অনুগল্প – যৌনাবেগ – কিশোরী

(ক)

আকবর সাহেব বুঝতে পারছেন না স্ত্রীর জন্য কি গিফট কেনা যায় । তার স্ত্রী শ্যামা খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের মেয়ে । সহজে তার কিছু পছন্দ হয় না । আজ তাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী । আকবর সাহেবের ইচ্ছা আজ তিনি শ্যামাকে চমকে দিবে । শ্যামাকে চমকে দেয়া সহজ না । কিন্তু আজ তিনি সকাল থেকে প্ল্যান মাফিক কাজ করছেন ।

সকালে তিনি এমন এক ভাব নিয়েছেন যে আজ তাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী এই কথা তিনি ভুলে হজম করে বসে আছেন । প্রতিদিনের চেয়ে আজ বরং তিনি তাড়াফুড়া করে ব্রেকফাস্ট সেরেছেন । শ্যামার কাছ থেকে বিদায় না নিয়েই অফিসে চলে এসেছেন । অফিসে এসেও ন ফোন কল ।


(ক)

আকবর সাহেব বুঝতে পারছেন না স্ত্রীর জন্য কি গিফট কেনা যায় । তার স্ত্রী শ্যামা খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের মেয়ে । সহজে তার কিছু পছন্দ হয় না । আজ তাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী । আকবর সাহেবের ইচ্ছা আজ তিনি শ্যামাকে চমকে দিবে । শ্যামাকে চমকে দেয়া সহজ না । কিন্তু আজ তিনি সকাল থেকে প্ল্যান মাফিক কাজ করছেন ।

সকালে তিনি এমন এক ভাব নিয়েছেন যে আজ তাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী এই কথা তিনি ভুলে হজম করে বসে আছেন । প্রতিদিনের চেয়ে আজ বরং তিনি তাড়াফুড়া করে ব্রেকফাস্ট সেরেছেন । শ্যামার কাছ থেকে বিদায় না নিয়েই অফিসে চলে এসেছেন । অফিসে এসেও ন ফোন কল ।

শ্যামা তার স্বামীকে কিছু মনে করিয়ে দেয় নি । মনে মনে নিশ্চয়ই শ্যামা অবাক হয়েছে । এই পরিস্থিতিতে তার রাগ করা স্বাভাবিক । আকবর সাহেবও তাই চাচ্ছেন । শ্যামা প্রচণ্ড অভিমান করুক । শ্যামা ভেবে নিক আকবর সাহেবের কাছে তাদের প্রথম ম্যারেজ’ডের কোন মূল্য নেই তাই তিনি ভুলে গেছে । সারাদিন আকবর সাহেব বাসার কোন খোঁজ খবর নিবে না ( এমনিতে দিনে ৩/৪ বার ফোন করে ) তারপর সন্ধ্যায় ম্যারেজ’ডে স্পেশাল কেক টেবিলে সাজিয়ে তিনি চুপিসারে পিছন থেকে তার রূপবতী স্ত্রীর কোমর জড়িয়ে বলবেন –
– ‘ হ্যাপি ম্যারেজ ডে শ্যামা । তুমি আমার জীবনের আশীর্বাদ ‘

তারপর রাতে কোন ফাইভ স্টার হোটেলে ডিনার সেরে শ্যামার হাতে লাখ টাকা দামের ডায়মন্ডের আংটি’টি পড়িয়ে দিবে । দুই সপ্তাহ আগেই দুবাই থেকে তার বন্ধুকে শিশিরকে দিয়ে তিনি আংটিটি নিয়ে এসেছেন । কাউকে কিছু বলেননি । শ্যামাকে সারপ্রাইজ দেয়ার সব বন্দোবস্ত রেডি । এখন সঠিক সময়ে কোমর জড়িয়ে ধরা বাকি । ভাবতেই আকবর সাহেব রোমাঞ্চ অনুভব করছেন ।

(খ)

ঘড়িতে ৫ টা বেজে ৪০ মিনিট । আকবর সাহেব ড্রাইভিং সিটে । বিজয় সরণীর সিগন্যালে তিনি বসে আছেন । এক কিশোরী আটকে পড়া গাড়িতে ঘুরে ঘুরে ফুল বিক্রি করছে । মেয়েটিকে দেখে মনে হুল শ্যামাকে বেলি ফুলের মালা খোঁপায় পড়িয়ে দেয়া যায় । ব্যাপারটা চরম রোম্যান্টিক হবে । জানালার কাঁচ খুলে আকবর সাহেব মেয়েটিকে ডাক দিল ।
– বেলী ফুলের মালা কতো করে ?
একেকটা ৫ টাকা করে স্যার
– কয়দিন আগের ? গন্ধটন্ধ আছে ?
স্যার আজকে মালা গাঁথছি । খুব বাসনা । মেয়েটি মালা নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুকতে শুকতে বলল
– ২ টা দে তো – দাড়া , তুই দিস না । আমি দেখে নিবো ।
আকবর সাহেব মেয়েটির বুকের কাছে ধরা মালার কাঠি থেকে মালা বাছাই করছে । তার এখন মালা পছন্দ হচ্ছে না । তার অন্য কিছু পছন্দ হচ্ছে ।
সিগন্যাল ছেড়ে দিচ্ছে । মেয়েটি সিগন্যাল লাইটের দিকে তাকিয়ে
– স্যার সিগন্যাল ছইরা দিতাছে , তাড়াতাড়ি করেন ।

আকবর সাহেব মালার কাঠি থেকে হাত সরিয়ে কিশোরী মেয়েটির বুক কচলে দিল । সিগন্যালে সবুজ বাতি জ্বলছে । কিশোরী মেয়েটি বিস্ফোরিত দৃষ্টিতে আকবর সাহেবের দিকে তাকিয়ে । আকবর সাহেব মানিব্যাগ থেকে দ্রুত ১০০ টাকা বের করে রাস্তায় ছুড়ে দিল ।

(গ)

আকবর সাহেবের তার স্ত্রীর সাথে প্রথম বিবাহ বার্ষিকী পালনে তীর বেগে ছুটে যাচ্ছেন । শ্যামাকে চমকে দেয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন । শুধু বেলি ফুলটা গাড়িতে তোলা হল না । তিনি দুর্ভাগ্যবশত গাড়ির পিছনে একদলা থুতু নিয়ে যাচ্ছেন ।


( ছবি – সংগ্রহ )

অনুগল্প – যৌনাবেগ – গোসলখানা

৬৫ thoughts on “অনুগল্প – যৌনাবেগ – কিশোরী

    1. কিশোরী র পক্ষে থু দেয়া ছাড়া
      কিশোরী র পক্ষে থু দেয়া ছাড়া আর কি বা করার ছিল , তবে আকবরদের জন্য আরও বেশী কিছু প্রয়োজন , অবশ্যই প্রয়োজন

  1. এত সহজ ও সংক্ষিপ্তভাবে একটি
    এত সহজ ও সংক্ষিপ্তভাবে একটি গল্পের মাধ্যমে যে বাস্তবতা তুলে ধরা সম্ভব, আপনার পোস্টটি তার জলন্ত দৃষ্টান্ত ।

    সম্ভব হলে কয়েকটা বানান ঠিক করে পুনরায় সম্পাদন করে নিবেন ।ধন্যবাদ আপনাকে ।

  2. সুন্দর পোস্ট
    পোস্টের বিষয়টি

    সুন্দর পোস্ট
    পোস্টের বিষয়টি খুব ভাল ভাবে তুলে ধরেছেন আকবর এর চরিত্র। .।

    তবে নাম টা ভাল লাগছে না.,। হয়তো পাঠকদের আকৃষ্ঠ করার জন্যেই এমন নাম .। পাঠকেরা তো আবার এই রকম নামে আকৃষ্ট হয়!

    1. নামের ঠিক কোন জায়গায় ভালো
      নামের ঠিক কোন জায়গায় ভালো লাগছে না ? আমি বুঝি নাই
      নাম কোনকিছু ভেবে না । সাধারণ একটা নাম হিসেবে ই চয়েজ করা হয়েছে ।

      ধন্যবাদ দুরন্ত জয়

  3. ১) গল্পের নামটা ভালো
    ১) গল্পের নামটা ভালো লাগেনি।
    ২) গল্পটা পড়ে মনে হলো খুব তাড়াহুড়ো করে লেখা। ভালো গল্পের জন্য একটু সময় নিয়ে লিখতে হবে।
    ৩) গল্পে হঠাৎ করে রোম্যান্টিক আকবরের এই ধরনের মানসিক বিকৃতির প্রকাশটা একটা টুইস্ট নিয়ে এসেছে। কিন্তু ভাই, এসব ছাড়া অন্য কিছু লেখা যায় না?
    আমার কাছে এটা কেমন লাগলো জানেন?
    একটা ডেমো দিলেই বুঝতে পারবেন। মনে করেন খুব আয়েস করে ভাত খেতে বসেছি। সামনে ধবধবে সাদা ভাত। মাত্র পাতিল থেকে নামানো হয়েছে বলে এখনো ভাত থেকে ধোয়া উঠছে। তরকারি হিসেবে আছে, প্রচণ্ড ঝাল শুঁটকি মাছের ভর্তা আর পাতলা ডাল। আয়োজন দেখে পেটে ক্ষুধাটাও চনমন করে উঠছে। দ্রুত ভাতের সাথে শুঁটকি ভর্তা মেখে মুখে দিয়েই ওয়াক থু করে ফেলে দিলাম। হারামজাদা বিড়ালটা শুঁটকি ভর্তা খেয়ে ওই প্লেটে হেগে রেখে গেছে…

    1. রায়ান একটা কথায় তোর জন্যে
      রায়ান একটা কথায় তোর জন্যে যথার্থ হবে বলে মনে হচ্ছে…
      ‘সাহিত্য জীবনের মত আপত্তিকর…’–হুমায়ুন আজাদ!

      এই সমাজের ধ্বজাধারীদের স্বরূপ এইভাবেই উন্মোচিত হোক।।
      সিফাত ভাই :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:
      :salute: :salute: :salute:

    2. নাভিদ কায়সার রায়ান , আমি
      নাভিদ কায়সার রায়ান , আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি , আপনি মনোযোগ দিয়ে কমেন্ট লিখেছেন এই জন্য । আমরা ইদানীং তারাফুরা করে কমেন্ট করি । ডিটেলস এ যাই না ( আমার মতো :মুগ্ধৈছি: )

      আপনার ভাত মরিচের উদাহরণ ভালো লেগেছে । আমি এই ভাত নে খেতে পারাটাই একটা গল্প হিসেবে উপস্থাপন করতে আগ্রহী । সবাই ভাত খাওয়ার গল্প লিখে । লিখুক না একজন ভাত না খেতে পেরে ওয়াক থু করে দেয়ার গল্প :লইজ্জালাগে:

      শুভেচ্ছা জানবেন :ফুল:

      1. “ওয়াক থু করে দেয়ার গল্প”
        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
        :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:
        “ওয়াক থু করে দেয়ার গল্প”

  4. ভায়া ডেমো টা এভাবে না দিলেও
    ভায়া ডেমো টা এভাবে না দিলেও পারতেন ,নতুন লেখকদের আর একটু অন্যভাবে বুঝিয়ে দিয়েও উত্সাহ দেয়া যায়। যেখানে ডেমো ও থাকবে আবার উত্সাহ টাও থাকবে।

    1. এক সের উৎসাহ, তারমধ্যে এক
      এক সের উৎসাহ, তারমধ্যে এক মুঠো সমালোচনা আর একচিমটি ডেমো , ব্যস হয়ে গেল! আমি তো উৎসাহই দিলাম!

    2. তারানণুম তারা , ডেমো আমি কোন
      তারানণুম তারা , ডেমো আমি কোন অসুবিধা দেখছি না । থ্রি ইডিয়টের ‘ ডেমো ‘ আর গল্পের ডেমো কিঞ্চিত আলাদা । তিনি তার অভিমত ( ডেমো ) ব্যক্ত করেছেন । আমি আমার লেখনী । দুইটাই স্বতঃস্ফূর্ত 🙂

  5. অনুগল্পের একটা মাইনাস পয়েন্ট
    অনুগল্পের একটা মাইনাস পয়েন্ট হচ্ছে চরিত্রগুলো বিকশিত হয়না এর স্বল্প পরিসরের কারনে। ফলে চরিত্রের বৈশিষ্টে টুইস্ট হুট করে চলে আসলে ধাক্কামতন লাগে। কিন্তু আপনি যা লিখেছেন তাও অবাস্তব নয়। আপাত ভদ্র একজন মানুষের মুখোশের পেছনেই লুকিয়ে থাকে কদর্য চেহারা।

    1. ডেমো টা সেইরকম হাসির .। তবে
      ডেমো টা সেইরকম হাসির .। তবে উনার পোস্ট টা আমার ভাল লেগেছে .।

      প্রথম পয়েন্ট এ সহমত

  6. অসাধারন হয়েছে লেখাটা। আপনার
    অসাধারন হয়েছে লেখাটা। আপনার লেখা দিয়ে মানুষের মনে যটটা অনুভূতি জাগাতে চেয়েছিলেন, তার চেয়েও বেশি জাগাতে পেরেছেন। জাগাতে পেরেছেন ক্ষোভ, ঘৃনা, কষ্ট সবকিছু।
    তবে শিরোনামটা কেমন হালকা হয়ে গেছে

    1. শিরোনামে আমি সবসময় দুর্বল
      শিরোনামে আমি সবসময় দুর্বল 🙁 চেষ্টা চলবে আরেকটু ব্যতিক্রম করবার

      ধন্যবাদ শামীমা মিতু

  7. আকবর সাহেব মালার কাঠি থেকে

    আকবর সাহেব মালার কাঠি থেকে হাত সরিয়ে কিশোরী মেয়েটির বুক কচলে দিল । সিগন্যালে সবুজ বাতি জ্বলছে । কিশোরী মেয়েটি বিস্ফোরিত দৃষ্টিতে আকবর সাহেবের দিকে তাকিয়ে । আকবর সাহেব মানিব্যাগ থেকে দ্রুত ১০০ টাকা বের করে রাস্তায় ছুড়ে দিল ।
    (গ)
    আকবর সাহেবের তার স্ত্রীর সাথে প্রথম বিবাহ বার্ষিকী পালনে তীর বেগে ছুটে যাচ্ছেন । শ্যামকে চমকে দেয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন । শুধু বেলি ফুলটা গাড়িতে তোলা হল না । তিনি দুর্ভাগ্যবশত গাড়ির পিছনে একদলা থুতু নিয়ে যাচ্ছেন ।

    —এই ছোট্ট দু’টো প্যারার ৩/৪ টা লাইন যেন একটা বিশাল কবিতা। সাহিত্যের অনেক ট্রিক্সই যথার্থভাবে ব্যাবহার করা হয়েছে।। ফুলের মালা থেকে হাত সরিয়ে নেয়া, মেয়েটিকে লাঞ্ছিত করা; সমাজব্যাবস্তার সিগন্যালে সবুজ বাতি জ্বলা বা জীবনের ভালোবাসার প্রবল হঠকারী ইচ্ছায় শেষ অব্দি গাড়িতে তুলতে না পারা অথবা যান্ত্রিক সভ্যতার ব্যাস্ততায় তীর বেগে স্বেচ্ছাচারী মিথ্যা ছুটে চলায় অবিরত বঞ্চিত-লাঞ্চিতদের ঘৃণা সাথে নিয়ে চলা…
    অসাধারণ লেগেছে সিফাত ভাই… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    একটা অনুগল্পেই সমাজের অন্তসারশুন্যতার একটা অংশ সাবলীল বর্ণনায় ফুটিয়ে তুলেছেন নিজ দক্ষতায়, আপনাকে :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    1. ভাই রে , আপনার কমেন্ট আমি ৩
      ভাই রে , আপনার কমেন্ট আমি ৩ বার পড়লাম । আপনি তো আমার গল্পের চেয়েও সুন্দর করে কমেন্ট করেছেন ।

      অনেক ধন্যবাদ তারিক লিংকন ।
      তারিক লিংকনের হাতে ৯টি লাল গোলাপ ( হুআ কপিরাইট )
      :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

      1. আমি ভাই একটা রিভিউ করলাম
        :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে:
        আমি ভাই একটা রিভিউ করলাম নিজের মত করে! কাব্যের এই একটা বহুমাত্রিকতা অনেক সময় কবির অজান্তেই পাঠকের মনে অনবদ্য দোলা দিয়ে যায় লিখাটি!!
        যাহোক আপনাকেও ধইন্যা… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
        তবে, একটা ব্যাপার বুঝলাম না। আচ্ছা ৯ টা গোলাপের মাজেজা কি?

          1. সানন্দে গ্রহন করিলাম…
            সানন্দে গ্রহন করিলাম… ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
            আপনাকেও :গোলাপ: :গোলাপ:

      2. এইগুলা অবশ্য ফুল ছিল,
        এইগুলা অবশ্য ফুল ছিল, :দেখুমনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: সমস্যা নাই, আমি দিয়া দিলাম… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: 😀

    2. একটা অনুগল্পেই সমাজের

      একটা অনুগল্পেই সমাজের অন্তসারশুন্যতার একটা অংশ সাবলীল বর্ণনায় ফুটিয়ে তুলেছেন নিজ দক্ষতায়

      এধরনের মন্তব্যে রচনা হয় আরও সমৃদ্ধ :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: … রচয়িতা হয় উৎসাহিত ও অনুপ্রানিত… :নৃত্য: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

      চমৎকার বলেছেন লিংকন ভাই… :bow: :bow: :bow: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  8. বিয়ের প্রথম বছরেই এই অবস্থা।
    বিয়ের প্রথম বছরেই এই অবস্থা। পরে নাজানি কি হয়!!!
    নোংরা মনের পরিচয় ভালো করেই ফুটিয়েছেন।।

  9. সিফাত ভাই, জানি না হাবিজাবি
    সিফাত ভাই, জানি না হাবিজাবি মন্তব্য করে আপনার কতখানি বিরক্তি উৎপাদন করেছি। আপনি কি আমার কথায় কষ্ট পেয়েছেন? পেয়ে থাকলে দুঃখিত।
    বিয়ের আগে আমি আর আমার বউ ধুমায়া সারা ঢাকা ধুরে বেড়াতাম। মানিক মিয়া এভিনিউ,বিজয় সরণি, আগার গাঁ , ঢাকা ভার্সিটি, শেরাটনের মোড়ের এই পিচ্চিগুলোর সাথে দেখা হলেই ওদের কাছ থেকে গোলাপ বা রজনী গন্ধার স্টিক কিনতেই হতো। সিগনালে এসব জায়গায় রিকসা বা সিএনজি কিছুক্ষণ দাঁড়ালেই ওরা ছুটে আসতো। ফুল কেনার পর আমি আর আমার বউ ওদের সাথে খুব মজা করে গল্প করতাম। সেসব অনেক আগের কথা।
    কেউ যে ওদের নিয়ে এসব চিন্তা করতে পারে এটা আমার কল্পনাতেই কখনো আসেনি। গতকাল লেখাটা পরার পর আপনার উপর প্রচণ্ড রাগ লাগছিল। এটা ভেবে যে শুধু একটা লেখা লেখার জন্য আপনি কিভাবে ওদের এভাবে ব্যাবহার করতে পারলেন?
    ছাগলের মতো একটা কাজ করার জন্য দুঃখিত।

    সবাই ভাত খাওয়ার গল্প লিখে । লিখুক না একজন ভাত না খেতে পেরে ওয়াক থু করে দেয়ার গল্প

    হ্যাঁ। কাউকে না কাউকে “ওয়াক থু করে দেয়ার গল্প” টা লিখতে হবে।

    :ফুল:

    1. ১ম , কথা বিরক্ত হইলে , আমি
      ১ম , কথা বিরক্ত হইলে , আমি প্রতিমন্তব্য করতাম না । স্কিপ করতাম ।
      ২য় , মিতু আপার কমেন্ট এর দ্বিতীয় আর তৃতীয় লাইন । বাকি কথার উত্তর —

      ভালো থাকবেন

  10. অসাধারন সিফাত ভাই । খুবই
    অসাধারন সিফাত ভাই । খুবই স্বল্প পরিসরে তুলে আনলেন নির্মম বাস্তবতা । অনুগল্পের সার্থকতা ঠিক এখানেই , কাহিনি , চরিত্র অবিকশিত অবস্থাস্য রয়ে গেলেও থিম টা চমৎকার ভাবে তুলে এনেছেন । বেশি আলচনায় গেলে এটা তিতো হয়ে যেত । সভ্যতার চাদরে ঢাকা নির্মম অসভ্যতা এমন সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ সিফাত ভাই ।
    কোন কথা হবে নাহ বস শুধু :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: হবে 😀

    1. মোশফেক আহমেদ , আপনাকে অসংখ্য
      মোশফেক আহমেদ , আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

      সুস্থ থাকুন সর্বদা , এই কামনা :গোলাপ:

  11. সিফাত বাবাজী,
    অনেক বিজ্ঞ

    সিফাত বাবাজী,

    অনেক বিজ্ঞ মন্তব্যদাতা লেখার অনেক গভীরে গিয়ে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের মন্তব্য খুবই যৌক্তিক এবং আপনার জন্য প্রেরণা। তবে আমি শুধু এটুকুই বলবো—সহজ করে সর্বজনগৃহীত লেখাই উত্তম। যেমনটা—এক আকবরকে দিয়ে সমাজের প্রায় সত্তর ভাগ আকবরকে তুলে এনেছেন। অসাধারণ! সবাই যা করে, আপনি তা করলে সাধারণ হতো।

  12. প্রথমে পড়ার সময় মনে হয়েছিলো
    প্রথমে পড়ার সময় মনে হয়েছিলো কি পরছি নিজেই জানিনা কিন্তু শেষ দিকে এসে ধাক্কাটা লাগলো এক কথা অসাধারন হয়েছে সমাজের বাস্তব চিত্র খুব কম কথায় তুলে ধরতে পেরেছেন ………… ভবিষ্যত শুভকামনা :গোলাপ:

  13. শিরোনাম ‘টার বাজার দর যে অনেক
    শিরোনাম ‘টার বাজার দর যে অনেক বেশি তা বেশ বুঝতে পারছি ।
    তারমানে এই না গল্প ভাল হয়নি । ভাল লেগেছে :গোলাপ:
    সবাই চায় তার লেখা অনেক মানুষ পড়ুক । খুবই স্বাভাবিক ।
    সাহিত্যর দায় মোচন হয়ে গেলে আর ভাবনা কি ?
    আপনাকে অভিনন্দন জানাই …

  14. শিরোনাম টা আসলেই একটু হালকা
    শিরোনাম টা আসলেই একটু হালকা হয়েছে। তবে গল্পটা পড়ে আসলেই ধাক্কা খেয়েছি। শেষ দিকের লাইন এ শব্দ চয়ন অদ্ভুত হয়েছে। ভাল লিখেছেন।

  15. প্রথম লাইন থেকে আকবর সাহেবের
    প্রথম লাইন থেকে আকবর সাহেবের “২ টা দে তো – দাড়া , তুই দিস না । আমি দেখে নিবো ।” পর্যন্ত পড়ে বেশ দ্বন্দ্বে ছিলাম। বহুল পঠিত এক কাহিনী। কিন্তু পরের লাইনেই এমন ধাক্কা খাবো, চিন্তাও করি নি!
    এতো সুন্দর করে বাস্তবতা তুলে ধরলেন? এতো বাস্তব একটা ঘটনাকে উল্লেখ করলেন? :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *