নতুন প্রজন্ম

মেজাজটা চরম খারাপ।আমার বাবা একটু রাগী,গম্ভীর মানুষ। তাই আমি উনার কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখি।আজ হঠাৎ করে ডাকলেন আমায়।গেলাম,উনার সামনে দাঁড়ালাম,যেতেই বললেন সারাদিন মোবাইল,পিসিতে কি এতো টেপাটেপি করো।আমি বললাম কিছুনা।উত্তরে পেলাম ইয়া মোটা এক ধমক ।তারপর বললেন সাবধান হও,এই জামায়েত-শিবিরের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে কিছু হবেনা।এসব লেখালেখি না করে ভালো করে পড়।আমি মাথা নীচু করে চলে এলাম।উনাকে কি করে বোঝাই আমরা নতুন প্রজন্ম,আমরা অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত,আমরা আমাদের দেশটাকে খুব ভালবাসি।আর তাই এই দেশে যতবার জামায়েত-শিবির জন্মাবে আমরা ততবার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে লড়বো,জিতবো আর বাংলাদেশটাকে মুক্ত রাখবো পাকি জানোয়ারদের বিষাক্ত নিশ্বাস থেকে।সেটা যেভাবেই হোক না কেন।

১৫ thoughts on “নতুন প্রজন্ম

  1. চিরায়ত বাঙ্গালী পিতা!
    চিরায়ত বাঙ্গালী পিতা! আঙ্কেলকে আঙ্কেলের কাজ করতে দিন আপনি আপনার কাজ করুণ!
    বিষয়টি নিয়ে এমন ফেসবুকীয় পোস্ট না দিয়ে আরও আলোচনা করে লিখাটাকে আরও শক্তিশালী করতে পারতেন…
    এমন ছোট লিখা ব্লগপোস্ট হিসেবে আসলেই ঠিক যায় না…
    ভাল থাকবেন… লিখতে থাকুন!!

  2. হুম! আমরা নিত্য নতুন প্রজন্ম!
    হুম! আমরা নিত্য নতুন প্রজন্ম! আমরা ল্যাপটপ বা মোবাইল টিপাটিপি করে ব্লগ বা ফেসবুকে দু চারটি ফালতু পোস্ট দিলেই দেশের সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে!
    যা! বাবারা কিচ্চু বুঝে না!

    1. এইটাও আপেক্ষিক! বর্তমানে হলে
      এইটাও আপেক্ষিক! বর্তমানে হলে হয়তো তাই করত আগামীতে এই বয়সে আমরা তা নাও করতে পারি…

    1. আপনার কমেন্টেও আমি চরম লাইক
      আপনার কমেন্টেও আমি চরম লাইক দিলাম… ফেসবুকের ষ্ট্যটাসে তো লাইকই দিতে হবে… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  3. আমি তো বলিনি যে ব্লগে,ফেসবুকে
    আমি তো বলিনি যে ব্লগে,ফেসবুকে লেখালেখি করলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।কিন্তু একটা জনমত তো তৈরি করতে পারবো।

  4. সব মা বাবার কি সেইম কাহিনী
    সব মা বাবার কি সেইম কাহিনী নাকি? আমি ভাবতাম খালি আমার বাপ এই চিজ।
    বাই দ্যা ওয়ে ব্লগে আরেকটু ব​ড় করে লিখবেন, এইটা তো ফেসবুকীয় পোস্ট হ​য়ে গেল​।

  5. ইদানিং ইস্টিশনে ফেসবুকীয়
    :দীর্ঘশ্বাস: ইদানিং ইস্টিশনে ফেসবুকীয় স্ট্যাটাস বেশি দেখা যাচ্ছে।
    “যেমন খুশি তেমন সাজ” এর মতো ব্লগ লেখা হচ্ছে।

  6. বাবারা বোঝেনা, আমার বয়সে
    বাবারা বোঝেনা, আমার বয়সে তারাও যে আমাদের থেকে অনেক বেশি কিছু করেছেন… ষৈড়াচারবিরোধী আন্দোলন, শহীদ জননীর আন্দোলন আমাদের প্রজন্মেরই কারো না কারো বাবাদের কষ্টের ফসল… তারা পুরোপুরি সফল হয়নি বলে আশা ছেড়ে দিয়েছেন… সেই আশার প্রদীপ আমাদেরকে পুনরায় প্রজ্জলিত করে একটি ফলাফল ঘরে তুলে নিতে হবে… যাতে আমাদের সন্তানকে অপ্রাপ্তির গল্প শুনিয়ে দমিয়ে দিতে না হয়… এবার জয় তুলে ঘরে ফিরব…

    আপনি আরেকটু বড় করে আরো গঠনমূলকভাবে লিখবেন… শুধুমাত্র আবেগ এবং ক্রোধই নয়, ব্লগে লেখার জন্য যুক্তি এবং অর্থপূর্নতাও দরকার আছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *