ঘড়ি

কব্জীতে এখন আর কোনো সাদা দাগ নেই;

দাগ রাখেনি জলযান প্রাক্তন পালওলা,
একশো দাঁড়ের, দাসের টানা কিছুই,
অথবা যেমন প্রত্যেকটা সকালকে লম্বা করে
গাধার কানের মাপে টেনে নিয়ে গেলেও
ঘুম থেকে ওঠা কোনো সন্ধ্যাকেই সকাল
বলা যাবে না,ঝরা পালক পাখীর এমনকি
ফিরবেনা যে মিথ্যে নরম ঠোঁটে সেঁটেছিল-



কব্জীতে এখন আর কোনো সাদা দাগ নেই;

দাগ রাখেনি জলযান প্রাক্তন পালওলা,
একশো দাঁড়ের, দাসের টানা কিছুই,
অথবা যেমন প্রত্যেকটা সকালকে লম্বা করে
গাধার কানের মাপে টেনে নিয়ে গেলেও
ঘুম থেকে ওঠা কোনো সন্ধ্যাকেই সকাল
বলা যাবে না,ঝরা পালক পাখীর এমনকি
ফিরবেনা যে মিথ্যে নরম ঠোঁটে সেঁটেছিল-

ল্যাম্পপোস্টগুলোর মর্জিজায়গায় আলোর
কখনো কলেদের জল দেবার যেমন বাছার
অথবা চিঠিগুলোর গন্তব্য ঠিকানা বদল
অধিকার মেলেনা কখনো কষ্টসহিষ্ণু মৃতদের
আরামপ্রদ নকশীশীতকাঁথা আবার জীবনের,
শূন্য থাকে যদ্যপি পূর্ণ জীবনের অতএব নির্মাণ,

একদিকেই চলে যাচ্ছে যে নেশাতুর নিরন্তর
কব্জী সে ঘড়ির দাসদাগ মুছে ফেলেছে এইমাত্র।

৭ thoughts on “ঘড়ি

  1. অথবা যেমন প্রত্যেকটা সকালকে

    অথবা যেমন প্রত্যেকটা সকালকে লম্বা করে
    গাধার কানের মাপে টেনে নিয়ে গেলেও
    ঘুম থেকে ওঠা কোনো সন্ধ্যাকেই সকাল
    বলা যাবে না,

    —– ভালো লেগেছে !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *