গনজাগরন একটি আন্দোলন,সপ্ন ও সম্ভাবনা।কেউ কি সঠিক তথ্য জানাবে।

গণজাগরণ মঞ্চে কে কত টাকা দিয়েছিলেন?
এবং ইমরান সরকারের বদলে যাওয়ার রিপোর্ট-
………………………………………………
এফবিসিসিআই চেয়ারম্যান কাজী আকরাম
উদ্দিন ৬০ লক্ষ টাকা, বসুন্ধরা গ্র“প ২০
লক্ষ টাকা, ইস্পাহানি গ্র“প ১০ লক্ষ টাকা,
হামীম গ্র“প ২০ লক্ষ টাকা, অটবি ১০ লক্ষ
টাকা, বেস্টওয়ে গ্র“প ৫ লক্ষ টাকা, ওয়ালটন
কোম্পানি ১০ লক্ষ টাকা, একটি শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা চার লাখ
টাকা, সাবেক এসপি মাহবুবের কাছ থেকে ৪
লক্ষ টাকা, ইনসেপ্টা কোম্পানী ৫ লক্ষ টাকা,
ফরিদুর রেজা সাগরের কাছ থেকে ৬০ হাজার
টাকা, সাংবাদিক আবেদ খানের কাছ থেকে ২৫
হাজার টাকা, এডভোকেট আনিসুল হক থেকে ১০

গণজাগরণ মঞ্চে কে কত টাকা দিয়েছিলেন?
এবং ইমরান সরকারের বদলে যাওয়ার রিপোর্ট-
………………………………………………
এফবিসিসিআই চেয়ারম্যান কাজী আকরাম
উদ্দিন ৬০ লক্ষ টাকা, বসুন্ধরা গ্র“প ২০
লক্ষ টাকা, ইস্পাহানি গ্র“প ১০ লক্ষ টাকা,
হামীম গ্র“প ২০ লক্ষ টাকা, অটবি ১০ লক্ষ
টাকা, বেস্টওয়ে গ্র“প ৫ লক্ষ টাকা, ওয়ালটন
কোম্পানি ১০ লক্ষ টাকা, একটি শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা চার লাখ
টাকা, সাবেক এসপি মাহবুবের কাছ থেকে ৪
লক্ষ টাকা, ইনসেপ্টা কোম্পানী ৫ লক্ষ টাকা,
ফরিদুর রেজা সাগরের কাছ থেকে ৬০ হাজার
টাকা, সাংবাদিক আবেদ খানের কাছ থেকে ২৫
হাজার টাকা, এডভোকেট আনিসুল হক থেকে ১০
হাজার টাকা, কানিজ সুলতানা থেকে ১০ হাজার
টাকাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছ
থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা পেয়েছে গণজাগরণ
মঞ্চ। এর বাইরে পানি, খাবার, ল্যাপটপসহ
অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়েও
সহায়তা করেছেন অনেকে।
আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একজন
ছাত্রনেতা বলেন, যে যেভাবেই যার
পরিচিতজনের মাধ্যমেই টাকা দিতেন না কেন সেই
টাকা তুলে দেওয়া হতো ইমরানের হাতে। এরপর
যখন যে খাতে টাকা লাগতো তা তার কাছ
থেকে নিতো সংগঠকরা। কিন্তু আন্দোলন শুরুর
পর খুব দ্রুতই ইমরানের পুরোনো মোবাইল
বদলে হাতে উঠে দামী মোবাইল ও ট্যাব।
আন্দোলনের দুই মাসে প্রতিদিনই
তিনি একটি করে নতুন পাঞ্জাবি পরে আসতেন।
এই আন্দোলনকে নিজেদের মনে করে সাধারণ
মানুষের পাশাপাশি সমাজের প্রতিষ্ঠিত
ব্যাবসায়ীসহ বিত্তবান অনেকে মানুষ
যে যেভাবে পেরেছেন অর্থ সহায়তা করেছেন।
অধিকাংশ টাকাই নানাজনের
মাধ্যমে গেছে ইমরান এইচ সরকারের হাতে।
আন্দোলনের প্রথম দুদিন ইমরান
মাইকে কি পরিমাণ টাকা উঠেছে সেই
ঘোষণা দিলেও পরে আর কখনোই
তা নিয়ে উচ্চবাচ্চ্য করেননি ইমরান।

-মাসিক নবধ্বনি
কাউসার আরিফ

আমি বিষয়টা বুঝতে পারছি না।কতৃপক্ষ এ বিষয়ে কি মতামত দিবেন।এই ঘটনা যদি সত্য হয় বাংলার মাটিতে আর জন্ম নিবে সত্য ও সুন্দর জনস্রোত।এত ভালবাসার পরে ও দানা বেঁধে উঠে অবিশ্বাস।

৮ thoughts on “গনজাগরন একটি আন্দোলন,সপ্ন ও সম্ভাবনা।কেউ কি সঠিক তথ্য জানাবে।

  1. উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,
    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর পোস্ট !
    এসব কারা করাচ্ছে, কেন করছে এর আল্টিমেট গোল কি তা বোঝার মতো ঘিলু আছে বলেই মনে করি ।
    যেখানে দেশে সাম্প্রদায়িকতার নয়া ঝাণ্ডা হাতে শফী ‘রা প্রবলভাবে সক্রিয় সেখানে এই ধরণের পোস্ট এবং আলোচনা কার বা কোন গোষ্ঠীর পারপাস সার্বভ করছে তা বেশ বুঝতে পারছি … সাধু সাবধান !

    1. এত বড় একটা অন্দোলন কেউ না কেউ
      এত বড় একটা অন্দোলন কেউ না কেউ তো পৃষ্ঠপোষকতা করতেই হবে।
      অ্যামেরিকার নির্বাচনেও ডোনার থাকে! এতে আমি ক্ষতির কিছুই দেখি না…

      আর ‘সত্যের তলোয়ার’— নামটা দেখে কি কারই মনে হচ্ছে না এইটা ছাগু আইডি!
      তলোয়ার শব্দটা সবচে বেশী ব্যবহার করে জামাত-শিবিরের চেলারা! আশা করি এই তলোয়ারও তেমনই কিছু একটা হবে! আর ইমরান ভাই ‘আন্দোলনের দুই মাসে প্রতিদিনই
      তিনি একটি করে নতুন পাঞ্জাবি পরে আসতেন।’–এই কথাটা স্পষ্টতই পাপী শফি টাইপের গড়পড়তা একটা কথা। আমি ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যখন ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ১৭ দিনে শাহবাগ ছিলাম তখন এমনও দিন গেছে যেইখানে আমরা এক-দুবেলা খাবারও খায় নাই! অথচ এমন নিমক হারামেরা এমন কথা বলবেই…
      দুইমাসতো টানা আন্দোলনই ছিলনা, অনেক দিন ইমরান ভাই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল থেকে বেরই হন নাই…
      এই সত্যের তলোয়ার আর কিছুই না একজন জামাতি-হেফাজতি-শিবিরের চেলা। আমি ইস্টিশন মাস্টারকে অনুরোধ করব এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অযাচিত পোস্ট সরিয়ে নেয়া হোক…
      পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কোন আন্দোলনই চলবে না। এইযে জেলায় জেলায় ঘুরে নিজের ব্যক্তিগত জীবন বা পারিবারিক জীবনকে ভুলে গিয়ে আজ এতদিন খেটে যাচ্ছে লোকগুলো তাদের জীবন চলবে কীভাবে? তাই যেই ডোনারদের লিস্ট দিয়েছেন তাদের আমি :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:
      আর পোস্টকর্তা যেভাবে জামাতি ব্যাখ্যা দিলেন (জামাতি বলছি এই কারণে এই গণজাগরণের বিরদ্ধে বলার একমাত্র কারণই হতে পারে আন্দোলনটিকে দমন করা, আর তাতে লাভ একমাত্র জামাতের; তাই যতই সুশীলের সুরে এইসব বলেন না কেন আপনার উদ্দেশ্য একটাই জামাত-রাজাকার রক্ষা…) তাতে করে এই পোস্ট আমি অপসারণের দাবী করলাম… ইস্টিশন মাস্টার ওয়েক আপ…

      1. আপনাকে কিছু বলার নেই তারিক
        আপনাকে কিছু বলার নেই তারিক লিংকন সাহেব।আমি ডোনেশনের বিপক্ষে নয় শুধু এই লেখাটির প্রতি উত্তর আশা করেছিলাম।ধন্যবাদ সবাইকে।রিমুভ অপশন থাকলে আমি নিজেই রিমুভ করতাম।ইস্টিশন মাস্টার লিংকন ভাইয়্যার জ্ঞান গর্ভ বক্তৃতা শুনে নিজেরে গরুর ছয় নম্বর ছানা মনে হচ্ছে।প্লিজ মাস্টার সাব পুষ্ট টা মুইছা দিয়েন।তবে অতি মানব ভাবুক ভাইয়্যের কমেন্টটা সংরক্ষনের দাবীদার।ধন্যবাদ।কি সুন্দর তলোয়ারী ব্যখ্যা।

  2. রাহাত মুস্তাফিজ ভাইয়ের সাথে
    রাহাত মুস্তাফিজ ভাইয়ের সাথে একমত ।গতকাল মাস্টার দা শুভ্র নামেও একজন রাসেলের বিরুদ্ধে লিখেছেন ।

    এসবের মানে কি? বিখ্যাত হতে চান? বিখ্যাত হতে আরেকজনের দোষ খোজতে হবে?
    নিজের জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক ও লেখনি দ্বারা নাম করা বলোগার হবার চেষ্টা করুন ।অন্যকে আক্রমন করে ফ্রন্ট লাইনে আসার বৃথা চেষ্টা করবেন না ।

  3. ভুল বোঝার জন্যে
    ভুল বোঝার জন্যে ধন্যবাদ।আপনারা যা ভাবছেন তা ঠিক নয়।এই লেখাটা অনলাইন জগতে বহুল আলোচিত তাই পোস্ট করেছিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *