শৈল্পিক রাজনীতি, নাকি রাজনৈতিক শিল্পকলা?

উপরের পেইন্টিঙটি চায়নিজ-ক্যানাডিয়ান আর্টিস্ট Liu Yi এর আঁকা। পেইন্টিং এর শিরোনাম “Beijing 2008″।



উপরের পেইন্টিঙটি চায়নিজ-ক্যানাডিয়ান আর্টিস্ট Liu Yi এর আঁকা। পেইন্টিং এর শিরোনাম “Beijing 2008″। সাধারণ দৃষ্টিতে ছবিটি দেখলে তেমন কিছুই মনে হয় না। কিন্তু এই ছবিটি আলোচনায় আসতে সমর্থ হয়েছে এর অন্তর্নিহিত অর্থের কারনে। এখানে ছবিতে যেই পাঁচজন নারীকে দেখা যাচ্ছে এরা এক একজন বিশ্ব রাজনীতির এক একটি শক্তিশালী ভূমিকায় থাকা রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছে। এদের মধ্যে চারজনকে দেখা যাচ্ছে একটি গেইম খেলছে। গেমটি হচ্ছে চায়নিজ একটি গেইম, নাম Mahjong। এটা অনেকটা কার্ডের “রামি” খেলার মতোই।

আমাদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে বসা, পিঠে ট্যাট্টু আঁকা মেয়েটি চীন দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। বাম পাশে গেইমে খুব মনযোগী মেয়েটি জাপান। ওপাশে হাত উঁচু করে একপাশে তাকিয়ে থাকা মেয়েটি আমেরিকা। আবেদনময়ী ভঙ্গীতে শুয়ে থাকা মেয়েটি রাশিয়া। আর একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট মেয়েটি তাইওয়ানের প্রতিনিধিত্ব করছে।

“বেইজিং- ২০০৮” শির্ষক এই চিত্রশিল্পটি পশ্চিমা বিশ্বে এবং ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। কারন এর মধ্য দিয়ে বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতির একটি রূপক অর্থ ফুটে উঠেছে। গেমটির নিয়ম কানুন বিস্তারিত জানলে ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার হতো মনে হয়। ইন্টারনেটে আলোচিত তথ্য থেকে যেটা পেলাম সেটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো।

খেলায় চীনের হাতে থাকা টাইলস দেখে বুঝা যায় বর্তমান চীনের অবস্থান। কিছু টাইলস দৃশ্যমান, যেখানে দেখা যায় উদীয়মান পরাশক্তি হিসেবে চায়নার ভালো অবস্থান। তার দৃশ্যমান হাতের টাইলস থেকে চায়নার সামরিক শক্তির একটা চিত্র ফুটে উঠেছে। এছাড়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে আরেকটি হাত দিয়ে চায়না গোপনে কিছু টাইলস নিয়ন্ত্রন করছে।

ছবিতে আমেরিকাকে খুব কনফিডেন্ট দেখাচ্ছে, যদিও সে খেলার টেবিল থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তাইওয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে তাইওয়ানের এক্সপ্রেশন দেখে খেলায় কিছু হিন্টস পাওয়ার আশায়। সেই সাথে তাইওয়ানকে কিছু একটা ম্যাসেজ দিতে চাইছে আকারে ইঙ্গিতে।

রাশিয়াকে দেখে যদিও মনে হচ্ছে খেলায় তার খুব একটা মনোযোগ বা আগ্রহ নেই, কিন্তু বাস্তব হচ্ছে সম্পুর্ন ভিন্ন। শোয়া অবস্থায় সে তার এক পা তুলে দিয়ে আছে আমেরিকার গায়ের উপর, অন্যদিকে আরেক হাত দিয়ে চায়নার সাথে গোপনে কিছু টাইলস বিনিময় করছে। জাপানকে দেখা যাচ্ছে খেলায় খুবই মনযোগী, তবে সে তার নিজের হাতের টাইলস দেখাতেই বেশী মনযোগী এবং অন্যদের আচরণ সম্পর্কে কিছুটা উদাসীন।

তাইওয়ানকে দেখা যাচ্ছে একটি ঐতিহ্যবাহী লাল রঙের পোশাক পরিহিতা অবস্থায়, সিম্বলিকভাবে যেটা বলতে চাইছে সেই হচ্ছে প্রকৃত চৈনিক সভ্যতা এবং ঐতিহ্যের ধারন ও বাহক। এক হাতে সে এক পাত্র ফল ধরে আছে, অন্য হাতে একটি ধারালো ছুড়ি। তার দৃষ্টি চীনের দিকে, যেই দৃষ্টিতে মিশে আছে চীনের প্রতি ঘৃনা ক্ষোভ, আর নিজের প্রতি দুঃখবোধ ও হতাশা। যদিও সে খেলায় অংশ নিচ্ছে না, কিন্তু তার নিয়তি ঠিক হয়ে আছে খেলায় যেই জিতুক তাকে ফল দিয়ে আপ্যায়ন করার মধ্যে।

ছবিটির বায়কগ্রাউন্ডে দেখা যাচ্ছে ঘন মেঘ জমেছে আকাশে, যেটা বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে বিরাজমান “হাই টেনশন” কে সিম্বইলাইজ করে। পেছনের দেওয়ালে মাও এর একটি প্রোট্রেইট দেখা যায় সেটাও খুব মিনিংফুল চীনের বর্তমান অবস্থান বুঝার জন্য। ছবিতে মুখটি মাও সে তুং এর হলেও Chiang Kai Shek এর টাক মাথা এবং Sun Yat-Sen এর গোঁফ বুঝিয়ে দেয় কমিউনিস্ট চীনের বর্তমান অর্থব্যবস্থার চিত্ররূপ।

ছবিতে খেলায় অংশ নেওয়া চার রমণীর শরীরের পোশাকের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থাও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা নির্দেশ করছে। চায়না উপরে একেবারেই নগ্ন, নীচে স্কার্ট এবং আন্ডারওয়্যার পরিহিতা অবস্থায় আছে। আমেরিকা উপরে খুবই সুদৃশ্য পোশাকে আবৃত, কিন্তু নীচের অংশ নগ্ন। যেটা আমেরিকার নাজুক অবস্থাই নির্দেশ করে। রাশিয়া এবং চীনকে দৃশ্যত নগ্ন মনে হলেও তাদের প্রাইভেট পার্টস কিন্তু ঢাকা আছে।

যদি খেলার একটি শর্ত হয় যে খেলায় হেরে যাবে তার শরীর থেকে পোশাকের একটি অংশ খুলে নেওয়া হবে, তাহলে দেখা যাচ্ছে চীন হেরে গেলে রাশিয়ার অবস্থায় চলে যাবে (সোভিয়েত রাশিয়ার পতনের পর যা হয়েছিল)। ছবি দেখে মনে হতে পারে আমেরিকা সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন এবং গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমেরিকার নাজুক অবস্থান টের পাওয়া যায়। খেলার এই রাউন্ডে হেরে গেলে পরাশক্তি হিসেবে আমেরিকার পতন ঘটবে এবং সেও রাশিয়ার অবস্থানে চলে যাবে। রাশিয়া হেরে গেলে সবই হারিয়ে পুরো নগ্ন হয়ে যাবে। আর জাপানের হারানোর কিছু নেই, অলরেডি সব খুইয়ে বসে আছে।

খেলায় সবচেয়ে কম গুরুত্বপুর্ন খেলোয়াড় বা “ফিলার প্লেয়ার” রাশিয়াকে মনে হলেও আসলে সে কিন্তু খেলায় ভালোই ভূমিকা রাখছে। আমেরিকা এবং চীন দুজনের সাথেই সে গোপনে কিছু আদানপ্রদান করছে। মূলত এখানে অগুরুত্বপুর্ন খেলোয়াড় হচ্ছে জাপান, কারন এখানে জাপানের হারানোর কিছু নেই এবং খেলায় এবারো হেরে গেলে জাপান জাস্ট আরেকবার হারার স্বাদ গ্রহন করবে। খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে ট্রিকি হচ্ছে রাশিয়া। সে চীন এবং আমেরিকা উভয়ের সাথেই গোপন আঁতাতে ব্যস্ত। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকা এবং চীন উভয়ের সাহায্যই তার দরকার এবং নিজে নিজে টিকে থাকার মতো সামর্থ্য আপাতত রাশিয়ার নেই।

খেলার টেবিলের টাইলসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, চীনের হাতের টাইলস সবচেয়ে বেশী অদৃশ্যমান, যেটা ইংগিত দেয় চীনের গোপন শক্তির দিকে যেটা এখনও দৃশ্যপটের বাইরেই রয়ে গেছে। এছাড়াও গোপনে সে রাশিয়ার সাথে কিছু বিনিময় করছে। যেখানে আমেরিকা কেবলমাত্র তাইওয়ানের এক্সপ্রেশন দেখে বোঝার চেষ্টা করছে চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে গোপনে কি চলছে। খেলার টেবিলে জাপান যদিও সবচেয়ে মনযোগী খেলোয়াড় হিসেবে মনে হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে জাপান খেলায় সবচেয়ে অগুরুত্বপুর্ন খেলোয়াড়।

তাইওয়ানকে দেখা যাচ্ছে একপাশে দাঁড়িয়ে সবার দিকে লক্ষ্য রাখছে। সে সবার হাতের টাইলস দেখতে পাচ্ছে, কার মধ্যে গোপনে কি চলছে সেটাও দেখতে পাচ্ছে, কিন্তু তার নিজের খেলায় অংশ নেওয়ার মতো অবস্থা নেই। সে শুধু দেখেই যেতে পারে, কিন্তু খেলায় অংশ নেওয়া বা কোন কিছু বলার অধিকার তার নেই। বরং এখানে তাইওয়ানকে খেলায় চিয়ার গার্লের ভূমিকা পালন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।

প্রকৃত বিজয়ী আমেরিকা এবং চীন এই দুইজনের একজন বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু একটা গুরুওত্বপুর্ন এবং তাৎপর্য্যপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, আমেরিকা খেলছে কিন্তু চায়নিজ গেইম Mahjong, ওয়েস্টার্ন কোন গেইম (যেমনঃ পোকার) নয়। চায়নার নিয়মে চায়নিজ গেইম খেলে চীনের সাথে পেরে ওঠার সম্ভাবনা কতটুকু এটাই হচ্ছে মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।

৬৫ thoughts on “শৈল্পিক রাজনীতি, নাকি রাজনৈতিক শিল্পকলা?

  1. রাজনৈতিক ভাবে একটি ফটো
    রাজনৈতিক ভাবে একটি ফটো ক্যাপসনের দারুন বিশ্লেষন করেছেন।আপনার শেষ কথা অনুযায়ী আমি বলছি, “চায়নার নিয়মে চায়নিজ গেইম খেলে চীনের সাথে পেরে ওঠার সম্ভাবনা কতটুকু এটাই হচ্ছে মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।

  2. আমার পড়া এই ব্লগের সেরা লেখা
    আমার পড়া এই ব্লগের সেরা লেখা এখন পর্যন্ত এটি !!! একটা ছবি কতো অর্থপূর্ণ হতে পারে । চমৎকার ! আতিক ভাই সীমাহিন মুগ্ধতায় মন ভরে গেলো । দিস্তা দিস্তা পাতা পড়ার পরিশ্রম দূর করে দিতে পারে একটি ছবি । তবে কথা হল শিল্পের ভাষা বুঝতে পারা ।

    1. এটা মৌলিক কোন লেখা নয় রাহাত
      :লইজ্জালাগে:
      এটা মৌলিক কোন লেখা নয় রাহাত ভাই। আমি শুধু নেট ঘেঁটে তথ্যগুলো অনুবাদ করেছি।

  3. অসাধারণ !!
    এই জন্যই মানুষ

    অসাধারণ !!

    এই জন্যই মানুষ লাক টেকা খরচ করে পেইন্টিং দেখতে যায় !

    বিষয়বস্তুর এতো চমৎকার বিশ্লেষণ মুগ্ধ করলো

  4. চমৎকার বিশ্লেষণ…
    চমৎকার বিশ্লেষণ… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    তবে একটা ব্যাপার মিস করে গেছেন আতিক ভাই!
    আসলেই কিন্তু বেইজিং ২০০৮ এর অলম্পিক চাইনায় রয়ে গিয়েছিল!!
    আর বিভাগের ক্ষেত্রে অনুবাদ বিষয়টিও উল্ল্যেখ করা যেত!
    আপনাকে এমন বিরল পরিশ্রমী একটা পোস্ট উপহার দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  5. ইদানিং চরম ব্যস্ত সময় পার
    ইদানিং চরম ব্যস্ত সময় পার করছি। কর্পোরেট ক্যাচাল আর পলিটিক্স কি জিনিস সেটার প্রাথমিক পাঠ নিচ্ছি তাই ব্লগে আসাই হচ্ছে না (গল্পটাও শেষ করতে পারছি না :মনখারাপ: )। এই পোস্ট দেখে মনে হল মন্তব্য না করলে আপনার পরিশ্রমের প্রতি অবিচার হয়ে যায়। অসংখ্য ধন্যবাদ আতিক ভাই চমৎকার পোষ্টটির জন্য। ডাইরেক্ট প্রিয়তে নিলাম।

    (আমিও একখান আনকমন পোস্ট রেডি করসি বস কিন্তু টাইম পাইতাসি না :কেউরেকইসনা: )

  6. পোস্ট স্টিকি করবার জন্য
    পোস্ট স্টিকি করবার জন্য জোরালো দাবী জানিয়ে গেলাম। এই ধরণের পোস্ট হচ্ছে ব্লগের সম্পদ। আইকন পোস্ট যাকে বলে আর কি। ইষ্টিশন যে একটি বহুমাত্রিক ব্লগ এই পোস্ট তাই প্রমাণ করে।

  7. প্রিয় তালিকায় যোগ করে নিলাম।
    প্রিয় তালিকায় যোগ করে নিলাম। Just awesome, আর কি বলবো? :থাম্বসআপ:

    বিঃদ্রঃ আস্তিক-নাস্তিকের হুটোপুটি দেখতে দেখতে যার পর নাই বিরক্ত হয়েছিলাম এ কয়দিন। আপনার লেখাটা প্রচন্ড গরমে প্রশান্তির এক ঝলক ঠান্ডা হাওয়ার মত মনে হল। ধন্যবাদ।

    1. দারুণ বলেছেন!
      দারুণ বলেছেন! সহমত…
      আস্তিক-নাস্তিকের হুটোপুটি দেখতে দেখতে যার পর নাই বিরক্ত হয়েছিলাম এ কয়দিন। আপনার লেখাটা প্রচন্ড গরমে প্রশান্তির এক ঝলক ঠান্ডা হাওয়ার মত মনে হল। ধন্যবাদ।

  8. আতিক ভাই…আপনার এই লেখাটা
    আতিক ভাই…আপনার এই লেখাটা দুর্দান্ত । আপনার নিয়মিত শিল্পকলা নিয়ে লেখা উচিত….তাতে আমার মতো অলসরা একটু রিলিফ পায় । অনেক ধন্যবাদ ..সুন্দর লেখার জন্য । :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল:

    1. ধন্যবাদ আমজাদ ভাই। কয়েকদিন
      ধন্যবাদ আমজাদ ভাই। কয়েকদিন ব্লগে একটু অনিয়মিত ছিলাম, তাই রিপ্লাই দিতে দেরী হলো। দুঃখিত।

  9. এটা মৌলিক কোন লেখা নয়, তো কি
    এটা মৌলিক কোন লেখা নয়, তো কি হইছে…! শুধুমাত্র অনুবাদ করে দিয়েছেন!!! তো আর কি করতে চান! এ ধরনের ব্যতিক্রমি অনুবাদ আমি ব্লগ এবং মেইনষ্ট্রীম মিডিয়া সব ক্ষেত্রেই খুব কম দেখেছি। দেখিনি এমন না। তবে তাদের বেশিরভাগেরই উপস্থাপনা এত জঘন্য ছিল যে মনে হয়েছিল অনুবাদককে ধইরা আছাড় মারি। এত সুন্দর বিষয়গুলোকে তারা এত সস্তা ষ্টাইলে ব্যখ্যা করে! কিন্তু আপনার এই পোষ্টের বিষয়বস্তু এবং আপনার ব্যখ্যা করার ধরন দুইটাই সমানভাবে প্রশংসার দাবিদার। সুতরাং তথ্য সংগ্রহ করা বাদেও আপনার সুন্দর উপস্থাপনার জন্যও আপনার প্রশংসা করতে আমার আপত্তি নেই। অসাধারন হয়েছে।

          1. বুড়া হইছেন কে বলল? আবু সাইয়িদ
            বুড়া হইছেন কে বলল? আবু সাইয়িদ স্যারও আজ তরুণ তাহলে আমরা মাত্র শৈশব উত্তীর্ণ কিশোর… :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

  10. খুব ই ইন্টারেস্টিং ! কিন্তু
    খুব ই ইন্টারেস্টিং ! কিন্তু জাপান কেন সব খুইয়ে বসে আছে ? জাপান তো রাশিয়ার চেয়ে stable, অন্তত বিগত দুই দশকে, তাই না ? অবশ্য রাশিয়া বিশ্ব রাজনীতি তে এগিয়ে গেছে, may not be economically !

    যাই হোক……… ধারনা টা extra ordinary, first time in class মানে এটাই প্রথম পড়লাম এরকমের কোনও একটি ছবি ভিত্তিক ব্লগ !

    থ্যাংকস !

    1. জাপান সব খুইয়ে বসে আছে মানে
      জাপান সব খুইয়ে বসে আছে মানে হচ্ছে বিশ্ব রাজনীতিতে জাপানের ভূমিকা এখন শুন্য। অর্থনীতি স্টেবল হয়ত। ছবিতেও সেটাই দেখানো হয়েছে।

  11. এক কথায়. অসাধারন লাগল ।
    এক কথায়. অসাধারন লাগল । গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার এর জন্য আতিক ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।
    একটি সাধারন পেইন্টিং এর মাধ্যমে বৈশ্বিক রাজনীতির স্বরূপ উন্মোচন দেখে আমি সতত মুগ্ধ হয়েছি ।

  12. অনুবাদ খুব ভালো হয়েছে , আতিক
    অনুবাদ খুব ভালো হয়েছে , আতিক ভাই ,আপনাকে আরেকটু কষ্ট দিব “আমার ছবিটির artist Liu Yi সম্পর্কে জানার আগ্রহ হয়েছে ” উনার শিল্পকর্ম সম্পর্কে জানতে চাচ্ছিলাম ।

  13. কিছু বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু
    কিছু বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু ভাষা গিলে ফেললাম!!!!!একটা শব্দ শুধু রযে গেল “অসাধারণ “

  14. লিখাটা অনুবাদকৃত মনে
    লিখাটা অনুবাদকৃত মনে হচ্ছে|
    অনুবাদ যদি হয়,কঠিন একটা কাজ করেছেন!!অন্যভষাকে এভাবে বাংলায় প্রেজেন্ট করা সবার পক্ষে সম্ভব না|
    -মাঝে মাঝে এরকম ব্লগ না পড়লে বল্গ জগত পানসা মনে হয় 😀

  15. এই অসাধারণ চিত্রটি আমার ফেইস
    এই অসাধারণ চিত্রটি আমার ফেইস বুক কাভার ফটো বানাবার পর যে তুলকালাম হয়ে গেলো ।
    এক মহীয়সী তরুণী রোজা রমজানের মাসে এই অশ্লীল (!!!) ছবি কাভার ফটো করায় আমাকে ব্লক করলো । বিশেষ দ্রষ্টব্য , তিনি নাকি নিজেও ছবি আঁকেন !!!

    অতঃপর অনেকদিনের শুভানুধ্যায়ী কয়েকজন বন্ধুর হঠাৎ গজিয়ে ওঠা অনুভূতি আমাকে যারপরনাই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিলো । তবে এদের চিন্তে সুবিধে হল । আসলে মানুষ তার মুখোশ সব সময় পরে থাকতে পারেনা … নানান পরিস্থিতিতে ওটা খসে পড়ে ।

    1. তারাননুম তারা,
      আপনি মুখোশ পরে

      তারাননুম তারা,
      আপনি মুখোশ পরে আছেন কি সুখে ?
      মুখোশ খসে পড়ার পর চিনতে পারলে হয় !!!!

  16. এত সুন্দর পোস্ট এতদিন কেন
    এত সুন্দর পোস্ট এতদিন কেন দেখলাম না …… :মাথাঠুকি: অসাধারন বিশ্লেষণ অসাধারন লেগেছে প্রিয়তে না নিলে পোষ্ট এর অপমান হবে আর আতিক ভাইকে ………… :bow:

  17. এক কথায় অসাধারণ একটা পোস্ট।
    এক কথায় অসাধারণ একটা পোস্ট। একটা ছবির মধ্যে যে এতকিছু লুকিয়ে থাকতে পারে, কল্পনাই করা যায় না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *