আমি জামাত-হেফাজত-রাজাকারের চেলা।শুনবে কি আমার কথা।

ভাই সব বাংলাদেশের বেশির ভাগ লোকই মুসলিম।আর অন্যদের কথা জানা নেই।তবে মুসলিমদের একটা বড় গুন আছে এদের ধর্মীয় নেতা তথা হুজুরকে যতই অপছন্দ করুক।হুজুর একটা নির্দেশ দিলে সেটা অমান্য করে খুব কম লোকেই।হুজুর সাহেব যদি বলে তোমরা সবাই অমুককে ভোট দিবা তো তাকেই জয়ী করে।হুজুরের নামে যতই অপবাদ থাকুক এরা হুজুরকে মেনে আসছে মানবে,ভালবাসে বাসবে।হুজুরের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাকে তারা স্বাভাবিক ভাবে নিবে না,বিশেষ করে গ্রামের দিকে।

এখন যদি মৌলবাদী হুজুররা নির্বাচনে কাউকে সমর্থন করে তবে সে জিততে বাধ্য।আর বিরোধীদের পরাজয় শতভাগ নিশ্চিত।

ভাই সব বাংলাদেশের বেশির ভাগ লোকই মুসলিম।আর অন্যদের কথা জানা নেই।তবে মুসলিমদের একটা বড় গুন আছে এদের ধর্মীয় নেতা তথা হুজুরকে যতই অপছন্দ করুক।হুজুর একটা নির্দেশ দিলে সেটা অমান্য করে খুব কম লোকেই।হুজুর সাহেব যদি বলে তোমরা সবাই অমুককে ভোট দিবা তো তাকেই জয়ী করে।হুজুরের নামে যতই অপবাদ থাকুক এরা হুজুরকে মেনে আসছে মানবে,ভালবাসে বাসবে।হুজুরের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাকে তারা স্বাভাবিক ভাবে নিবে না,বিশেষ করে গ্রামের দিকে।

এখন যদি মৌলবাদী হুজুররা নির্বাচনে কাউকে সমর্থন করে তবে সে জিততে বাধ্য।আর বিরোধীদের পরাজয় শতভাগ নিশ্চিত।
সত্তর জন হুজুরদের হাতে থাকলে বিরোধী পক্ষে থাকে ত্রিশ জন এদের মধ্যে অনেক জায়গায় হিন্দুরা ও হুজুরদের ভালবাসে।
এসব বিবেচনায় বলা যায় হুজুরদের বিপক্ষে যাওয়া শুধু নিজ স্বার্থ নয় দেশের স্বার্থ পরিপন্থী ও।
ধর্মহীনের সংখ্যা লাখে এক হাজার এবং মুসলমান লাখে চুরাশি হাজার বাকিরা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী।
বাংলার রাজনীতি দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে মৌলবাদী মুসলিম ও সেক্যুলার গোষ্ঠী।
নির্বাচনে মৌলবাদীরা জিতবেই যেমন:- মিশর ও তুরস্ক।কিন্তু এমন হলে সেক্যুলার সংখ্যালঘু গোষ্ঠী বৈষম্যের স্বীকার হবে আন্দোলনে যাবে অভ্যুথ্থান হবে রক্ত ঝরবে।আবার ঘুরে ফিরে মৌলবাদ ওরাও প্রতিশোধ নিবে রক্তগঙ্গা বইবে।
বিএনপির মানবতা বিরোধী শক্তি কিংবা আওয়ামী চেতনা শক্তি অচিরেই বিলুপ্ত হবে যদি সামনের নির্বাচন সুষ্ঠ ভাবে না হয়।
তবে মৌলবাদের উথ্থান ঠেকানো যাবে না,যাবে না।
এই সুন্দর বাংলাদেশ রয়েছে সোনালী ভবিষ্যৎ দরবেশ বাবাদের লুটে পুটে খেতে দিলে আমাদের সন্তানরাই ক্ষুধার্ত থাকবে।
এভাবে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আর যা হোক একটা দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
আমি চাই এই নোংরা রাজনীতির বাইরে এসে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেক্যুলার,মৌলবাদী সবাই চলবে।
মৌলবাদীরা যেমন বার কিংবা নাইট ক্লাবে যাবে না।ঠিক একই রুপ সেক্যুলাররাও মসজিদ,মন্দিরে যাবে না।অত হিংসা,বিদ্বেষ কেন?যে যার মতো থাকবে।কিন্তু এটা সম্ভব নয়।কারন এতে দুপক্ষের নেতাদের পকেট ফুলবে না।
মৌলবাদের উথ্থান এ বাংলায় হতো না যদি ধর্মকারী ও এর চরদের ইউটিউবের মত ব্লক করা হতো।রাজাকারের ফাঁসি চাইতে দাঁড়ি,টুপি না আঁকলে ফাঁসি হয় না।দাঁড়ি,টুপি রাজাকারের পোশাক নয় মুসলমানদের হাজার বছরের ঐতিহ্য।রাজাকারদের গায়ে আছে বলে আঁকতে হবে।
নাস্তিকতা,বিধর্মী সমস্যা নয় সমস্যা হল ধর্মবিদ্বেষ যাকে পুঁজি করে ক্ষমতায় যায় আওয়ামী-বিএনপি-জামাত।
সময় এসেছে সব ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।

৩০ thoughts on “আমি জামাত-হেফাজত-রাজাকারের চেলা।শুনবে কি আমার কথা।

  1. যেভাবে আপনি মৌলবাদের বশ্যতা
    যেভাবে আপনি মৌলবাদের বশ্যতা স্বীকার করে নিলেন তাতে বুঝলাম এই দেশের ভবিষ্যৎ ফকফকা। :মাথাঠুকি:

  2. মধ্যমপন্থায় না থেকে যেকোনো এক
    মধ্যমপন্থায় না থেকে যেকোনো এক দিকে বলেন,,,,,অবশ্য লেখাটাকে মধ্যমপন্থারও বলা যায় না.

  3. এতদিন অপেক্ষা করছিলাম যে, কেউ
    এতদিন অপেক্ষা করছিলাম যে, কেউ একজন আমাদের(আমার জানামতে ইস্টিশন ব্লগের প্রায় সব ব্লগাররাই মৌলবাদ বিরুধী) বিরুধীতায় আসুক!কেননা সবাইর আদর্শগত মিলের কারনে একগুয়েমী পোস্ট আর ভাল লাগছিল না!তাছাড়া আমরা বিরুধী পক্ষ না পেয়ে নিজেরাই একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে শুরু করে দিয়েছি।যাইহোক, আপনার অবস্থান যদিও স্পষ্ট হয়নি এরপর ও বলবো আপনি আমার অপেক্ষায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছেন ।
    স্বাগতম আপনাকে।

    আপনার মৌলবাদী চিন্তা আরো বিকশিত হোক ।শুভকামনা ।

  4. হইসে বাংলাদেশ গেসে ১৯৭১ সালে
    হইসে বাংলাদেশ গেসে ১৯৭১ সালে বেহুদা মুক্তিযোদ্ধারা দেশরে স্বাধীন করতে মরসিলো এখন ত দেখি তাদের চেয়ে রাজাকার আর মৌলবাদী দামী…

  5. খুব এলোমেলো লেখা। আসলেই আপনি
    খুব এলোমেলো লেখা। আসলেই আপনি কোন পক্ষে স্পষ্ট করেন নি। মনে হচ্ছে মধ্যম পন্থা নিয়েছেন।
    মৌলবাদ আর স্যকুলার একসাথে থাকার স্বপ্ন দেখেন!!!!
    তাহলে আপনি মৌলবাদের সংজ্ঞা জানেন না, স্যকুলার কি বুঝেন না।
    আবার আপনি এটাও লিখলেন,

    মৌলবাদের উথ্থান এ বাংলায় হতো না যদি ধর্মকারী ও এর চরদের ইউটিউবের মত ব্লক করা হতো।

    অন্যদিকে ব্যঙ্গ করলেন এভাবে,

    রাজাকারের ফাঁসি চাইতে দাঁড়ি,টুপি না আঁকলে ফাঁসি হয় না।দাঁড়ি,টুপি রাজাকারের পোশাক নয় মুসলমানদের হাজার বছরের ঐতিহ্য।রাজাকারদের গায়ে আছে বলে আঁকতে হবে।

    আপনি যা বলতে চাচ্ছেন তা হয়তো বুঝাতে পারেন নি, অথবা স্পষ্ট করতে চান নি।

  6. আপনি কি বলতে চান একাত্তরে
    আপনি কি বলতে চান একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছে ধর্মের বিরুদ্ধে।মুক্তিযুদ্ধাদের নূন্যতম অংশ যদি আপনার বক্তব্য সমর্থন করে তবে জুতো পড়ুক আমার গালে।আপনাদের চেতনায় রাজনীতি।না স্বাধীনতা না বশ্যতা।মৌলবাদীর দেশে থাকবেন আর তাদের সাথে যুদ্ধ করে সে কল্পনা মাত্র।এটা একটা দেশ কোন ব্লগ নয়।এখানে যেমন আপনাদের চেতনায় সেক্যুলারিটি তেমন পুরো দেশবাসীর চেতনায় মৌলবাদ।আপনারা সংখ্যালঘু কিন্তু আমরা বলতে চাচ্ছি আস্তিক,নাস্তিক এ ধরনের পাগলা রাজনীতি বাঁধ দিয়ে মূল ধারায় ফিরে আসুন।আপনারা স্বেচ্ছাচারী হন কিন্তু সেক্যুলারিটির নামে ধর্মহীনতা ছড়িয়ে দিতে চাইলে মৌলবাদীরা মানবে কেন?আন্তর্জাতিক নয় দেশীয় রাজনীতি করুন এতেই মঙ্গল আছে।তুরস্কের একে পার্টিকে দেখতে পাচ্ছেন।দেখুন মৌলবাদ কাকে বলে।তখন দেশ ছেড়ে পালাতে হবে।

    1. জনাব তলোয়ার,
      একাত্তরে ধর্মের

      জনাব তলোয়ার,
      একাত্তরে ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হয়নি । হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মাণের উদ্দেশে । এবং ৪ টি মূল নীতির উপর ভিত্তি করেই তা হয়েছে । ৭২’র সংবিধানে সেই নীতিগুলো স্পষ্ট অক্ষরে লেখা আছে । এর মধ্যে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে আপনার মতো মাথা মোটা গর্দভকূল ধর্মহীনতা বলে আখ্যা দিয়ে আসছেন । অবশ্য এটাও আপনাদের কুৎসিত রাজনীতির অপ কৌশল । যখনি বাঙালি যেগে উঠেছে ওই সব হায়েনাদের বিরুদ্ধে ওরা জিগির তুলেছে ইসলাম গেলো গেলো বলে । এবং একি সাথে ভারতীয় জুজুর ভয় দেখিয়েছেন । আখেরে কোন লাভ হয়নি । না পারলেন সাধের ফাকিস্তান ( আমার কি বোর্ডে Pakistan বাংলায় লেখা যায় না ) বাঁচাতে আর আজকে না পারছেন ফাকিস্তানি বীর্যে তৈরি রাজাকারদের বাঁচাতে ।

      আবহমান বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কে পড়াশোনা যে একেবারে নেই বেশ বুঝতে পারছি । এজন্যই বলছেন এটা মৌলবাদীদের দেশ । এটা মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ একটি । এটি কোন ইসলামিক কান্ট্রি বা মুসলিম রাষ্ট্র না । এ দেশের সাংবিধানিক নাম গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ । এই তথ্য এজন্যই জানালাম যে আমি শুনতে চাই না আপনি বলছেন, এটি মুসলিম কান্ট্রি ।

      একটা বই এর সাজেসন দিলাম । কিনে পড়ে নিয়েন ” হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি ” – গোলাম মুরশিদ । এছাড়া যতীন সরকারের লেখা ” ফাকিস্তানের ( Pakistaner ) জন্ম – মৃত্যু দর্শন । শুধু মউদুদির বই পড়লে চলবে না রে ।

  7. আমি চাই এই নোংরা রাজনীতির

    আমি চাই এই নোংরা রাজনীতির বাইরে এসে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেক্যুলার,মৌলবাদী সবাই চলবে

    — বাহ ভাল বলেছেন । তবে কথা হল , গোলাপের সাথে তলোয়ারের কখনো সখ্যতা হয়নি হবেনা কখনো ।
    — আপনি বহুত ত্যানা পেঁচাইতেছেন । কী লাভ ? প্যাঁচা পেচি বাদ দিয়ে যা ধারণ করেন তাই বলেন সরাসরি । কোন সমস্যা নেই । আপনার তলোয়ারের ধার কতোটুকু আসুন না একটু পরখ করি ।

  8. রাজনীতির ভিতর থেকে কাঁধে কাঁধ
    রাজনীতির ভিতর থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেক্যুলার,মৌলবাদী অনেকেই একসাথে আছে এবং থাকবে

    1. ব্রহ্মপুত্র,
      এইটা কি কইলেন

      ব্রহ্মপুত্র,
      এইটা কি কইলেন স্যার ?
      মৌলবাদীর সাথে যখন সেকুলার কাঁধে কাঁধ মেলায় সে স্যেকুলার থাকে কোন প্রক্রিয়ায় ?
      এই মুহূর্তে একটা বেশ জুতসই উদাহরণ মনে এলো ( মধ্যযুগীয় তলোয়ার ভাই শরম পাইয়েন না !!!) — সতিচ্ছেদ( যদিও এই সতি টার্ম এ আমি বিলিভ করি না ) হয়ে যাওয়ার পর সেটি আবার জোড়া লাগানোর দরকার আছে ( অবশ্য যারা বাসর রাতে সাদা বেড সীটে রক্ত দেখতে চায়, তাদের কথা আলাদা । আপনারে কই নাই । তলোয়ার রে কইছি ) ? মানে ইন্টার কোর্স হয়ে যাওয়ার পর সে যদি বলে আমি এখনো অভিজ্ঞতাহীন – তা কি মানিয়া লওয়া যায় ? :হাসি: :হাসি:

  9. ১) বাংলার রাজনীতি দুভাগে
    ১) বাংলার রাজনীতি দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে মৌলবাদী মুসলিম ও সেক্যুলার গোষ্ঠী।— অতি সরলীকরণ হয়ে গেল ‘সত্যের তলোয়ার’ সাহেব। এখনও বান্ধা ভোট আওয়ামীলীগের ৩০%+ হলেও বিএনপি’র ২৫- গত ৪ টা নির্বাচনে তাই বলে! ৫ টা সিটি নির্বাচনে গড়ে ৭০% কাস্টেড ভোটের বিএনপি গড়ে ৫৫-৫৭% পেলে আওয়ামীলীগ পেয়েছে ৪১-৪৫%! তাহলে এমন বিভাজনের কথা শুধু অতিসরলীকরণ বললে ভুলে হবে বরং এইটা প্রগালাপ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত…

    ২) নির্বাচনে মৌলবাদীরা জিতবেই যেমন:- মিশর ও তুরস্ক।কিন্তু এমন হলে সেক্যুলার সংখ্যালঘু গোষ্ঠী বৈষম্যের স্বীকার হবে আন্দোলনে যাবে অভ্যুথ্থান হবে রক্ত ঝরবে।আবার ঘুরে ফিরে মৌলবাদ ওরাও প্রতিশোধ নিবে রক্তগঙ্গা বইবে।
    এমকথাটা কি ৬৩ জেলার পর ৫০৭ উপজেলায় বোমা হামলার মহড়ার হুমকি হয়ে গেল না? আপনি যাদের মৌলবাদী বলছেন তাদের আমরা মৌলবাদী বলী না, এরা সরল ধর্মবিশ্বাসী! আর রক্তগঙ্গার কথা বললেন না? যারা এমন রক্ত গঙ্গা বয়ে দিবে তারাই মৌলবাদী, এদের অবস্থান ইতিহাসের আস্থাকুড়ে।

    ৩) দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় এইটা আপনাদের মুখেই মানায়। আপনার পেয়ারা ফাকিস্থানে তো ধার্মিকেরা প্রতি শুক্রবার মানুষ মারে সেই দুঃখে আপনারা এই বাংলায়ও তাই চান। বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্বের ধারণা থেকেও বেশ ভাল, অর্জনও লক্ষমাত্রা ছাড়ায় গেছে। দেশের উন্নয়নে আপনাদের পরান পুড়ে বিধায় এমন ধ্বংসলীলা করেন আপনারা…

    ৪) ‘মৌলবাদীরা যেমন বার কিংবা নাইট ক্লাবে যাবে না।ঠিক একই রুপ সেক্যুলাররাও মসজিদ,মন্দিরে যাবে না।অত হিংসা,বিদ্বেষ কেন?’— ‘সেক্যুলাররাও মসজিদ,মন্দিরে যাবে না আবার মসজিদ মন্দিরে বোমাও মারবে না’! দুনিয়ার তাবৎ ধর্মই পরের ধন ‘নৈতিকতা’ নিয়ে পুদ্দারি করে শান্তির নামে বিশ্বময় অশান্তিই এনেছে বার বার। আসলে ধর্ম দোষী না আপনার মত উগ্র ধর্মীয় মৌল্বাদে আক্রান্তরাই এর জন্যে দায়ী…

    ৫) কিছু তথ্য দেখেন। আপনি একবার বিশ্ব রাজনীতির উদাহরণ দিলেন পরক্ষনেই আলাদা হতে বললেন। যাব না আপনার লিখার স্ববিরোধী অংশে কিছু তথ্য দেখেনঃ

    আবার,


    এই দুনিয়া যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলিম, এগ্নস্টিক বা স্যেকুলার সবার তেমনি বাংলাদেশও… আপনারা এমন উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান দেখালে বড়জোড় এই বাংলাও কিছু ড্রোন উপহার পেতে পারে এর বেশী আর কিইবা হবে?

    ‘সময় এসেছে সব ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।’– এই কথা বলার আগে তাই নিজের দিকটা যাচাই করে নেয়া উচিৎ কেননা তীর অন্যের দিকে ছুড়ে দিলেই নিজের দিকটা নিরাপদ হয় না।।

  10. তলোয়ারের ধার কি দেখাবো
    তলোয়ারের ধার কি দেখাবো বলুন।ঝাঁক বেঁধে ঝাপিয়ে পড়েছেন একটু বলতেই।
    পুরোটা যদি বলি চেতনার ঝাঁপি খুলে যাবে আগে ওইটা সামলান।
    তলোয়ারের ধার না থাকলেও গোলাপের কাঁটা পারবে না গোলাপকে রক্ষা করতে।
    ফুলবাবু আর কত সাজবেন,চেতনা আর কত বিকোবেন আসুন চেতনাকে বিক্রি বন্ধ করি।
    ততদিন পর্যন্ত উন্নোয়ন সম্ভব নয় যতদিন পর্যন্ত সহজ সরলরা রাজনীতিতে না আসবে।তারা আমাদের বাইরে নয়।তাদের আপনারা আসতে দিবেননা কারন তারা এলে চেতনা বিক্রয় হবে।
    দেখেছি তিন স্তরের নিরাপত্তা,বিরীয়ানী আর ডোনেশনের আন্দোলন।দেখেছি নব্য রাজাকার বঙ্গবীরকে।
    দেখেছি উদভ্রান্ত আবাল তরুনদের বেহুদা মৃত্যুর মিছিল।শুনেছি নল ওয়ালা বন্ধুকের গর্জন।দেখেছি চেতনার ধ্বজভঙ্গতা,দেখেছি লিঙ্গহীন জাতীয়তাবাদের আস্ফালন।দেখেছি ইমাম মেহেদীর পূর্বসূরীদের।
    দেখেছি চাল,চুলোহীন ফকিরদের তিনশত টাকার গলা ফাঁটানো গান,জুতা আর রক্তের দাগ।
    দেখেছি কৌশলী পরাজয়।
    আবার এক এগারো।পালিয়ে যাবে সবনেতারা,জেলে ঢুকবে লোভী পাপীরা।
    লুটে খাবে দরবেশরা।
    হবে না আর চেতনা ব্যবসা।
    তের সালটা যাক পাওয়া যাবে না চৈতনা ধারীদের।ওরা ঠিকি জানে এই দেশটা কোন ব্লগ নয়।
    গদি গেলে ঠিকি পালাবে।
    গাধারা সব ঘাস খাবে।
    আবার আসিবে ফিরে ধান সিঁড়ির তীরে করিতে চেতনা ফেরী।
    আপনাদের কিছু বলার নেই গদি ছাড়ার সাথে সাথে পালাবেন।আরাম আয়েশে দিন কাটাবেন।পকেট ফাঁকা হলে চেতনা জাগ্রত হবে।আবার নীল নকশা করে এগোবেন।
    এভাবেই চলবে অথচ আপনাদের চেতনার ফেরীতে উঠে সমকামী আইন পাশ হয়।মেয়েরা বিয়ের আগেই সতীত্ব হারায় বাসর ঘরে বিছানা চাদর দেখতে হবে না,টাস-লীমা নাচলেন ও একটা সতী।সতী পর্দা হীন বৌ ও সতী।একটা কথা জানা দরকার প্রত্যেক নারীর সতী পর্দা থাকে তবে এর মাঝে ছোট একটা ছিদ্র থাকে এর কাজ হল রজঃস্রাব বের করে দেয়া।এই ছিদ্র বড় হতেই পারে।

    আপনাদের ব্লগ পোস্ট,মন্তব্য দেখে মজাই লাগে মেয়েদের তেতুল বললে পে*** ইরেক্ট করে বাট যখন সান্নী লিওন নামক পর্ন স্টারের নামে পোশাক পরে তখন অসাম,ছাম্মাক চাল্লো।
    বলি মেয়েকে নিয়ে শপিংয়ে যেয়ে সান্নীলিওনে ড্রেস কিনেন নাকি।আপনাদের দিয়ে সবই সম্ভব।
    সমকামীতা বৈধ করা থেকে টাস-লীমা নাছলেন দের হাতে ধর্ষিত হওয়ার খায়েশ।

    ও ভাই আপনি আমার শত্রু নন।এই ব্লগ পুস্ট কিংবা মন্তব্য করার জন্যে কেহ আমারে মুচলেকা দেয় না বরং বাপের টাকা নষ্ট করায় বাঁন্শ খাইতে হয়।

    কেউ ভুল বুঝবেন না।
    কি বলবো আর।

    ইস্টিশন মাস্টার চাইলে ব্যান মারতে পারেন।মন্তব্য মুছে দিতে পারেন।
    আপনার এমন করার এখতিয়ার আছে।

    1. তলোয়ার ,
      চালায় যান । এই

      তলোয়ার ,
      চালায় যান । এই ব্লগের একটা নীতিমালা আছে । আমি যতোদূর জানি , এখানে ছাগু দের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানো হয় । আপনার উপরের কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার ইচ্ছে করছে না । টু দ্যা পয়েন্ট আলোচনা করেন । তাতে আগ্রহ ধরে রাখা সম্ভব । ভাল থাকবেন । মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকুক ।

    2. পুরোটা আর খুলতে হবে না আপনার
      পুরোটা আর খুলতে হবে না আপনার তেঁতুলের গন্ধে ইস্টিশন মৌ মৌ করছে…
      আমাদের সমস্যা কি জানেন? আমাদের আদর্শহীন দেওলিয়ারাও যাদের আদর্শ আছে তাদের ভুল ধরে হিট হয়ে যেতে পারে নিজের আদর্শ না থাক সত্ত্বেও…

      ১) আমরা চেতনা আর আদর্শ বিক্রি করি কারণ আমাদের তা আছে; আর আপনি যা ফেরী করছেন সেইসব অসুস্থতাকে চেতনা আর আদর্শ-দাবী না করার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ; আপনি আসলেই তেঁতুলবিদের আদর্শ সৈনিক।।

      ২) শিশ্ন-লৈঙ্গিক জাতীয়তাবাদের ডাক দেয়ায় আপানর আসলে আর নতুন করে কিছু বলার নাই; আফসোস মানুষ কতই নিমকহারাম হয়। জন্মের পর নিজের মা-কেও সম্মান দেয় না যে সে কি আর মানুষ থাকে?

      ৩) দেশটা কোন ব্লগ নয়; তাই ব্লগ লিখা। সভ্যতা কোন ইউটোপিয়া নয় সভ্যতাকে স্বপ্নিল করতেই ব্লগ। আমরা প্রানে প্রান মিলানোর জন্যে এক হয়েছি; মধ্যযুগে ফিরে যাওয়ার জন্যে না…

      ৪) গেলেমান আপনাদের হাতছানি দেয় না? চির শিশু আয়াতলোচন যার চোখ!! হাস্যকর… ভুতের মুখে রাম নাম! তাবৎ দুনিয়ার কোন সমস্যার সমাধানই দুনিয়াকে কোন দৈব বানীই দেয় নাই। বৈজ্ঞানিকদের নিরলস পরিশ্রমই সকল ব্যাধির প্রতিকার ও প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছে। আর আপনার জন্যে একটা দুঃসংবাদ আর একটা সুসংবাদ দিতে চাইঃ
      -দুঃসংবাদঃ ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময় যোগ্য মানসিক ব্যাধি— হিসেবে চিহ্নিত। অক্সফোর্ড গবেষকেরা ইতিমধ্যেই গবেষণায় প্রমান পেয়েছেন এবং সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।।
      -সুসংবাদঃ এর আশু নিরাময় ব্যবস্থা নিয়েও কাজ হচ্ছে শিগ্রই একটা প্রতিষেধক পাব আশা করি…

      ৫) ছিঃ! এইটা বললে ছিঃর অপমান হবে। আপনিই পারেন বিছানার দিকে তাকাতে কারণ আপনারা নিজের বিবেকের দিকে তাকানোর আগে নারীর পোশাকের দিকে তাকানোয় বিশ্বাসী কেননা তেঁতুলতত্ত্বধারী বিবেচনাবোধ আপনার… বুঝতে পারচি আপনার জাতীয় পতাকা হচ্ছে সতী পর্দা। বলি নিজেকে আর কত নামাবেন নিচে?

      ৬) সানি লিওনের ড্রেসের কথা বলছেন? এরাই আপনার গুণধর মৌলবাদী যারা শাপলা চত্বরে গিয়ে শহীদ হয়ে রক্তগঙ্গা বয়ে দিতে প্রস্তুত। এরাই তারা যারা আফ্রিদিকে দিয়ে পোশাকের বিজ্ঞাপন করে, এরাই তারা যারা সানি লিওয়নের জামা রেখে ইফতার মাখতে যায়। এরাই তারা যারা মুন্নির ড্রেস গুছিয়ে তারাবি পড়তে যায়… এইরাই আদর্শহীন % যারা আপনাকে ক্ষমতায় নিবে শিপন শাড়ি মুরিয়ে!!

      ৭)আপনার হস্তমৈথুনের জন্যে কিছু বলবেন না? অথবা ওয়ান নাইটের মহাজাগতিক ‘মুতা’ বিয়ে নিয়ে কিছু বলবেন না। নাকি আপনার অভিজ্ঞতার দরকার বউয়ের সতী পরীক্ষা নেয়ার আগে! এই দুনিয়াতে আমি এমন কিছু আলাদা নিয়ে আসি নাই যা আমকে নিজের দিকে না তাকিয়ে নিজের বউয়ের সতীত্ব পরীক্ষা করার অধিকার দিবে।

      ‘সত্য কঠিন,মারাত্মক,ক্ষতিকর,নির্মম,অসুন্দর তবে বাস্তব।’কিসের মত? শাপলা চত্বরের মধ্যযুগীয় উত্থানের মত? % কখনও সত্যের প্রমান নয়। সভ্যতায় বিচার করবে কে মানুষের আর কে পুরুষের।।
      একটা শেষ কথা বলে যায়ঃ
      “নারী পুরুষদের মতই সমান অধিকার নিয়ে এই দুনিয়াতে এসেছে; প্রত্যেকটা মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দই তার ব্যক্তিগত নীতিমালা করে দিবে যে সে কীভাবে তার জীবন যাপন করবেন!আর নারীদের আপনি একটা কৃতদাসী বা অধিকারভুক্ত ভৃত্য ভাবেন? যদি আপনার মত মানুষ ভাবেন তবে তাঁকে তাঁর মত চলতে দিন। আপনি যেমনটি মানুষ আপনার ছোট্ট মেয়েটিও তাই, আপনার প্রেয়সী বউ আর, মহীয়সী মা কিন্তু এর ব্যতিক্রম নয়! ইনারা সবাই মানুষ আমার মতই একটা স্বত্বা তারও আমার মত সব অনুভূতিও তাঁর সংবেদনশীল। নিজেকে শ্রদ্ধা করলে তাকেও করুণ। মনে রাখবেন আমরা কেউ পুরুষ বা নারী হয়ে জন্মগ্রহণ করি নি বা, আমরা কেউ হিন্দু-মুসলিম-ক্রিস্টান হয়েও জন্মায় নাই…
      আমরা জন্ম নিয়েছি মানব সন্তান হিসেবে।”

      — এই কথাগুলো বললাম কারণ আপনার আদর্শহীনতা আর চেতনাহীনতার (আপনার ভাষ্যমতে…) মুলেই নারী আর ধর্মীয় বিদ্বেষ… ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন…

      1. তলোয়ার ,
        মিঃ লিংকনের মতো

        তলোয়ার ,
        মিঃ লিংকনের মতো পয়েন্ট বাই পয়েন্ট যুক্তি দেখান ।
        যুক্তিতেই মুক্তি …

  11. আপনাদের এই দারুন যুক্তি দেখে
    আপনাদের এই দারুন যুক্তি দেখে আমি গর্বে গর্ভিত।নারী বিদ্বেষী বলতে সস্তা সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করে জিততে চান।সে সময় আর নেই।আপনারা সামান্য একটা ব্লগে যদি জিরো টলারেন্স দেখাতে পারেন।মৌলবাদীরা কেন একটা দেশে পারবে না,কিন্তু তারা তা করবো না।তাদের আদর্শ এমন নয়।মৌলবাদ একটা নিরাময় যোগ্য ব্যাধী সেটা উগ্র নাস্তিক আর আস্তিকই হউক।মজার বিষয় হলো আপনাদের নিজস্ব কোন চিন্তা ধারা নেই সবকিছু অন্যের লেখা বই থেকে ধার নেন।আরে ভাই ও তো ভুল করতে পারে।আপনি কেন করবেন।আপনারা মানব সন্তান হয়ে জন্ম নিয়েছেন কিন্তু মধ্যযুগীয় নয় আদিম যুগীয় খেলায় লিপ্ত হয়েছেন।আর এমন ভাবে কথা বার্তা বলছেন যেন আপনারা মানুষ নয় পশু,পাখীদের তুল্য।এটা কখনও কাম্য নয়,মানুষের মাঝে ভালবাসার ক্ষমতা আছে যেটা পশু,পাখীর নেই।যদি থাকে তবে তা খুবই নগন্য।খুব সুন্দর আমাকে মাস্টারবেট করতে হয় না।আপনাদের দোয়ায় এমন মানষিক রোগ হতে আমি মুক্ত।আপনার যদি এই রোগ হতে মুক্তির দরকার হয় তবে কিছু টিপস দিতে পারি।এতে অবশ্যই মাস্টারবেট নয় আপনার মানষিকতা ও বদলে যাবে।শুধু এক সপ্তাহ মাত্র এক সপ্তাহ নিরাপত্তা,ক্ষমতা,ব্লগ বা হেনতেন সব ছেটে পেলে দিয়েন আসুন না মানুষের মাঝে।হয়ত একবেলা খাবার জুটবে না,অনুভব করবেন ক্ষুধা কাকে বলে,চেতনা কাকে বলে,ঘুম কাকে বলে,মাস্টারবেট কেন লাগবে না।আমৃত্যু মনে থাকবে এই চেতনা।আপনাদের আদর্শ হলো আজ একে খাও কাল ওকে খাও।আজ চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাও পরদিন জড়িয়ে ধরে চুমা দাও।কোথায় আজ সিরাজ সিকদার ?

    1. ‘মজার বিষয় হলো আপনাদের
      ‘মজার বিষয় হলো আপনাদের নিজস্ব কোন চিন্তা ধারা নেই সবকিছু অন্যের লেখা বই থেকে ধার নেন’— :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      নজরুলের কবিতা খানা খুব মনে পরছেঃ
      “ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
      ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
      যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
      পূজিছে গ্রন’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
      মানুষ এনেছে গ্রন্থ;-গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।”

      ১) আর আমরা ধার করা জ্ঞানে চলি কেননা আমার জন্মের পর যে বাসাটাই বসবাস করতে শুরু করি সেই জ্ঞানও ধার করা, শুধু তাই নয় সকালের নাস্তার টেবিলের গ্রিন টি থেকে রাতের দাঁত মাজার টুথ ব্রাস সবই হাজার বছরের মানুষের তিলে তিলে গড়া জ্ঞান কোন দৈব বানী বা গালগপ্প নয়…

      ২) ‘ব সুন্দর আমাকে মাস্টারবেট করতে হয় না। আপনাদের দোয়ায় এমন মানসিক রোগ হতে আমি মুক্ত।’ মাস্টারবেট কোন মানসিক ব্যাধি নয়; মানুষের এই আদিম প্রবৃত্তি সর্বজন এবং মেডিক্যাল সায়েন্স স্বীকৃত একটা স্বাভাবিক যৌনাচার এবং জৈবিক ব্যাপার। কেননা মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই কিছু মৌলিক নৈতিকতা সবসময় মানুষ স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে যেমন মৃত দেহ সৎকার বা এইরকম কিছু…

      ৩) উলু বনে মুক্ত ছড়ানো না আমার প্রচেষ্টা এখনও ঘাস-লতা-পাতাহীন দুষর মরুভূমিতে পানি ছিটানোর মত হয়ে গেছে। এই সভ্যতা সাক্ষী, যে প্রযুক্তির বোতাম দিয়ে এইসব টিপছেন সেই সভ্যতা জানে কীভাবে ব্রোঞ্জ এজ (খ্রিঃ পূর্ব ৩০০০ থেকে ১৩০০ বছর আগে ইন্দোস ভেলিতে হিন্ধু ধর্মের গুরাপত্তন) থেকে মানব সভ্যতাকে বিশ্বাসগত আদর্শ গুলো কি দিয়েছে? আজ পর্যন্ত মানব সভ্যতার কল্যানমুলক কোন আবিষ্কার বা মৌলিক চিন্তা তারা মনুষ্যজাতিকে উপহার দেয় নাই… হিংসা, বিদ্বেষ, রাহাজানি আর নারীভোগের পাঁয়তারা ছাড়া…

      আমরা বা আমি পরের কথা বলি? কে নতুন কথা বলছে জনাব? একটু দেখে নিয়েন প্লেটোর দর্শন কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার করে। আবারও বলছি আমার জন্মের পর আমি যে চাকাটি ঘূর্ণনরত দেখেছি সেই ভাবনাটাও হাজার বছরের পুরাতন আর ধার করা।।

  12. আপনি খুব সুন্দর ভাবে বুঝে
    আপনি খুব সুন্দর ভাবে বুঝে নিয়েছেন এই ক্ষমতাটা আপনার অতি চমৎকার।কিন্তু প্রশ্ন হল সব কিছু বুঝে ও না বোঝার ভান করেন।কেননা এত আপনার কিছু সুবিধা পাওয়া হয়।যদি ভান না করেন তবে সুবিধাটা পাবেন না।কারা নারী ভোক্তা সে বিষয় আপনি খুব ভাল করেই জানেন।তবে আপনাদের ভোগের স্টাইলে একটু ভেরাইটি আছে আজ এটা কাল ওটা।এক কথায় বহুগামী যাদের বলা হয় তারা আপনারা বা আপনাদের ভিতর থেকেই আসে।এক সময় আপনাদের মতো অনেকে আমাদের মাঝে ছিল,কিন্তু এটা শরীর ও মন এবং মানবীয় গুন ভালবাসার জন্য ক্ষতিকর কিন্তু আপনাদের এই মানবীয় সৌখিন প্রবৃত্তি হতে নৃবিত্ত করতে আমাদের দৈব বানী চার এর মাঝে বেঁধে দিল।কিন্তু এমন আপনাদের পোসাবে না।তাই নাস্তিকতার নাম করে আপনারা শুরু করেছেন ইনসেস্ট হতে শুরু করে,সমকামীতা যার সমাপ্তি হতে পারতো মাস্টারবেশানে।কিন্তু এর শেষ হয়ত এভাবে হবে না,হয়ত ধ্বংস হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আপনাদের খাই মিটবে না।একটা সমাজ ব্যবস্থাকে নষ্ট করার জন্য আপনাদের সৃষ্ট এসব জৈবিক চাহিদাই যথেস্ট।একটা পারসনাল প্রশ্ন করি যখন মাস্টারবেট করতে মন চায় বা করেন তখন কোন বিষয়টা কল্পনা করেন,কাকে কল্পনা করেন।আল্লামা শফীর তেঁতুল তত্ত্ব এখানে ধরা খেয়ে গেল।মজার কথা হল যখন নারী,পুরুষ সমান অধিকার বলে রাস্তায় চিল্যাইয়্যা গলা ফাটানো হয় তখন আপনার সমমনা নারীরা পাশে থাকে তাদের স্পর্শ কিংবা ঘামের গন্ধ দেহের প্রকাশিত রুপ আপনার কাছে কাম আনে না কারন আপনার বিকশিত বিবেক।অথচ আপনি মাস্টারবেট করেন তবে কি পর্ন দেখেন এখানে কি আপনার ভোগবাদ প্রকাশিত হয় না।বাদ দিন কথায় কথা বাড়ে।কেন যে বুঝে ও না বোঝার ভান করেন।আমাদের দেশের সবাই জানে বুঝে দরবেশ বাবার কারনে শত শত যুবক আত্মহত্যা

  13. করেছে তেত্রিশ লাখ পরিবার
    করেছে তেত্রিশ লাখ পরিবার নিঃস্ব হয়েছে।অথচ গ্রেফতার হলো কে।কারন গাওয়ালের ছেলে রনির ক্ষমতা নেই দরবেশের মত টেন পার্সেন্ট *য়কে কিংবা পার্টিকে উচ্চ মানের ডোনেশন দেওয়ার সবাই সব জানে ও বুঝে।বাদ দিন ও ভাই তোমরা আমার ভাই বন্ধু এই দেশে নিঃশ্বাস নিয়ে আমি যতটা গর্বিত তুমি তার কম নও।হয়ত তুমি গানম্যান সহ তিনস্তরের নিরাপত্তা ডোনেশন আর বিরিয়ানীর প্যাকেটের মাঝে আর আমি বুলেটের অগ্রভাগে,ফুঁটপাথে খেয়ে না খেয়ে।ভাইসাব এখ্খান আমরা কি পারিনা সব বিভেদ ভুলে একসাথে থাকতে অবশ্যই এতে আপনাকে হয়ত বিরিয়ানীর প্যাক দিতে পারবো না।বাকি সব কল্পনা মাত্র।তবে দিতে পারবো শত শ্রমিকের রক্ত,ঘামে অর্জিত আধা বাটি ডাল,একটুকরো শুটকী খানিকটা ভাত।

    1. বার বার সিরাজ শিকদার আর
      বার বার সিরাজ শিকদার আর রনি-দরবেশ বিভিন্ন কন্ট্রভারসি দিয়ে মূল আলোচনা থেকে ফাঁক গলে বের হতে গিয়ে আমার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে দিয়েছেন! ভাল… খুব ভাল…
      আচ্ছা জনাব ‘মুতা’ বিয়ে টা কি একটু পাঠককে বুঝিয়ে বলবেন…
      কতজন যে আপনার জন্যে জায়েজ করা আছে আপনেই জানেন!
      নিজেকে দৈব বানী দাবী করে আবার চোরাগলি দিয়ে সংশোধন করার কথা বললেন কেন, নিজেকে বুঝ দিতে পেরেছেন?
      কোন প্রশ্নেরই সমাধান বা সদুত্তর দেন নাই… উল্টা প্রশ্ন ছুড়েছেন, এইজন্যেই বলেছিলাম এই মানব সভ্যতার অগ্রগতিতেও কস্মিনকালে কোন কল্যাণকর কোন অবদান রাখে নি এইসব বিশ্বাস… আর রাখবেও না! খামোখা নিজের দোষ ঢাকার জন্যে অপরের দোষের দিকে আঙ্গুল তাক করবে… থাকেন নিজের তেঁতুলতত্ত্ব নিয়ে! সুস্থ থাকুন…
      আর হ্যাঁ বলছি বিশ্বের একজন নামকরা ধর্মহীন দেখান যে দুই অঙ্কের নারীর সংসার করেছে। আমি বিশ্বাসীদের এমন লিস্ট দিয়ে শেষ করতে পারব না। কারণ জ্যা পল সারত্রে, সিমন দ্যা ভেবয়ার এর সাথে প্রায় সত্তর বছর সংসার করেন নিজের মত করে আর তাঁকেই অস্তিত্ববাদী দর্শনের অন্যতম জনক ধরা হয়। গুরু যদি হয় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী স্বেচ্ছাচারী সামরিক শাসক তবে এমন উত্তরে আর কিছুই বলার নাই…

      পরের ধনে পুদ্দারি না করে পারলে দেখান এই সভ্যতায় বিশ্বাসীদের বা ধর্মগুলোর কি অবদান… কোন দার্শনিক বা বৈজ্ঞানিকই কোন ধর্মের যাজক হয়ে মানব কল্যাণে গবেষণা করেন নি।। করেছেন নিজের নৈতিক আর বিবেকবোধের কারণে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *