শৈশবের কর্ত্রী আমার

শৈশবে আমার একটা স্বপ্নের গেরস্ত বাড়ি ছিল।
সেই বাড়ির কর্তা ছিলাম আমি, সে ছিলো কর্ত্রী।
আমাদের সন্তান ছিল মাটির প্রতিমা,
তার চোখে স্বর্গের অপ্সরী।
প্রতিমা বিয়ের ছলে কেটে যেত বেলা।
এইছিল মোদের নিয়মিত খেলা।



শৈশবে আমার একটা স্বপ্নের গেরস্ত বাড়ি ছিল।
সেই বাড়ির কর্তা ছিলাম আমি, সে ছিলো কর্ত্রী।
আমাদের সন্তান ছিল মাটির প্রতিমা,
তার চোখে স্বর্গের অপ্সরী।
প্রতিমা বিয়ের ছলে কেটে যেত বেলা।
এইছিল মোদের নিয়মিত খেলা।

হঠাৎ কৈশোর এলে শহর থেকে এলো ডাক।
“মানুষ হইতে হলে জ্ঞানার্জন আবশ্যক ”
এই তত্ত্ব মাথায় নিয়ে, জ্ঞান অন্বেষনে
কেটে গেছে বছর পনের সময় পিছনে।
এখন বাবু হয়ে এসেছি গায়ে আবার,
শৈশবের খেলার সাথী, নিজেই প্রতিমা এবার।

তার পৃথিবীতে উদ্ভব হয়েছে তুলতুলে দুই পাহাড়,
চোখ পড়লেই ইচ্ছে জাগে জয় করে নেবার।
হয়ত তাহার বন-জঙ্গলে গজিয়েছে পশমী ঘাস
সে ঘাসের ঘ্রান পাবার লাগি, মনে উঠে নাভিস্বাস।
তার কালো চুল হাওয়ায় উড়ে, মনেতে দেয় দোলা।
কাছে যেতে চাই, পাশে পেতে চাই! দরজা নেই খোলা।

এই অঘ্রানে এসেছে নাইঅর, পাশে স্বামী মান্য বর।
শৈশবে অতি আপন যে ছিল, ভর যৌবনে পর।

৪ thoughts on “শৈশবের কর্ত্রী আমার

  1. ভাই, একটু আধুনিকতার স্বাদ
    ভাই, একটু আধুনিকতার স্বাদ পেতে চাই কাব্যে । আমাদের অগ্রজরা এই স্টাইলে প্রচুর ভালো মন্দ কবিতা লিখে এই ধরণটাকে যাদুঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে । আপনার কবিতার দর্শনার্থী হতে চাইনা, চাই পাঠক হতে । আশা করি বোঝাতে পেরেছি ।

  2. ডাক্তার সাহেব রাগ কইরেন
    ডাক্তার সাহেব রাগ কইরেন না।
    কবিকে বলছি… কবিতায় পৌড়ত্বের ছায়া রয়েছে। অলংকার, বিশেষন এর উদাহরন দেওয়ার মত কোন ব্যবহারই দেখলাম না! থিম অনেক পুরানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *