শুভ জন্মদিন “আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর”

ফেইসবুকে আরিফ আর হোসেন ভাই এটা কি শুনাল!! :খাইছে:
বহুল প্রচলিত “মুড়ি খাও” ডায়ালগের স্রষ্টা নাকি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার!! :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:

যাক, আসল কথায় আসি।। আজকে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের জন্মদিন।। স্যারকে যতবেশি চিনি তার সবটাই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমের মাধ্যমে।। স্যারকে বিটিভিতেও বহুবার দেখেছি।। লেখাপড়া নিয়ে স্যারের একটা আদর্শ আছে আর তা হল, “অনিচ্ছুক হৃদয়কে ক্লাশে জোর করে বসিয়ে রেখে কী করব? আমার চ্যালেঞ্জ ছিল এক ধাপ বেশি: কেবল শিক্ষক হওয়া নয়, সব ছাত্রের হৃদয়ের কাছে পৌঁছানো, সব ছাত্রের হৃদয়কে আপ্লুত করা৷” তিনি ক্লাসের সবচেয়ে দুর্বল ছাত্রটিকে বোঝানোর দিকে মনোযোগ বেশি দিতেন।।



ফেইসবুকে আরিফ আর হোসেন ভাই এটা কি শুনাল!! :খাইছে:
বহুল প্রচলিত “মুড়ি খাও” ডায়ালগের স্রষ্টা নাকি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার!! :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:

যাক, আসল কথায় আসি।। আজকে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের জন্মদিন।। স্যারকে যতবেশি চিনি তার সবটাই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমের মাধ্যমে।। স্যারকে বিটিভিতেও বহুবার দেখেছি।। লেখাপড়া নিয়ে স্যারের একটা আদর্শ আছে আর তা হল, “অনিচ্ছুক হৃদয়কে ক্লাশে জোর করে বসিয়ে রেখে কী করব? আমার চ্যালেঞ্জ ছিল এক ধাপ বেশি: কেবল শিক্ষক হওয়া নয়, সব ছাত্রের হৃদয়ের কাছে পৌঁছানো, সব ছাত্রের হৃদয়কে আপ্লুত করা৷” তিনি ক্লাসের সবচেয়ে দুর্বল ছাত্রটিকে বোঝানোর দিকে মনোযোগ বেশি দিতেন।।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কথা মনে পড়ায় মনে পড়ে গেল একটা স্মৃতি।। হাই স্কুলে পড়ি তখন।। আমাদের বাংলা স্যার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে জড়িত।। স্যারের মাধ্যমে আমিও সদস্য হই বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের।। প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন বই নিয়ে গিয়ে পড়তাম।। একদিন বলা হল একটা পরীক্ষা হবে।। এতদিন যে বইগুলো পড়েছি সেগুলোর উপর।। পরীক্ষায় ভালো করতে পারলে পুরষ্কারও রয়েছে।। পরীক্ষা দিলাম।। ভালোও করলাম।। তারপর পুরষ্কার নেবার পালা।। আমাদের বন্ধুদের মাঝে সবাই পুরষ্কার পেলাম।। পুরষ্কার দেয়া শেষ।। এখন উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেয়ার পালা।। বক্তব্য কে দেবে, কে দেবে করে স্যার আমাকে ডাকল।। আমি এর আগে কখনো পাব্লিক স্পীচ দেই নি।। ভয় পেয়ে গেলাম।। স্যার সাহস দিয়ে বলল “তোর যা মনে আসে বলে ফেল।।” আমি তখন গিয়ে স্পীচ দিলাম।। জীবনের প্রথম স্পীচ।। মনে হয় ভালোই দিয়েছিলাম।। তা না হলে এতগুলো হাততালি আর স্যারের কাছ থেকে “সাব্বাস বেটা” শুনতে পেতাম না।। তখন থেকেই সাহস পেয়ে যাই স্পীচ দেয়ার।। এরপর থেকে স্কুলের অনুষ্ঠানে আমাকে ছাত্রদের পক্ষ থেকে স্পীচ দিতেই হত।।

ঘুরেফিরে আবার আসল কথায় ফিরে আসি।। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের জন্মদিনে অনেক অনেক শুভকামনা রইল।।
শুভ জন্মদিন স্যার।। আপনি যেমন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র দিয়ে মানুষকে আলোকিত করতে চেয়েছেন তেমনি আলোকিত হউক আপনার জীবন।। :খুশি: :খুশি: :খুশি:

৩ thoughts on “শুভ জন্মদিন “আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর”

  1. স্যারের সাথে দুইবার সাক্ষাতের
    স্যারের সাথে দুইবার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছিলো। অসাধারণ একজন মানুষ। জন্মদিনে স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *