথা,আপনার লেজ ‘কেটা’ কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *