বাংলার অতিথি: গুআজম

বাংলাদেশের ০৯ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।
অর্থাৎ, এই ০৯ কোটি মানুষ নিদারুণ অর্থকষ্ট, আথির্ক-অনিরাপত্তা ও আন্তরিক-উন্নত চিকিৎসা সেবাহীনভাবে প্রাত্যহিক জীবন যাপন করেন।

অন্যদিকে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-ঘাতক গোলাম আজম, যে বাংলাদেশের জন্মই চায়নি, বাংলাদেশের জন্ম রুখে দেবার জন্য এমন কোন অমানবিক কাজ নেই যার নেতৃত্ব দেয়নি, স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষতি করার জন্য দেশ-বিদেশ ঘুরে বেরিয়েছে…..এরকম একজন বিশ্বাসঘাতক-ঘাতক-বাঙালী ও বাংলাদেশের শত্রুকে “ট্রাইবুনাল ও বাংলাদেশ সরকার” ব্যাপক মেহমানদারী করছে।


বাংলাদেশের ০৯ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।
অর্থাৎ, এই ০৯ কোটি মানুষ নিদারুণ অর্থকষ্ট, আথির্ক-অনিরাপত্তা ও আন্তরিক-উন্নত চিকিৎসা সেবাহীনভাবে প্রাত্যহিক জীবন যাপন করেন।

অন্যদিকে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-ঘাতক গোলাম আজম, যে বাংলাদেশের জন্মই চায়নি, বাংলাদেশের জন্ম রুখে দেবার জন্য এমন কোন অমানবিক কাজ নেই যার নেতৃত্ব দেয়নি, স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষতি করার জন্য দেশ-বিদেশ ঘুরে বেরিয়েছে…..এরকম একজন বিশ্বাসঘাতক-ঘাতক-বাঙালী ও বাংলাদেশের শত্রুকে “ট্রাইবুনাল ও বাংলাদেশ সরকার” ব্যাপক মেহমানদারী করছে।

ঘাতক-যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে দুই শয্যার একটি কেবিনে রাখা হয়েছে, যার সাথে আছে পরিচ্ছন্ন এটাচ বাথরুম। কেবিনে আছে এসি, বৈদ্যুতিক পাখাসহ চলনসই আধুনিক হোটেলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা।
ঘাতক গোলাম আজমের প্রিয় খাবার ছোট মাছের তরকারী, যা প্রতিদিন সরবরাহ করা হয়, ইফতারীতে দেয়া হয় খেজুর ও ফলের রস।

বাহ! যে লোকটি বাংলার ত্রিশ লক্ষাধিক মানুষকে হত্যা ও চার লক্ষাধিক নারীকে নিপীড়নের সাথে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার-বিরোধী কাজের সাথে জড়িত ছিল, সেই ঘাতক-যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে অতিথির মত সেবা-যত্ম-আপ্যায়ন করা হচ্ছে…

সেলুকাস! সেলুকাস!! সেলুকাস!!!

একটি রাষ্ট্রের কর্তব্য তার অনুগত জনগণের জন্য “খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা” নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশ সরকার তার নিজ অনুগত জনগণের জন্য “খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা” নিশ্চিত করতে না পারলেও, পরবর্তী ৯০ বছরের জন্য একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-ঘাতক-বিশ্বাসঘাতক গোলাম আজমের “খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা” নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশের হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা চরম দারিদ্রতার মাঝে বসবাস করছে; বাংলাদেশ সরকার এসব মুক্তিযোদ্ধাদের “খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা” নিশ্চিত করতে পারে না কিন্তু ঘাতক-যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে জামাই আদরে রাখতে পারে।

ধিক…শত ধিক এসব “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের আর্দশ” বিক্রেতা ভন্ডদের…

[সাব্বির হোসাইন]

৮ thoughts on “বাংলার অতিথি: গুআজম

  1. আমিও ফাঁসি চাই তবে;
    একটা

    আমিও ফাঁসি চাই তবে;
    একটা আইডিয়া আসছে মাথায়-
    গু আযমের রায়ের বিরদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে আরও পরে যখন
    সে জেলে পচতে পচতে দেখবে একে একে ঝুলছে তার হাতে গড়া
    সব হায়েনা সাবকেরা… তার পর আপিলে তার ফাঁসি রায় দিতে হবে…
    ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই… গু আযমের ফাঁসি চাই…
    আর যে খাবার দাবার সে বিচার চলাকালীন পাইছে তা সে জেলখানায় কয়েদি ড্রেস এ কারাদণ্ড ভোগকালে পাবে না… রায়ের পর থেকে তার খাদ্য নিতান্তই আসামীর দৈনিক খাবার…

  2. পড়তে পড়তে আর ভাল লাগে না!
    পড়তে পড়তে আর ভাল লাগে না! বাঙ্গালি বলে বিস্ব বাসীর কাছে আমি কি করে পরিচয় দেব? তারা তো আমাকে বলবে তোরা তো দু মুখো সাপ!

    যুগে যুগে অন্যায়ের পক্ষে থাকা লোকেরাই আরাম আয়েস করে গেছে আর ভাল মানুষেরা পচে মরেছে!

    হায় হায় ছি ছি আমি সেই মানব জাতির অংশ! যে নিজের জাতির খুন করিতে পারে যা অন্য কোন প্রানী পারে না

  3. যেগুলা রায় দিছে সেগুলা
    যেগুলা রায় দিছে সেগুলা কার্যকর চাই| আর গু আজম তে ফাঁসি না দিলে কাউকে ফাঁসি দেওয়া মানায় না| রাজাকারের লিডার গুআজম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *