কেন আমি নষ্ট ছেলে??

সময় ২১/০৭/২০১৩ রাত ১০-১১টা
অনেক দিন ধরে চাইবো ভেবেছিলাম। চাওয়া উচিত
ছিলো।
সবাই দুই/তিন মাসেই চায়। আমি ভেবেছি সময় আছে। সময়
প্রায়
দেড় বছর কেটে গেছে। মনে হল এখন সময়। দৃঢ় বিশ্বাস
ছিলো সে দিবে। যেহেতু সে আমাকে বন্ধু (!) ভাবতো।
না দেয়ার যৌক্তিকতা এক বিন্দু পরিমান নেই।
কাঁপাকাঁপা হাতে টাইপ করে পাঠালাম। অপেক্ষার
প্রতিটা সেকেন্ড গুনছিলাম। সে দিবে। আলবত দিবে।
তাকে আগত জন্মদিনের অভিনন্দন জানাতে চেয়েছিলাম।
জন্মদিনে এই উপহার না দেয়ার কারন নেই। কারন আমি তার
বন্ধু
(!);একতরফা।
জুকারবার্গের এই বায়বীয় ভার্চুয়াল নীল দুনিয়ার প্রটোকল
ভেদ
করে রিপ্লাই আসলো ফাইবার অপটিক্স হয়ে। “দুঃখিত! ”
খেয়াল

সময় ২১/০৭/২০১৩ রাত ১০-১১টা
অনেক দিন ধরে চাইবো ভেবেছিলাম। চাওয়া উচিত
ছিলো।
সবাই দুই/তিন মাসেই চায়। আমি ভেবেছি সময় আছে। সময়
প্রায়
দেড় বছর কেটে গেছে। মনে হল এখন সময়। দৃঢ় বিশ্বাস
ছিলো সে দিবে। যেহেতু সে আমাকে বন্ধু (!) ভাবতো।
না দেয়ার যৌক্তিকতা এক বিন্দু পরিমান নেই।
কাঁপাকাঁপা হাতে টাইপ করে পাঠালাম। অপেক্ষার
প্রতিটা সেকেন্ড গুনছিলাম। সে দিবে। আলবত দিবে।
তাকে আগত জন্মদিনের অভিনন্দন জানাতে চেয়েছিলাম।
জন্মদিনে এই উপহার না দেয়ার কারন নেই। কারন আমি তার
বন্ধু
(!);একতরফা।
জুকারবার্গের এই বায়বীয় ভার্চুয়াল নীল দুনিয়ার প্রটোকল
ভেদ
করে রিপ্লাই আসলো ফাইবার অপটিক্স হয়ে। “দুঃখিত! ”
খেয়াল
করলাম বিশাল এক ভুমিকম্প। ছয় তলার ছাদ মাথার উপর
ভেঙ্গে পড়লো। এইটা হওয়ার কথা না! মহাপুরুষ দের
তো সে ক্লাশ টেনে টেস্টের সময় দিয়ে দিছিলো। তখন
কি প্রথমে সে অযাচিত এই মেকী দুঃখ পেয়েছিলো??
মনে হয়
না। আমি আর টাইপ করতে পারছিলাম না। তার
কাছে এইটা আমার পাওনা ছিলো। তবে কি ক্লাশ টেন
অনেক
বড় সময় কিন্তু এই দেড় বছর নিতান্ত ছেলে খেলা? সমীকরণ
মিলে নি। চশমাটা ঝাপসা হয়ে গেল। মুছে নিলাম।
পরে বুঝলাম
চশমা ঝাপসা হয়নি। আমার এই নশ্বর চোখ ভিজে গেছে।
মোছার
ব্যর্থ চেষ্টা করলাম। পারলাম না। ফের কারন
জিজ্ঞাসা করলাম। কিছুক্ষন পর সে ‘কারন
দর্শানো নোটিশ'(!)
দিলো।
আমার মাথা তখন কাজ করছিলো না। আমাকে অন্যদের
চাইতে অগুরুত্বপূর্ণ বলা হল। মহারানী আমাকে ফ্রেন্ড কম
ভেবেছে এতদিন। অথচ আমাকে বলছে এই দেড় বছর পর!
আমি হতবাক। বিস্মিত ,বিমূঢ় হয়ে অসহায়ের মত মোবাইলের
জ্বলন্ত স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। তখন
অঝোরে চোখ
দিয়ে পানি পড়ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে স্বচ্ছ
পানি গুলো আমায়
ধুয়ে দিচ্ছে। পানি গুলার চিৎকার শুনতে পেলাম।
“রায়হান ,তুমি পরাজিত প্রতারিত আঘাতপ্রাপ্ত আহত
পাখি।”
মোবাইল টাকে ছুঁড়ে ফেললাম। এতদিন আমি কি ভেবেছি?
কি করেছি? কি দেখেছি? কি বুঝেছি? পৃথিবীর
সবচেয়ে দুর্বল
হৃদপিণ্ড টি তখন আমার বুকের বাম পাশে গর্জন করছে।
সেখান
থেকে বয়ে যাচ্ছে রক্তের পদ্মা মেঘনা রূপী শিরা ধমনী।
বাম
হাতের আঙ্গুল টা একটু কেটে দেখলাম। রক্ত নীল রং হয়নি।
এখনো লাল। তবেকি কষ্টের রং লাল??
কেমেষ্ট্রি বইয়ের দিকে তাকালাম। হাইড্রোকার্বন
গুলোতে আমি দেখলাম নিকোটিনের সংকেত। শুরু করলাম
পাগলামী। ক্লাশ এইটের বৃত্তির ক্রেস্ট
টা ভেঙ্গে ফেললাম।
অবোধ ক্রেস্ট আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো।
কান্না করছি।
করেই যাচ্ছি। করেই যাচ্ছি।
আর সহ্য হয়নি। সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে গেলাম। মোড়ের
দোকানে বেনসন কিনে নিলাম। দোকানী অবাক
হয়ে তাকালো।
আমি হেসে বললাম “মামা। দেড় বছর ধরে সায়ানাইড
গিলছি।
আজ একটু বেনসন টানমু। ” মামা কিছু বুঝলো না।
পাঁচটা বেনসন
দিলো। সেখানেই ধরালাম একটা। তীব্র কাশি শুরু হল।
থামেই না।
কিন্তু অনুভব করলাম কষ্ট গুলো নিভে যাচ্ছে।
টলতে টলতে সিড়ি দিয়ে উঠে গেলাম।
পাভেল আমাকে বুঝাইছিলো আরো আগে। কিন্তু এতই
বিশ্বাস
ছিলো যে পাভেলের কথা পাত্তা দিলাম না। তার
মেসেজ
আসলো আবার। দেখলাম। কিন্তু উত্তর দেয়ার অবস্থা আমার
নাই। কিছুক্ষনের মাঝে তিনটা নিকোটিনের
টুকরা ফুসফুসে টেনে নিলাম। আমার লিখা কবিতা গুলাও
পোড়ালাম ছাদে গিয়ে। আব্বু আম্মু বুঝতে পারেনি এই
ছেলেটি কিভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর মাঝে তীব্র বমি।
রক্ত
বের হল গলা দিয়ে। কিন্তু হৃদয়ের রক্ত দেখতে পেলাম না।
দরজা বন্ধ করে দিলাম। ইচ্ছে হল ঝুলে পড়ি। কিন্তু করলাম
না।
নিজেকে আরো কঠিন শাস্তি দিতে হবে। কেন এই বন্ধুত্ব
করতে গেলাম তার সাথে? কেন এত আপন ভাবলাম তাকে?
স্বঘোষিত যুক্তি বাদী হয়ে গেলাম যুক্তি হীন অবুঝ পাখি।
চাঁদ
টা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। গালি দিলাম চাঁদকে।
আমার
কাছে আর কিছুই সুন্দর লাগছে না এখন। ভুল করে ফেলেছি।
আমি পরাজিত।
আমি পরাজিত। সে আমার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।
যদি একটা প্রশ্নেরও উত্তর দিত তাহলে শান্তি পেতাম।
মহাপুরুষ দের প্রতি তার আকর্ষণ কেন তার উত্তর
জানা নেই।
সেই সাথে আমার দোষ টাও জানা নেই। সে বলেনি। কিন্তু
সে আমাকে খুন করেছে।তার আসল নাম নিবো না। তার নাম
দিলাম আমি ‘বাস্তব মরীচিকা।’ সে আমাকে জবাব
দিতে চায়না নাকি জবাব সে জানেনা? নাকি আমার মত
অগুরুত্বপূর্ণ নাগরিককে জবাব দেয়ার প্রয়োজন বোধ
করে না?
হ্যাঁ . আমি অগুরুত্বপূর্ণ। কারন আমি তাকে খুব গুরুত্ব দিতাম।
কেন দিতাম এই প্রশ্ন সে আমায় করেছে। আজব তো!
আপনি ভাত
খান। কেন খান? বাঁচতে? কেন বাঁচতে চান? সব কেন এর
উত্তর
দেয়া যায় না। কেন শব্দটি নিজেই তার উত্তর।
সে হয়তো কোনো দিন আকাশ
দেখেনি। জ্যোৎস্নার রং দেখেনি। রাতের কাক দেখেনি।
ভোরের পাখি দেখেনি। আকাশের লাল সূর্য দেখেনি।
হৃদয়ের
আয়না দেখেনি। বসন্তের কোকিল দেখেনি। সাগরের ঢেউ
দেখেনি। কৃষ্ণচূড়ার লাল দেখেনি। স্বপ্ন দেখেনি।
পূর্নিমার চাঁদ
দেখেনি। পাহাড়ের ঝরনা দেখেনি। সে দেখেছে রোবট।
সে ভাঙ্গা কাঁচ দেখেছে। বেদনার নীল দেখেছে।
ভূমিকম্পের
ধ্বংস দেখেছে। ঝরা পাতার হাহাকার দেখেছে।
লাশকাটা মর্গ
দেখেছে। ক্যান্সারের বীজ দেখেছে। সে আমায় দেখেনি।
আমায় দেখেনি। দেখেই নি। দেখতেই চায় নি। মহাপুরুষ
রা তার
সাথে আগে সাক্ষাৎ করেছে। তাই সারা জীবন শুধু মহাপুরুষ
দের
দেখে যাবে। আর কেউ তার কাছ থেকে কিছু
চাইলে সেটা পাগলামি। সেটা আরণ্যিক নির্বোধের
ভ্রান্ত
দুঃস্বপন। সেটা অন্যায়। সেটা ভুল। সেটা গুন্ডামি।
সেটা ভন্ডামি। সেটা গাঁজাখুরী। সেটা নির্মম।
সেটা হাস্যকর্।
সেটা অনুচিত। সেটা সাংঘর্ষিক। সেটা আরো অনেক কিছু।
…………
যাকে পাইনি তাকে হারানোর প্রশ্ন আসেনা।
আমি তাকে পাই
নি। হারাবো কিভাবে? এই দেড় বছরে আমার দেখা স্বপ্ন
গুলো অবাঞ্চিত পাগলামি মনে হয়। কেন? জিজ্ঞেস
করেছি তাকে। সে জানেনা। জানেনা। জানেনা।
সে আমাকেই
চিনেনা। আমিও তাকে চিনিনা। সে কে? সে বাস্তব
মরীচিকা।
সে আমায় নিস্তব্ধতা দিয়েছে। পরবর্তী প্রজন্ম
কে আমি এই
ট্র্যাজেডি বলবো। তারা মন খারাপ করবে। আমার জন্য
আফসোস করবে। আমি তখন হাসবো। সে তখন আরেকজন
কে নিয়ে মেতে থাকবে। আর আমি থাকবো নরকে।
সেখানে থাকবে নিকোটিনের বাষ্পীয় অত্যাচার্। ৩-(১-
মিথাইল পাইরিলিডিন)-পারিডিন টা তার চোখেও আছে।
আমি দুই ঠোঁট দিয়ে টেনে নেব বিষাক্ত ‘C10H14N2’ এর
বাষ্প।
না। তার বদনাম করার ইচ্ছা আমার নেই। আমি মহাপুরুষ না।
আমি কাপুরুষ আর অগুরুত্বপূর্ণ কীট। তাই নিকোটিনের
কীটনাশক
আমার সবচেয়ে বিশুদ্ধ খাবার্। আমি ধ্বংস।
যা বলার বলছি।
যারা ধৈর্য্য ধরে পড়লেন ধন্যবাদ। কোনোদিন
যদি দেখেন
একটি ছেলে বৃষ্টিতে ভিজে সিগারেটে নিমগ্ন
তাকে আপনারা খারাপ ভাববেন না। কারন তার
ভিতরে বুকের
বাম পাশের হৃদপিণ্ড নামক কিছু নেই।
সেটা গলে গেছে প্রবল
ধাক্কায়। হৃদয়হীন এই অন্যদের চাইতে অগুরুত্বপূর্ণ পতঙ্গ
টি কে আপনার ঘৃনা করতেই পারেন। কিন্তু আপনাদের একটু
সহানুভুতি যেন সে পায়। শেষ নিশ্বাস ত্যাগের আগে যেন
অন্তত
কেউ একজন ছেলেটিকে গুরুত্ব দেয়। এক ফোঁটা চোখের জল
দেখে সে মরতে পারে। এইটুকু চাওয়া রইলো।
ক্ষমা করবেন আমাকে সবাই। খুব কান্না করবো আবার্। না।
তার
জন্য নয়। নিজেকে খুব ভয়ঙ্কর শাস্তি দেব। যাতে আর
কোনো ছেলের অকাল বোধনে বসন্ত না আসে। আর কেউ
এভাবে শেষ না হয়ে যায়। কথা গুলো বলার আগএই শেষ
না হয়ে যায়। এখানে আকাশ কালো। ……………

১৭ thoughts on “কেন আমি নষ্ট ছেলে??

    1. জ্বী না। ছ্যাঁকা খাইতে ওষুধ
      জ্বী না। ছ্যাঁকা খাইতে ওষুধ লাগে না। একটি মেয়ে একটু স্বপ্ন। অতপর স্বপ্নের দগ্ধ ছাই। ব্যাস এইটুকুই একটি মহাকাব্য লিখার জন্য যথেষ্ট।

  1. ওরে কেউ পানি নিয়ে আয়রে …
    ওরে কেউ পানি নিয়ে আয়রে … জ্বলে গেলো জ্বলে গেলো জ্বলে গেলো … ( কিছু মনে নিয়েন না , তাৎক্ষনিক অনুভূতি প্রকাশ করলাম ) । যাহোক, ব্যাপক থরো থরো আবেগের ভিয়েন দিয়ে লিখেছেন । আবেগের বিষয়ে কি মন্তব্য চলে । ভালবাসা ভাষা পাক । :গোলাপ:

    1. ঘটনাটা সত্যি। ২১ তারিখে আমার
      ঘটনাটা সত্যি। ২১ তারিখে আমার সাথে মেয়েটির দেড় বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে ভাই।

      1. অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন
        অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন ,
        ব্যাপার না । ওস্তাদ হুমায়ুন আজাদের কথা স্মরণে নিয়েন । তাইলে সব মুশকিল আসান হয়ে যাবে , ” প্রথম প্রেম, দ্বিতীয় প্রেম, তৃতীয় প্রেম বলে কোন কথা নেই । প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম ” । সুতরাং জাস্ট ফরগেট হার অ্যান্ড সার্চ এ নিউ লাভ । জীবন একটাই , এটাকে শোক স্তম্ভ বানিয়ে পুষ্প নিবেদনের বেদি করে রাখলে চলবে ক্যাম্নে ভাই ?????

        তয় আগের প্রেমের স্মৃতি গুলো ভুলে যেয়েন না । ওটা মূল্যবান । বুক পকেটে তুলে রাখুন সৃজনশীল কাজে ব্যবহার করবেন একে । আরে ভাই , জীবনের কোন অভিজ্ঞতাই ফেলে দেয়ার না । একটা উশটা খাওয়ার ঘটনাও দুর্দান্ত হতে পারে … ম্যালা প্যাঁচাল পারলাম । খেইপেন না । 😀

        1. ” প্রথম প্রেম, দ্বিতীয়

          ” প্রথম প্রেম, দ্বিতীয় প্রেম, তৃতীয় প্রেম বলে কোন কথা নেই । প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম ”

          এর পর আর কোন কথা নেই… :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

        2. খেপবো কেন ভাই?? বাণী শুনে
          খেপবো কেন ভাই?? বাণী শুনে পুলকিত হইলাম। এমনিতেই হূমায়ূন আজাদ আমার গুরু। তার উপর তার বাণী! !! ভাবা যায়!!!

  2. লেখক ভাই মনে কিছু নিবেন না।
    লেখক ভাই মনে কিছু নিবেন না। এই রকম আরেকটি লেখা কোথায় জেন পড়েছিলাম মনে করতে পারছি না।

    1. পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এইটা ২১
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এইটা ২১ তারিখে আমার জীবনে ঘটে গেল। এই লিখা আমি নিজেই টাইপ করে ২৩ তারিখ রাতে আমার ফেসবুক আইডিতে দিয়েছি। আইডির লিঙ্ক http://facebook.com/dreamyboy.raihan

      এই পোস্ট টা কয়েকটা পেইজে কপি হয়েছিলো। জানিনা আপনি হয়তো সেখানেই পড়েছেন। ধন্যবাদ।

    2. শ্রমিক ভাই,
      মজুরদের জীবনের

      শ্রমিক ভাই,
      মজুরদের জীবনের ঘটনা গুলো একই রকমের হয়ে থাকে ।
      দু’ বেলা দু’ মুঠো অন্ন …

  3. এক কথায় অনবদ্য… আমার ভাই
    এক কথায় অনবদ্য… আমার ভাই সেরাম লেগেছে! :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    দুর্দান্ত আপনার লিখনি!! যাহোক, এইবার সবভুলে লিখালিখিতে মন দেন।।
    জাতি কিছু পাক, তাই বরং সবার জন্যে ভাল! আর বানীতো আছেইঃ
    “প্রথম প্রেম, দ্বিতীয় প্রেম, তৃতীয় প্রেম বলে কোন কথা নেই । প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম”…
    পোস্টের বাক্যগুলোর প্যাটার্ন-টা ঠিক করে দিয়েন, মনে হয় মোবাইল থেকে পোস্ট করেছেন অনেকটা কবিতা কবিতা টাইপ বাক্য হয়ে গেছে যদিও তা না বলে আমার ধারণা…

    1. ঠিক ধরেছেন। ফেসবুকেই পোস্ট
      ঠিক ধরেছেন। ফেসবুকেই পোস্ট করছিলাম ২৩ তারিখ। সেই পোস্টের কপি পেস্ট।
      লেখার হাত তেমন না ভাই। ছ্যাঁকা খাইলে কলমের কালি কে রক্ত ভেবে ভুল করি মাঝে মাঝে। ভুল শুধরে যায় যখন দেখি শত আলোক বর্ষ দূরে আমায় নিয়ে বিদ্রূপের হাসি হাসছে একটি বিবর্ন গোলাপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *