নির্লিপ্ত ধূসর মেঘের অন্তরালে

প্রিয় অবন্তী,
ভালো আছো তো? আমি ভালো নেই। আসলে প্রথমে কিছুদিন ভালো থাকার চেষ্টা করিনি ইচ্ছে করেই। প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল তোমার ওপর, আর নিজের ওপর ও। জানোই তো, আমি কোন কারনে কষ্ট পেলে উল্টো নিজেকেই আরও বেশি করে কষ্ট দেই জেদ ধরে। তাই করছিলাম। অবশেষে কিছুদিন হল সামলে নিয়েছি নিজেকে।বেশ ভালই ছিলাম বলা চলে। আজ ভোরবেলার আগ পর্যন্ত। আসলে তোমাকে নিয়ে বিশাল বিশাল দুটো সপ্ন দেখলাম আজ ভোরে। তোমার সৃতি গুলো বেশ ভালো ভাবেই নাড়া দিচ্ছে এর পর থেকেই। তাই চেষ্টা করেও ভালো থাকতে পারছি না। এখন দুপুর। আশা করছি দিন শেষ হতে হতে সৃতি গুলো এক পাশে সরিয়ে নিতে পারবো। সাধারনত যেভাবে রাখা হয় তোমার সৃতি গুলো।



প্রিয় অবন্তী,
ভালো আছো তো? আমি ভালো নেই। আসলে প্রথমে কিছুদিন ভালো থাকার চেষ্টা করিনি ইচ্ছে করেই। প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল তোমার ওপর, আর নিজের ওপর ও। জানোই তো, আমি কোন কারনে কষ্ট পেলে উল্টো নিজেকেই আরও বেশি করে কষ্ট দেই জেদ ধরে। তাই করছিলাম। অবশেষে কিছুদিন হল সামলে নিয়েছি নিজেকে।বেশ ভালই ছিলাম বলা চলে। আজ ভোরবেলার আগ পর্যন্ত। আসলে তোমাকে নিয়ে বিশাল বিশাল দুটো সপ্ন দেখলাম আজ ভোরে। তোমার সৃতি গুলো বেশ ভালো ভাবেই নাড়া দিচ্ছে এর পর থেকেই। তাই চেষ্টা করেও ভালো থাকতে পারছি না। এখন দুপুর। আশা করছি দিন শেষ হতে হতে সৃতি গুলো এক পাশে সরিয়ে নিতে পারবো। সাধারনত যেভাবে রাখা হয় তোমার সৃতি গুলো। ভোলা তো সম্ভব নয়, এক পাশে সরিয়ে রাখি যাতে করে খুব বেশি নাড়া দিতে না পারে।যাই হোক, অনেক তো আমার কথা বললাম। তোমার কথা বল এখন। ভালই তো আছো,না? আশা করি ভালো আছ,ভাল থাকবে। আসলে, হয়েছে কি, সপ্ন গুলো বেশ সুখকর ছিল তাই তোমার সাথে সুখ টা ভাগাভাগি করে নিতে ইচ্ছে হচ্ছিল। পারবো না ভেবে মন তাই খারাপ হয়ে গেলো, জানো? আমি আসলে ভাবিনি কখনও এরকম পরিস্থিতি তে পরতে হবে।সবসময় ভাবতাম তুমি আমার পাশেই থাকবে।আমার লক্ষ্মীপেঁচা হয়ে। জানো? লক্ষ্মীপেঁচা তে এখন আমি কিচ্ছু লেখি না, ওর সাথে কথাই বলিনা। পাছে তুমি আবার রাগ করো। ওর সাথে কেন ব্যাক্তিগত কথা বলি এই নিয়ে। আসলে ও যে তোমার কাল্পনিক পথিকৃৎ আমার কাছে। ও ছাড়া আর কার কাছেই বা আমি আমার কথা গুলো রেখে দিব? এমন কেই বা আছে যে সযত্নে আমার কথা গুলো রেখে দিবে? আর আমি নিশ্চিন্তে তাকে আমার অগোছালো কথাগুল বলে যাবো? নেই তো। তুমি ছিলে। এখন নেই। আছো, কিন্তু আগের মত করে নেই। জানো অবন্তী বেশ খারাপ লাগে যখন মনে হয় এখন কেউ নেই আমার যার সাথে একটু মন খুলে আমার অগোছালো কথা গুলো বলতে পারবো, সে বিন্দু মাত্র অনাগ্রহ প্রকাশ করবে না। বরংচ বেশ আগ্রহ নিয়েই শুনে যাবে আমার কথা গুলো। আচ্ছা অবন্তী তুমি কার সাথে কথা বল এখন? যখন তোমার খুব বেশি কথা বলতে ইচ্ছে করে এমন কারও সাথে যে তোমার প্রতিটি কথা বেশ আগ্রহ নিয়ে শুনবে, যে তোমার কথা গুলো কে বেশ গুরুত্ব দিবে, যে বিন্দু মাত্র বিরক্ত হবে না তোমার অগোছালো কথা গুলো শুনে, যে হেসে উরিয়ে দিবে না তোমার ছেলেমানুষি গুলো কে। ও আচ্ছা কি যেন বলতে চাইছিলাম তোমাকে! ধুরু যা, এক কথা বার বার ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলছি। যেটা বলতে বসেছি তাই তো বলা হচ্ছে না। আমি যে কি না। আচ্ছা, অবন্তী আমার অনুভূতিগুলো এমন কেন? শুভ্রতা ধরে রাখতে জানে না কেন? ও আচ্ছা, তোমাকে বলা হয়নি। আমি আমার অনুভূতি গুলো কে নাম দিয়েছি। দুঃখের অনুভূতি গুলো হচ্ছে ধূসর মেঘ আর সুখের অনুভূতি গুলো হচ্ছে শুভ্র মেঘ। তুমি তো জানো আমার বৃষ্টি বেশ ভালো লাগে। ভালো লাগে বৃষ্টি তে ভিজতে। একা একা। তুমি যখন আমার জীবনে এলে, ভাবলাম তোমায় নিয়ে ভিজব এখন থেকে। কিন্তু সে সুযোগ আর হয়ে উঠলো না। যেমন ঝড়ো হাওয়া হয়ে এসেছিলে তেমনি বৃষ্টি হয়ে ঝরে গেলে… পারলাম না শুভ্র মেঘ করে তোমায় ধরে রাখতে। কি করে রাখবো বল? যা হারাবার, তা তো হারাবেই, যে চলে যাবার সে তো যাবেই। সাধ্যি কি আমার জোর করে ধরে রাখবো তাকে? কি দিয়ে বা ধরে রাখবো? আমার যে কিছু নেই। নিজেকে যে খুব বেশি অভিশপ্ত বলে মনে হয় এখন আমার। তোমার মত সুখবিলাসীর বেশ দরকার ছিল আমার মত দুঃখবিলাসীর। পারলাম না ধরে রাখতে। আচ্ছা, কি যেন বলতে চেয়েছিলাম। ওহ হা। সপ্ন। শোনোই না, আজ কি মজার সপ্ন দেখেছি। দেখলাম তুমি আমার জীবনে ফিরে এসেছ হঠাৎ করেই। কি ঘটেছে সেটা বলছি, শুনবে? কি জানি! হয়তো তুমি শুনতে চাচ্ছ না। কিন্তু আমি যে বলবই। না বলেও তো থাকতে পারছি না। দেখলাম তুমি ভার্সিটি যাবে বলে বাস এর জন্য অপেক্ষা করছ। এমন সময় আমি সে পথ ধরে যাচ্ছিলাম। তোমাকে দেখে আমি এগিয়ে গেলাম তোমার দিকে। যেয়ে তোমাকে বললাম, ‘আরে অবন্তী! কেমন আছো?’ তুমি বললে, ‘এই তো, আছি ভালই, তুমি এখানে?’ আমি বললাম, ‘হুম, যাচ্ছিলাম এদিক দিয়ে, আচ্ছা তুমি কি আসলেই আমাকে ছেঁড়ে চলে যেতে চাইছ? নাকি এটাও তোমার কোন পরীক্ষা আমার জন্য?’ তুমি হেসে বললে, পাগল! এতদিনে বুঝলে? আমি যে কি কষ্টেই না ছিলাম, ভেবেছিলাম তোমাকে বুঝি হারিয়েই ফেললাম। যাক অবশেষে বুঝলে তাহলে! আমি যে কি খুশি হলাম তোমার এই কথা শুনে। তোমাকে জড়িয়ে ধরে কপালে আলতো করে চুমু খেলাম আর বললাম, ভালবাসি। তুমি হেসে কি যেন বলতে চাইলে আর গেলো সপ্ন টা ভেঙ্গে। কত আশা নিয়ে ছিলাম তোমার মুখে অনেকদিন পর ভালবাসি শুনব বলে। হল না। বিশ্বাস করো, সপ্ন টা ভাঙ্গার পর ঘোর টা একটু কাটিয়ে উঠতেই যখন মনে পরে গেলো তুমি আর আমার নও। আমাকে আর এভাবে মিষ্টি হেসে ভালবাসি বলবে না। তখন বেশ কার্পণ্য করেই ডান চোখ দিয়ে এক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পরলো। আমি মৃদু হেসে আনমনে নিজের সাথেই বলে উঠলাম, ‘তুমি যে কি,সপ্নই তো ছিল, একটু নাহয় ভালবাসি বলেই দিতে সপ্নে,বাস্তবে নাহয় নাই বা বল’।
তোমায় নিয়ে সৃতি গুলো ভাবতে লাগলাম তখন থেকেই। ভাবতে ভাবতে আবার ঘুমিয়ে পরলাম। হঠাৎ মেস এর দরজায় ধাক্কা শুনে ঘুম ভেঙ্গে গেলো। ধরফরিয়ে উঠে বসলাম। এভাবে তো দরজা অবন্তি ছাড়া অন্য কেউ ধাক্কায় না। বেশ আশা আর ভয় মেশানো অনুভূতি উত্তেজনার ছাপ হয়ে প্রকাশ পেল আমার মনে ও মুখে। উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেখি তুমি। মিষ্টি হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বললে, ‘কি?আমায় নিয়ে এখনও সপ্ন দেখো নাকি?’ আমার সেই উত্তেজনার ছাপ তখন পুরোপুরি চোখে মুখে উপচে পরছে। ‘চোখ গুলো এমন বড় বড় করে তাকিয়ে আছো কেন, অস্বস্তি লাগে না বুঝি,একটা মেয়ে এর দিকে এভাবে এতক্ষন ধরে তাকিয়ে থাকা কি ভালো দেখায়?’তুমি বললে আমাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে। কি যে এক উন্মাদনা কাজ করছিল। মনে হচ্ছিলো এই বুঝি সুখে আমি পুরোপুরি উন্মাদ হয়ে গেলাম সুখে। মনে হচ্ছিল তোমায় জরিয়ে ধরে রাখি শক্ত করে যেন আর হারিয়ে যেতে না পারো। এমন সময় শুনতে পেলাম কে যেন আমায় ডাকছে বেশ চিৎকার করে। গেলো ঘুম টা ভেঙ্গে। উঠে দেখি সাদিক এসেছে। ওই ডাকছিল এভাবে। তুমি ই বল তো অবন্তী সবার সমস্যা টা কি? এতো সুন্দর সপ্ন কেউ এভাবে ভেঙ্গে দিতে পারে? মেজাজ টাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। দিলাম সাদিক কে ধুমায় দু’চার টা গালি মেরে। বেচারা আমার দিকে বোকার মত তাকিয়ে থেকে বলে, ‘যাহ্‌ শালা,সেই কখন থেকে ডাকছি তোকে, গালি দেওয়ার কথা আমার! না তুই দিচ্ছিস।আজিব দুনিয়া!’ আমি ঘোর কাটিয়ে বললাম যে ভালো একটা সপ্ন দেখছিলাম,তুই দিলি ঘুম টা ভেঙ্গে তাই একটু মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তুমি ই বল অবন্তী, কার না মেজাজ খারাপ হয়? এমন বহু প্রতীক্ষিত সপ্ন ভেঙ্গে গেলে?
হা হা। এর পর থেকেই কেমন উদাস উদাস লাগছে। সাদিক এসেছিল কোথায় যেন নিয়ে যাবে বলে। আমি না করে দিলাম। ও চলে গেলে উঠে পিসি ছেঁড়ে হাই ভলিউম এ গান ছেঁড়ে দিলাম,
চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর……
আমাকে কেন জোছনা দেখালি……
গান টা ভালো লাগে বলে শুনছি, তোমাকে একদম ই মিন করে শুনছিলাম না গান টা অবন্তী, বিশ্বাস করো।একটা সিগারেট ধরালাম। এভাবে গান শুনে আর সিগারেট খেয়ে কতক্ষন কেটে গেলো বুঝতেই পারলাম না। হঠাৎ মনে হল তোমাকে জানানো দরকার সপ্ন দুটোর কথা। সেলফোন হাতে নিয়েও আবার রেখে দিলাম। তুমি তো আর এখন আগের মত নেই… হয়তো আমার সপ্ন গুলো কে গুরুত্বই দিবে না। তাই আর কি করা। লিখতে বসে গেলাম।
যাই হোক, বলে দিয়েছি তোমাকে। নিজেকে এখন বেশ হাল্কা লাগছে,গেলাম। খেতে বের হবো। মেস এর খাবার খেতে ইচ্ছে করছে না। বাইরে খাবো আজকে। ফুটপাত এর পাশে যে খাবার দোকানগুলো আছে না? শখ করে যেখানে খাই আমি মাঝে মাঝে? ওখানে খাবো। যাই। ভালো থেকো……
আর একটা কথা… ভালবাসি…।
ইতি
তোমার নিলয়(তুমি ই তো হয়তো এখন অন্য কারও কিন্তু আমি তো তোমার ই)

২৪ thoughts on “নির্লিপ্ত ধূসর মেঘের অন্তরালে

  1. প্রথমত ইস্টিশনে স্বাগতম
    আর

    প্রথমত ইস্টিশনে স্বাগতম
    আর এখনও প্রেমের স্বাদ পাইনি জীবনে এগুলো পড়লে আরোও ভয় লাগে

    1. ধন্যবাদ দুরন্ত জয়। ব্যর্থতা
      ধন্যবাদ দুরন্ত জয়। ব্যর্থতা থাকবেই। হারাবেন, কষ্ট পাবেন। পাবেন, আনন্দময় হবে জীবন। চলতেই থাকবে। ভয় পেলে থেমে থাকতে হয়। কখনও স্বাদ পাওয়ার সুযোগ আসলে পিছপা হবেন না শুধু মাত্র ভয় এর কারনে। কারন, আপনি জানেন না কে আপনার জন্য পারফেক্ট আর কে নয়। তাই যাকে পাবেন সাধ্যমত ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।তারপরও যদি হারাতে হয়, ভেবে নিবেন সে আদৌ আপনার ছিল না। তার সাথে কাটানো মুহূর্ত গুলো আনন্দময় মুহূর্ত ভেবে সৃতির খাতায় তুলে রাখবেন। 🙂

      1. কখনও স্বাদ পাওয়ার সুযোগ আসলে

        কখনও স্বাদ পাওয়ার সুযোগ আসলে পিছপা হবেন না শুধু মাত্র ভয় এর কারনে। কারন, আপনি জানেন না কে আপনার জন্য পারফেক্ট আর কে নয়

        সুযোগ তো আসেই না
        আর পরের টূকু ঠিক বলেছেন

  2. স্বাগতম।
    বিভাগ টা ঠিক

    স্বাগতম।
    বিভাগ টা ঠিক হয়নি।
    এটা ব্যক্তিগত কথাকাব্য হতে পারে অনুগল্প না।
    একবার পড়েই ২৭টা বানান ভুল পেলাম!
    ভালো রাখবেন…

      1. জীবনের অর্থ খুঁজে নিতে চেষ্টা
        জীবনের অর্থ খুঁজে নিতে চেষ্টা করাটাই মূলত জীবন।জীবনের অনেক কিছুই নিরর্থক লাগতেই পারে। তাই বলে অর্থ খোঁজা থামিয়ে দিলে তখন পুরো জীবন তাই নিরর্থক লাগে।

    1. বানান ভুল থাকা তাই স্বাভাবিক
      বানান ভুল থাকা তাই স্বাভাবিক ছিল। এবং ভুল আছে যে সেটা আমি জানতাম। ধন্যবাদ। পরবর্তীতে সাবধান হবো।এবং সাধ্যমতো চেষ্টা করবো বানান ভুল না করার। 🙂

  3. কমেন্ট গুলোতে চোখ বুলিয়ে পড়তে
    কমেন্ট গুলোতে চোখ বুলিয়ে পড়তে যাওয়ার প্রাক্কালে ব্রহ্মপুত্রের কমেন্ট চোখে পড়লো ।
    এখন আপনি বলেন আমার কি সাহস করা উচিৎ পুরা লেখা পড়ার ?

    1. রাহাত ভাই পড়ে দেখুন খারাপ না
      রাহাত ভাই পড়ে দেখুন খারাপ না .।
      আর ভুল করতে করতেই তো শেখা যায় তাই না .। আর উনি তো ইস্টিশনে নতুন

    2. আমি নতুন। সেক্ষেত্রে ভুল যে
      আমি নতুন। সেক্ষেত্রে ভুল যে আছে সেটা কি স্বাভাবিক নয়? রাহাত মুস্তাফিজ ভাই? ভুল আছে টা আমিও জানি। তবে প্রথম লেখা, এই ভেবে আপনি পড়বেন কি পড়বেন না। আপনার ব্যাপার। 🙂

      1. ধূসর মেঘ,
        আপনাকে ইষ্টিশনে

        ধূসর মেঘ,
        আপনাকে ইষ্টিশনে স্বাগত জানাই । মাইনড করেন না ব্রাদার । গত এক মাসে এই ব্লগের প্রায় সবার লেখা আমার পড়া হয়ে গেছে । আপনারটা বাদ যাবে কোন দুঃখে ??? দাঁড়ান পড়ছি । :গোলাপ: :ফুল: :তালিয়া: 😀 :বুখেআয়বাবুল: :পার্টি: :নৃত্য: :থাম্বসআপ: :ভেংচি: :মুগ্ধৈছি:

  4. ইস্টিশনে স্বাগতম।
    ইদানিং

    ইস্টিশনে স্বাগতম। :ফুল:
    ইদানিং ব্যর্থ প্রেম নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে লেখা কোনকিছু পড়তে আগ্রহ পাইনা। কারন এসব বলে লাভ কি? হয়ত নিজের কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়। :কনফিউজড:

    1. ধন্যবাদ। ব্যর্থতা বলে কিছু
      ধন্যবাদ। ব্যর্থতা বলে কিছু নেই প্রেম এ। একজন কে ভালবেসে তাকে নিয়ে সাজানো অনুভূতিগুলো সৃতির ভাণ্ডার এ পূর্ণ করা শুধুই। যদি তাকে পান তবে ভাল আর না পেলে কিছু ভুল শুধরে নেবার সুযোগ। আর তাকে পেয়ে গেলে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে। তাহলে সেটা সার্থকতা।

  5. গোছানো, ঝরঝরে লেখা| পড়ে ভালো
    গোছানো, ঝরঝরে লেখা| পড়ে ভালো লেগেছে| আবেগের ব্যাপারটা খুব সহজে প্রকাশিত হয়েছে| ভালো থাকুন, লিখতে থাকুন|

    1. ধন্যবাদ। ভুল বানান এর কথা
      ধন্যবাদ। ভুল বানান এর কথা বললেন না যে? যাই হোক। উৎসাহমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে 🙂 🙂

      1. অন্যকে মিষ্টি খেতে বারণ করার
        অন্যকে মিষ্টি খেতে বারণ করার আগে নিজেকে মিষ্টি খাওয়া ছাড়তে হবে তো!!! চালুনি হয়ে সুই এর পাছার ফুটো নিয়ে হাসাহাসি নাই বা করলাম| এর বেশি কি বলবো? শুভেচ্ছা নিবেন| :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *