রাষ্ট্রধর্মঃ

রাষ্্ট্রঃ রাষ্ট্র বলতে এমন এক রাজনৈতিক সংগঠন বোঝায়
যা কোন একটিি ভৌগলিক এলাকা ও তত্সংশ্লিষ্ট
জনগনকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে। এমন
একটি সংগঠন যা এর ভৌগলিক সীমার
মধ্যে বসবাসকারী সমাজের সদস্যদের শাসনের জন্য
নিয়ম কানুন তৈরি করে। ম্যাক্ক্স ওয়েবারের মতে, রাষ্ত্র হচ্ছে এমন
একটি সংগঠন যা নির্দিস্ট ভূখন্ডে আইনানুগ বল প্রয়গের
সব মাধ্যমের উপর একছত্র নিয়ন্ত্রন রাখে, যাদের
মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনী, নাগরিক সমাজ,
আমলাতন্ত্র, আদালত ও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী।
সহজ কথায় রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হল, ১/ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা,
২/ নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও উন্নত জীবন যাত্রার

রাষ্্ট্রঃ রাষ্ট্র বলতে এমন এক রাজনৈতিক সংগঠন বোঝায়
যা কোন একটিি ভৌগলিক এলাকা ও তত্সংশ্লিষ্ট
জনগনকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে। এমন
একটি সংগঠন যা এর ভৌগলিক সীমার
মধ্যে বসবাসকারী সমাজের সদস্যদের শাসনের জন্য
নিয়ম কানুন তৈরি করে। ম্যাক্ক্স ওয়েবারের মতে, রাষ্ত্র হচ্ছে এমন
একটি সংগঠন যা নির্দিস্ট ভূখন্ডে আইনানুগ বল প্রয়গের
সব মাধ্যমের উপর একছত্র নিয়ন্ত্রন রাখে, যাদের
মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনী, নাগরিক সমাজ,
আমলাতন্ত্র, আদালত ও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী।
সহজ কথায় রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হল, ১/ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা,
২/ নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও উন্নত জীবন যাত্রার
মান নিশ্চিত করা,
৩/ জনগনের মধ্যে আইনের শাসন প্রতিস্ঠা করা এবং
৪/ আন্তর্জাতিক মহলে নিজ দেশের মর্যাদা সমুন্নত
রাখা। ধর্মঃ ধর্ম শব্দটির উত্পত্তি সংস্কৃত ” ধৃ ” ধাতু থেকে, যার
অর্থ ধারন করা। আমরা যা কিছু ধারন করি তাই আমাদের
ধর্ম। উদাহরন্সরুপ আগুনের ধর্ম যেমন তাপ প্রদান করা,
আলো দেওয়া, ঠিক তেমনি জলের ধর্ম সবকিছু
ভিজিয়ে দেওয়া, ক্রমাগত নিচ দিকে ধাবিত
হওয়া ইত্যাদি। এই জগতে সকল জীব ও জড় বস্তু তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালন
করে আসছে। শুধুমাত্র সমস্যাটা সৃস্টি হয়েছে মানুষের
ধর্ম এবং মানুষ সৃস্ট রাষ্ট্রের ধর্ম নিয়ে।
ধর্মের সঙ্গানুসারে মানুষের ধর্ম হচ্ছে মনুষত্ব অর্থাত
মানবতা। সহজ ভাষায় মানুষে মানুষে দয়া, মায়া,
ভালোবাসা, মমত্ববোধ এবং উপস্থিত অন্যান্য জীব ও জড় বস্তুর প্রতি দায়িত্ববোধ।
কিন্তু, আমরা কি আমাদের সঠিক ধর্ম পালন কর্ছি???
না, আমরা তা করছি না।
এর বদলে আমরা যা করছি তা হল কিছু অলৌকিক
বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয়ে আমাদের নিজেদের
মাঝে বিভেদের প্রাচীর তৈরি কর্ছি। ” মানুষ যদি একটা জাতি হয়,
আমরা জদি নিজেদেরকে মানব
জাতি মনে করি তাহলে আমাদের একটাই ধর্ম এবং তা হল-
মানবতা।
কিন্তু আমরা তেমনটা না করে কিছু
স্বার্থান্বেষী মানুষের দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে, কোন অবাস্তব অলৌকিক পরকালের
লোভে লোভী হয়ে আসলে আমরা ঐ স্বার্থান্বেষী মহলের
উদ্দেশ্যই চরিতার্থ করছি এবং নিজেদের
ইহজন্মে যে সৃজশীলতা অর্জন করা সম্ভব ছিলো তার দ্বার
রুদ্ধ করছি।
বর্তমান যুগে যখন বিজ্ঙান তার উত্কর্ষতা চরম শিখরে পৌছে গেছে, তখন কেন আমরা কিছু মহলের তুরুপের
তাস হয়ে থাকব? কেন তাদের লক্ষ্য চরিতার্থ করার জন্য
লিখিত গ্রন্থের দাস হয়ে থাকব?
এখনই সময় এসব মিথ্যা, অন্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মিয়
ব্যবস্থা ছিন্ন করে মানুষের প্রকৃত ধর্ম ” মানবতা ” গ্রহন
করা| এখন আসি রাষ্ট্র ধর্ম প্রসঙ্গে।
রাষ্ট্রের ধর্ম কিহওয়া উচিত???
রাষ্ট্রের ধর্ম হল দেশের স্বাধিনতা ও সার্বভৌমত্ব
অক্ষুন্ন রাখা, নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও উন্নত জীবন
যাত্রার মান নিশ্চিত করা, জনসাধারনের মধ্যে আইনের
শাসন সুপ্রতিস্ঠিত করা ও জনগনের জানমালের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। এগুলো করতে যদি কোন রাষ্ট্র
ব্যার্থ হয় তাহলে সেই রাষ্ট্রের কোন ধর্মই থাকে না।
তাহলে রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে তথাকথিত ইসলাম সহ
অন্যান্য সাম্প্রদায়িক ধর্মের প্রয়জনিয়তা কতটুকু???

৮ thoughts on “রাষ্ট্রধর্মঃ

  1. রাষ্ট্রের কোন ধর্ম নাই
    রাষ্ট্রের কোন ধর্ম নাই ।বাংলাদেশে যা দেখতেছেন তা আসলে রাষ্ট্রীয় কোন ধর্ম নয়, রাষ্ট্রের একটি লাভজনক ব্যবসা!ধর্ম ব্যবসা!

  2. রাষ্ট্রের কেন ধর্ম থাকতে হবে?
    রাষ্ট্রের কেন ধর্ম থাকতে হবে? রাষ্ট্রের কি বিচার হবে পরকালে ধর্ম ঠিকঠাক ভাবে পালন অথবা না পালন করার জন্য?
    এই ব্যাপারটা পুরাই আজাইরা! :কথাইবলমুনা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *