দরজার ওপাশে (হুমায়ুন আহমেদের বই এবং চরিত্র নিয়ে কবিতা)

উৎসর্গঃ যে মানুষটি আমাকে ভালবাসতে শিখিয়েছে- হুমায়ুন আহমেদ

যে আনিয়া দিয়াছিলো- ‘সেদিন চৈত্রমাস’
আমায় যে এনে দিলো- ‘ শ্রাবন মেঘের দিন’
কেমন করে শোধ করিব ‘জাদুকর’ এর ঋণ?
‘উড়ালপঙ্খি’র ডানায় চেপে ‘সে আসে ধীরে’
‘সকল কাটা ধন্য করে’ বাঁধে বাহুডোরে।
‘নীল মানুষ’, ‘নীল অপরাজিতা’ হাতে নিয়ে এসে
‘মেঘের ছায়া’য় ‘মাতাল হাওয়া’য় ভাল সে যে বাসে।
হঠাৎ করে কি যে হল-‘কৃষ্ণপক্ষ’ চাই
একা রাস্তায় মধ্যরাতে ‘হিমু’ যে আর নাই।
‘তোমাদের জন্য ভালবাসা” আর ‘গৌরীপুর জংশন’
‘পাখি আমার একলা পাখি’ তার ‘অন্য ভুবন’।
পালিয়ে গেলে বলে মোদের- আসছি ‘কিছুক্ষন’
‘দেখা না দেখায়’ তোমায় দেখেছি ‘জলপদ্ম’ নূতন।

উৎসর্গঃ যে মানুষটি আমাকে ভালবাসতে শিখিয়েছে- হুমায়ুন আহমেদ

যে আনিয়া দিয়াছিলো- ‘সেদিন চৈত্রমাস’
আমায় যে এনে দিলো- ‘ শ্রাবন মেঘের দিন’
কেমন করে শোধ করিব ‘জাদুকর’ এর ঋণ?
‘উড়ালপঙ্খি’র ডানায় চেপে ‘সে আসে ধীরে’
‘সকল কাটা ধন্য করে’ বাঁধে বাহুডোরে।
‘নীল মানুষ’, ‘নীল অপরাজিতা’ হাতে নিয়ে এসে
‘মেঘের ছায়া’য় ‘মাতাল হাওয়া’য় ভাল সে যে বাসে।
হঠাৎ করে কি যে হল-‘কৃষ্ণপক্ষ’ চাই
একা রাস্তায় মধ্যরাতে ‘হিমু’ যে আর নাই।
‘তোমাদের জন্য ভালবাসা” আর ‘গৌরীপুর জংশন’
‘পাখি আমার একলা পাখি’ তার ‘অন্য ভুবন’।
পালিয়ে গেলে বলে মোদের- আসছি ‘কিছুক্ষন’
‘দেখা না দেখায়’ তোমায় দেখেছি ‘জলপদ্ম’ নূতন।
তিথি-রুপা-রাশিয়ান পরী,লাবনী নবনী সেই
আর কখনোই বলবেনা তারা-‘এই শুভ্র এই’
‘উঠোন পেরিয়ে দুই পা’ ফেলে চললে ‘অচিনপুর’
‘প্রিয়তমেষূ’র ‘নির্বাসনে’ কাঁদলো- আজ দুপুর।
শত বিতর্ক ছাপিয়ে ছিলে তুমি ‘অন্য মানুষ’
‘আকাশ জোড়া মেঘ’ এর ভেতর উড়িয়েছিলে ফানুস।
‘আজন্ম সলজ্জ সাধ ছিলো কিছু ফানুস উড়াও
‘তেতুল বনে জোছনা দিয়ে-কষ্ট তুমি পোড়াও।
শুভ্র-হিমু-মিসির-বাকের হারালো আজ খেই
‘শুন্য’ করে চারিদিক আজ ‘কোথাও কেউ নেই’।
‘অনন্ত নক্ষত্র বীথি’রা আজ তোমার প্রয়ানে কাঁদে
হৃদয়ের ‘শঙ্খনীল কারাগার’এ সযতনে বাঁধে।
“হাত ভর্তি চান্দের আলো ধরতে গেলে নাই”
‘দরজার ওপাশে’ নাড়লে কড়া তোমায় যেন পাই।

১৩ thoughts on “দরজার ওপাশে (হুমায়ুন আহমেদের বই এবং চরিত্র নিয়ে কবিতা)

  1. চমকপ্রদ… পড়ে আবারও স্যারকে
    চমকপ্রদ… পড়ে আবারও স্যারকে সালাম দিলাম :salute: :salute: :salute:
    কতটা প্রভাব বিস্তার করলে আজ প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে এমনটা হয়!
    তিনি আসলেই জীবন্ত এক কিংবদন্তী ছিলেন এই বাংলায়!
    অমিত তোমার এমন পরিশ্রমলব্ধ ফসল গোগ্রাসে গিলে ভালই লাগছে… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. অনেক সুখী হলাম জেনে, কবিতাটি
      অনেক সুখী হলাম জেনে, কবিতাটি আমার স্যার এর প্রতি প্রচন্ড ভালবাসা থেকে লিখা, লিখার সময় অদ্ভুত ভাবে কোত্থেকে যেন বইয়ের নাম আর চরিত্রের নাম এর সাথে মিল রেখে পঙ্কতিগুলো চলে আসছিলো। ভাই পুরাই অস্বাভাবিক… 😀 😀

  2. এই লেখাটা আমার খুব বেশি ভালো
    এই লেখাটা আমার খুব বেশি ভালো লাগার একটা মাত্র কারণ – ওনার কিছু বই এর নাম সম্পূর্ণ কবিতা (!!!) টির ছত্রে ছত্রে মিশে আছে । আমাকে দারুন অবাক করেছে । ভালোবাসা মানুষ কে দিয়ে অনেক কিছু করিয়ে নেয় । আমি হুমায়ূন ভক্ত নই, তারপরেও আপনাদের উপর তার প্রভাব দেখে আরও একবার বুঝলাম তিনি আসলেই তার জীবদ্দশায় বাঙালিকে নাচিয়ে, কাঁদিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেছেন ।

    1. ধন্যবাদ মুস্তাফিজ ভাই। আমার
      ধন্যবাদ মুস্তাফিজ ভাই। 🙂 আমার খুব ইচ্ছে ছিলো দু’টি মানুষের পায়ে চুমু খাবো। হুনায়ুন স্যার আর নজরুল ইসলাম। আমার ভাগ্য হয়নি 🙁

  3. ভাই ইহা কী লিখিলেন!!! খুবই
    ভাই ইহা কী লিখিলেন!!! খুবই অসাধারণ ধাঁচের,আর পঙ্খক্তির সাথে চরিত্রগুলোর মিলের ব্যাপারটাই অসাধারণ লাগল :বুখেআয়বাবুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *