সীমান্ত

গরুর পাল নিয়ে খুব খুশি মনে বাড়ির দিকে ফিরছিল রহিম।রহিম ভাবছিল, “এই গরুগুলো অনেক কম দামে পেয়েছি, বিক্রি করলে অনেক লাভ হবে!”এই জায়গার কথা ওকে এলাকার রতন বলেছিল।বাড়িতে পৌঁছেই রতনকে ধন্যবাদ দেবে সে!ও গরুগুলো নিয়ে নদী পার হচ্ছিল,এমন সময় ও এক বিকট আওয়াজ শুনতে পেল।তারপর হঠাৎ বুকে এক প্রচণ্ড ব্যাথা অনুভব করল,দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি পাচ্ছিল না।বুকের দিকে তাকিয়ে দেখে,ওর গেঞ্জিটা রক্তে ভিজে গেছে!ও নদীর পানিতে পড়ে গেল।পঞ্চগড়ের ছেলে রহিম জানতেও পারল না যে সে তার নিজের দেশ নয়,মারা গেছে ভারতের মাটিতে,ভারতে প্রবেশ করার অপরাধে!


গরুর পাল নিয়ে খুব খুশি মনে বাড়ির দিকে ফিরছিল রহিম।রহিম ভাবছিল, “এই গরুগুলো অনেক কম দামে পেয়েছি, বিক্রি করলে অনেক লাভ হবে!”এই জায়গার কথা ওকে এলাকার রতন বলেছিল।বাড়িতে পৌঁছেই রতনকে ধন্যবাদ দেবে সে!ও গরুগুলো নিয়ে নদী পার হচ্ছিল,এমন সময় ও এক বিকট আওয়াজ শুনতে পেল।তারপর হঠাৎ বুকে এক প্রচণ্ড ব্যাথা অনুভব করল,দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি পাচ্ছিল না।বুকের দিকে তাকিয়ে দেখে,ওর গেঞ্জিটা রক্তে ভিজে গেছে!ও নদীর পানিতে পড়ে গেল।পঞ্চগড়ের ছেলে রহিম জানতেও পারল না যে সে তার নিজের দেশ নয়,মারা গেছে ভারতের মাটিতে,ভারতে প্রবেশ করার অপরাধে!

আকলিমা খাতুনের কান্না কেউ আটকাতে পারছিল না!স্বামী-হারা এই মহিলার একমাত্র সম্বল ছিল তার ছেলেটা!সেই সুস্থ-সবল ছেলে নাকি মারা গেছে!তার মৃতদেহও নাকি তিনি দেখতে পাবেন না!তার ছেলের দেহ নাকি অন্য দেশের পুলিশ নিয়ে গেছে!তারাই আবার তার ছেলেকে মেরেছে ঐ দেশে না জেনে ঢুকে পড়ার জন্য!তিনি বুঝতে পারেন না,এটা কেমন কথা?এই দেশকে স্বাধীন করার জন্য তার বাপ-ভাই জীবন দিছেন,সে দেশে তার ছেলেকে ক্যামনে মারে?তার ছেলে তো কোন বড় দোষ করে নাই!যারা মারছে,তাদের নাকি বিচারও হবে না!এটা কেমন কথা!এই জন্যই কে তার বাপ-ভাই প্রাণ দিছেন?আকলিমা খাতুন আরও জোরে জোরে কাঁদেন,কিন্তু তার দুঃখ একটুও কমে না!

আক্কাস তারকাঁটা দেওয়া মাঠের পাশের রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল।সে খুব সাবধানে তারকাঁটা থেকে দূরে থেকে সাইকেল চালাচ্ছিল।কারণ,কিছুদিন আগের রহিমের কাহিনী সে জানে।তাই সাবধানতার কোন মার নেই!রাস্তার সামনে সে হঠাৎ করে কিছু অস্ত্রধারী খাকি পোশাক পড়া লোককে দেখতে পেল।
খাকি পোশাক পড়া লকগুলো ছিল বিএসএফের।তাদের তখন সেরকম কিছু করার ছিল না।তারা এই সীমান্ত এলাকায় বিনোদনের বড্ড অভাব বোধ করছিল!তারা একজন আরেকজনকে বলল,“এই দেখ!একটা বাংলাদেশী আসছে!তারা পরিষ্কার বাংলায় বলল,“চল আমাদের সাথে!”তারপর আক্কাস কিছু বলার আগেই ওকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে পেটে মারল,ও ব্যাথায় ককিয়ে উঠল!ও মাটিতে পড়ে গেল।ওকে ধরে নিয়ে যাওয়া হল বিএসএফ-এর ক্যাম্পে।তারপর অকারণে শুরু হল অকথ্য অত্যাচার!আক্কাসকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে পেটে,হাঁটুতে,কনুইয়ে,পায়ের পাতায়,হাতের উপর মারা হত।পানিভর্তি কাপড় দিয়ে তাকে মারা হত,তার মাথা নিচের দিকে দিয়ে পা দড়ি দিয়ে দেয়ালের সাথে বেঁধে মারা হত,ইলেকট্রিক শক দেওয়া হত,আরও কত কি যে এক সপ্তাহ ধরে করা হল,তার কোন সীমা-পরিসীমা ছিল না!এইরকম বর্বরতার কোন স্পষ্ট কারণও ছিল না!সাতদিন পর তাদের কি মনে হল,তারা আক্কাসকে ছেড়ে দিল।আক্কাসকে রাস্তার উপর পড়ে থাকতে দেখে ঐ এলাকার রহমত মিয়া ওকে বাড়িতে পৌঁছে দিল,তখন আক্কাসের গায়ে প্রচণ্ড জ্বর,গা পুড়ে যাচ্ছিল।ওর বাড়ির লোকজনের গত সাতদিনে চিন্তায় ঘুম হয়নি!ওর মা ওকে দেখেই কেঁদে উঠলেন!গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন তার ছেলেকে,সাথে সাথে তিনি চমকে উঠলেন তার ছেলের গরম গা দেখে।তিনি একটু ভাল করে লক্ষ্য করে দেখলেন যে,তার ছেলের সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ন।তিনি শিউরে উঠলেন!এরকম নির্দয়ভাবে মানুষ অকারণে অন্য কাউকে কিভাবে মারতে পারে?

আক্কাসকে মারার ভিডিও কিভাবে জানি ছড়িয়ে পড়ল।বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হল।পত্রিকা-টিভি চ্যানেলগুলো এই নিয়ে সংবাদ বের করতে লাগল।কিন্তু এত কিছুর পরও জড়িত সেনাদের কোন বিচার ভারত সরকার করল না।

রহমান সাহেব ৩১ বিজিবির নতুন কমান্ডার।এখন সীমান্তে যে অবস্থা,তাঁর কাজ সহজ হবে না!তিনি আজ বিজিবির কিছু সদস্যকে সাথে নিয়ে বিএসএফের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন।লম্বা এক কূটনৈতিক বৈঠকের পর বিএসএফ কর্মকর্তাদের লিডার মি.চক্রবর্তী অঙ্গীকার করলেন,“ওকে,উই উইল নট কিল এনি বাংলাদেশী এনিমোর।”রহমান সাহেব বললেন,“হ্যাপি টু হিয়ার দ্যাট,মি.চক্রবর্তী।হোপ ইউ উইল কিপ ইউর প্রমিস!”তারপর সবাই হ্যান্ডশেক করে বৈঠক শেষ করলেন।

২ সপ্তাহ পরঃ
মোমেনরা ক্রিকেট খেলছিল।মোমেনের ব্যাটিং করার সময় একটা বলে ছক্কা মারার পর বলটা তারকাঁটার ওপারে গিয়ে পড়ল।মোমেনের বুকে সাহসের কোন অভাব ছিল না,ও তারকাঁটার উপর দিয়ে গিয়ে বলটা আনতে গেল।সবাই ওকে মানা করছিল,কিন্তু ও ছিল বেপরোয়া ধরনের।তাই,কারো কথাই শুনল না!তারকাঁটা পার হয়ে মাটিতে সে পা দিয়েছে কি দেয়নি,ওর গায়ে হঠাৎ কোন জায়গা থেকে অনেকগুলো গুলি এসে লাগল!ওর ক্ষুদ্র শরীরটা মাটিতে নেতিয়ে পড়ল।ওর বন্ধুরা সবাই যে যেদিকে পারল,দৌড় দিল!
১ সপ্তাহ পরঃ
রহমান সাহেব ঢাকায় একটা ব্যক্তিগত কাজে গিয়েছিলেন,৮ দিন পর তিনি আজকেই প্রথম অফিসে আসলেন।অফিসে এসে তিনি ইব্রাহিম সাহেবকে তার অফিসে ডেকে পাঠালেন।তিনি বললেন,“কি অবস্থা,ইব্রাহিম?সবকিছু ভালো?”ইব্রাহিম সাহেব ইতস্ততভাবে বললেন,“না…মানে…স্যার…..আসলে…”-“কি হয়েছে?স্পষ্টভাবে বলুন!”-“স্যার,১ সপ্তাহ আগে এক কৃষকের ছেলে খেলতে খেলতে সীমান্তের ওপারে গিয়েছিল।তার উপর স্যার বিএসএফ ফায়ার করে!ছেলেটির বডি আর পাওয়া যায়নি,বিএসএফের লোকজন নিয়ে যায়!”-“কি!!!!ওরা তো কথা দিয়েছিল যে আর হামলা করবে না!!!!এরকম অঙ্গীকার ভঙ্গ করা!!!!এবার একটা কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে!!”-“স্যার,আরেকটা ব্যাপার ঘটেছে।”-“কি??”-“স্যার গত পরশু এক কৃষককে সীমান্তের কাছ থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।পরিবারগুলোর অবস্থা একদম ভালো নয়।”রহমান সাহেব খুব উত্তেজিতভাবে ঘরময় পায়চারি করে বেড়াচ্ছিলেন,তারপর বললেন,“দরজাটা লাগাও।”ইব্রাহিম সাহেব দরজাটা লাগালেন।–“এবার বস।”ইব্রাহিম সাহেব চেয়ারে বসলেন,রহমান সাহেবও তাঁর চেয়ারে বসতে বসতে বলতে শুরু করলেন,“তোমাকে যে আদেশগুলো এখন দেব,তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে!”-“অবশ্যই স্যার!”-“তবে,শোন……
এরপর রহমান সাহেব ইব্রাহিম সাহেবকে কি করতে হবে তা ভালমতো বুঝিয়ে দিলেন।রহমান সাহেবের বিশ্বাস,শুধুমাত্র এই কাজের মাধ্যমেই বিএসএফের অত্যাচার থামানো সম্ভব।

৩ দিন পরঃ
মাথায় পাগড়ি,মুখভর্তি দাড়ি,পরনে বিএসএফের খাকি রঙয়ের পোশাক পড়া এক শিক বিএসএফ অফিসার রহমান সাহেবের অফিসে তাঁর সামনে বসে ছিলেন।ছেলেটির বয়স খুব বেশি হবে না,বড়জোর দুই-তিন বছর যাবৎ চাকরিতে ঢুকেছে।তবে সে যে বেশ দক্ষ ও বুদ্ধিমান,তা রহমান সাহেব খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলেন।তা না হলে,এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁকে পাঠাতেন না বিএসএফের লোকজন।কথাবার্তা সব ইংরেজিতেই হল,তার বাংলা করলে যা দাঁড়ায়,তা হলঃ
রহমান সাহেব বললেন,“বলুন,আপনার জন্য কি করতে পারি,মি…?”-“আমার নাম রোহিত সিং।”-“বলুন,আপনার জন্য কি করতে পারি রোহিত?”-“আপনি ভালোমতোই জানেন যে এখানে আমি কেন এসেছি!”-“না,ঠিক বুঝতে পারছি না।যদি একটু পরিষ্কার করে বলতেন,তাহলে সুবিধা হত!” “আপনারা দুইজন ভারতীয়কে ধরে এনেছেন কেন?তারা কোথায়?তারা কেমন আছে?তাদের ওপর অত্যাচার করা হলে কিন্তু আপনি এবং আপনার লোকজন অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়বেন!!!এবং তাদের যদি মেরে ফেলেন,তাহলে এই সীমান্ত এলাকার সকল মানুষের সর্বনাশ হয়ে যাবে!!!”প্রচণ্ড উত্তেজিতভাবে রাগতস্বরে বললেন মি. সিং।–“আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর আমি কিছু প্রশ্ন দিয়েই দেই।আপনারা কেন দীর্ঘদিন ধরে আমার দেশের মানুষকে মেরে চলেছেন?কেন তাদের ধরে নিয়ে গিয়ে এত অত্যাচার করেন?তাদের দোষটা কি?তারা তো কেউ সন্ত্রাসী নয়!তারা সবাই সাধারণ মানুষ যারা কোনভাবে খেয়ে পড়ে বেচে থাকে!একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকের সাথে এমন আচরণ করার আপনাদের কোন অধিকার নেই!বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর এটি একটি আঘাত এবং এখন থেকে আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব!আপনারা একজনকে ধরে নিয়ে গেলে আমরা দুইজনকে ধরে নিয়ে যাব!আপনারা একজনকে খুন করলে আমরাও একজনকে খুন করব!আমরা আর বসে বসে এই অত্যাচার সহ্য করব না!!!অনেকবার আপনাদের সাথে চুক্তি করা হয়েছে,কিন্তু আপনারা তা ভেঙ্গেছেন!তাই এবার ইটের বদলে পাটকেল ছোঁড়া হবে!!!দুই ভারতীয় এখনও ভালোই আছে,তবে তারা ভালো থাকবে কি না সেটা আপনাদের উপর নির্ভর করে।আর কি জানি বললেন,বড় সমস্যা!সর্বনাশ!এখানকার মানুষ অনেক দিন ধরেই সমস্যার মধ্যে আছে,আমি তা সমাধান করতে চেষ্টা করছি!”-“আপনি কিন্তু খুব ভুল করছেন!!!!এর জন্য আপনাকে খেসারত দিতে হবে!!!”-“আপনি কি আমাকে হুমকি দিতে আমার অফিসে চলে এসেছেন?তাহলে আপনি এখন যেতে পারেন,আমার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে!”-“না!আমার আরও কথা আছে!আপনি দুই ভারতীয়কে ছেড়ে দিন!”-“আমি তো বলিনি যে তাদের ছাড়ব না!যখন দেখব যে,আমার কৃষক তার বাড়িতে সুস্থভাবে পৌঁছে গেছে,তখনই আমি আপনার দেশের লোকদের ছেড়ে দেব!খুব সহজ ব্যাপার!”-“আপনি যে আপনার কথা রাখবেন,তার প্রমাণ কি?”রহমান সাহেব হেসে ফেললেন,বললেন,“আমরা আপনাদের মত নই,কোন কথা দিলে তা রাখি।তবে আরেকটা ব্যাপার জেনে রাখুন,এরপর আমার দেশের মানুষ মারা গেলে বা তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হলে আজকের ঘটনার আবার পুনরাবৃত্তি ঘটবে!”কিছুক্ষণ চুপ করে বসে মি. সিং কি যেন ভাবেলন,তারপর বললেন,“ঠিক আছে,আজ থেকে আমরা আপনার দেশের মানুষকে আর আক্রমণ করব না।আশা করি,আপনারাও এরকম কিছু করবেন না!”তারপর দুজন দাঁড়িয়ে হ্যান্ডসেক করলেন।

এই ঘটনার পর আস্তে আস্তে সীমান্ত হত্যা এবং অত্যাচারের হার কমে আসে।সীমান্তে বসবাসকারী মানুষকে আর ভয়ে কুঁকড়ে থাকতে হয়নি!তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারে।তারা রহমান সাহেবকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারে না।রহমান সাহেবকে তাঁর কাজের জন্য সরকার থেকে পুরস্কৃত করা হয়,সারা দেশের মানুষের কাছে তিনি এক আদর্শ।এরকম সাহসী মানুষই বাংলাদেশের প্রয়োজন।

৮ thoughts on “সীমান্ত

  1. বিএসএফ বাঙালী মারবে, চৈনিক
    বিএসএফ বাঙালী মারবে, চৈনিক ইন্ডিয়ান মারবে, ইহুদিরা ফিলিস্তিনি মারবে, তুরস্ক সিরিয়ায় মর্টার ছোড়বে, মেরিনরা পাকি মারবে….,,,,! সবলরা দুর্বলদের আঘাত করবে এটা একটা চিরাচরিত নিয়ম এবং এই নিয়মটা চিরকালই চলবে।
    প্রশ্ন হল; এসব বন্ধ করার উপায় কি কিংবা কিভাবে এই আঘাতের হারটাকে কমিয়ে আনা যায়?
    সমাধান মাত্র একটাই এবং সেটা হল, নিজেদের দুর্বলতা কাটিয়ে সবল হবার পদ্ধতি গ্রহন করা।

    1. সবল হতে সময় লাগবে,ততদিনে অনেক
      সবল হতে সময় লাগবে,ততদিনে অনেক মানুষ মারা যাবে।তাই প্রয়োজন শাসক গোষ্ঠীর সাহসী পদক্ষেপ।

    1. দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা কাজে
      দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা কাজে দিচ্ছে কই?বাংলাদেশকে ভারত বারবার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তা ভঙ্গ করে!

  2. সবল দুর্বলকে আক্রমণ করবে ।
    সবল দুর্বলকে আক্রমণ করবে । এটাই নিরন্তন হয়ে আসছে।
    বাংলাদেশ যেদিন ইন্ডিয়ার চেয়ে উন্নত হবে সেদিনই এমন হত্যাকাণ্ড বন্ধের আশা করা যায়।
    এছাড়া কোন আলাপ আলোচনার মাধ্যমে হওয়ার সম্ভাবনা দেখি না। অনেক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু ফল শুন্য।

    1. হুম।সেদিন আসতে বহু দেরি!তার
      হুম।সেদিন আসতে বহু দেরি!তার আগেই আমাদের শাসকদের কঠোর হওয়া উচিত!তাহলে,ভারতের অত্যাচার কমতে পারে।কিন্তু বাংলাদেশ “জি হুজুর” মনোভাব বজায় রাখলে অত্যাচার বাড়তেই থাকবে!

    1. এরকম রহমান সাহেবকেই
      এরকম রহমান সাহেবকেই দরকার!কিন্তু তারা বর্তমানে আছেন কোথায়,তা বলতে পারব না!কাউকে না কাউকে ত রুখে দাঁড়াতেই হবে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *