আস্তিকরা সাবধান !! ইসলামে নারীর মর্যাদা।

প্রথমেই বলে রাখি আস্তিকরা হয়ত এই লেখা দেখে চিল্লাবে।এই পোস্ট ব্যান করতে বলবে।আমার নিক ব্যান করতে বলবে।তোদের জন্য একটাই কথা,তোদের চো** টাইম নাই।
ইসলামে নারীর সম্মান

নারীর অবস্থান পুরুষের নিচে

(Quran 4:34,
2:228)


তাদের মর্যাদা পুরুষের অর্ধেক

(Quran 2:282,
4:11 Sahih Bukhari 3:48:826, 1:142)



প্রথমেই বলে রাখি আস্তিকরা হয়ত এই লেখা দেখে চিল্লাবে।এই পোস্ট ব্যান করতে বলবে।আমার নিক ব্যান করতে বলবে।তোদের জন্য একটাই কথা,তোদের চো** টাইম নাই।
ইসলামে নারীর সম্মান

নারীর অবস্থান পুরুষের নিচে

(Quran 4:34,
2:228)


তাদের মর্যাদা পুরুষের অর্ধেক

(Quran 2:282,
4:11 Sahih Bukhari 3:48:826, 1:142)


নারী পুরুষের যৌন দাসী

(Ibn Hisham-al-Sira
al-nabawiyya Quran 4:251)


তারা পুরুষের অধিকৃত সম্পত্তি

(Sahih Bukhari
5:59:524)


তারা কুকুরের সমতুল্য

(Sahih Bukhari 1:9:490,
1:9:493, 1:9:486 Sahih Muslim 4:1032,
4:1034, 4:1038-39 Abu Dawud 2:704)


ভালোবাসার অযোগ্য

(Sahih
Bukhari 7:62:17
Abu Dawud 41:5111)


তাদের বন্ধক রাখা যায়

(Sahih Bukhari
5:59:369)


রজ্বচক্র চলাকালীন
তারা অপবিত্র

(Quran
2:222 Al-Tabari Vol.1 p.280)

হজ্ব
করার
অযোগ্য

(Sahih Bukhari 1:6:302)


তারা নিকৃষ্ট

(Sahih Bukhari
9:88:219)

বুদ্ধিহীন

(Sahih Bukhari 2:24:541)

অকৃতজ্ঞ

(Sahih
Bukhari 1:2:28)

খেলার পুতুল

(Al-
Musanaf Vol.1
Part 2 p.263)

হাড়ের মত
বক্রতা যুক্ত

(Sahih
Muslim 8:3466-68 Sahih Bukhari
7:62:113,
7:62:114, 4:55:548)

১০
তারা পুরুষের চাষযোগ্য ক্ষেত্র

(Quran 2:223
Abu Dawud 11:2138)

১১
তারা শয়তানের রূপ

(Sahih
Muslim 8:3240)

১২
তাদের মাঝে নিহিত
আছে যাবতীয় খারাপ

(Sahih
Bukhari 4:52:110, 4:52:111)

১৩
তারা বিশ্বাস ঘাতক

(Sahih
Bukhari 4:55:547)

১৪
পুরুষের জন্যে ক্ষতিকারক

(Sahih Bukhari
7:62:33)

১৫
নেত্রিত্ব দেওয়ার অযোগ্য

(Sahih Bukhari
9:88:219)

১৬
প্রার্থনা ভঙ্গ হওয়ার কারন

(Sahih Bukhari
1:9:490, 1:9:493)

১৭
স্বামীর যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে তারা বাধ্য

(Sahih Muslim
8:3368)

১৮
পুরুষ কত্রিক ধর্ষনের অনুমোদন

(Quran
70:29-30 Abu Dawud 11:2153,
31:4006 Sahih
Bukhari 5:59:459 Sahih Bukhari
8:77:600,
8:3432, 8:3371)

১৯
স্বামীর বাধ্য
না হলে তাদের প্রার্থনা গৃহিত হবে না

(Muslim Scholar Al-Suyuti
while
commenting on Quran 4:34 Mishkat
al-
Masabih Book I, Section ‘Duties of
husband
and wife’, Hadith No. ii, 60)

২০
পুরুষ পারবে চারজন নারীকে বিয়ে করতে

(Quran
4:3)

২১
তালাকের অধিকার
রয়েছে শুধু পুরুষেরই

(Sahih
Bukhari 8:4871-82 Mishkat al-
Masabih, Book
1, duties of parents, Hadith No. 15)

২২
স্ত্রীর গায়ে হাত তোলার অধিকার
রয়েছে পুরুষের

(Quran 4:34 Sahih
Muslim
4:2127)

যার কারনে কোন জবাব চাওয়াহবে না

(Abu Dawud
11:2142)

২৩
বেহেস্তে পুরুষের
জন্যে রয়েছে বহু (Virgin)
রমনী সম্ভগের ব্যাবস্থা

(Quran 33:48, 44:51-54,
55:56-58, 78:31-35 Ibn Kathir Tafsir
of 55:72
Sahih Muslim 40:6795, 40:6796
Sahih Bukhari
4:54:476 Al-Tirmidhi, Sunan. Vol.
IV Chap. 21
Hadith: 2687 Sunan Ibn Maja, Zuhd-
Book of
Abstinence 39)

২৪
শুধুমাত্র নীরবতাই তাদের বিয়ের সম্মতি

(Sahih
Bukhari 9:86:100, 9:86:101, 9:85:79)

২৫
স্বামীর অনুমতি ব্যাতিত অন্য পুরুষের
কাছাকাছি হওয়া নিষিদ্ধ

(Sahih Bukhari 4:52:250)

২৬
তাদের একমাত্র কাজ পুরুষের সেবা করা

(Mishkat al-Masabih,
Book 1, Duties
of Husband and Wife, Hadith
Number 62
Mishkat al-Masabih, Book 1, duty
towards
children Hadith Number 43)

২৭
সর্বদা নিজেদের আবদ্ধ রাখতে হবে পর্দায়

(Sahih Bukhari 5:59:462, 6:60:282)

২৮
মৃত্যুর পর তাদের অধিকাংশের
জন্যে রয়েছে দোজখের আগুন

(Sahih Muslim
36:6596, 36:6597 Sahih Bukhari
7:62:124,
1:2:29, 7:62:124, 2:18:161)

এর পরেও কি মনে হয় ইসলাম আপনাকে (for women) দেয় সামান্যতম সন্মান ?

৭৩ thoughts on “আস্তিকরা সাবধান !! ইসলামে নারীর মর্যাদা।

      1. যে লিখল সে ড্রাঙ্ক না, যে কোট
        যে লিখল সে ড্রাঙ্ক না, যে কোট করল সেই ড্রাঙ্ক…
        হাইরে বিশ্বাস! নিজের উপরই বিশ্বাস নেই এই শ্রেণীর মানুষের!!

  1. আমি লেখাটা পুরো পড়িনি, প্রথম
    আমি লেখাটা পুরো পড়িনি, প্রথম লাইন
    পড়েই বুঝতে পারলাম,
    আপনি কি বলতে চেয়েছেন। যাই হোক,
    আপনি বলেছেন, ” নারীর অবস্থান
    পুরুষের
    নিচে (Quran 4:34,
    2:228) ”
    আমি কুরআন ঘেঁটে দেখলাম,
    আয়াতটা এরকম, “পুরুষেরা নারীদের উপর
    কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের
    উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
    এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয়
    করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয়
    অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য
    করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও
    তার হেফাযত করে। আর যাদের
    মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের
    সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর
    এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য
    হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য
    কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয়
    আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।”
    আপনি লেখাটা আসলে বুঝেন ই না।ইষ্টিশনে স্বাগতম

    1. “পুরুষেরা নারীদের
      “পুরুষেরা নারীদের উপর
      কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের
      উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
      এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয়
      করে। “— এই লিখাটা আপনি আপনার মা, আত্মীয় বা বোনকে বলেন যে, সংসদে এইভাবে আইন করা হলে তোরা কি করবি? তারপর বুঝতে পারবেন এমন সুত্র বা মূলনীতিতে যে জীবন বিধান তা কতটা আগ্রহঞ্জগ্য নারীর কাছে…

  2. আপনি প্রতিটি আয়াতের আগের অংশ
    আপনি প্রতিটি আয়াতের আগের অংশ ও পিছের অংশ বাদ দিয়ে গলাবাজি করতেছেন?উদাহরনঃ
    [হজ্ব
    করার
    অযোগ্য]

    এখানে লাইনটা এমন ও তো হতে পারে, ১/ঋতুস্রাব চলাকালীন মেয়েরা [হজ্ব
    করার
    অযোগ্য]বলে বিবেচিত হবেন ।
    ২/যারা ঋনগ্রস্ত তারা[হজ্ব
    করার
    অযোগ্য]।
    ৩/সন্তান জন্মদানের ৪০দিনের ভিতর নারীরা[হজ্ব
    করার
    অযোগ্য]থাকবেন ।ইত্যাদি ইত্যাদি ।

    জনাব ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক,(প্রকৃত নাস্তিকরা ধর্মবিদ্বেষী নয়) ক্ষমতা থাকলে পুরো সুরা কোট করে শানে নুযুল সহ দেখিয়ে দিন ঐ যায়গায় ভুল আছে ।

    পরিশেষে… নাস্তিক চোদারও টাইম নাই ।

    1. “১/ঋতুস্রাব চলাকালীন মেয়েরা
      “১/ঋতুস্রাব চলাকালীন মেয়েরা [হজ্ব
      করার
      অযোগ্য]বলে বিবেচিত হবেন ।”
      — আপনি নারী হলে এই কথা আপনি হজম করতে পারতেন?
      দেখেন ঐ সময় আমরা নারীরা অপবিত্র হই না। আপনাদের মত অন্ধকারাচ্ছন্ন পুরুষ আর তাদের গুরুরাই একমাত্র এমন কথা বলতে পারে আর সর্বোত্তম জীবন বিধান বলে চালায় দিতে পারে…

      1. ঋতুস্রাব চলাকালীন নারী
        ঋতুস্রাব চলাকালীন নারী শারিরীক ভাবে সক্ষম হয় না হজ্ব এর মতে কঠিন ইবাদতে লিপ্ত হতে।ইসলাম এমন সব বিষয়কে নিষিদ্ধ করেছে যা মানুষের ক্ষতি করে।ধরুন এই মদের কথা এক সময় নিষেধ ছিল না।যখন লোকেরা মাতাল হতে থাকলো তখন নিষিদ্ধ হয়ে গেল।এক সময় দাসীদের সাথে সঙ্গম করা বৈধ ছিল।কিন্তু পরে সেটা অবৈধ করে দেয়া হয়েছে।ইসলামে চারটা বিয়ে মন্জুর করা হয়েছে তখন আরো অধিক বিয়ে প্রচলিত ছিল।এখন যে কোন ইসলামী চিন্তাবিদ চাইলে ইজমা,কিয়াস করে বহু বিবাহ তুলে দিতে পারে।ইসলাম সে অধিকার দিয়েছে।যত গুলো উক্তি তুলে ধরলেন এর প্রমান চাইতে বেশি দূরে নয় আপনি যদি বিবাহিত হন তবে স্ত্রীর কাছে যান।আপনাদের সম্পর্ক কতটা মধুর তা আমার জানা নেই।তবে এই একটা উক্তি প্রেমময় মুহূর্তে স্ত্রীর উপর প্রয়োগ করুন আর দেখুন আপনার প্রেয়সীর প্রেম কতটা উথলে উঠে।আল কুরআন হলো এমনি একটা রহস্য যা সব সমস্যার শুধু সমাধান ও দেয় না।আপনার সম্পর্ককে মধুর করার ভীত ও গড়ে দেয়।তবে আপনার সেই দৃষ্টি ও যোগ্যতা থাকতে হবে।কেননা আল্লাহপাক বলছেন আমি তাদের চোঁখ অন্ধ করে দিয়েছি।অন্তরে তালা মেরে দিয়েছি।কর্ন সিলগালা করে দিয়েছি এরা শুনবেনা এরা দেখবেন।এদের অন্তরে সিলমোহর মেরে দিয়েছি এরা বুঝবেনা।

  3. মাস্টারদা আপনাকে বলছি এমন
    মাস্টারদা আপনাকে বলছি এমন পোস্ট দিলে হয়তো অনেক হিট পাবেন তবে কাজের কাজ কিছুই হবে না।
    কারণ, আপনার লিখা নাস্তিককে আরও নাস্তিক আর ধর্ম বিদ্বেষী করবে আর
    ধার্মিককে আরও ধার্মিক আর তেঁতুলবীদ করবে…
    যারা এইটাকে আসমান থেকে অবতীর্ণ হয়েছে ভাবছেন বা বিশ্বাস করহে তাদের আপনি কীভাবে বুঝাবেন?
    আপনার লিখনি হতে হবে “আমার ঈশ্বরে অবিশ্বাসের কারন(পর্ব-১)” এই লিখাটির মত! তাহলে আপনি আরেকজনের বিশ্বাসের গোরায় ফাটল ধরাতে পারবেন…
    এমন লিখা শুধুই অনিক-ফয়সালদের আহত করবে আর রাজীবদের শহীদ করবে কাজের কাজ কিছুই হবে না…

  4. আপনি ভুল তথ্য দেন নি , ঠিক
    আপনি ভুল তথ্য দেন নি , ঠিক আছে। ধর্মগ্রন্থের অসাড়তা ধর্মগ্রন্থের ভেতরেই পাওয়া যায়।
    কিন্তু একটা জিনিশ মাথায় রাখতে হবে আপনি বিশ্বাসীদের গালি দিয়ে কিছু বলতে পারেন না। আপনি শুরুতেই অশ্লীল ভাষায় আক্রমণাত্মক কথা দিয়ে শুরু করেছেন।

    ** টাইম নাই

    মনে হচ্ছে যেন আপনি ঝগড়ায় নেমেছেন। এভাবে লিখলে আপনার নিজের লেখারই মান খারাপ হয়। ভেতরে আপনি যতই যুক্তি দেখান না কেন আপনি যদি সুন্দর ভাবে উপস্থাপন না করতে পারেন লেখা বৃথা।
    আপনি যুক্তি দেখাবেন কিন্তু এটা আশা করলে হবে না যে আপনার যুক্তিতে সবাই নাস্তিক হয়ে যাবে। যার ইচ্ছে সে নাস্তিক হবে যার ইচ্ছে সে আস্তিক থাকবে। কারো উপর জোর করতে পারবেন না। আপনার গালি দেওয়াতে মনে হচ্ছে সব আস্তিককে আপনি ঘৃণা করেন! কিন্তু এটা একজন যুক্তিবাদী মানুষের ব্যবহার হতে পারে না। কারো বিশ্বাস অবিশ্বাসে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। হস্তক্ষেপ করে ধর্মান্ধরা মৌলবাদীরা। নাস্তিক্যবাদ মৌলবাদ না। কিন্তু আপনাদের মতো কিছু মানুষ এমন শব্দ ব্যবহার করে নাস্তিক্যবাদকে দূষিত করে। ভুল বুঝে মনে করে নাস্তিক মানেই খারাপ, উগ্র। কিন্তু আসল হচ্ছে নাস্তিক্যবাদ কখনই উগ্র নয়। আপনি ভদ্র ভাষায় যৌক্তিক লেখা লিখুন।
    দয়া করে অভদ্র ভাষা ব্যবহার করে নাস্তিক্যবাদকে দূষিত করবেন না। এবং ব্লগকে দূষিত করবেন না।

    আর হ্যাঁ, হাইপেশিয়া উপরে উল্লেখ করেই দিয়েছে কীভাবে লেখা উচিত। আশা করি ওই লিঙ্কে গিয়ে পড়ে নিবেন।

    1. এই ব্যাপারে আমিও একমত। এইভাবে
      এই ব্যাপারে আমিও একমত। এইভাবে আক্রমন করে লেখা শুরু করলে অনেকে মনে করতে পারে যুক্তির চেয়ে ইমোশনকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
      লেখার বিষয়টা ভালো কিন্তু কাজ কম করা হয়েছে। ভাসা ভাসা লেখা হয়েছে। আরো ডিটেইল লিখলে অসাধারন লেখা হতে পারতো এটা

      1. শামীমা মিতু এখানে আমি যদি ও
        শামীমা মিতু এখানে আমি যদি ও কথাটা না বলতাম মাওলানারা এতক্ষনে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দিত

  5. আমি মুসলিম নই তবুও কিছু
    আমি মুসলিম নই তবুও কিছু প্রশ্নের উত্তর চাই আপনার কাছে
    আচ্ছা আপনি কি সেই ধর্মের কথা বলছেন যার মহা মুল্যবান আকাঙ্ক্ষা বেহেস্ত যা কিনা বলা হয় মায়ের পায়ের নিচে। মা ও তো একজন নারী?

    আর একটা ছোট গল্প বলি
    এক লোক নাম মফিজ, সে আরেক মেয়ে কে যেয়ে বলল আপনার স্বামী আরেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক করবে।
    সেই মেয়ে তো রেগে মেগে অস্থির ! স্বামী কে যেয়ে বলল তুমুল ঝগড়া, স্বামী বলল তোমাকে এই কথা কে বলছে যে আমি এই কথা বলেছি। এক পর্যায়ে স্ত্রী মফিজের কথা বলে দিল।
    তারা মফিজের কাছে গেল বলল ঐ মিয়া আমি আপনারে কি করে বলেছি যে আমি আরেক টা সম্পর্ক করব?
    আমি বলেছি যে আমার স্ত্রী যদি কারো সাথে সম্পর্ক করে আমি ও করব, এটা তো মজা করেই বলেছি। মফিজ বলল হ্যা আমি কি বলেছি নাকি বলেন নাই?
    স্ত্রী তখন বলল মফিজ মিয়া আপনি তো এই কথা বলেন নাই এই কথা বলে কথা কোন দিকে যায় আর এখন কোন দিকে গিয়েছিল!

    তেমন আপনি যা যা বলেছেন তার আগের এবং পরের কথার উপর নির্ভর করে এই কথা!! কিছু দিন আগে আমাদের বিরোধি দলীয় নেতা সরকার পতন করবে এই প্রসঙ্গে বলেছিল তখন কোন দিক দিয়ে পালাবেন সব রাস্তা বন্ধ করে দিব! এই টা যদি আগে টা না বলা হয় মনে হবে যেন তাদের উপর হামলা করবে পালাতে দেবে না!!

    আর হাইপেশিয়া কথা ঠিক বলেছে এই লিখার মাধ্য মে আস্তিকেরা আস্তিক ই হবে বরং তাদের বিস্বাস আরো তীব্র হবে। এই পর্যন্ত ঠিক। আপনার এই কথায় আমার কিছুই যায় আসে না।
    আমার কথায় আপনি আস্তিক হবেন না আপনার কথায় ও আমি নাস্তিক হব না !!

        1. গরু মেরে জুতা দান থেকেও খারাপ
          গরু মেরে জুতা দান থেকেও খারাপ অবস্থা…
          অপু দশ – বিশ করে বেছে নিবেন, অধিকারভুক্ত দাসীর মধ্যে বেছে নিবেন,
          এক – দুই – তিন বা চার যদি মনে করেন আপনি সমধিকার নিশ্চিত করতে পারবেন… লুলায়িত সব নিয়ম! মেয়েকে মানুষই মনে হল না!
          শস্যক্ষেত্র যেন বর্গা চাষ করতেছে পুরুষেরা! কি উত্তর দিব মাস্টারদ্যা?

          1. আগের আর পরের কথা বাদ দিলে কি
            আগের আর পরের কথা বাদ দিলে কি কখন ও সম্পূর্ন মুলভাব বুঝা যায় আপনি নিজেই বলেন!
            আপনাকে আতিক ভাই একটা কথা বলেছিল মনে আছে- আমরা যতই মুক্তমনা হই স্বজাতির প্রতি প্রেম ছাড়তে পারি নি !!

  6. নাস্তিকদের ঐ এক দোষ তারা চট
    নাস্তিকদের ঐ এক দোষ তারা চট করে প্রসঙ্গ পাল্টে অন্যদিকে চলে যায় ।আমি আপনার কোটেশন বিষয়ে বলতে চেয়েছি যা রাইয়ান তার একটি কমেন্টে কিছুটা ক্লিয়ার করেছে ।

    1. কাইকুই করে যাই বলেন না কেন ,
      কাইকুই করে যাই বলেন না কেন , গোলাম শহিদ এইটা বোঝাইতে পারবেন না যে ধর্মগুলো নারীকে নিকৃষ্টভাবে দেখেনি। আর ধর্মগ্রন্থের প্রতিটি পরতে পরতে দেখানো যাবে নারীকে নিয়ে কতটা পুরুষতান্ত্রিকভাবে ভন্ডামীতে লিপ্ত হয়েছে। সয়ং ইশ্বর নামের লোকটিও

      1. মিতু আপু, নারীবাদী হিসেবে
        মিতু আপু, নারীবাদী হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনাকে সম্মান করি। কিন্তু একটা কথা বলি আপনি বা আপনারা যারা ধর্মকে অবমাননা করে নারীমুক্তির জন্য আন্দোলন করেন আপনাদের এ ধরনের মতবাদ অদূরের কোন এক প্রজন্মের কাছে স্বীকৃত হলেও বর্তমান সময়ে নারীকে মুক্তি দিতে পারবে না। আমিও বিশ্বাস করি ধর্ম নারীকে অবমাননা করেছে বা তা করার প্রভাবক হয়েছে। কিন্তু আপনারা এভাবে বললে বিদ্বেষ বাড়ে, মানুষ আপনাদের কথা তো গ্রহন করেই না উলটো আপনাদের বিরুদ্ধে নামে। নারী স্বাধীনতায় যখন বিশ্বাসী তখন কোন পথে গেলে নারী মুক্তি পাবে সেটা খুঁজুন। যে পথে গেলে নারীকে আপনাদের থেকে পৃথক করা হবে সেই পথ ছাড়ুন। এতে কাজের কাজ কিছুই হবেনা। খালি ভবিষ্যতের কোন এক প্রজন্মের কাছে ধন্যি পাওয়া ছাড়া। বেগম রোকেয়াও কিন্তু ধর্মবিরোধীতা করেছিল, ধর্ম পুরুষতান্ত্রিক সমাজের তৈরি খড়ুগ বলেছিল। কিন্তু কখনো কখনো ধর্মের সাথেই তিনি আপোষ করেছিলেন সমাজকে উত্তরণের পথ দেখাতে। সুতরাং ধর্মকে আঘাত না করে নারীমুক্তির জন্য ব্যতিক্রমই পথ বেছে নেওয়া উচিত খুব সম্ভবত।

        1. আপনার চিন্তা চেতনায় বড় ধরনের
          আপনার চিন্তা চেতনায় বড় ধরনের ঘাপলা আছে। ১৯ শতকে রোকেয়া ধর্মের বিরোধিতা করেছিল মাথায় ঘোমটা পড়ে, ২১ শতকে এসেও যদি সেই একি ছবক আমাকে দেন তাইলে কেমনে হবে। গাছেরটা খাবেন আবার তলারটাও কুড়াবেন এমনে কেমনে হবে?
          গ্যালিলিও বক্তব্য সরাসরি চার্চের বিরুদ্ধে গিয়েছিল, তা সে যদি ওই ধর্মের সঙ্গে আপষ করে চলতো তাইলে আমরা কই থাকতাম সেই হিসেব আপনি করতে পারেন। মাশিয়াত একজন নারী হয়ে আপনি যখন বলেন ধর্মকে আঘাত না করে নারীমুক্তির পথ খুজতে তখন খুব হাস্যকর শোনায়। কারন নারী মুক্তির পথে যতগুলো বড় বাধা তার মধ্য ধর্ম অন্যতম। সেইটাকে আপনি কেমনে বাদ দিতে বলেন? বেশি সুবিধাবাদি কথা হয়ে গেলো না!

          1. শামীমা মিতু’র সাথে সহমত পোষণ
            শামীমা মিতু’র সাথে সহমত পোষণ করছি । আপাতত মৌলানা বোন/ ভাইদের সাথে ঝগড়া ফ্যাসাদে জড়াইতে চাচ্ছিনা । তয় গরম করলে নো ছাড় …

          2. শামীমা মিতুর সাথে আমিও ১০০%
            শামীমা মিতুর সাথে আমিও ১০০% সহমত…
            রাহাত ভাইয়ের সাথেও আপাতত মৌলানা বোন/ ভাইদের সাথে ঝগড়া ফ্যাসাদে জড়াইতে চাচ্ছিনা । তয় গরম করলে নো ছাড় …

          3. আমি জানি এখানে র অনেকগুলা
            আমি জানি এখানে র অনেকগুলা যুক্তিই বাস্তব।কিন্তু কিছু কিছু যুক্তি উনি ভুল দিয়েছে।আর একটা কথা যেই উপায়ে নারীবাদীত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন এটাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।তবে অনেকেই এটা ধরতে পারবেনা।শুধু শুধু কেচাল বাড়াবে

          4. মিতু আপু, দুঃখিত একমত হতে
            মিতু আপু, দুঃখিত একমত হতে পারলাম না। বেগম রোকেয়ার সময়ের কথা বলছেন? তখন মৌল্বাদ যে এত তীব্র ছিল না এটা নিশ্চই জানেন। হুমায়ুন আজাদের নারী বই-এ খুব সম্ভনত পড়েছিলাম একটা লাইন-

            পিতৃতন্ত্রের বলপ্রয়গ সংস্থার সাথে খুব সমভবত বাধ্য হয়ে তিনি সন্ধি করেছেন মাঝে মাঝে; কিন্তু খুব বেশি ছাড় দেননি সেটিকে। চব্বিশ বছর বয়সে তিনি প্রচন্ড আক্রমণ করেছিলেন ধর্মকে,ঐ আক্রমণের পরও যে তিনি টিকে ছিলেন কারণ তখনকার পরিবেশ ছিল ভিন্ন’ আজ হ’লে রাস্তায় তাঁর লাশ পাওয়া যেত বা তিনি নিন্দিত জীবন কাটাতে বাধ্য হতেন নির্বাসনে। তাঁর উপর নিশ্চই পড়েছিল মুসলমান পিতৃতন্ত্রের প্রবল চাপ। তিনি বুঝেছিলেন টিকে থাকতে হলে কিছুটা সন্ধি পাতিয়ে নিষ্কৃয় ক’রে দিতে হবে পিতৃতন্ত্রের বলপ্রয়োগ সংস্থাটিকে।

            সুতরাং আপনি নিশ্চই ধারনা করতে পারছেন দু’টো শতকের মধ্যে পার্থক্য। আরেকটা বাস্তব ঊদাহরণ দেই। তসলিমা নাসরীন নারীর অধিকার প্রতিষ্টার যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন। তিনি অবশ্যই চোখে আঙ্গুল দিয়ে সমাজের খুঁত দেখিয়েছেন। নারীর মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবতার সাথে খাপ না খাওয়ানোর ফলে মুক্ত চিন্তার মানুষজন তাকে মেনে নিলেও সমাজ মানতে পারেনি। ফলত তিনি দু’একজন নারীর মুক্ত দর্শন দিতে পারলেও সামগ্রিক সমাজের দিতে পারেনি। তাকে কয়েক প্রজন্ম পড়ের মানুষ ঠিক বলবে তাতে সন্দেহ নেই এবং বাস্তবে তিনি ঠিক। তথাপি তিনি নারী সমাজের পরিবর্তন করতে পারলেন না। সমাজের পরিবর্তন করতে হলে সমাজের সাথে কিছুটা হলেও সন্ধি করতে হয় নয়ত যুদ্ধ। আমার মনে হয় না এই পরিস্থিতিতে আপনি যুদ্ধ করতে পারবেন। তাহলে কিছুটা সন্ধি করা কি ভাল নয়? আর গ্যালিলিও-এর কথা বললেন? গ্যালিলিও এর ক্ষেত্রে আমি অত গভীরভাবে জানিনা। আমি কেবল তার আবিস্কার সম্পর্কেই জানি। তার আবিস্কারের জন্য জেলে কাটাতে হয়েছিল এরকম জানি। যদি সেটার কথা বলে থাকেন তাহলে আমি বলব আবিস্কার আর দীক্ষা পুরো ভিন্ন জিনিস। দীক্ষা ছড়িয়ে দিতে হয়। আবিস্কার প্রমানিত হলে মানুষ মেনে নিবেই। সে যতই কালক্ষেপন করুক। আমি মোটেও ধর্ম বাদ দিতে বলিনি। প্রতিনিয়ত আঘাত না করার ব্যাপারে বলেছি। দু’দিন পর পর এইধরনের কথা কেবল বিদ্বেষ বাড়ায়, সমাধান কিছু দেয় না। তবে শেষের এই দু’টো কথা আমার ব্যক্তিগত ধারনা।
            তবে হ্যা। তসলিমা নাসরীনকে নিয়ে উদাহরণ দেওয়ায় কেউ এখন বলে বসেন না আমি তসলিমা নাসরীনের বিরোধীতা করছি। এটা বিরোধীতা নয়।
            আর ধর্মকে আমাদের কিভাবে গ্রহন করা উচিত তা নিয়ে স্ট্যান্টনের মতবাদে বিশ্বাষী। তিনি বাইবেল নিয়ে বলেছিলেন ,

            বাইবেলকে আমরা ধীর্ঘকাল ধ’রে অন্ধভক্তির বস্তু করে তুলেছি। এখন এটি অন্যান্য বইয়ের মত পড়ার সময় এসেছে।, নিতে হবে এর ভাল শিক্ষা এবং বাদ দিতে হবে খারাপটা

            আমার মনে হয় পুরোপুরি ধর্মের সাথে সংঘর্ষ না করে এভাবে চিন্তা করাটা আমাদের জন্য ভাল।
            আশা করি আপনি আমার হাস্যকর মন্তব্যের প্রতিউত্তর দিবেন।

          5. আর আপনি উনিশ শতকের রোকেয়া
            আর আপনি উনিশ শতকের রোকেয়া বলছেন? আমি অবাক হচ্ছি। আপনি যখন নারীবাদ করেন তখন আপনার জানার কথা রোকেয়ার নীতি কতটা শক্ত ছিল। আপনি মাথায় ঘোমটা দেওয়া রোকেয়ার ধর্ম বিরোধিতার কথা বলছেন? আপনি মনে হয় রোকেয়ার সব লেখা পড়েননি। উনি ধর্মকে নয় ইউটোপিয়ায় পুরুষকেই বাদ দিয়ে দিয়েছিল যেটা আমরা ২১ শতকের নারীরাও কল্পনা করতে পারেনা। রোকেয়ার পর সেরকম ইউটোপিয়া কেউ দিতে পারেনি এখনো। আপনারা তো কয়েকদিন পর নারীবাদের মূল হোতা মেরি ওলস্টোনক্র্যাফটকেও পুরনো শতকের বলে ছুড়ে ফেলবেন।

          6. আপনি মেলাক্ষন গ্যাজালেন আমার
            আপনি মেলাক্ষন গ্যাজালেন আমার কমেন্ট না বুঝেই। রোকেয়ার সময় মৌ্লবাদ এতো তীব্র ছিল না কিন্তু মেয়েদের সামাজিক বাধা ছিল প্রকট। সেদিক দিয়ে এখনকার মেয়েরা অনেক এগিয়ে। এটাও হুমায়ুন আজাদ উপলব্ধি করেছিলেন। টিকে থাকার জন্য এখন আমাদের অতটা সন্ধির প্রয়োজন হয় না। তারপরও আপনি কোন সন্ধির কথা বলছেন? বেগম রোকেয়া সন্ধি করেছিল বলে কি আপনাকেও সন্ধি করতে হবে?
            ব্যাপারটা এমন নয় তো গাছেরও খেলেন, তলারও কুড়ালেন। তাছাড়া ধর্ম নিয়ে আপনার মতো মুমিনের সংখ্যাই বেশি সমাজে। আর স্ট্যান্টনের মতবাদেই যদি আপনি বিশ্বাসি হন তাইলে এতো লম্বা কমেন্ট প্রসবের কি প্রয়োজন ছিল। নাকি আপনি কনফিউজড?
            স্ট্যান্টন বাইবেলকে সাধারন বইয়ের মতো দেখার কথা বলেছেন। তা আপনি কি শুধু বাইকেল অন্যান্য বইয়ের মতোই দেখেন নাকি সাথে কোরানকেও দেখেন। যদি কোরানকেও অন্যান্য বইয়ের মতো দেখে থাকেন তাহলে সন্ধি করছেন কাদের সাথে? কিসের সাথে? আর তার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

          7. মরার জন্য যারা জন্মায় আমি সেই

            মরার জন্য যারা জন্মায় আমি সেই ধর্মবংশ
            বাঁচিয়ে রাখার জন্যে বারবার ঝুলি না ফাঁসিতে

            —- :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

          8. আপনি কি আমার কমেন্ট
            আপনি কি আমার কমেন্ট বুঝেছিলেন? আমি এখানে অবাক হয়ে যেটা দেখেছি আপনারা আমাকে মুমিন বা মৌলানা বলে বসেছেন। সমস্যাটা কোথায়? আমি তো একবারও বলিনি ধর্ম ঠিক। আমার কথা কি ছিল? এভাবে না বলার বিরুদ্ধে। দু’দিন পর পর এই বিষয় নিয়ে তর্কে জড়ান। নারীবাদ করেন তো খোঁচাখুঁচি সেই এক জায়গায়। বেগম রোকেয়া করেছে বলে আমাকে কেন করতে হবে? ভাল বলেছেন। নারীবাদ করব কিন্তু নারীবাদের জননীকে ভুলে যাব। বাহ!প্রথমত আমি বেগম রোকেয়ার কথা বলেছিলাম উদাহরণ হিসেবে। হুমায়ুন আজাদ উপলব্ধি করেছিলেন যে সন্ধির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাস্তব এই যে হুমায়ুন আজাদ নারীর জন্য মাইলফলক দেখিয়েছিলেন যা প্রকৃত অর্থে সাধারণ নারী সমাজের জন্য তেমন কোন পরিবর্তন আনতে পারেনি। পেরেছে গোটা কয়েকের জন্য। কিন্তু মাইলফলক দিতে পারায় তার মন্তব্যগুলো আপনাদের প্রণাম পায় আর রোকেয়ার কিছু সন্ধির ফলে পুরো নারীসমাজে আসা পরিবর্তন আপনাদের জন্য পুরো গ্রহনীয় হয় না। মিতু আপু, আমি জানিনা আপনারা আমার কথা ধরতে পেরেছেন কিনা। আমি কিন্তু প্রথমে এটুকুই বলতে চেয়েছিলাম। ধর্মকে নিয়ে প্রতিনিয়ত করা খোঁচাখুঁচি বন্ধ করার কথা। সন্ধি বলতে ধর্মের খারাপ দিকটা নিয়ে এভাবে আদা জল খেয়ে পড়ে না থাকার কথা বলেছিলাম। এভাবে ধর্ম নিয়ে পরে থাকলে মনে হয় নাস্তিকতার চর্চায় নেমেছেন নারীবাদকে ব্যবহার করে।

          9. আমার একটাই কথাঃ
            ‘সমাজের বুকে

            আমার একটাই কথাঃ
            ‘সমাজের বুকে যত দুষ্ট ক্ষত,গাঁইতি শাবল চালিয়ে উড়াব সেথায় বিজয়ের রথ..’ না হয় মুক্তি নাই…

          10. আমার একটা সহজ কথা বলি।
            আমার একটা সহজ কথা বলি। স্বেচ্ছাচারীভাবে যত ভাল কাজের উদ্দেশ্যেই শাবল চালান মুক্তি পাবেন না। সমাজ বোঝা উচিত যতই এ সমাজ নষ্ট সমাজ হোক।

        2. মাশিয়াত আপনি একজন বিশ্ব গাধা
          মাশিয়াত আপনি একজন বিশ্ব গাধা তা আপনার কথায় বুঝা গেল।মিস মিতু ই আপনার কমেন্টের জবাব দিয়েছে

  7. খোঁচাইলে খোঁচাখুঁচি বাড়ে।
    খোঁচাইলে খোঁচাখুঁচি বাড়ে। দরকার টা কি? যার যার বিশ্বাস নিয়া সে সে থাকেন না। আরেকটা ব্যাপার দেখলাম ইস্টিশনে কুরআন নিয়ে যত সমালোচনা মুলক লেখা এসেছে সবই অমুসলিম আইডি থেকে লেখা। সাদা চোখে দেখলে এটাকে ইসলামের বিরুদ্ধে অমুসলিমদের প্রচারনার মতো দেখায়। এভাবে পৃথিবীতে কোনদিন ভাল কিছু প্রতিষ্ঠা হয়নি, হবেও না। “সেলফ ডিফেন্স” বলে একটা কথা আছে। মানুষ প্রথমেই নিজের মতামতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বিরুদ্ধ মত পাওয়া গেলে সে নিজের মতে আরো দৃঢ় হয়। সুতরাং এসব হাবিজাবি বিচ্ছিন্ন লেখা দিয়ে কিছুই প্রতিষ্ঠা করা যাবেনা একমাত্র নিজেকে বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া ছাড়া। সেটাই যদি এই লেখার উদ্দেশ্য হয় তাহলে আমার সম্পূর্ণ মন্তব্য উপেক্ষা করতে পারেন। আমাকে দু চারটা গালিও দিতে পারেন আমি কিছুই মনে করবোনা।
    আরেকটা কথা, নারীর মর্যাদা আমাদের মনে। কে কি বলল তাতে কিছু যায় আসেনা। সেটা হোক শফি কিংবা কপালে বড় টিপ দেয়া নারীবাদীরা।

      1. শামীমা, সাধারন বিচার বুদ্ধি
        শামীমা, সাধারন বিচার বুদ্ধি প্রয়োগ করছি। মুসলিম অমুসলিম এর ব্যাপার না। ধর্ম নিয়ে খোঁচাখুঁচিটাই ফালতু কাজ। তা সে যে ধর্মই হোক না কেন। উগ্র আস্তিকতার মতো উগ্র নাস্তিকতাও কোন সুফল বয়ে আনেনা। আপনার আরেকটি প্রতিমন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলছি- মাথায় ঘোমটা দেয়াটাকে কি আপনি প্রগতির অন্তরায় ভাবছেন? বিকিনি পরার স্বাধীনতা যদি হয় নারী প্রগতির মানদণ্ড তাহলে বলব ধর্মের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়নি। আমি নিজে অধার্মিক ধরনের মানুষ তবু বলছি “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত আমার” ধরনের শ্লোগান খুবই কুরুচিকর মনে হয় আমার।
        নারী স্বাধীনতার জন্য আপনার সাথে পথে নামতে রাজি আছি কিন্তু নারী পন্যায়ন রোধ করতে প্রয়োজনে আমি হেফাজতের সাথে হাঁটব।

        1. ধর্ম যদি নারীকে তেঁতুল জ্ঞান
          ধর্ম যদি নারীকে তেঁতুল জ্ঞান করে তবে সে তেঁতুলকে তো তারা মশলাযুক্ত করবেই…
          নারীর বিকিনির আবিষ্কারকও পুরুষ আবার ৪ থেকে ১৪টা নারীকে বিয়ে করে ঘরে শোপিস বানায়ও পুরুষেরা।।
          “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত আমার” ধরনের শ্লোগান খুবই কুরুচিকর মনে হয় আমার..— আপনার এই কথাটি খুবই আপত্তিকর। কেননা, যখন নারীকে বর্গা নেয়া জমি ভাবেন তখন এই পুরুশ্তন্ত্রকে কি মনে হয়? ভেবে দেখেছেন?

          1. তারিক, “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত
            তারিক, “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত আমার” কি খুব ভালো পলিসি মনে হয় আপনার? ভেবে বলছেন কি? আমাদের ভাগ্য ভালো যে আমাদের মায়েরাও এই নীতি অনুসরন করেনি। তা নাহলে আমাদের প্রজন্মটা জারজ সন্তানের প্রজন্ম হত। আমি নারীকে বর্গা নেয়া জমি ভাবি না। আর আমিও চাইনা আমাকে কোন নারী তার বাঁধা চাষা ভাবুক। নারী অধিকার একটা জটিল ইস্যু। আজ বললে কালই এটা প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবেনা। একসময় কন্যাসন্তানকে মেরে ফেলা হত। এখন এসএসসি পরীক্ষায় পুরুষের চেয়ে নারীর অংশগ্রহন বেশী। এটা কি একটা ভালো এচিভমেন্ট না নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে?
            “নারীর বিকিনির আবিষ্কারক পুরুষ” এটা বহু পুরনো একটি অসাড় যুক্তি। মিস ইঊনিভার্সে কখনো শুনেছেন কোন মেয়ে বিকিনি শোতে অংশগ্রহনে অপারগতা জানিয়েছে? মিস ইঊনিভার্সে অংশ নেয়া নারীরা কিন্তু আপনার আমার চেয়ে অনেক বেশী বুদ্ধিদীপ্ত। বিকিনির আবিস্কারক যদি পুরুষই হয় তাও এটা পরিধানের দায় থেকে নারীরা মুক্ত হতে পারবে না।
            যার যে কাজ তাকে সেটা পালন করতে হবে। সন্তান লালন প্রাকৃতিক ভাবেই মেয়েদের কাজ। কঠিন ও কায়িক পরিশ্রমের কাজ গুলো পুরুষের। এখন নারীবাদীদের কথা শুনে মনে হয় সন্তান লালন খুব নিকৃষ্ট কাজ। আর বাকি সব কাজই নারী পুরুষ উভয়ই সমান দক্ষতায় করার যোগ্যতা রাখে।
            আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি প্রাকৃতিক নিয়মকে উপেক্ষা করা কোন বুদ্ধিমানের কাজ না।

          2. “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত আমার”
            “জরায়ু আমার সিদ্ধান্ত আমার” এইটাকে খুব ভাল যুক্তি আমি বলি নাই।। ভাল কি খারাপ সে যুক্তি-তর্কেও যেতে চাই না সেক্ষেত্রে কোন নারীই তা করলে ভাল হয়। আমি বলতে চাইছি কৃষিসভ্যতার পর থেকে আমরা সেইভাবে নারীকে ঘরে বন্ধী করে শোপিস বানায়ছি তাতে করে তাদেরকে নর্তকী হয়ে নাচা থেকে একাধিক উপপত্নী রাখা বা কম কাপর পড়িয়ে উপস্থাপন করা অথবা বিয়ের বউকে অনেক বাড়াবাড়ি রকম করে লোভনীয় করা সবই আমাদের পুরুষতান্ত্রিকতার ফল!!
            আপনি অস্বীকার করতে পারবেন যে আমরা মানব সন্তান হিসেবে জন্ম নেয়া একটা বাচ্চাকে ৩-৪ বছরেই নারী করে তুলি; তখন দেখা যায় বাচ্চা ছেলেটা ক্রিকেট ব্যাট-বল নিয়ে দৌরাচ্ছে আর মেয়েটা আয়নার সামনে লিপস্টিক মাখছে? কে দায়ী এইসবের জন্যে?

            আর বিকিনি পড়ার প্রসঙ্গে বলছেন? আমাদের গ্রামে এখনও নারীকে ৮ ঘণ্টা শ্রমের জন্যে পুরুষদের থেকে কম মজুরী দেয়া হয়! এই মানসিকতা যতদিন থাকবে না ততদিন আপনি তাদের এমন ড্রেস পরা থেকে রক্ষা করবেন কীভাবে? ভেঙ্গে বলছিঃ
            পুরুষেরা যদি বাসায় বউ রেখে বাইরে অন্য নারী খুঁজে, আর অফিসে নারীর সমান মর্যাদা না দেয় তবে আপনি কারে দোষী করবেন? আমিতো দেখি নারীর বর্তমান অবস্থানের জন্যে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা সর্বাংশেই দায়ী…

            এখন প্রশ্ন আপনি কি আপনার মা-বউ-মেয়েকে মানুষ ভাবেন আপনার মত, নাকি নারীদের আপনি একটা কৃতদাসী বা অধিকারভুক্ত ভৃত্য ভাবেন? যদি আপনার মত মানুষ ভাবেন তবে তাঁকে তাঁর মত চলতে দিন। আপনি যেমনটি মানুষ আপনার ছোট্ট মেয়েটিও তাই, আপনার প্রেয়সী বউ আর, মহীয়সী মা কিন্তু এর ব্যতিক্রম নয়! ইনারা সবাই মানুষ আমার মতই একটা স্বত্বা তারও আমারমত সব অনুভূতি সংবেদনশীল। নিজেকে শ্রদ্ধা করলে তাকেও করুণ।
            মনে রাখবেন আমরা কেউ পুরুষ বা নারী হয়ে জন্মগ্রহণ করি নি।
            বা, আমরা কেউ হিন্দু-মুসলিম-ক্রিস্টান হয়েও জন্মায় নাই…
            আমরা জন্ম নিয়েছি মানব সন্তান হিসেবে।

            দেখুন আজ আপনাদের (পুরুষদের) পোশাক পরিচ্ছেদ চালচলন নিয়ে নারীরা একটা নীতিমালা করে দিল, আপনার কেমন লাগবে? আপনি আর সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে পারছেন না যখন-তখন, পাহাড়ে বাইতে পারছেন না মুক্ত বিহঙ্গের মত, অরণ্যে বিচলন করতে পারছেন না চাতকের মত, রাতের আকাশ দেখতে পারছেন না হিমুর মত করে পাশের ব্রিজটির উপর দাঁড়িয়ে!! আপনি এখন বন্ধী আর নারীর হাতের পুতুল..

            এইভাবে ঠিক হাজার হাজার বছর চললে আমি-আপনিও একদিন বর্তমান নারীর মত এমন খেলার পুতুল হয়ে যাব! পাল্টা পাল্টি নারীতন্ত্র আর পুরুষতন্ত্রের দিন শেষ এইবার দুনিয়ার সমাজ হবে সমধিকারের সমাজ…

          3. আমি বারবারই বলছি প্রাকৃতিক
            আমি বারবারই বলছি প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে না যাওয়াই ভালো। মজুরির কথাতেই আসুন আগে। মজুরি দেয়া হয় কায়িক শ্রমের বিনিময়ে। স্বাভাবিকভাবেই পুরুষের চেয়ে নারী কম শ্রম দিতে পারে। নিয়োগকর্তা নিশ্চয় নিজের লোকসান করে নারী নিয়োগ করবেনা। সম মজুরিতে যদি বাধ্যবাধকতা আনেন সেক্ষেত্রে দেখা যাবে শ্রম বাজারে নারী নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। এটা বাস্তবতা এবং এটা মানতে হবে। আবেগ দিয়ে অনেক কথা বলা যায়। বাস্তবতা চিন্তা করে কথা বলাই ভালো। কায়িক শ্রমের ক্ষেত্র ছাড়া আর কোথাও নারী পুরুষের বেতন বৈষম্য নেই। অন্তত আমি দেখিনি।
            আমি কি পুরুষ হয়েও পোশাক পরিচ্ছেদ চালচলনে কোন নীতিমালার অধীন না? আপনি অধীন না? সভ্যতার অনেকগুলো নিদর্শনের মধ্যে একটি হল সভ্য মানুষ তার যৌন নিদর্শন লুকিয়ে রাখবে। পুরুষ আর নারীর ক্ষেত্রে সেই লুকিয়ে রাখার ধরনটা ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। এটাকে আপনি অধীনতা ভাবছেন কেন বুঝলাম না।
            আর আপনি বলছেন চলাচলের স্বাধীনতার কথা। এটাতো স্থুল একটা বিষয়। নিরাপত্তার জন্যই চলাচলে বাঁধা আরোপ করা হয়। এখানে তো আমার সাথে কোন মেয়ের পার্থক্য দেখি না। আমি বান্দরবানের দুর্গম কেউক্রাডং, যাদিপাই, পুকুরপাড়া, নাফাকুম ঘুরে এসেছি। সাথে দুজন মেয়েও ছিল। সত্যি কথা হচ্ছে লম্বা দুর্গম অভিযানে মেয়েরা কিছুটা ঝামেলার মত। তাই বলে তারা পাহাড় সাগরে যাবেনা এটা কেউ বলেনি।
            বাস্তবতা মেনে কথা বলা উচিত। ফ্যান্টাসি সবসময়ই একটু বেশী রঙ্গিন।

          4. আপনার বর্তমান অবস্থান
            আপনার বর্তমান অবস্থান ভালই…
            তবে আপনারা যখন তেঁতুলবীদদের সুরে কথা বলেন বা মধ্যস্থতা করতে যান তখনই তারা সমাজে মাথা চাড়া দিয়ে উঠে!
            আমি আর ত্যানা পেঁচাইতে চাই না। আশা করি অনেকটুকুই আপনি বুঝতে পেরেছেন! ভাল থাকবেন…
            বাংলাদেশ থেকে কইজন পুরুষ আর কইজন মহিলা হিমালয় জয় করেছে? তাহলেই আর আপনার কাছে ব্যাপারটা ঝামেলার মনে হবে না। যতটুকু মনে হচ্ছে ততটুকুই এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিষের শেষটুকু যা ২৫-৩০ বছরের জীবনে আপনার আমার মাঝে ডুকেছে! একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই সববুঝতে পারবেন…

          5. তবু আপনি ত্যানাই পেঁচাইলেন।
            তবু আপনি ত্যানাই পেঁচাইলেন। আমার ঝামেলা মনে হয়েছে কারন দুজন নারীর কারনে ওই ভ্রমনে শিডিউল সময়ের চেয়ে বেশি সময় লেগেছিল। আমি আগেই বলেছি ফিজিক্যাল অ্যাবিলিটি নারী আর পুরুষের সমান না। কিছু ক্ষেত্রে ওদেরকে কিছু বাড়তি সহযোগিতা করতেই হয়। কিছু ক্ষেত্রে নিশ্চয় আমিও তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিবো। মুশকিল হল উগ্র নারীবাদীরা এই সহযোগিতাকে নারীর প্রতি পুরুষের করুনা বা বৈষম্য হিসেবে দেখে।

          6. আবারও বলতেই হয় ধর্মীয় মৌলবাদ
            আবারও বলতেই হয় ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময়যোগ্য মানসিক ব্যাধি…
            নতুনকে বাধা দেয়ার সবচে ভাল হাতিয়ার। আমরা উগ্রবাদী… কেউ কিছুই বললেই উগ্র বাদী অথচ কোন নারীবাদী কিছুই করল না তারাই উগ্রবাদী হয়ে গেল আর পুরুষেরা লালা ঝরাই সাধু থেকে গেল আজীবন! সাধু… সাধু…

    1. আতিক ভাই,
      একটা হিট খাওয়া

      আতিক ভাই,
      একটা হিট খাওয়া পোস্ট দিতে হবে … হাহাহাহাহাহা ( মাস্টার দা শুভ্র, মনে নিয়েন না ভাই, আপনার লেখার সাথে দ্বিমত করছি না ) । কিন্তু পারিনা ।

      1. হিট খাওয়া পোস্ট!
        :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
        হিট খাওয়া পোস্ট! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  8. ধর্মের সমালোচনা আরো
    ধর্মের সমালোচনা আরো যৌক্তিকভাবে তথ্য উপাত্ত দিয়েও করা যায়। যে কোন উগ্রতা সাম্প্রদায়িকতার সামিল। সেটা ধর্মের পক্ষে হোক কিংবা বিপক্ষে হোক। ধর্মীয় উগ্রতা আর ধর্মবিদ্ধেষী উগ্রতা কোনটাই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। ধর্মের গোড়ামী আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আসন গেড়ে আছে। কিন্তু আপনারা যে পদ্ধতিতে নাস্তিকতা চর্চা করছেন, সেটা ভুল। বরং নাস্তিকতার উপর মানুষের এক ধরনের ক্ষোভ তৈরী হচ্ছে। ক্ষতিটা নাস্তিক্যবাদেরই বলতে পারেন।

  9. লিখাটির শিরোনাম দেখে পড়তে মন
    লিখাটির শিরোনাম দেখে পড়তে মন চাইল না। তারপরেও পড়েছি। মন্তব্য প্রতিমন্তব্যগুলোও দেখলাম। এই লিখায় উগ্র নাস্তিকতার পরিচয় পাওয়া গেছে। উগ্র/বিকৃত আস্তিকতা যেমন মানুষকে চরমপন্থি করে তুলে। তেমনি উগ্র নাস্তিকতাও মানুষকে চরমপন্থি করে তুলে। আমি নিজের চোখে যেইসব নাস্তিককে দেখেছি তাঁরা কেউই মাস্টারদার মত উগ্র নয়। বরং তাঁদের যুক্তিতে মাঝে মাঝে নিজেকে মূর্খ্যই মনে হয়। উপরের একজন মন্তব্যকারীর সাথে গলা মিলিয়ে বলতে চাই, এই লেখক নাস্তিক্যবাদকে কুলষিত করার ব্যবস্থা করছেন। এমন লেখা কাম্য নয়।

    1. সত্যকে মানতে না পারা শুধু
      সত্যকে মানতে না পারা শুধু কাপুরুষতার লক্ষন বললে কম হবে।
      কেননা ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময়যোগ্য মানসিক ব্যাধি
      আর তাই আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষের কাছে সত্যকে মানতে না পারা একধরণের নৈতিক হঠকারিতা ও স্বেচ্ছাচারিতা অথবা বিবেকের প্রতি অবজ্ঞা…

  10. আগপিছ বাদ দিয়া এইডা কি
    আগপিছ বাদ দিয়া এইডা কি সাম্প্রদায়িক পোস্ট? আর অনেকগুলাই দেখি হাদিস, হাদিস কেন? ভুয়া হাদিস প্রচুর থাকে তার মানে এই না যে মানতে হবে….ঠিক কি মনে করে এই নিক খুলসেন? প্যাঁচ লাগানোর জন্য?? জার্ক….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *