অ এবং আ

আমি অ এবং আ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে একটি বই লিখে ফেললাম। সারা বইতে অজস্র অ এবং আ। তৃপ্তির মত ঢেকুর তুললাম, যাক, যা কিছু বলার ছিলো সব ঐ অ এবং আ এর মধ্যে বলে ফেলেছি। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ার মতো চলে এলো আমার প্রতিবেশীরা এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আমার পূর্বপরিচিত। আমাকে নিয়ে তিনি অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর কবিতা পড়ে আমার প্রাক্তন প্রেমিকারা আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে গেছে। তিনি এসেই চোটপাট লাগিয়ে দিলেন, বললেন, “একি? একি করলি তুই? এতোগুলো অ এবং আ এর অপচয় করলি? এতো দুঃসাহস তোর?”

আমি প্রতিবাদ জানালাম না। মৃদু হাস্যে জানালাম, সব কিছু ঐ অ এবং আ এর মধ্যে বলা আছে।


আমি অ এবং আ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে একটি বই লিখে ফেললাম। সারা বইতে অজস্র অ এবং আ। তৃপ্তির মত ঢেকুর তুললাম, যাক, যা কিছু বলার ছিলো সব ঐ অ এবং আ এর মধ্যে বলে ফেলেছি। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ার মতো চলে এলো আমার প্রতিবেশীরা এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আমার পূর্বপরিচিত। আমাকে নিয়ে তিনি অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর কবিতা পড়ে আমার প্রাক্তন প্রেমিকারা আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে গেছে। তিনি এসেই চোটপাট লাগিয়ে দিলেন, বললেন, “একি? একি করলি তুই? এতোগুলো অ এবং আ এর অপচয় করলি? এতো দুঃসাহস তোর?”

আমি প্রতিবাদ জানালাম না। মৃদু হাস্যে জানালাম, সব কিছু ঐ অ এবং আ এর মধ্যে বলা আছে।

তিনি আমার মাথায় হাত রাখলেন, বললেন, “সারা জীবন শুধু ঐ একটা অ কে অ এর মতো শুদ্ধ করে বলার জন্য মরে মরে এতোগুলো পৃষ্ঠা ভরালাম, তবু ঐ অ কে অ বলতে পারলাম না আমি। আর তুই?” তখনি আমি শুনলাম কিছু একটা পতনের শব্দ। ছুটে এসে তাকালাম বাইরে, দেখলাম, হুমায়ুন আহমেদ আকাশ থেকে পড়লেন…

১৪ thoughts on “অ এবং আ

  1. বাহ.. ভালো তো, পদ্যের ছন্দে
    বাহ.. ভালো তো, পদ্যের ছন্দে পোষ্ট মডার্ন গদ্য পেলাম। ভালো না?

    আমার কিন্তু বেশ ভালোই লাগলো পড়তে। বেশ মুচমুচে, কড়মড়ে একটা স্বাদ। তবে দৈর্ঘ্যের ব্যাপারে আক্ষেপ থেকেই গেল.. যদি আরেকটু লম্বা হতো..
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. শওকত ভাই, আমার মনের ভাব
      শওকত ভাই, আমার মনের ভাব প্রকাশের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ছিলো ততটুকুই আমি নিয়েছি…দুটো চরিত্র দরকার ছিলো, এনেছি। যদি আরও কিছু বলতে চাই, লিখবো, তারপর এডিটে বসে দেখা যাবে, কি হয়…

  2. লেখাটা অসমাপ্ত মনে হল!
    লেখাটা অসমাপ্ত মনে হল! তন্দ্রা ভেঙ্গে গেল নাকি ভাই?
    আমার গুম আসছে,
    ——
    ছুটে এসে তাকালাম বাইরে, দেখলাম, হুমায়ুন
    আহমেদ আকাশ থেকে পড়লেন…
    – আপ্নি কোথায় ছিলেন স্যার?
    – নন্দিত নরকে
    – কিভাবে থাকলেন নরকে? আপ্নি পারলেন?
    – কেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলাম শরির টা ব্যাথা করছে, কিছুক্ষণ চাপাচাপির পর ক্ষত জাইগায় স্পর্শ লাগতেই মা.. বলে গুঙ্গিয়ে উঠলাম! অমনি কোথা থেকে যেন মাদার তেরেসা ছুটে এলেন!
    মা আপ্নি এখানে?
    মাদার তেরেসা- কেন! স্বর্গের বেশ্যালয়ে বুজি আমাকে আশা করেছিলি?
    হুমায়ন- পৃথিবীতে থাকতে তো লোকে ওটাকেই স্বর্গ বলত! আর তুমি যেহুতু জনতার সেবা করতে তাই ভেবেছিলাম জনতার স্বর্গেই তোমার নিবাস হবে!.
    মা তৎক্ষণাৎ কিছু না বলে “আসছি.” বলে চলে গেল। বুজলাম মা অভিমান করেছে কিন্তু নরকেই যেহুতু আছে আবার তো দেখা হবেই। সামনে না আসতে চাইলে ভাণ করে ব্যাথায় গুঙ্গিয়ে উঠব অমনি মা বোকার মত চলে আসবে। আসলে মা গুলু বোধহয় চিরকাল ই চির বোকা হয়ে থাকল! কিংবা বোধহয় ভালোবাসাটাই একটা বোকামী। কোন মানে হয় ব্যক্তিত্য হারিয়ে নিজেকে ছোট করার। নিজের ভাল লাগা মন্দ লাগা কে নির্ভরশীল করার….
    কিরে স্কুলে যাবি না? -জসিম উদ্দিন ( পল্লীকবি) জিজ্ঞাস করল।
    – ওই স্কুল না বলে পাঠশালা বল, তোরা পাড়াগাঁয়ের মুক্ষ লোক, পাঠশালা বলবি আর মধুসূদন বলবে ইস্কুল আমরা বলব বিদ্যালয়। তা মধুস্বরা মাইকেল টা কই রে?
    – ইংরেজ ছ্যানাল টার সাথে শুয়ে আছে? ডিস্কো ব্যলে ডান্স করে বাংলার ঐতিহ্য রসাতলে নিল। নরকটা কে একদম স্বর্গ বানিয়ে ফেলল! !!
    – সালা কমিনা, ইংরেজদের তাবেদারি করা সম্পত্তি পাইয়্যা এখন নিজেরে ইংরেজ ভাবে। আমাদের থাইক্যা উঁচু ভাবে।

    – আচ্ছা স্যার, মধুসূদন জসীম উদ্দিন উনারা তো আপ্নের বড়। তূচ্ছার্থ জ্ঞাপক সম্পর্ক কিভাবে স্থাপন করলেন! বা এত আপনঈ হইলেন কি করে?
    – নরকে সবাই বন্ধু। আর কোন সম্পর্কের বালায় নাই। শুধুমাত্র যারা অভিভাবক ছিল তাদের কে আব্বা আম্মা, মা বলে ডাকতাম। চারিদিকে ছিল শুধু শানতি আর শানতি, বুদ্বদেব এর কথায় সেই আনন্দম,আনন্দম ,আনন্দম…………
    —— —- ——
    তন্দ্রা ভেঙ্গে গেল!!

    1. সুনীল আমার আপনার মানুষ, তাকেই
      সুনীল আমার আপনার মানুষ, তাকেই পাত্তা দেইনি, আবার হুমায়ূন আহমেদ! সে আমার পর হয়ে গেছে অনেক দিন…

  3. না বুঝলেও পড়তে ভাল লেগেছে।ভাল
    না বুঝলেও পড়তে ভাল লেগেছে।ভাল লাগাটা হয়তো বুঝার আকাঙ্খা থেকেও হতে পারে!:->

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *