ভালবাসা এবং আমি

মা বলতেন ছোট বেলায় আমি খুব দুষ্ট ছিলাম।সারা দিন পাড়ায় বেরাতাম, গাছে চড়তাম, বিকাল হলে ঘুড়ি উড়াতাম।এভাবে আমার দিন কাটত। লেখা-পড়ায় তেমন একটা বসতামনা।মূলত আমি নাকি চনঞ্চলে বালক ছিলাম।

২০০২ ইং সালে প্রথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসে পা রাখি। আমার সহপাঠীদের মধ্যে অনেকে এখন আমার পাশে নেই। আর পাশে নেই আনেকে যেমন দৌলত , জিলানি. সাজিদ, হাসান আরও অনেকে। আমি যখন বুঝতে শিখি তখন দেখামেলে সিরাজুল ইসলাম (অপু),জহিরুল ইসলাম এবং আমিনুল মোমেন (বাবু) এদের সাথে। মূলত আমার জীবনের সুখ-দু:খ গুলো এদের সাথেই ভাগাভাগী হত।


মা বলতেন ছোট বেলায় আমি খুব দুষ্ট ছিলাম।সারা দিন পাড়ায় বেরাতাম, গাছে চড়তাম, বিকাল হলে ঘুড়ি উড়াতাম।এভাবে আমার দিন কাটত। লেখা-পড়ায় তেমন একটা বসতামনা।মূলত আমি নাকি চনঞ্চলে বালক ছিলাম।

২০০২ ইং সালে প্রথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসে পা রাখি। আমার সহপাঠীদের মধ্যে অনেকে এখন আমার পাশে নেই। আর পাশে নেই আনেকে যেমন দৌলত , জিলানি. সাজিদ, হাসান আরও অনেকে। আমি যখন বুঝতে শিখি তখন দেখামেলে সিরাজুল ইসলাম (অপু),জহিরুল ইসলাম এবং আমিনুল মোমেন (বাবু) এদের সাথে। মূলত আমার জীবনের সুখ-দু:খ গুলো এদের সাথেই ভাগাভাগী হত।

২০০৭ ইং SSC পরীক্ষা শেষে এক বড় বিয়োগ হয়। জহির আমাদের ছেড়ে চলে যায় ঢাকা। সে ধনিয়া কলেজে ভর্তি হয়। আমি এবং আমিনুল গ্রামের একটি কলেজ এ ভর্তি হই। দুই জন এক সাথেই থাকতাম সারা দিন।

আমার এক চাচাত বোনের বিয়ে হচ্ছিল। বিয়েতে আনেকেই আসেন। এর মধ্যে আমার জেঠাত বোন আসে আরো আসে মামাত বোন। আমার উপর দাইত্ব পরে বর কে খাওয়ানোর। যখন খাওয়াতে গেলাম এতে জেঠাত বোন এবং মামাত বোন আমার সাথে মজা করছিল। এতে একজন অন্যজনের প্রতি বিব্রত হয়ে পরে।

এক দিন আমার মোবাইলে কল আসে। আমাকে জিঙ্গাসা করছিল আমি আমার জেঠাত বোনকে পছন্দ করি কি! আমার বলার কিছু ছিলনা কেননা এমন কখনো ভাবিনি আগে।
এক-ই ঘটনা আবার হচ্ছিল জেঠাত বোন এর কাছ থেকে আমি মামাত বোনকে পছন্দ করি কি!

এতে আমি বিব্রত বোধ করি এবং ঘটনাটা দু’জনকে বলি। আমি তখন একটি মেয়েকে পছন্দ করতাম।সে আমার খুব নিকট তম।প্রাই তার সাথে কথা হত কিন্তু তেমন দেখা হতোনা।

কলেজের প্রথম দিন আমার একটি মেয়ের সাথে পরিচয়।তার নাম রুমানা।সে মানবিক বিভাগে পড়ত। আমার জীবনের সব কথা তাকে বলা হতো।

HSC পাশ করার পর আমাদের মাঝে তেমন যোগাযোগ হচ্ছিলনা।আর আমিনুল মোমেন (বাবু) চাচ্ছিল মঝা করবে। সে একটি নতুন মোবাইল এবং সিম কিনল। আমাকে বয়েজ পরিবর্তন করে ফোন দেয়। আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমার বন্ধু রুমানা। তাই তার সাথে যেমন করে কথবলি তেমন ই বল্লাম। কিন্তু, আমিনুল মোমেন তার মায়ের সামনে থেকে কথা গুলো বলছিল এবং রেকর্ড করে রাখে। পরে জানতে পারলাম সে আমার বড় ভাই, সকল বন্ধু এবং ছোট ভাই দের রেকর্ড শোনায়। তাতে আমি খুব কষ্ট পাই।

যাই হোক, ভালই কাটছিল দিন গুলো।

এক দিন আমি জানতে পাই আমিনুল মোমেন তার ছাত্রীর সাথে প্রেম করে। আমি তা মানতে পারলামনা ।তার সমস্ত প্রমান হাতে পাই এবং আমি তাকে মানা করি কেননা মেয়েটি আমাদের গ্রামের ছিল। আমি ভাবতাম এতে করে আমার সম্মানের হানি হতে পারে। তাই আমি এক ভাই এর শরণাপন্ন হই। কিন্তু তা হিতের বিপরীত হয়ে পরে।

আমিনুল মোমেন বড় ভাই এর কছে আমার ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করে আমি নাকি তার স্ত্রীকে খারাপ বলেছি। আর এদিকে আমায় বলেছিল বড় ভাই নাকি আমায় খারাপ বলে। এতে দুই জন ই উত্তেজিত হয়ে পরি।

একটা সময় বুঝতে পারি আমরা এটা আমিনুল মোমেন এর কাজ। তাই তাকে আসতে বলি বিকালে। কিন্তু সে আসেনি।

পর দিন সকালে সে পড়াতে এলে বড় ভাই তাকে জিঙ্গাসা করে যে কেন আসে নাই সে। আর আমিনুল মোমেন বলছিল তাকে হস্তাগাত করা হইছে( যা আমি দেখিনাই শুধু তাদের নিকট হতে শুনেছি মাত্র)।

দিন ছিল শুক্র বার এবং শব-ই বরাত। আমাদের কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক মইনুল ইসলাম সরকার এর নিকট বিচার চায় আমিনুল মোমেন। কিন্তু বিপাকে পরে সে।
জোহরের আজান হয়ে গেছে তাই সমাধানে আসা যায়নি।

আমাদের মাঝে আর কথা হয়নি কিম্বা কথা হচ্ছেনা।

আজ আনেকটাদিন কেটে গেল। আমি আমার ভাল লাগার মেয়েটিকে বলি নাই যে ভাল লাগে তাকে। তাই সে অণ্য এক জনকে খোজে নিয়েছে। এখন আমায় আর তার ভাল লাগেনা।

আর ঐ দিকে শুনলাম আমার বন্ধু রুমানা এর বিয়ে হয়েছে।

বড় কথা আমি একা হয়ে গেলাম।

এখন মিছ করছি আমার বন্ধু আমিনুল মোমেন (বাবু),জহিরুল ইসলাম(জহির), সিরাজুল ইসলাম (আপু) এবং আরো অনেক বন্ধুদের কে।

৪ thoughts on “ভালবাসা এবং আমি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *