সেবার নামে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীদের সাথে বিকাশের প্রতারণা



আপনাদের যাদের পোস্ট অফিসের মানি অর্ডারের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের যুগের কথা মনে আছে তারা জানেন কতোটা অসহায় লাগত ইমার্জেন্সি প্রয়োজনের সময়ে। এরপর এসএ পরিবহন বা সুন্দরবনের মতো কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের সুবিধা আসার পর কিছুটা লাভবান হই আমরা। দুই বছর আগে ব্র্যাক ব্যাংক যখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের জন্য বিকাশ নামে সার্ভিস শুরু করে, প্রথমে অনেকেই এই সার্ভিস গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেও, ব্যাপক ভাবে সারা দেশের অলিতে গলিতে বিকাশ এজেন্টের সাইন বোর্ড দেখে দেখে আমার মতো অনেকেই বিকাশের মাধ্যমে টাকা লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে যাই। এমনকি বিকাশ যখন ব্যবসায়ীদের জন্য মার্চেন্টশীপ দেওয়া শুরু করে তখন মোবাইল ব্যাংকিং এর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের নতুন আশার আলো দেখতে পায়। আমাদের দেশে যেহেতু ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার খুব সীমিত, এছাড়া গ্রাম বা উপজেলা পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কথা আমরা চিন্তাও করতে পারিনা। সেক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প হিসেবে বিকাশের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়। যেহেতু ইন্টারনেটের ব্যবহার এখন ব্যপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, এটার উপর ভিত্তি করে আমাদের দেশে অনেকগুলো অনলাইন শপিং বা ই-কমার্স সাইট চালু হয়েছে। এটা অনেকের জন্যই আশির্বাদ হিসেবে আবির্ভুত হয়। যেমন আপনি হয়ত চাকুরী সূত্রে দেশের কোন এক প্রত্যন্ত উপজেলায় থাকেন। যেহেতু আপনি নেট ইউজ করেন সেক্ষেত্রে খুব সহজেই আপনি আপনার বাসায় বসে অনলাইন শপে অর্ডার ডীয়ে প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যই ক্রয় করতে পারেন। এই কনসেপ্ট আমাদের দেশে এখনও তেমন ব্যাপকতা না পেলেও অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনলাইন শপ চালানো কিংবা ভোক্তা হিসেবে অনলাইন শপ থেকে পণ্য ক্রয় করার ক্ষেত্রে একটা বড় বাঁধা ছিল পেমেন্ট কিভাবে করা যাবে। যেহেতু আগেই বলেছি আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার খুবই সীমিত, এবং বাস্তবতার নিরিখে বলা যায় ক্রেডিট কার্ড এখনো দেশের ৯৯ ভাগ মানুষের নাগালের বাইরের ব্যাপার। সেক্ষেত্রে আমাদের হাতে বিকল্প হিসেবে বিকাশের মতো একটি সার্ভিস আসলেই বেশ সুবিধা করে দেয়।

কিছুদিন আগে বিকাশ তাদের সার্ভিস চালুর দুই বছর উদযাপন করল। এই দুই বছরে বিকাশের ব্যবহার ব্যপকভাবে বেড়েছে। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই ভোক্তা হিসেবে আমাদের প্রত্যাশার পারদ খানিকটা বারাটাই বাস্তবসম্মত। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এমন একটা দেশের নাগরিক যেখানে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কেউ থোরাই কেয়ার করে। ভোক্তা অধিকার বলে যে একটা জিনিস আছে সেটাই হয়ত আমরা অনেকেই জানিনা, বা জানলেও সেই সম্পর্কে সচেতন নই। সচেতন হলেও বা লাভ কি? কার কাছে আপনি আপনার অধিকার লঙ্ঘিত হলে সেই দাবী নিয়ে যাবেন?

এবার আসুন যেই বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য এই পোস্টের অবতারণা সেই বিষয়ে আলোকপাত করা যাক। বিকাশ তাদের সার্ভিস শুরু করার পর তাদের নির্ধারিত বিভিন্ন চার্জ নির্ধারন করে দেয়। সেই চার্জ কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটু বেশী মনে হলেও সার্ভিসটির প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ভোক্তারা সেটা মেনে নিয়েই সার্ভিস গ্রহনে অভ্যস্ত হন। এমনকি এটার উপর নির্ভর করে অনেকেই অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু করেন। তাই এটার সাথে কোটি কোটি সাধারণ ভোক্তার ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াও হাজার হাজার ব্যবসায়ীর স্বার্থ জড়িয়ে যায়। এখন আসুন দেখি কোটি কোটি গ্রাহককে নিজেদের ভোক্তা বানিয়ে বিকাশ এখন কিভাবে কি নির্বিকারভাবেই না ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। আগে বিকাশ থেকে টাকা উত্তোলনে বিকাশের সার্ভিস চার্জ নির্ধারিত হয় ২%। অর্থাৎ আপনি যদি কারো নাম্বারে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠান, তাহলে যার কাছে টাকা পাঠিয়েছেন উনি টাকা উঠাতে গেলে বিকাশ এজেন্ট তার কাছ থেকে ২% হারে সার্ভিস চার্জে হিসেবে কেটে নেবে। ধরুন আপনি আপনার পরিবারের কারো কাছে ১০,০০০ টাকা পাঠালেন। সেক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ বাবদ সেই ১০,০০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেটে নেওয়া হবে। প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভোক্তারা এটা মেনে নিয়েই সেবা নেওয়া শুরু করেছেন। সাধারণত এই কারনেই বিকাশের মাধ্যমে বড় এমাউন্টের টাকা লেনদেন খুব কমই হয়। আর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে টার্গেট করেই যেহেতু সেই সেবা চালু করা হয়, যাতে করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের হাতে প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে যায়, তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় বিকাশ মূলত নিম্নমধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্তের ক্রেডিট কার্ডের কাজটি করে দেয়। কিছুদিন আগে থেকে কোন ধরনের পুর্ব ঘোষণা ছাড়াই বিকাশ তাদের কিছু কিছু সার্ভিস চার্জ বাড়িয়ে দেয়। যেমন যে কোন এমাউন্টের টাকা ট্র্যান্সফারের ক্ষেত্রে বিকাশের আগের চার্জ ছিল ২ টাকা। অর্থাৎ আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে তাদের সেন্ড মানি অপশন ব্যবহার করে আরেকজনের একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করলে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ২ টাকা কেটে রাখত। আবার সেই টাকা বিকাশ এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশ অন করতে গেলে ২% সার্ভিস চার্জ তো কেটে রাখতই। কয়েকদিন আগে কোন ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সেন্ড মানির জন্য বিকাশ ২ টাকার স্থলে ৫ টাকা কেটে নেওয়া শুরু করে। যা স্পষ্টতই ভোক্তা অধিকারের লঙ্ঘন।

আরেকটি গুরুত্বপুর্ন এবং উদ্বিগ্ন হওয়ার বিষয় হচ্ছে গত কিছুদিন যাবত বিকাশের নেটওয়ার্ক রাত ঠিক পৌনে বারোটার পর থেকেই একেবারেই ডাউন হয়ে যায়। অর্থাৎ সব ধরনের লেনদেনের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার অনলাইন নির্ভর ব্যবসায়ী এবং গ্রাহক। সাধারণত অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসায়িক লেনদেন অনেক ক্ষেত্রেই রাতেই হয়ে থাকে। যেমন আউট সোর্সিং সহ বিভিন্ন বিষয়ক লেনদেন রাতেই করা হয়। ফলে বিকাশের নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে লেনদেন পুরাই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ী সহ গ্রাহকগণ। আপনি আপনার অভিযোগ জানাবেন? সেইজন্য বিকাশের কাস্টোমার কেয়ার নাম্বারে যোগাযোগ করতে চান? চটকদার বিজ্ঞাপনে বিকাশ কথার ফুলঝুরি ছুটিয়ে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা সেবা দানের অঙ্গীকার করলেও মূলত রাত ৯টার পর থেকে তাদের কাস্টোমার কেয়ার নাম্বার বন্ধ থাকে। তাদের কাছে অভিযোগ উত্থাপন করলে তারা বলেন যে, তাদের বর্তমান কাস্টোমার কেয়ার সেবা সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চালু আছে। তাহলে কেন এইসব বিজ্ঞাপনের ফাঁদ? আবার দিনেও যে আপনি অভিযোগ জানাবেন তারও আছে শুভঙ্করের ফাঁকি। আমি নিজে গত দুইদিন যাবত দিনের বেলায় তাদের কাস্টোমার কেয়ার নাম্বারে ফোন করে প্রতিবার ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষায় থেকেও লাইন পাইনি। উপরন্তু আমার মোবাইল থেকে ৪০-৫০ টাকা ব্যালেন্স কেটে নেওয়া হয়েছে? অপেক্ষার এই সময়টাতে বিকাশ তাদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মিউজিক শোনাবে আর একটু পরপর বলতে থাকে আপনার কলটি খুব দ্রুতই একজন কাস্টমার কেয়ার সেবাদানকারির সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হবে। কিন্তু সেই অপেক্ষা আর শেষ হয়না। সময়ের দাম হয়ত আমাদের দেশের মানুষের নেই বলেই তারা ধরে নিয়েছে, কিন্তু এই অপেক্ষার বিরক্তিকর সময়টাতে আপনার মোবাইল ব্যালেন্স থেকে যে তারা টাকা কেটে নিচ্ছে উচ্চহারে সেটার মূল্য তো আছে নিশ্চয়ই? এভাবে সার্ভিস চার্জ হুট করে কোন ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাড়িয়ে দেওয়া, প্রায় সারারাত নেটওয়ার্ক প্রবলেম করা, কাস্টোমার কেয়ার সার্ভিস দেওয়ার নাম করে এভাবে গ্রাহকের সময় ও অর্থের অপচয় করে বিকাশ কি দেশের কোটি কোটি গ্রাহকের সাথে সেবার নামে প্রতারনাই করছে না?

আসুন দেখি আমাদের দেশের আইন এক্ষেত্রে কি বলে? ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী-

কোন ব্যক্তি কোন আইন বা বিধির অধীন নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে কোন পণ্য, ঔষধ বা সেবা বিক্রয় বা বিক্রয়ের প্রস্তাব করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

কোন ব্যক্তি প্রদত্ত মূল্যের বিনিময়ে প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

কোন সেবা প্রদানকারী অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা অসতর্কতা দ্বারা সেবা গ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য বা জীবনহানি ঘটাইলে তিনি অনূর্ধ্ব তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

লক্ষ্য করলে দেখবেন বিকাশ ভোক্তা অধিকার আইনের এই তিনটি ধারার প্রতিটিই লঙ্ঘন করে স্পষ্টতই ভোক্তার অধিকার লঙ্ঘন করে প্রতারণা করছে। এমনকি প্রাথমিকভাবে এর প্রতিকার চাইবার জন্য আপনি তাদের কাস্টমার কেয়ার সেবা গ্রহণ করতে যাবেন সেখানে আরও বড় ধরনের প্রতারণা করা হচ্ছে। আপনাকে লাইনে অপেক্ষায় রেখে আপনার সময় এবং অর্থ দুইয়ের ক্ষতি করছে।

আমার এই লেখাটি কোনভাবেই বিকাশের গুড উইল নষ্ট করার উদ্দেশ্যে দেওয়া নয়। কারন আমি নিজেই বিকাশের সেবা ব্যবহার করে অনলাইনভিত্তিক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করেছি। ফলে বিকাশের সার্ভিস ভালো থাকলে আমার মতো অনেকেরই সুবিধা। কিন্তু প্রতিনিয়ত বিকাশের এইসব খামখেয়ালীর কারনে আমার মতো গ্রাহক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বারবার বিকাশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে অভিযোগ জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। তাই তারা যাতে তাদের সেবার মান উন্নতি না করুক, কমপক্ষে মান যাতে নীচে না নামে সেই ব্যাপারে দ্রুত ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেয় এইজন্যই এই পোস্টের অবতারণা। দেশের দ্রুত বর্ধনশীল একটি ক্ষেত্র যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সেটা খেয়াল করাটা জরুরী। আশা করি বিকাশ তাদের সেবার মান ধরে রাখতে সচেষ্ট হবে, এবং সেবার নাম করে গ্রাহকের সাথে এই ধরনের প্রতারণা অতি দ্রুত বন্ধ করবে। শুভবোধের উদয়ের মাধ্যমে বিকাশ আরও বিকশিত হোক এটাই কাম্য।

৯ thoughts on “সেবার নামে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীদের সাথে বিকাশের প্রতারণা

  1. আমাদের দেশে ভোক্তা অধিকার
    আমাদের দেশে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কেইবা মাথা ঘামায়। প্রথমে সেবার নামে ফাঁদ পাতুন। সেই ফাঁদে কোটি কোটি গ্রাহক পা দেওয়ার পরই সেবা শিকেয় তুলে ধান্দাবাজি শুরু করুন- আঙুল ফুলে কলাগাছ। আমরা ভোক্তারা সবাই জিম্মি তাদের কাছে। কারন এইসব দেখার কেউ নাই। :মাথাঠুকি:

    1. হতাশ হয়ে মাথা কুটলে তো হবে না
      হতাশ হয়ে মাথা কুটলে তো হবে না ডাক্তার ভাই। প্রতিবাদ করতে হবে। অধিকার কেউ কাউকে দেয় না, আদায় করে নিতে হয়। আমরা সোচ্চার ও সচেতন হলে তারা শুধরাতে বাধ্য। আমরা চুপ থাকি বলেই এরা বেপরোয়া হয়ে যায়।

  2. আমরা নিজেরাই চুদুর-বুদুর
    আমরা নিজেরাই চুদুর-বুদুর জাতি। তাই আমাদের সাথে ব্যবসায়ীরা চুদুর-বুদুর আচরণ করছে। কোন ধরনের পুর্ব ঘোষনা ছাড়া সার্ভিস চার্জ বাড়ানো অবশ্যই ভোক্তা অধিতার হরণ। বিকাশের বিরুদ্ধে ‘ভোক্তা অধিকার আইন‘ অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট অভিযোগ জানানো হোক সকলের পক্ষ থেকে।

  3. অবশ্যই এর প্রতিবাদ করতে হবে
    অবশ্যই এর প্রতিবাদ করতে হবে ।সেবার নামে জোচ্চোরি মেনে নেয়া যায় না।আপাতত প্রত্যেকে বিকাশ কাষ্টমার কেয়ার অফিসে ফোন দিয়ে অভিযোগ দিয়ে রাখতে পারি।এতে সহজে ও দ্রুত বিষয়টা কতৃপক্ষের নজরে আনা সম্ভব হবে ।

  4. ডাচ বাংলা অনলাইন ব্যাংকিং
    ডাচ বাংলা অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেম ইউজ করতে পারেন। সার্ভিস খারাপ না! মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিদাও আছে!!

    1. ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং-ও
      ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং-ও অনেক অসুবিধা আছে। তবে বিকাশ যদি তাাদের সেবা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিকল্প খুঁজে নিতে আমরা বাধ্য হব। এটা বিকাশের উপলব্দি করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *