সুবিচার ও অবিচার

রহিম ওর বাবার দিকে তাকিয়ে আছে।এই জীবনে ওর বাবাকে অনেক ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে ও দেখেছে।কঠিন সব সমস্যা।কিন্তু, কখনোই ও তাকে কাঁদতে দেখে নি!আজকে ওর বাবা অঝোরে কেঁদেই চলেছে!এই দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেও অনেক রকম অপমান সহ্য করতে হয়েছে,দেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা বারবার আস্ফালন দেখিয়েছে!এত কিছুর পর যখন দেখলেন,রাজাকারদের বিচার হচ্ছে,তখন তিনি কিছুটা শান্তি পেয়েছিলেন।আশান্বিতও হয়েছিলেন!এরপর দেখলেন,কসাই কাদের,যে কি না ৫০০র বেশি মানুষ খুন করেছে,তার যাবজ্জীবন হল!তিনি আবার আশাহত হলেন!কিন্তু,সাথে সাথেই তরুণ প্রজন্মের জাগরণ দেখলেন।

রহিম ওর বাবার দিকে তাকিয়ে আছে।এই জীবনে ওর বাবাকে অনেক ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে ও দেখেছে।কঠিন সব সমস্যা।কিন্তু, কখনোই ও তাকে কাঁদতে দেখে নি!আজকে ওর বাবা অঝোরে কেঁদেই চলেছে!এই দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেও অনেক রকম অপমান সহ্য করতে হয়েছে,দেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা বারবার আস্ফালন দেখিয়েছে!এত কিছুর পর যখন দেখলেন,রাজাকারদের বিচার হচ্ছে,তখন তিনি কিছুটা শান্তি পেয়েছিলেন।আশান্বিতও হয়েছিলেন!এরপর দেখলেন,কসাই কাদের,যে কি না ৫০০র বেশি মানুষ খুন করেছে,তার যাবজ্জীবন হল!তিনি আবার আশাহত হলেন!কিন্তু,সাথে সাথেই তরুণ প্রজন্মের জাগরণ দেখলেন।
৫ তারিখে রহিম যখন বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে বের হচ্ছিল,তখন ওর বাবা জিজ্ঞেস করল,“কোথায় যাস?”-“শাহবাগ।কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায়ের প্রতিবাদ করব,ডাক আসছে।”-“চুপ!এসব করে কিচ্ছু হবে না!কেউ যাবে না!নিজের কাজে মন দাও,ভালোমতো লেখাপড়া কর!”-“দেখি না,কিছু হয় কি না!চেষ্টা করতে দোষ কি?এরকম অবিচার মেনে নেওয়া যায় না!”তারপর রহিমেরা মিলে সবকিছু কাঁপায় দিল!আইন সংশোধন হল,জামাতিদের বুক কেঁপে উঠল!রহিমের বাবাও প্রতিদিন শাহবাগে গিয়ে স্লোগান দিয়েছেন,নতুন আশার আলো দেখতে পেয়েছেন!তারপর জল অনেক গড়াল,আস্তিক-নাস্তিক,হেফাজত ইত্যাদি ইত্যাদি।মঞ্চ কঠোর ভূমিকা ত্যাগ করে কেমন জানি চুপসে গেল!জামাত নিষিদ্ধ হবে কি!বরং তাদের আস্ফালন আরও বাড়তে লাগল!স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকের গুণগান করলেন,সরকারের বৈঠকের খবর পাওয়া গেল জামাতের সাথে,গোলাম আযমের ফাঁসি হল না,রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমার ক্ষমতা রহিত করা হল না ইত্যাদি ইত্যাদি!
তার ফলশ্রুতিতেই আজকের দিন!রহিমের বাবার কান্নার দিন!রহিম বের হয়ে পড়ল।সে কি করবে ঠিক বুঝতে পারবে না!খুব অসহায় লাগে!তার বাবারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল।কিন্তু সেই স্বাধীন দেশে দুঃখ-কষ্ট ছাড়া আর কিইবা পেয়েছেন তারা?ওর কি কিছুই করার নেই?কোনভাবেই কি ও পারে না বাবার দুঃখ লাঘব করতে?চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় ও ভাবে,“না,আমায় কিছু একটা করতেই হবে!”

রহিম দাঁড়িয়ে আছে জটলার বাইরে।সামনে অনেক মানুষের ভিড়,পুলিশ,র‍্যাব,টিভি ক্যামেরা,সাংবাদিক প্রভৃতি মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন।রহিমের কোন বিকার নেই।ও ঠায় তাকিয়ে আছে জটলার দিকে।পকেটে হাতটা ঢোকাল,বের করল পিস্তলটা,তারপর ঠাস করে গুলি করে বসল,এসবই হল ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যে।ওর নিশানা ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো।শুটিং করত এক সময়,ওর কোচ বলেছিল যে ওর ভবিষ্যৎ উজ্জল।কিন্তু বাংলাদেশে যা হয়!পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে খেলা ছেড়ে দেয় একসময়!তাই নিশানা ভেদ করতে কোন সমস্যাই হয় নাই।একদম মগজে!তারপর যা হবার তাই হল।সব টিভি ক্যামেরা ওর দিকে তাক করা,সব মানুষ ওর দিকে হতবাক চোখে তাকিয়ে আর একই সময়ে র‍্যাব-পুলিশ হন্তদন্ত হয়ে ওকে ঘিরে ফেলল!ও গুলি ছোঁড়ার পর ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল,এক পাও নড়ে নি।পালাবার কোন চেষ্টা করে নি।তাকিয়ে ছিল ওর নিশানার দিকে আর ঠোঁটের কোণে ছিল এক চিলতে হাসি।পুলিশ বলল,“পিস্তল ফেলে দাও!না হলে আমরা গুলি করতে বাধ্য হব!”ও পিস্তল ফেলে দিল,ওর হাতে হাতকড়া পড়িয়ে দিল পুলিশ।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে রহিম।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তার যুক্তি প্রদান শেষ করলেন।রহিমের কোন আইনজীবী নাই।রহিম কোন আইনজীবী নেয় নাই।সে ভালোমতোই জানে,তার জন্য কি অপেক্ষা করছে আর তার জন্য সে প্রস্তুত।আদালতের এই কক্ষে খুব বেশি মানুষ নেই।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা,কোর্টের কর্মচারীরা আর মহামান্য আদালত।এর বাইরে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয় নি।রহিমের বাবা-মাও ঢোকার অনুমতি পায় নি।এই মামলার বিচারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার কোন ত্রুটি রাখা হয় নি।মহামান্য আদালত রহিমকে জিজ্ঞেস করলেন,“আপনি কোন আইনজীবী নিয়োগ দেন নি।আপনি কি নিজেই নিজের আত্নপক্ষ সমর্থন করবেন?”-“মহামান্য আদালত,আমি জানি,আমার শাস্তি হবে খুনের অপরাধে।সেই শাস্তি এড়ানোর কোন সুযোগ আমার নেই।তবে,এজন্য আমি বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নেই।আমাকে আবার এমন পরিস্থিতিতে ফেলা হলে আমি আবার তাই করব!”-“তার মানে আপনার আর কিছু বলার নেই।”-“না,মহামান্য আদালত,আমার এখনও কিছু কথা বলার আছে।যখন আমি দেখলাম,’৭১ এর রাজাকারদের মাষ্টারমাইন্ড গোলাম আযমকে রাষ্ট্রপতি সাধারণ ক্ষমা করেন,সেই দুর্ধর্ষ রাজাকার আবার বাংলার মাটিতে মুক্ত হবার সুযোগ পায়,তখন থেকেই আমার মাথা আসলে খারাপ হয়ে যায়।এই জিনিসটার ভয়ই আমরা বিচারের শুরু থেকে পাচ্ছিলাম এবং তাই সত্যি হয়ে গেল!যেই নরপিশাচের জন্য একমাত্র উপযুক্ত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড,তার রায় হয়েছিল ৯০ বছরের কারাদণ্ড,বয়সের জন্য!সেই বিষয়টা মেনে নেওয়া অনেক কঠিন ছিল!কিন্তু তারপর যখন এই নরপিশাচের মুক্তির কথা শুনলাম,সেটা আর মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না!নিজেকে এই বাংলার শহীদদের কাছে অনেক ছোট মনে হচ্ছিল!তারা কি এই দিনের জন্য প্রান দিয়েছিলেন?আমার মুক্তিযোদ্ধা বাবার দিকে আমি তাকাতে পারতাম না!তাই,তাদের ঋণ শোধ করার জন্য আমার যা করার দরকার ছিল,আমি তাই করেছি!গোলাম আযমের মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করেছি!জনতার আদালতে সেই ’৯২ সালেই গোলাম আযমের মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়ে গিয়েছিল!এই কাজ আমি হাজারবার করতে রাজি আছি!”-“চুপ!মহান অধ্যাপক গোলাম আযমকে হত্যা করে এত বড় বড় কথা!”এই কথা বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রহিমের দিকে তেড়ে গেল!রহিম তার মুখে থুথু ছিটিয়ে দিল!অন্য আইনজীবীরা তাকে থামাল।বিচারক বললেন, “শান্ত থাকুন!আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না!অপরাধের বিচার আদালত করবেন!”-“ধন্যবাদ,মহামান্য আদালত!আইনের প্রতি আমাদের বিশ্বাস রয়েছে!”এই কথা শুনে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল রহিম।সবাই ওর দিকে তাকিয়ে রইল।

সংবাদ পাঠিকাঃ“অধ্যাপক গোলাম আযমকে হত্যার দায়ে রহিম নামক সন্ত্রাসীর ফাঁসির আদেশ হয়েছে।বিশৃঙ্খলা রোধে তার অবস্থান এবং তার ফাঁসির দিন-তারিখ সম্পর্কে গোপনীয়তা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এদিকে এ ফাঁসির রায়ে বিক্ষুব্ধ মানুষ পথে নেমে এসেছে।এখন আমরা যাচ্ছি আমাদের রিপোর্টারের কাছে যিনি শাহবাগে অবস্থান করছেন।”
রিপোর্টারঃ“এখন আমি কথা বলব একজন মুক্তিযোদ্ধার সাথে,স্যার,চলমান বিষয়গুলোর উপরে কিছু বলুন।”-“গোলাম আযমের মত একজন অপরাধীকে খুনের দায়ে ফাঁসি কখনই হওয়া উচিত নয়।বরং গোলাম আযমের মত অপরাধী কিভাবে ছাড়া পায়,সে জিনিসটাই আমাদের কাছে বোধগম্য হয় নি।আমরা মানি,কাউকে হত্যা করা উচিত নয়।তবে,আমরা এটাও মনে করি,স্বাধীনতার এত বছর পরেও যখন বাঙালীর এই চিরশত্রুর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যায় নাই,বরং তাদের “সাধারণ ক্ষমা” প্রদর্শন করা হয়,তখন এরকম কিছু ঘটারই ছিল।বাঙালী অনেক ধৈর্য ধরেছে,কিন্তু সে ধৈর্যের বাধ ভেঙ্গে গেছে!একাত্তরের সব হায়েনাদের নিশ্চিহ্ন করার সময় এসেছে!তাদের শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত বাঙালী ঘরে ফিরবে না!”-“দর্শক,শুনছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধার অভিমত।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে রহিমের কোর্টে দেওয়া একটি বক্তব্য প্রকাশিত হবার পর মানুষ আরও বেশি উজ্জীবিত,তারা যেকোনো মূল্যে এই ফাঁসি আটকাতে চান….”
হঠাৎ একটা শব্দ হল,অনেক ধোঁয়া।তারপর,গুলির শব্দ।যে যেদিকে পারল,পালাল।বাকের মিয়া পালাতে পারলেন না।তার বুকে গুলি লাগল,তিনি পড়ে গেলেন।যেই দেশকে স্বাধীন করতে জীবন বাজি রেখেছিলেন,সেই দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে গিয়ে তাকে প্রান দিতে হল।এজন্যই কি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন তিনি?তবে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তেই তার মনে পড়ে গেল রহিমের কথা।না,যতদিন রহিমের মত ছেলেরা আছে,ততদিন তাদের আত্নত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে পারে না!
বাকের মিয়ার মত অনেকেই মারা গেলেন!সরকার খুশি,এদের থামানো ত গেছে!এবার ফাঁসিটা তাড়াতাড়ি কার্যকর করতে হবে!

রহিম তার বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবছিল,এ জীবনে কোন আফসোস আছে কি না।তার বাবা-মাকে দেখে রাখার জন্য ছোট ভাইটা আছে।ওদের রহিমের জন্য অনেক কষ্ট হবে,কিন্তু ঠিকই মানিয়ে নেবে।ওর বন্ধুরাও ওকে মিস করবে।কিন্তু সবাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে,এটাই বাস্তবতা।রহিম ভেবেছিল,আইনজীবী হয়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করবে সবসময়,তা হল না।তবে যা হল,তাই বা খারাপ কি!আল্লাহর দরবারে ওর কি শাস্তি হবে ও জানে না,হয়তো জাহান্নামে যাবে।সম্ভবত গোলাম আযমের সব পাপের বোঝা ওর হয়ে যাবে,সেদিক দিয়ে চিন্তা করলে ও বোকামি করেছে।কিন্তু,এত কিছু চিন্তা করলে ত আর হয় না!গোলাম আযমের শাস্তি প্রাপ্য ছিল আর ও তাই দিয়েছে!আবার সুযোগ পেলে আবার দিত!অন্য রাজাকারগুলোকে শাস্তি দিতে পারলেও মন্দ হত না!কিন্তু এ জীবনে আর সুযোগ কই?দীর্ঘশ্বাস ফেলল রহিম!জেলার এসে বলল,“রহিম,তোমার ফাঁসির সময় এসেছে।তুমি প্রস্তুত?”-“অবশ্যই!আমি অনেকদিন ধরেই অপেক্ষা করছিলাম!”তার সেলের তালা খুলে ওর হাতে হাতকড়া লাগানো হল,তারপর হঠাৎ করেই সবাই ওকে মারা শুরু করল।মেরে মেরে আধমরা করে ফেলল!তারপর ওকে নিয়ে যাওয়া হল ফাঁসিকাষ্ঠের কাছে।ওর মাথায় কালো কাপড় বাঁধা হল,ওর গলায় দড়ি লাগিয়ে দেওয়া হল।
এখন শুধু জেলারের হুকুমের অপেক্ষা।তাহলেই এই বাংলার মাটিতে ফাঁসি হবে রহিমের।সেই বাংলার মাটিতে,যেখানে রাজাকারেরা বারবার দম্ভ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়,তাদের ফাঁসি কখনোই হয় না!

১৫ thoughts on “সুবিচার ও অবিচার

  1. সম্পূর্ণ ব্যাপারটা চোখের
    সম্পূর্ণ ব্যাপারটা চোখের সামনে ভেসে উঠল।আর নিজেকে মনে হচ্ছিলো রহিম।সত্যি বলতে গোলাম আজমের রায় শুনে আমারো রহিমের মতো ইচ্ছা হয়েছিলো।খুব ভালো।একদম মনের কথাগুলো তুলে দিছেন। :মুগ্ধৈছি:

  2. এক অদ্ভুত অস্থির সময়ের আবর্তে
    এক অদ্ভুত অস্থির সময়ের আবর্তে আমরা ঘুরপাক খাচ্ছি … হয়তো এরকম রহিম হাজার হাজার আছে তৈরি হয়ে । স্তুপকৃত বারুদের ভেতর একটি জ্বলন্ত দেয়াশলাই কাঠি যথেষ্ট ।

    1. স্তুপকৃত বারুদের ভেতর একটি

      স্তুপকৃত বারুদের ভেতর একটি জ্বলন্ত দেয়াশলাই কাঠি যথেষ্ট ।

      অসাধারণ বলেছেন…

  3. হুবহু একটা গল্প ইস্টিশন
    হুবহু একটা গল্প ইস্টিশন ব্লগের একজন নারী ব্লগার জনাবা, মাশিয়াত খাঁন কয়েকদিন আগে লিখেছেন এই ব্লগেই।
    আপনার গল্পটা অনুকরন কিনা জানিনা তবে ঐ গল্পের তুলনায় কিছুটা এলোমেলো লেগেছে ।গল্পটা যদিও কাল্পনিক তবুও মুল থিমটা দারুন লেগেছে ।
    শুভকামনা।

  4. একই থিমে আরেকটি গল্প দেওয়া
    একই থিমে আরেকটি গল্প দেওয়া হয়েছে কিছুদিন আগে। সেটা চমৎকার ছিল।
    আপনারটাও হয়েছে মোটামুটি।

  5. ই ঘটনার পর আস্তে আস্তে
    ই ঘটনার পর আস্তে আস্তে সীমান্ত
    হত্যা এবং অত্যাচারের হার কমে আসে।
    সীমান্তে বসবাসকারী মানুষকে আর
    ভয়ে কুঁকড়ে থাকতে হয়নি!
    তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারে।
    তারা রহমান সাহেবকে এক মুহূর্তের জন্যও
    ভুলতে পারে না।রহমান সাহেবকে তাঁর
    কাজের জন্য সরকার থেকে পুরস্কৃত
    করা হয়,সারা দেশের মানুষের
    কাছে তিনি এক আদর্শ।এরকম
    সাহসী মানুষই বাংলাদেশের প্রয়োজন”

    হাসিনার কাছে এত আশা করা কি ঠিক হল? আমার তো মনেহয় উল্টা রহমান সাহেব কে পুরষ্কার এর বদলে ভারত পাঠাবে বিচারের জন্য।

    1. এই বক্তব্যটা বোধহয় অন্য গল্পে
      এই বক্তব্যটা বোধহয় অন্য গল্পে যাবে।
      তবে হ্যাঁ,ঠিকই বলেছেন।সরকারের কাছ থেকে বেশি প্রত্যাশা করা যায় না।

  6. আপনার গল্পের শিরোনাম হয়ে গেছে
    আপনার গল্পের শিরোনাম হয়ে গেছে প্রবন্ধের শিরোনামের মত!
    গল্পের চেতনাগত দিক নিয়ে কোন কথা হবে না- :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. হুম শিরোনাম দেখে আমিও
    হুম শিরোনাম দেখে আমিও ভেবেছিলাম প্রবন্ধ। যাই হোক, সাহিত্য বিচারের দিকে যাচ্ছিনা। কারন এই গল্পের মূল জিনিস হচ্ছে এর স্পিরিট। স্যালুট :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *