উত্তরাধিকার # শেষ পর্ব

প্রথমদিকে জঙ্গল খুব একটা ঘন ছিল না। চাঁদের আলোয় পায়ে চলা পথ ধরে ভালোভাবেই হাঁটা যাচ্ছিল। কিন্তু যতই এগুতে লাগল জঙ্গল ততই ঘন হতে লাগল। কিছু কিছু জায়গায় চাঁদের আলো প্রবেশ করার সাহস পাচ্ছিল না। মনে করে টর্চলাইটটা সাথে নিয়ে আসার জন্য নিজেকেই বাহবা দিল রুমন। মনের মাঝে ভয় কাজ করলেও কেন জানি যতটুকু আতঙ্কিত হওয়া উচিৎ ততটুকু আতঙ্ক তাঁকে গ্রাস করতে পারছে না। সাথে নুসরাত আছে বলেই কি সে মানসিক সাহস পাচ্ছে, ভাবল রুমন। হয়ত বা। কোথায় জানি পড়েছিল, কোন পুরুষের সাথে যদি কোন মহিলা থাকে তাহলে পুরুষের এড্রেনালিন হরমোনের প্রবাহ বেড়ে যায়। যদিও সে জানত এড্রেনালিন কেবল ভয় পেলেই বাড়ে। যাই হোক, তাঁর নিজের ভিতর মানসিক কিছু পরিবর্তন যে হচ্ছে সেটা তো আর অস্বীকার করা যাবে না।

পরিবর্তন নুসরাতের মনেও হচ্ছে। তবে সে অনেক ভয় পেয়েছে। চোখ বন্ধ করলেই ইদ্রিসকে কুকুরগুলো কিভাবে কামড়ে মেরে ফেলেছিল সেই দৃশ্য ভেসে উঠে। পূর্ণিমার আলোতে কুকুরগুলোর ঝিকঝিক করা দাঁতের কথা মনে হলেই অজানা আতঙ্কে শরীর কেঁপে উঠে। পাশে রুমন থাকায় সে অনেক ভরসা পাচ্ছে এটা সত্য। নাহ, এখনও প্রচলিত মেয়েলী চিন্তাভাবনা থেকে বের হওয়া গেল না। একজন পুরুষ পাশে থাকলে কিছুটা হলেও কেন জানি ভরসা পাওয়া যায়।

পুরো ব্যাপারটা অনেকখানি পরিষ্কার এখন রুমনের কাছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। এই জন্য পুরো ব্যাপারটাকে খাপে খাপে মেলানো যাচ্ছে না। এই ব্যাপারটাই ভাবছিল সে। এমন সময় ব্যাপারটা চোখে পড়ল। সামনে জঙ্গলের একটা অংশের উপরের আকাশটা আলোকিত। কেউ কি আগুন জ্বালিয়েছে নাকি? এত রাতে এই এই গহীন বনে কে আগুন জ্বালাবে? কিছুক্ষণ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগল রুমন। অবশেষে জয় হল কৌতূহলের। নুসরাতের হাত ধরে ধীর পায়ে এগিয়ে চলল সে।

*****
আগুনের কুণ্ডটা যতটা বড় হবে ভেবেছিল ততটা বড় হয় নি দেখে কিছুটা অসন্তুষ্ট খন্দকার আজিজ। এই মুহূর্তে যদি কেউ তাঁকে দেখে তাহলে চমকে যাবে। একটা কালো আলখেল্লা তাঁর পড়নে। আলখেল্লার সাথে মিল রেখে চুলগুলোও কাল করা হয়েছে যেগুলো এলোমেলো বাতাসে উড়ছে। একলাফে বয়স অনেক কমে গেছে। মুখের বলিরেখাগুলোও অস্পষ্ট। ঠিক যেন পৌরাণিক উপন্যাসের পাতা থেকে উঠে আসা কোন তান্ত্রিক।

কাঠ দিয়ে বানানো একটা পাটাতনের উপর দাঁড়িয়ে সামনের আগুনের কুণ্ডের দিকে তিনি তাকিয়ে আছেন। আয়োজনে খুঁত থাকাটা তাঁর পছন্দ নয়। তারাপদ এই শেষবেলায় এসে এমন একটা ভুল করবে সেটা তিনি ভাবেন নি। যা হবার হয়ে গেছে। এখন আর পিছানোর সময় নেই। এখন শুধুই অপেক্ষা। অপেক্ষা নবযৌবন প্রাপ্তির। অপেক্ষা অভিশাপ থেকে মুক্তির। অপেক্ষা রুমন আর নুসরাতের আগমনের। ওদের দুইজনের আসবার সময় হয়ে গেছে।

*****
খোলা জায়গাটায় পৌঁছেই চমকে গেল রুমন। যেই দৃশ্য দেখছে তাঁর জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না। একটা বড় অগ্নিকুণ্ড জ্বলছে ফাঁকা জায়গাটায়। তবে বড় চমকটা বাকিই ছিল। আগুনের কুণ্ডের ওপারে খন্দকার আজিজ সাহেবকে দেখে দুজনেই চমকে গেল। কোথায় গেল সেই ষাটোর্ধ ব্যক্তি? একদম তরতাজা যুবকের মত দেখাচ্ছে খন্দকার আজিজকে। চুলের রঙও পাল্টে কালো হয়ে গেছে।

“আসুন, আপনাদের জন্যই অপেক্ষা করছি।“

ভরাট কণ্ঠে বললেন খন্দকার আজিজ। গলার স্বরে এমন কিছু একটা ছিল যা শুনে নুসরাতের সারা শরীর ভয়ে কেঁপে উঠল। শক্ত করে রুমনের বাহু জড়িয়ে ধরল সে।

“যাক, আবার দেখা হয়ে ভালই হল আজিজ সাহবে। যদিও আপনি সত্যিই খন্দকার আজিজ কি না সে নিয়ে আমার বেশ সন্দেহ আছে। বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানার প্রয়োজন ছিল। আশা করছি উত্তর দিয়ে ধন্য করবেন।“

কিছুটা বিদ্রুপের সুরেই কথাগুলো বলল রুমন। খন্দকার আজিজের চেহারায় কৌতুক খেলা করে গেল।

“তাই? এমন মনে হবার কারণ কি জানতে পারি?”

“প্রথম কারণ, হলরুমে যেই ছবিগুলো আমরা দেখেছি সেগুলোতে খুব কমন কিছু মিল ছিল যা কি না আপনার সাথে যায় না। দ্বিতীয় কারণ, আপনি একবারও আপনার পরিবারের কথা আমাদের কিছুই বলেন নি। পুরো খন্দকার বংশের সবার কুষ্ঠি আপনি জানেন কিন্তু নিজের পরিবারের কথা একদম চেপে গেছেন; কেন? তৃতীয় কারণটা একটু ভিন্ন; আপনি যেই মোহন পাগলার কথা বলেছেন সেই আমাকে বলেছে যে আপনি খন্দকার আজিজ নন। আমি জানি যে আমার যুক্তিগুলো খুব একটা স্ট্রং না। কিন্তু এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করার দায়িত্ব আপনার। আশা করছি আপনি উত্তর দিবেন।“

খন্দকার আজিজের মুখে আবারও কৌতুক খেলে গেল। রুমনের কথায় তিনি যে খুব মজা পেয়েছেন বোঝাই যাচ্ছে।

“আপনার যুক্তিগুলোর আসলেই কোন ভিত্তি নেই। একই বংশের হলে একই চেহারা হব সেটা ভুল ধারণা। চেহারায় অমিল থাকতেই পারে। আর আমার ইচ্ছা করে নি তাই আমি বলি নি নিজের পরিবারের ব্যাপারে। তৃতীয় ব্যাপার যেটা বললেন সেটারও কোন ভিত্তি নেই। আপনি মোহনকে দেখেছেন হয়ত; সেটা আপনার অস্থির মনের কল্পনা হওয়াই স্বাভাবিক।“

“তবে হ্যাঁ, আপনাদের অধিকার আছে সবকিছু জানবার। সবারই শেষ ইচ্ছে বলে কিছু থাকে। আপনার ধারণা সঠিক। আমি খন্দকার আজিজ নই। আপনাদের মনে আছে কিরণবালা এক ছেলের জন্ম দেয় যার কি না বহুগামিতার দোষ ছিল? কিরণবালার সেই ছেলে জানত যে জমিদারবাড়ির সেও একজন অংশীদার কিন্তু তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই বঞ্চনার প্রতিশোধ নিতে সে হাত মেলায় এক তান্ত্রিকের সাথে। তান্ত্রিকের সাথে তাঁর এক ভিন্নধর্মী চুক্তি হয়। রক্তশপথের ওই চুক্তিতে ছিল তান্ত্রিক তাঁকে সম্পত্তি পাইয়ে দিবে, বিনিময়ে তাঁকে তাঁর জীবনের ৫ টা বছর তান্ত্রিককে দিয়ে দিতে হবে। কিন্তু বেচারা জানত না তাঁর আয়ু আছেই মাত্র ৫ বছর ৫ মাস। তাই চুক্তি স্বাক্ষরের ৫ মাসের মাথায়ই কিরণবালার ছেলে মারা যায়। তান্ত্রিক এর সুযোগ নেয়। সত্যিকার খন্দকার আজিজকে সে বশ করে হত্যা করে এবং নিজেই খন্দকার আজিজের রূপ নিয়ে এই জমিদারবাড়িতে আস্তানা গেঁড়ে বসে। এই যে আপনারা আমাকে দেখছেন, আমিই সেই তান্ত্রিক।“

কথা শেষ করে এক ভীষণ অট্টহাসিতে চারপাশ কাঁপিয়ে তুলল খন্দকার আজিজের রূপ নেওয়া তান্ত্রিক। রুমন আর নুসরাত দুইজন শিউরে উঠল সেই অট্টহাসি শুনে। ভয় পেলেও সেটা প্রকাশ করল না নুসরাত।

“হয় আপনার মাথায় কোন সমস্যা আছে, অথবা আপনি গাঁজাখুরি কোন গল্প ফেঁদেছেন। আপনি কি ভাবছেন, এইসব উল্টাপাল্টা কথা বলে আপনি পার পাবেন? তারমানে আপনি আমাদেরকে যেই ধাঁধা দিয়েছেন সেই ব্যাপারটা পুরাই ভুয়া, তাই না?”

“নাহ, ভুয়া না। আপনাদেরকে আমি খন্দকার আজিজের পরিবারের কথা কিছুই বলি নি। খন্দকার আজিজের স্ত্রী এক সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। সেই সন্তানকে হাসপাতাল থেকে চুরি করে নিয়ে যায় কিরণবালার ছেলে। বুঝতেই পারছেন, প্রতিহিংসার কারণেই সে এমনটা করে। চুরি করা সন্তানকে সে নিজের কাছে রাখে নি। একবার ভেবেছিল মেরে ফেলবে। শেষ পর্যন্ত সেটা না করে এক এতিমখানায় রেখে আসে। সেখান থেকেই বাচ্চাটাকে দত্তক নেয় আপনাদের কোন একজনের বাবা-মা। ব্যাপারটা গোপন রাখা হয়েছিল। তাই আপনারা সেটা জানেন না।“

চমকের ধাক্কাটা চুপ করে হজম করে গেল দুজনেই। মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু কেন জানি মিথ্যা বলে মনে হচ্ছে না কথাটা। কিছুক্ষণ দুজনেই চুপচাপ থাকল। অবশেষে নিস্তব্ধতা ভাঙল রুমন,

“এখন আমাদেরকে নিয়ে আপনি কি করতে চান?”

“আপনাদের সাহায্যে আমি নবযৌবন লাভ করতে চাই।“

“বুঝতে পারলাম না।“

“আপনাদেরকে এখন শয়তানের উদ্দেশ্যে বলি দিব। তারপর আপনাদের রক্তে গোসল করে সেই রক্ত বাদুড়ের হাড় আর নেকড়ের মগজের সাথে মিশিয়ে পান করব। হা হা হা। এজন্যেই তো আপনাদেরকে এখানে নিয়ে আসা।“

আবারও শরীর শিরশির করে উঠল দুজনের। এবারের চমকটা আরও বড় ছিল।

“আপনি কি জানেন যে আপনি একজন সাইকো?”

চিৎকার করে উঠল নুসরাত। খন্দকার আজিজের বেশধারী তান্ত্রিককে বেশ শান্ত দেখাল।

“আপনারা যা ইচ্ছে ভাবতে পারেন। কিন্তু এটাই এখন ঘটবে। আপনারা চাইলেও আপনাদের নিয়তি বদলাতে পারবেন না। চেষ্টা করেই দেখুন না।“

কথা শেষ করে তান্ত্রিক কিছু একটা ইঙ্গিত করল। সাথে সাথেই রুমন আর নুসরাতের চারদিকে একটা বর্গাকার ক্ষেত্র জুড়ে আগুন জ্বলে উঠল। আগুনের লালচে আভায় তান্ত্রিকের চেহারা ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। রুমন আর নুসরাত ছুটে পালাতে চাইল কিন্তু নড়তে পারল না। তাঁরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করল তাঁদের পা মাটির সাথে আটকে গেছে। চেষ্টা করেও নাড়ানো যাচ্ছে না। তীব্র আতঙ্ক নিয়ে অসহায় দৃষ্টিতে তাঁরা তাকিয়ে দেখল তান্ত্রিক ধীর ভঙ্গিতে তাঁদের দিকে এগিয়ে আসছে। এতক্ষণ চোখে পড়ে নি কিন্তু এবার দেখা গেল তান্ত্রিকের হাতে একটা ভোজালি। আগুনের আভায় ভোজালির ফলা ঝিলিক দিয়ে উঠছে।

*****
এমন সময় ব্যাপারটা ঘটল। কাছাকাছি কোথাও কুকুর ডেকে উঠল। চাঁদটা মেঘের আড়ালে ঢেকে যাওয়ার সাথে সাথে বাতাসের তীব্র একটা প্রবাহ আগুনের কুণ্ডটাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। তান্ত্রিক এগুতে গিয়ে হঠাত করেই থমকে গেল। কেমন যেন দ্বিধাগ্রস্ততার ছাপ তাঁর মুখে। হঠাত করেই আগুনের চতুর্ভুজের ভিতর দিয়ে একজন মহিলাকে এগিয়ে আসতে দেখা গেল। মহিলার গা ভর্তি অলংকার আর চেহারায় অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ছাপ স্পষ্ট। মহিলার পিছন পিছন হিংস্র ভঙ্গিতে এগুচ্ছে তিনটা কুকুর। মুখ বেয়ে তাঁদের লালা ঝরে পড়ছে।

মহিলাকে দেখার সাথে সাথেই তান্ত্রিকের মুখে তীব্র আতঙ্ক ভর করল। অবিশ্বাসের ছাপ তাঁর চোখেমুখে। পিছন ফিরে ছুটে পালাতে চাইল সে। কিন্তু অনেক দেরী হয়ে গেছে। মহিলা হাত দিয়ে ইশারা করলেন। গর্জন তুলে তান্ত্রিকের উপর ঝাপিয়ে পড়ল কুকুরগুলো। গলায় কামড় দিয়ে রক্তনালী ছিড়তে খুব বেশি সময় লাগলো না। কিছুক্ষণ দাপাদাপি করে নিস্তব্ধ হয়ে গেল তান্ত্রিকের দেহ।

ঘটনার আকস্মিকতায় রুমন আর নুসরাত নির্বাক। চোখের সামনে মুহূর্তেই এতকিছু ঘটে গেছে যে চিন্তা করবার সময়ও তাঁরা পায় নি। বাতাসের ঝাপটায় আগুনের কুণ্ডটা নিভে গেছে। কুকুরগুলো অদৃশ্য হয়েছে। অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মহিলাও ধীর পায়ে চলে যাচ্ছেন। পায়ের জড়তা কেটে গেছে। নুসরাত এগিয়ে গেল মহিলার দিকে।

“আপনি কেন আমাদেরকে বাঁচালেন বলবেন?”

মহিলার মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠল। সেই হাসির সাথে মিশে আছে বিষাদ।

“কারণ আমি চাই আমার পরবর্তী বংশধর এই পৃথিবীতে সুস্থভাবে বেঁচে থাকুক। খন্দকার বাড়ির উপর যেই অভিশাপ ছিল সেটা আজ দূর হয়েছে। আমার উত্তরাধিকারী আর কোন বিপদে পড়বে না।“

“কে আপনার উত্তরাধিকারী?”

মহিলা আবারও হাসলেন। এবার সেই হাসিতে মিশে আছে রহস্য।

“তোমাকে বাচিয়েছি কেন জান? তোমার ঔরসেই জন্ম নিবে আমার পরবর্তী প্রজন্ম, তাই।“

“আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। একটু বুঝিয়ে বলুন প্লীজ।“

মহিলা কোন জবাব দিলেন না। হেসে রুমনের দিকে ফিরে তাকালেন।

“বউমাকে যত্ন করে রেখো। আমি যেমন কষ্ট পেয়েছি তোমার দাদার কাছে থেকে, এমন কষ্ট সে যেন কোনদিনও তোমার কাছ থেকে না পায়। যদি পায়, তাহলে তোমাকে এর শাস্তি দেওয়ার জন্য আমি আবারও আসব।“

রুমন আর নুসরাতের অবাক দৃষ্টির সামনে দিয়ে হেঁটে জমিদারবাড়ির দিকে অদৃশ্য হয়ে গেলেন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান সেই রমণী। ডাক ছেড়ে মাথার উপর দিয়ে উড়ে গেল কোন নিশাচর পাখি। আবারও মেঘ ভেঙে উঁকি দিয়েছে চাঁদ। পূর্ণিমার আলোয় কেমন জানি অপার্থিব লাগছে চারপাশ। সেই অপার্থিব আলোয় নিস্তব্ধতার চাদর গায়ে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকল দুই যুবক-যুবতি। ঠিক যেন পৃথিবীর প্রথম মানব-মানবী। (…….. সমাপ্ত)

আগের পর্বগুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিঃদ্রঃ ধারাবাহিক গল্প নিয়মিত বিরতিতে না লিখতে পারলে সেই ধারাবাহিকের মজাটা আর থাকে না। ব্যক্তিগত এবং অফিসিয়াল বিভিন্ন ঝামেলার কারণে সেই কাজ করতে আমি ব্যর্থ হয়েছি বলে ক্ষমাপ্রার্থী। একটা ধারাবাহিক লেখা অনেক কঠিন কাজ। গল্প শেষ না করা পর্যন্ত একটা মানসিক চাপ কাজ করে। তাই আপাতত কোন ধারাবাহিক লেখার ইচ্ছা নেই। এই ধারাবাহিক যারা ধৈর্য নিয়ে পড়েছেন, প্রশংসা এবং সমালোচনা করেছেন তাঁদের সবাইকেই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

২১ thoughts on “উত্তরাধিকার # শেষ পর্ব

  1. যাক আমার অপেক্ষার পালা শেষ
    যাক আমার অপেক্ষার পালা শেষ হল! আজ সবকইটি পর্বই পড়তে হবে!
    ধন্যবাদ … :নৃত্য: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. ভাল এবং উন্নতমানের একটি
    ভাল এবং উন্নতমানের একটি রহস্যঘের গল্প ।বেশ ভাল লেগেছে ।
    লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ থাকল ।

  3. এক কথায় বলা যায়- দারুন হয়েছে।
    এক কথায় বলা যায়- দারুন হয়েছে। আর দুই কথায় বলতে গেলে বলতে হয়- আরও দারুন চমক আশা করেছিলাম। চালিয়ে যান, আপনাকে দিয়ে হবে। :ভালুবাশি:

    1. এইডা কিসু হইল? মাথার তার
      এইডা কিসু হইল? :খাইছে: মাথার তার ছিড়ে ফেললাম ফিনিশিং সাজাতে গিয়ে আর আপনি বলেন আরও চমক চান। :মাথাঠুকি: নাহ, আমারে দিয়া কিসু হপে না :ভাঙামন:

          1. গল্প লেখক হিসেবে আপনারে
            গল্প লেখক হিসেবে আপনারে মাইনাস দিলাম। কোনটা প্রশংসা সেইটাও বুঝে না। :শয়তান:

  4. আমি গোলাই ফেলছি। কাহিনী ধরতে
    :প্রশ্ন: আমি গোলাই ফেলছি। কাহিনী ধরতে পারছি না। :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

    1. প্রথম পর্ব থেকে আবার শুরু
      প্রথম পর্ব থেকে আবার শুরু করেন। একটানে ৯ পর্ব শেষ করেন। তাহলেই কাহিনী ধরতে পারবেন। :আমিকিন্তুচুপচাপ:

  5. শেষপর্যন্ত অন্য গল্পের মত করে
    শেষপর্যন্ত অন্য গল্পের মত করে ফেললেন!!!!!!! আমি আর্তনাদ করছি….আমি আশা করেছিলাম মারাত্মক কোন ড্রামা…..

    1. ছোট্ট একটা মাথায় আর কত
      :মানেকি:
      ছোট্ট একটা মাথায় আর কত ক্রিয়েটিভিটি ধরবে ম্যাডাম? :মনখারাপ: আপনার ভাল লাগে নি জেনে :ভাঙামন:

        1. আসলে ইচ্ছে করেই যুক্তিতে যাই
          আসলে ইচ্ছে করেই যুক্তিতে যাই নি। এটা ভৌতিক থ্রিলার, অতপ্রাক্রিত আর যুক্তির বাইরে কিছু ব্যাপার তো থাকবেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে আমরা অবচেতনভাবে অতপ্রাক্রিত বিষয়গুলোকে পছন্দ করি। ভূতের গল্প তা না হলে কি এখনও চলত?

  6. খুব ভালো লাগসে!!!
    তবে

    খুব ভালো লাগসে!!!
    তবে লেখালেখি চালিয়ে যেতে হবে। আরও ইম্প্রুভমেন্টের সুযোগ আছে।
    গুড লাক!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *