সত্যি সেলুকাস এই দেশ

আমার বাড়ির পাশেই একজন মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি।মাঝে মাঝেই উনার কাছে ছুটে যাই।উনি আমাকে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর কথা বলেন।উনারা কি করে বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন,কিভাবে একটা মেয়েকে একটা পাকি জানোয়ারের দ্বারা ধর্ষণ হবার আগ মুহূর্তে বাঁচালেন সহ নানা কথাই আমাকে বলেন।তার মধ্যে একটা কথা ছিল যে উনারা যুদ্ধের সময় মাঝে মাঝে একটা রুটি আর হালকা তরকারিকে ২/৩ জন মিলে ভাগ করে খেতেন।উনার এই কথাটা আজ বড্ড মনে পড়ছে।মুক্তিযোদ্ধারা দিনের পর দিন অনাহারে,অর্ধাহারে থেকেও যুদ্ধ করে গেছেন।দেশকে স্বাধীন করেছেন।কিন্তু আজ ও অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে অনাহারে,অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়।আর একটা রাজাকার খানকির পোলা যার কিনা ফাঁসির দড়িতে ঝুলার কথা ছিল কিন্তু সেই খানকির পোলা এখন আমাদের সোনার বাংলায় হাসপাতালের বেডে শুয়ে কোরমা পুলাও খায়।সত্যি সেলুকাস।এই তো আমার সোনার বাংলা।এখানে রাজাকারেরা বুক ফুলিয়ে হেঁটে বেড়াবে আর মুক্তিযোদ্ধারা মাথা হেঁট করে একটা জীর্ণ কুঠিরে নিরবে চোখের জল ফেলবেন।সত্যি সেলুকাস এই দেশ।লেখাটা আরও বড় করতে পারতাম কিন্তু ভেজা চোখের ঝাপসা দৃষ্টির কারনে পারলাম না।

৫ thoughts on “সত্যি সেলুকাস এই দেশ

  1. মুক্তিযোদ্ধাদের খবর নাই
    মুক্তিযোদ্ধাদের খবর নাই কিন্তু রাজাকারদের বাচানোর জন্য গোস্ঠি তৈরি হয়ে গেছে,,,,তাদের রাজনিতি করতে না দিলে রাজাকারদের অনুসারি তৈরি হতো না

  2. যুদ্ধপরাধী রাজাকার’রা খড় –
    যুদ্ধপরাধী রাজাকার’রা খড় – কুটোর মতো ভেসে যাবে । আর ইতিহাসের সোনালি অক্ষর হয়ে বাংলার আকাশে নক্ষত্রপুঞ্জের মতো জ্বলবে দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *