চুপি চুপি

২৩-৪-২০১৩
সময়ঃ সন্ধ্যা ৭.১০

-রিয়া দেখো আজ কি কি এনেছি।
-আহা এত চেঁচাচ্ছো কেন?কি হলো?কি এনেছো?
-আসো আমার কাছে।বসো তো।
-হুম বলো কি হয়েছে?
-চোখ বন্ধ করো।
-ইশ!কি শুরু করলা!
-আহা বন্ধ করো না প্লীজ।



২৩-৪-২০১৩
সময়ঃ সন্ধ্যা ৭.১০

-রিয়া দেখো আজ কি কি এনেছি।
-আহা এত চেঁচাচ্ছো কেন?কি হলো?কি এনেছো?
-আসো আমার কাছে।বসো তো।
-হুম বলো কি হয়েছে?
-চোখ বন্ধ করো।
-ইশ!কি শুরু করলা!
-আহা বন্ধ করো না প্লীজ।
-আচ্ছা করলাম।
-তোমার সুন্দর হাত দুটো দাও।
-হুম।এই নাও।
-হ্যাপি বার্থডে টু ইউ।এবার চোখ খুলে দেখো তো।(হাতে চুড়ি পরিয়ে দিয়ে)
-ওমা!এগুলা কি!এই চুড়িগুলো স্বর্ণের??
-হুম।আমার সোনা বৌয়ের জন্য নিয়ে এলাম
-আমিতো ভেবেছিলাম আমার জন্মদিনের কথা তোমার মনেই নেই।তা এত টাকা ফালানোর কি দরকার ছিল?এম্নিতেই আমাদের আর্থিক অবস্থা এখন ভালনা।
-তাই বলে কি শখ পূরণ করবনা?বিয়ের আগে কত স্বপ্ন ছিল ভুলে গেছো?আমাদের বিয়ের ৮ মাস হয়ে গেল।তোমাকে তেমন কিছুই দিতে পারিনি আজো।এর ই মধ্যে আমার ব্যবসা লাটে উঠে গেল।পথে নেমে গেলাম।এখন ৮ হাজারের বেতনে নিম্ন পদে চাকরি করি।বেতনের কিছু টাকা আর জমানো কিছু টাকাতে কিনে নিলাম।তোমার এত সুন্দর দুহাত কি সোনা ছাড়া মানায়?সারপ্রাইজ দিব বলেই সকালে উইশ করিনি।বুঝলি পাগলি?
-হয়েছে,হয়েছে।সব বুঝা হয়েছে।বাজার এনেছো?রাঁধতে হবে এখন।
-এনেছি মানে?আজ বাজার করেছি ইচ্ছেমত।অনেকদিন আমার বৌয়ের হাতে মজার মজার খাবার পেট ভরে খাইনা।তোমার হাতে আসলেই জাদু আছে।
-এহ!হয়েছে।আর পাম্প পট্টি মারতে হবেনা।আসলে আমিও খুব ব্যস্ত থাকি সারাদিন।তাই রাতের বেলা তোমাকে মজার মজার খাবার খাওয়ানোর এনার্জী পাইনা।
-আমি জানি পাগলি।মাঝে মাঝে নিজের উপর রাগ লাগে।তোমাকে বিয়ে করেছি তোমার দায়িত্ব আমি নিব বলে আর এখন তোমার ই উল্টো আমাকে করতে হচ্ছে।নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়।
-আহা।থামো তো।আমি যদি তোমাকে সাহায্য না করি তবে কে করবে।সংসার শুধু তোমার একার না।আমার ও সংসার এটা।আমি হাসিমুখে মরতেও রাজি এই সুন্দর সংসারের জন্য।
-কি বললা?মরলে আমার সংসার সামলাবে কে?হ্যাঁ?
-আমি।আমি আসব পেত্নী হয়ে সংসার সামলাতে।হি!হি!হি!
-এমন ফালতু কথা আর যেন না শুনি।তুমি আর কটা দিন কষ্ট কর।আমি চেষ্টা করছি ভাল বেতনের একটা চাকরি পেতে।পেয়ে গেলেই তোমাকে আর বাইরে কাজ করতে হবেনা।আর কটা দিন ধৈর্য্য ধর।দেখো তুমি সামনের মাসের মধ্যেই একটা ব্যবস্থা করে ফেলবো।আজ তোমাকে খুব ক্লান্ত লাগছে।আজ হালকা কিছু রেঁধে ফেলো।বাজারটা তুলে রাখো।কাল ছুটি আছে।কাল দুজন একসাথে সময় কাটাবো আর মজার মজার খাবার খাবো।

-আচ্ছা ঠিক আছে।যাও তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও।

রাত ৯ টা|

-কি ব্যাপার বলতো।তোমার মুখটা এমন শুকনা শুকনা লাগছে কেন?
-মন,মেজাজ দুটোই খারাপ হয়ে গেছে।
-মানে?কি হয়েছে?
-মামুন আমি কাল বাসায় থাকছিনা।
-কেন?কাল তো হরতাল।হরতালের দিনে তুমি কই যাবে?
-শায়লার ফোন এসেছিলো।আমাদের কাল গার্মেন্টে যেতে বলা হয়েছে।না গেলে চাকরি আর থাকবেনা।
-এসব কি?লাগবেনা যাওয়া।ছেড়ে দাও চাকরি।দরকার হলে দুবেলা পানি খেয়ে থাকব।
-না।আমাকে যেতে হবে।তুমি একটা ব্যাবস্থা করো,তারপর আমি এম্নিতেই এই চাকরি ছেড়ে দিব……..।

রিয়া ও মামুন দুজন দুজনকে ভালবেসে বিয়ে করে।বিয়ের মাস দুয়েকের মধ্যেই মামুনের বইয়ের দোকানে আগুন লেগে যায়।তারপর অভাব দরজায় কড়া নাড়ে।মামুন ছোট একটি জব পেয়ে যায়।বেতন খুব ই সীমিত।তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও রিয়া সাভারের একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে ফিনিশিং এর কাজ করে।দুজনের উপার্জনে সংসার মোটামুটি ভালই চলছে।দুজন কপোত-কপোতী দুজনাকে ভীষণ ভালবাসে।ভালবাসা,বিশ্বাস,ভরসা,সমঝোতা,সুখ-দুঃখের নিদারুন ভাগাভাগি করে নেওয়া এদের মধ্যে বিরাজমান।তারা দুজন প্রায় ই মিষ্টি ঝগড়া করে।আবার তখন ই ভালবাসায় রাঙিয়ে নেয় একে অপরকে।তাদের মধুর সম্পর্কের কাছে সব বিপদ হার মেনে যায়।সব মিলিয়ে সুখী দাম্পত্য জীবন তাদের……..।

২৪-৪-২০১৩
সময়ঃ সকাল ৮ টা।

এই শুনছো?আমি নাস্তা বানিয়ে টেবিলে রেখে দিয়েছি।তুমি তো আজ দেরীতে বিছানা থেকে উঠবে।নাস্তা ঠান্ডা হয়ে গেলে কষ্ট করে গরম করে নিও।আমি গেলাম।
-এই প্লীজ আজ যেওনা।মনটা ছটফট করছে।একা একা সারাদিন বোর হব।কত ইচ্ছে ছিল আজ আমার বৌয়ের জাদুর হাতে তৈরি সুস্বাদু খাবার খাবো।যেওনা সাথী ও ও ও. . . . . .
-ইশ!ঢং দেখে আর পারছিনা থাকতে।আজ যদি না যাই আমার চাকরী পানিতে ডুববে।এই গেলাম,দেরী হয়ে যাচ্ছে।
-ধুর!পাগলিটা আমার কথাই শুনেনা,যাও যাও।যাবেইতো!তা না হলে তোমাকে সারাদিন মিস করব কিভাবে আমি… !!
-হুম।তা-ই গেলাম……….।

মামুনকে রেখে আজ রিয়ার ও কাজে যেতে ইচ্ছে করছে না।কিন্তু কি করবে?বদ মালিক তো আর এসব বুঝবেনা।তারা বুঝে শুধু কাজ আর কাজের নাম করে নির্যাতন করা।রিয়া গার্মেন্টের ৪ তলায় ফিনিশিংয়ের কাজ করে।মন খারাপ নিয়েই রিয়া কাজে মনযোগী হওয়ার চেষ্টা করছে……।

সকাল ৯.১৮

চারপাশে হেলে দুলে উঠছে,মাথা ঘুরছে এমন লাগছে।আশেপাশে চিৎকার আর ছুটে পালানোর আওয়াজ কানে বাজছে।কিছু বুঝে ওঠার আগেই দমকা হাওয়ার মত ঝাঁকুনি খেয়ে রিয়া যেন শূণ্যে ভেসে যেতে লাগল……..।

দুপুর ১২.৩|

রিয়া আস্তে আস্তে চোখ মেলে তাকালো।চারপাশে অন্ধকার।মৃদু আলোতে অন্ধকার কে আরো বিশ্রী লাগছে।রিয়ার সবকিছু বুঝতে একটু সময় লেগেছে।যখন তার মনে পড়ল সবকিছু তখন সে বুঝতে পারল ভবন ধসে চাপা পড়ে আছে সে।ভবন ধসার সাথে সাথেই মাথায় আঘাত লাগাতে রিয়া জ্ঞান হারিয়েছিল।জ্ঞান ফেরার পর তার খুব ভয় করছে।দূর থেকে শুনতে পাচ্ছে মানুষের বাঁচার মিনতি।কান্নার তীব্র আওয়াজ।রিয়ার আশেপাশে কয়েকটা লাশ পড়ে আছে।এদের স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে না।কিন্তু একটু একটু বোঝা যাচ্ছে কারো মাথা থেঁতলে গেছে,কারো পেটের ভিতর দিয়ে লোহার রড ঢুকে গেছে।কারো মাথা নিচু হয়ে পা উপরদিকে হয়ে আছে।কি ভয়ংকর সেই দৃশ্য!!
রিয়া কে আছে সেখানে জানতে চাইলে কোন উত্তরআসেনা।সে ছাড়া সেখানে কেউ বেঁচে নেই,থাকলে তার ডাকে সাড়া দিত।রিয়ার ডান হাতে খুব ব্যথা অনুভূত হতে থাকে হঠাৎ করে।রিয়া তার হাততোলার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছেনা।সমস্ত হাত ব্যথায় টনটন করছে তার।রিয়ার ডান হাতের উপর বিল্ডিংয়ের সেলিংয়ের অনেক বড় একটা ভারি খন্ড পড়ে আছে।বা হাত কোনরকমে বের করে নিল সে।রিয়া তার শরীর নাড়াতে পারছিল না।কারণ পা থেকে তার পিঠ পর্যন্ত লম্বালম্বিভাবে মস্ত বড় এক পিলারের নিচে সে চাপা পড়ে গেছে।প্রচন্ড যন্ত্রণায় সে কাতরাতে থাকে।তার পুরো শরীর থেকে গরম ধোঁয়া বেরুতে থাকে ব্যথার যন্ত্রণায়।সে চিৎকার করে ডাকতে লাগল তাকে সাহায্য করতে কেউ যেন এগিয়ে আসে।আল্লাহকে ডাকতে লাগল।দোয়া,দরুদ পড়তে লাগল।তার প্রিয়তম স্বামী মামুনকে ডাকতে ডাকতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়ল।

বিকেল ৫ টা|

নাহ!এভাবে আর থাকা যায় না।দম বন্ধ হয়ে আসছে রিয়ার।পানির পিপাসায় গলা খুব রুক্ষ হয়ে গেছে,গলা দিয়ে যেন রক্ত ঝরবে এমন অবস্থা তার।তার দেহ ঘাম এবং তাজা রক্তে ভিজে গেছে।মুখ থেকে ঘাম গড়িয়ে মাটিতে পড়ছে।পানির অভাবে রিয়া সেই গড়িয়ে পড়া একটু একটু ঘাম খেয়েই তৃষ্ঞা মেটানোর চেষ্টা করছে….।রিয়ার যতই কষ্ট হোক না কেন এখান থেকে তাকে বের হতেই হবে।এই ভেবে সে আগে তার চাপা পড়ে থাকা ডান হাত উদ্ধারের চেষ্টা করতে লাগল।ব্যথার যন্ত্রনা ক্ষীণ হয়ে যেতে লাগল বেঁচে থাকার যুদ্ধের কাছে।অবশেষে ডান হাত বের করল সে।হাত বের করার পর ঝাপসা আলোতে সে যা দেখলো তা খুব ই মর্মান্তিক।তার ডান হাত কব্জি পর্যন্ত পুরো থেঁতলে গেছে।৩টা আঙুল ছিঁড়ে গেছে।স্বর্ণের চুড়িটা বেঁকে গেছে।সোনালী চুড়ি লাল রক্তে রক্তিম হয়ে আছে।রিয়া এই দৃশ্য দেখার পর হাঁউমাঁউ করে কাঁদতে চেষ্টা করল।কিন্তু রুক্ষ গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না।রিয়া ভাবতে লাগল তার যেই হাত মামুনের কাছে এত প্রিয় সেই হাতের একি বীভৎস দৃশ্য।এই হাত দিয়ে তো আর রেঁধে খাওয়াতে পারবেনা মামুনকে,আর ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিতে পারবেনা,ওর আঙুলের ফাঁকে রিয়ার আঙুল ঢুকিয়ে আর খেলা করতে পারবেনা…।

রিয়ার মাঝে এখনো বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছা।রিয়া জানে সে বেঁচে যাবে,কেউ না কেউ তাকে ঠিক ই বাঁচাতে আসবে।

রাত ১১ টা|

ঘুটঘুটে অন্ধকার।সেখানে নরকীয়
অবস্থা রিয়ার।অবশেষে সেই সময় এলো।কয়েকজন লোক ডাকতে শুরু করল।তারা বলতে লাগল কেউ বেঁচে থাকলে আওয়াজ দেন,আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।এত কষ্টের মাঝেও রিয়ার ঠোঁটের কোণে আনন্দের হাসি লেগে আছে।এখন সে তার মামুনের কাছে ফিরে যাবে।উদ্ধারকারীদের আওয়াজ খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।কিন্তু সেকি!!রিয়ার গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বের হচ্ছেনা।নিথর দেহ পড়ে আছে।শরীরে এক বিন্দু শক্তি নেই।মুখ খুলে আওয়াজ করার চেষ্টা করছে রিয়া।নাহ!কোনো আওয়াজ আসছেনা!
ঐদিকে লোকগুলো ডাকতে ডাকতে দূরে মিলিয়ে গেলো তাদের আওয়াজ।
উদ্ধারকর্মীরা কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে চলে গেছে সেখান থেকে।তাহলে কি রিয়ার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মিথ্যে হয়ে গেছে? চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।রিয়াকে তাকাতে হবে।সে জোর করে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।রিয়ার কানে আর কোনো আওয়াজ আসছেনা।রিয়া বাম হাতে গালে চড় মারার চেষ্টা করছে যাতে তার চোখ বন্ধ হয়ে না যায়।কিন্তু মৃত্যুর সাথে লড়তে লড়তে সে ক্লান্ততার খুব ঘুম পেয়েছে।আর পারছেনা তাকিয়ে থাকতে।সে নিজের সাথে অনেক্ষণ লড়াই করে চুপ হয়ে যায়।তার মনে কোনো ভাবনাও আসছেনা।সে চুপি চুপি চির নিদ্রায় হারিয়ে যায়…………

মামুনকে নিয়ে তার কোনো চিন্তা নেই।ভাবনা নেই তার সংসার নিয়ে।সব পিছুটান ফেলে রিয়া গেছে অচীনপুরে।নিথর দেহ পড়ে আছে সেই স্তুপের নিচে।এখান থেকে কবে তার মরদেহ উদ্ধার করা হবে কেউ জানেনা।মামুন তাকে শেষবারের মত দেখতে পাবে কিনা মামুন ও তা জানেনা।
শেষ পর্যন্ত পঁচে গলে রিয়ার মরদেহ
বিকৃত হয়ে গেলে মামুন তাকে চিনবে কিনা তা কেউ জানেনা।মৃত্যুর কাছে তাদের ভালবাসা চুপি চুপি হেরে গেছে।রিয়া চুপি চুপি বিদায় নিয়েছে এই পৃথিবী থেকে,মামুনের কাছ থেকে…………….।

১১ thoughts on “চুপি চুপি

  1. মন খারাপ করা গল্প। বাস্তব
    মন খারাপ করা গল্প। বাস্তব যদিও এরচেয়ে ভয়াবহ। সাভার ট্র্যাজেডির দুর্ভাগাদের কথা আমরা ভুলে গেছি। :মনখারাপ:

  2. প্রথমদিকে ঠোটের কোনায় একচিলতে
    প্রথমদিকে ঠোটের কোনায় একচিলতে হাসি থাকলেও শেষের দিকে আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল… ভিষন কষ্ট পেলাম।

    আল্লাহ, তুমি সব রিয়াদের ভাল রেখো ।

  3. হুম।টিভি চ্যানেলে যতক্ষণ এক
    হুম।টিভি চ্যানেলে যতক্ষণ এক খবর চলে,ততক্ষণই মানুষ মনে রাখে।তারপর আবার ভুলে যায় সব।

  4. আমরা কষ্ট পাই যতদিন মিডিয়ায়
    আমরা কষ্ট পাই যতদিন মিডিয়ায় খবর পাই। খবর পাওয়া শেষ আমাদের কষ্ট পাওয়াও শেষ।

  5. আসলে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন
    আসলে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন ইস্যু পাই সেটা নিয়েই লাফাই .। হয়তো এজন্যই আমরা বিস্বের অন্যতম সুখী রাষ্ট্রের একটি
    একবারে ভুলি নি এগুলো বললে মিথ্যা বলা হবে!

    তবে কিছুটা আড়ালে চলে গিয়েছিল .।

    আর লিখাটা অনবদ্য অনেক ভাল লিখেছেন

    1. নতুন কিছুর আড়ালে একদিন পুরোনো
      নতুন কিছুর আড়ালে একদিন পুরোনো খবর তলিয়ে যেতে থাকে।এটাই স্বাভাবিক। জয় ধন্যবাদ।

  6. আমরা বোধহয় গোল্ডফিশ
    আমরা বোধহয় গোল্ডফিশ মেমরীওয়ালা জাতি! সবকিছুই দ্রুত ইস্যু আর সময়ের পরিক্রমায় ভুলে যাই আর অতীত থেকে তো কখনোই শিক্ষা নেইনা.| যেমন প্রতি পাঁচ বছর পর পর একই ভুল করে থাকি আমরা!
    এইসব ট্রাজেডীতে যতক্ষণ না ধবংসস্তূপ পরিষ্কার হয় চোখের পানি হাহাকারও থামেনা,রিয়াদের নিয়ে মাতামাতিও চলতে থাকে.|
    ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার,চোখের পানিও উধাও!
    আর চুপি রিয়ারাও সবার স্মৃতি থেকে মুছে যায় একটু,একটু করে.| চুপি চুপি.|

    আর গল্প ভালো লেগেছে :ফেরেশতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *