শুভ জন্মদিন স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদ

জন্মদিনের শুভেচ্ছা তাজ উদ্দিন আহমেদকে।



জন্মদিনের শুভেচ্ছা তাজ উদ্দিন আহমেদকে। স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধান মন্ত্রী হইলেও এই তাজ উদ্দিন পরিবার সবসময়েই বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতির স্বীকার। একসময়ে তাজ উদ্দিন নিজেই আর এখন তার ছেলে সোহেল তাজ। তাজ উদ্দিনের পরিবার কখনোই কোন অসঙ্গতির সাথে আপোষ করেনি, বর্তমানেও করছে না, ভবিষ্যতেও করবেনা বলেই ধারণা।

নোংরামি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখালে নোংরাদের ভাললাগে না। সেইকারণেই সবসময়ে ২ ধরণের লুঙ্গি পাওয়াযায় এখন বাংলাদেশে।

১) ধর্মের লুঙ্গি
২) মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লুঙ্গি

যে যা যেইভাবে পারে তাই ব্যাবহার কইরা নিজের গায়ের নোংরা ভাব ঢাকতে উৎসাহী। সেই লুঙ্গিতে কোন প্রকারের তান পরলেই টান যেই কারণে পরে সেইতা সমূলে উৎপাটন করতে বিন্দু মাত্র দ্বিধা করে না।

২২ thoughts on “শুভ জন্মদিন স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদ

  1. এই জাতির দুর্ভাগ্য যে যুগে
    এই জাতির দুর্ভাগ্য যে যুগে যুগে এই জাতির নেতারা তাজউদ্দিনের মতো সহচরদের দূরে ঠেলে খোন্দকার মুশতাকদের বুকে টেনে নিয়েছে। এর দুর্ভোগের ফল ভোগ করতে হয়েছে শতকের পর শতক। তাজউদ্দীনের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

  2. তাজউদ্দীনের মত নেতা বাংলাদেশে
    তাজউদ্দীনের মত নেতা বাংলাদেশে আর কোনদিন আসবে না। আশায় বুক বাধতে পারি- তবে বাংলাদেশের রাজনীতির পারিবারিক রাজতন্ত্র শেষ না হ্ওয়া পর্যন্ত আসবে না এটা নিশ্চিত।

  3. একবার ‘তানভীর মোকাম্মেলের’
    একবার ‘তানভীর মোকাম্মেলের’ “তাজ উদ্দিনের উপর নির্মিত প্রামান্য চিত্রের এক প্রিমিয়ার শো-তে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আমাকে বলেনঃ
    “আমি বঙ্গবন্ধু ও একজনের নাম লিখেই বাংলার গোটা সংগ্রামের ইতিহাস লিখতে পারব আর তিনি হলেন স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদ”—
    তার ৮৮ তম জন্মদিনে এই বাংলার সন্তান হিসেবে বিনম্র শ্রদ্ধা…

    1. প্রামাণ্য চিত্রটির নাম কি
      প্রামাণ্য চিত্রটির নাম কি বলতে পারবেন?? আমার দেখা হয় নি। আর ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

        1. ধন্যবাদ

          ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
          আর্কিওপ্টেরিক্স-কে… আমার কাজটা করে দেয়ার জন্যে!

    2. “আমি বঙ্গবন্ধু ও একজনের নাম

      “আমি বঙ্গবন্ধু ও একজনের নাম লিখেই বাংলার গোটা সংগ্রামের ইতিহাস লিখতে পারব আর তিনি হলেন স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদ”—

      —- চমৎকার বলেছেন এবং সঠিক কথাই বলেছেন ।

  4. বাঙলায় দুজন রাজনীতিবিদ ছিলেন,
    বাঙলায় দুজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যারা শুধু দেশের জন্যই রাজনীতি করেছিলেন।
    বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দীন আহমেদ।
    এবং দুজনের হত্যার জন্যই দেশের আজ এই চরম অবনতি।

  5. জন্মদিনে শুভেচ্ছা বাংলার এই
    জন্মদিনে শুভেচ্ছা বাংলার এই মহান নেতা কে! ওনার সাথে মজিবরের নামটি এক না করলেই আরো বেশি দৃষ্টিনন্দন হত।
    রাজাকারদের বাংলায় ঠায় দেয়ার জন্য “বাংলার মোহাম্মদ”(ধম্ম প্রচারক) জিয়ার সাথে মজিব ও সমান দায়ী!

    1. অনেক্কখেত্রে আমিও তাই মনে
      অনেক্কখেত্রে আমিও তাই মনে করি। তবে তার দোষ কি ছিল ক্ষমা করা??

      ক্ষমা করা যদি দোষ হয় তাইলে তিনি দোষী। তবে উদার মনোভাব সহ তখন কার সময়ে অনেক দেশের প্রেসার ছিল তার উপরে যার কারণে তিনি ক্ষমা করতে এক প্রকারের বাধ্যই হয়েছিলেন।

      যেমনটি আওয়ামী সরকারও পারে নাই এই বার গোয়া রে ফাসী দিতে। আন্তর্জাতিক চাপ সহ নিজের মল মুত্র ত্যাগের চাপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *