পিশাচ মুজাহিদের রায় এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শীর্ষক পর্যালোচনা এবং…

আগামীকাল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি ঘোষিত হবে। তাকে সামনে রেখেই ছোটগল্পের কল্পনা ছেড়ে খানিকটা বাস্তবতার নিরিখে রাজনীতি কপচানোর অপচেষ্টা চালালাম:

শুরুর আগে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর দিকে খানিকটা আলোকপাত করি:

প্রথম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর চামেলীবাগ থেকে সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন হোসেনকে অপহরণ করা হয়। মুজাহিদের পরিচালনাধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন ৭-৮ জন যুবক তাকে ধরে মিনিবাসে তুলে নেয়। আজ পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগে জানানো হয়।


আগামীকাল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি ঘোষিত হবে। তাকে সামনে রেখেই ছোটগল্পের কল্পনা ছেড়ে খানিকটা বাস্তবতার নিরিখে রাজনীতি কপচানোর অপচেষ্টা চালালাম:

শুরুর আগে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর দিকে খানিকটা আলোকপাত করি:

প্রথম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর চামেলীবাগ থেকে সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন হোসেনকে অপহরণ করা হয়। মুজাহিদের পরিচালনাধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন ৭-৮ জন যুবক তাকে ধরে মিনিবাসে তুলে নেয়। আজ পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগে জানানো হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগ: ১৯৭১ সালের মে মাসে একদিন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের নেতৃত্বে ফরিদপুর জেলার চর ভদ্রাসন থানার বিভিন্ন গ্রামের ৩০০-৩৫০ বাড়ি পুড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা। পরে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ে ৫০-৬০ জন হিন্দু নরনারীকে হত্যা করা হয়।

তৃতীয় অভিযোগ: ১৯৭১ সালের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে যে কোন একদিন ফরিদপুর শহরের খাবাসপুর মসজিদের সামনে থেকে রাজাকাররা ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার গোয়ালচামট এলাকার রণজিৎ নাথ ওরফে বাবু নাথকে আটক করে। বেলা অনুমান ১১টার দিকে ফরিদপুর পুরনো সার্কিট হাউজে আসামি আলী আহসান মুজাহিদের সামনে পাকিস্তানি সেনা অফিসার মেজর আকরাম কোরাইশীর কাছে হাজির করা হয় বাবু নাথকে। তখন মুজাহিদ ওই মেজরের সঙ্গে কথা বলার পর বাবু নাথের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। তার একটি দাঁত ভেঙে ফেলা হয়। নির্যাতনের পর মুজাহিদের ইশারায় তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বিহারি ক্যাম্পের উত্তর পাশে আবদুর রশিদের বাড়িতে নিয়ে রাজাকাররা আটকে রাখে। পরে রাতে রণজিৎ নাথ বাবু তার আটক ঘরের জানালার শিক বাঁকা করে ওই ঘর থেকে পালিয়ে জীবন বাঁচান।

চতুর্থ অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ২৬শে জুলাই সকাল বেলায় ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থেকে স্থানীয় রাজাকাররা মো. আবু ইউসুফ ওরফে পাখিকে মুক্তিযোদ্ধা সন্দেহে আটক করে। এরপর পাখিকে ফরিদপুর স্টেডিয়ামে আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে রাখা হয়। আটক বন্দিদের মধ্যে আবু ইউসুফ পাখিকে দেখে মুজাহিদ সঙ্গে থাকা পাকিস্তানি মেজরকে কিছু একটা বলার পরই তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। সেখানে ১ মাস ৩ দিন আটক রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়। নির্যাতনের ফলে আবু ইউসুফ পাখির বুকের ও পিঠের হাড় ভেঙে যায়।

পঞ্চম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ৩০শে আগস্ট রাত ৮টায় পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের আরেক নেতা মতিউর রহমান নিজামীসহ ঢাকার নাখালপাড়ার পুরনো এমপি হোস্টেলের আর্মি ক্যাম্পে যান মুজাহিদ। সেখানে তারা আটক সুরকার আলতাফ মাহমুদ, জহির উদ্দিন জালাল, বদি, রুমি, জুয়েল ও আজাদকে দেখে তাদের গালাগাল করেন এবং পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনকে বলেন, প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আগেই তাদের হত্যা করতে হবে। আসামি মুজাহিদ অন্যদের সহায়তায় আটকদের একজনকে ছাড়া অন্য নিরীহ-নিরস্ত্র বন্দিদের অমানুষিক নির্যাতনের পর হত্যা করে লাশ গুমের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেন।

ষষ্ঠ অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চের পর ঢাকার মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ক্যাম্প তৈরি করে। পরে রাজাকার, আলবদর বাহিনীও সেখানে ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করে। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ছাত্রসংঘের শীর্ষ নেতা হওয়ার সুবাদে আর্মি ক্যাম্পে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। ছাত্রসংঘের ও আলবদর বাহিনীর সুপিরিয়র নেতা হিসেবে আর্মি ক্যাম্পে উপস্থিত ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী নানা অপরাধের পরামর্শ ও ষড়যন্ত্র করতেন। এ ধরনের পরামর্শ ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুজাহিদ ১০ই ডিসেম্বর থেকে পরিচালিত বুদ্ধিজীবী নিধনসহ হত্যা, নির্যাতন, বিতাড়নসহ যাবতীয় মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা সংঘটিত করেন।

সপ্তম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৩ই মে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের নির্দেশে রাজাকার বাহিনী ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার বকচর গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ করে। শান্তি কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিঃসন্দেহে বলা যায়, কোন রকম বিচারের ভণিতা করে যদি এই আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেই এদের ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে গুলি করে হত্যা করত, তবে আমজনতা সব থেকে বেশি খুশি হত। কিন্তু, সেটা সম্ভব নয় বলেই আমাদের সবাইকে অপেক্ষা করতে হয়েছে একটা গৎবাঁধা বিচারের শেষ দিন অবধি।

এই পিশাচগুলোর মৃতদেহের প্রতি থুথু ছেটানোর প্রত্যাশাতেই ২০০৮ এর নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী করেছিল। কিন্তু, আজ সরকারের প্রায় শেষ সময়ে এসে আমরা সবাই চূড়ান্তভাবে আশাহত। কিন্তু, কেন?

প্রথমতই আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান শাসনামলে আমরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার একটা প্রবণতা লক্ষ করেছি, যেটা ঠিক আওয়ামী লীগের সাথে যায় না। আওয়ামী লীগের নীতিই হচ্ছে, সময়ের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু, এবার তা হয়নি। কখনও তারা সংসদে দাড়িয়ে গণজাগরণের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করে। আবার কখনও তারা চেষ্টা করে হেফাজতের সাথে আপোষের।

এবং আওয়ামী লীগের এই পল্টিবাজিতে দেশের মানুষ কতটা বিরক্ত তার প্রমাণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতেই আমরা দেখতে পাচ্ছি। ফেব্রুয়ারির শুরুতে বাংলাদেশে বি.এন.পি. নামে কোন রাজনৈতিক দল আছে কি’না সেটা নিয়েও যেখানে সন্দেহ হত, সেখানে এখন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর তারা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

সন্দেহ নেই, এই সরকারের পুনরায় ক্ষমতায় আসার একমাত্র পথ এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারই। এবং তারা সেই পথেই হাঁটছিলেন। দেশের মানুষের সামনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুলো ঝুলিয়েই তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। সেটা বিচারের ধীরগতি এবং “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করতে হলে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে” শীর্ষক সরকার দলীয় একাধিক নেতার বিবৃতিতে আমরা খুব ভাল ভাবেই বুঝতে পেরেছি।

কিন্তু, কিন্তু, কিন্তু…

সময়ের প্রবাহে স্রোত বেড়েছে। পরিবর্তিত হয়েছে নদীর গতিপথ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য এখন বি.এন.পি.কে না হলেও আওয়ামী লীগকেও কেউ বিশ্বাস করে না। খোদ গোলাম আজমের রায় যেখানে ফাঁসি হয় না, সেখানে আওয়ামী লীগকে দিয়ে খুব বেশি প্রত্যাশা করা সমীচীনও নয়। এবং এটাও বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, গোলাম আজমের ইস্যু ঢাকতেই সরকার এখন তড়িঘড়ি করে মুজাহিদের রায় দিচ্ছে।

যারা বিচার কার্যতে সরকারের কোন হাত নেই বলে ত্যানা প্যাঁচাতে ইচ্ছুক তাদেরকে স্রেফ প্রশ্ন করব, কাদের মোল্লার পর সাঈদির রায় দিতে এত দেরি হল কেন? যখন হেফাজত নিয়ে দেশ উত্তাল তার মধ্যেই রায় হবার সময় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ৫ই মে’র ক্রাকডাউনের পরই ঠুস করে তাদের সব কাজ শেষ হয়ে রায়ের তারিখ হয়ে গেল? আবার এত দিন কোন রায় হল না। গোলামের রায়ের পর যখন আবার জনতা ফুঁসে উঠল সাথে সাথে আর একটা রায়ের ঘোষণা কেন, কীভাবে আসল?

উত্তর চিন্তা করতে থাকুন। আমি বাকি কথায় এগোই। যেহেতু, গোলাম আজমের ইস্যু ঢাকতেই এই রায় সুতরাং ধরে নেয়াই যায়, মুজাহিদের ফাঁসি হচ্ছে। কিন্তু, আওয়ামী লীগও খুব ভাল ভাবে বুঝতে পারছে, যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে জনগণ আর তাদের ওপর ভরসা রাখতে পারছে না। আবার, তাদের হাতে যথেষ্ট সময় নেই ফাঁসির রায় কার্যকর করার। সুতরাং, তাদের সম্ভাব্য স্ট্রাটেজি কী হতে পারে?

কাদের মোল্লার রায়ের পর পুরো বাংলাদেশ যখন ফুঁসে উঠেছিল, তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনে একটা সংশোধনী আনা হয়েছিল, মনে আছে? চাইলে সরকার পক্ষেরও আপিলের ব্যবস্থা। আওয়ামী লীগের হাতের একমাত্র অস্ত্র এখন সেটাই। এবং সম্ভবত তারা সেটাই করবে। একেবারে শেষ সময়ে এসে তারা কাদের মোল্লা এবং গোলাম আজমের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। এবং সেই আপিলের শুনানি চলাকালীন অবস্থাতেই তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। এবং সেই যুদ্ধাপরাধীয়ের মুলো ঝুলিয়েই তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চাইবে।

ডিয়ার জাতির বোন,
আপনার কি এখনও বোঝা হয় নি, যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুলো ঝুলিয়ে আপনারা আগামীবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিলেন, সেই মুলো পচে গিয়েই এখন আপনাদের আছাড় খাওয়াতে তৈরি। তরুণ প্রজন্ম অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত। কয়েকটা পিশাচের ফাঁসির জন্য আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে? যেখানে প্রতিদিন কত নিরপরাধ মানুষ অকারণে মারা যায়। বিনা বিচারে বা ভুল বিচারে জেলে পচে মরে। বলতে পারেন আর কতদিন অপেক্ষা করলে একটি স্বচ্ছ নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের ফাঁসি দেখতে পাব? অন্তত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের ঝুলিয়ে হলেও তরুণ প্রজন্মকে শান্ত রাখুন।

বি.এন.পি. জামাত কিংবা হেফাজতের সমর্থকদের ভোট আপনারা অতীতে কখনও পান নি। ভবিষ্যতেও পাবেন না। আপনাদের আমরা, এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাহকেরাই ক্ষমতায় আনব। আমরা খুব বেশি কিছু চাই নি। চেয়েছি শুধু কয়েকটা পিশাচের ফাঁসি। সেটুকু আমাদের দিন।

নইলে

আগামী নির্বাচনে আমাদের তরুণ প্রজন্মের আওয়ামী লীগকে দিতে যাওয়া ভোটটা ‘না ভোট’ এ বদলে গেলে অবাক হবার কিছু থাকবে না।

৯ thoughts on “পিশাচ মুজাহিদের রায় এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শীর্ষক পর্যালোচনা এবং…

  1. কালকের রায় ফাসি হবে । কিন্তু
    কালকের রায় ফাসি হবে । কিন্তু গোলাম আজমের ব্যাপার এ যেটা ঘটেছে তার পেছনে গন্ধ আছে নোংরা রাজনীতির কুটিল চাল এর মারপ্যাঁচ । আর আওয়ামীলীগ জানে এখন এদের রায় ফাসি হলেও তাদের সাম্নের নির্বাচনে হার নিশ্চিত । আখের গোছানোর তোলে কি হচ্ছে জানি নাহ আমরা । তবে অনুমেয় ।

    আর রায় দিয়ে কি হবে । কার্যকর কি আদৌ হবে । ঝুলানি চাই আর কিচ্ছু নাহ । :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

  2. একাত্তরে এই পিশাচগুলো মানুষ
    একাত্তরে এই পিশাচগুলো মানুষ হত্যা করেছিল নির্বিচারে । তাদেরও গুলি করে বিচার ছাড়াই মেরে ফেলা উচিত ।

  3. ভাল লাগল বিশ্লেষণটা!!
    ভাল লাগল বিশ্লেষণটা!! :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    ক্লান্ত কালবৈশাখীকে অনেকদিন পর লিখতে দেখে ভাল লাগছে…
    তবে আমার এই বিষয়ে কিছু বলার আছেঃ
    মন বলছে কাল ফাঁসির রায় আসবে…
    আইডিয়াটা ভালই লাগল! রাজাকারকূল শিরোমণি শুয়োরের বাচ্চাকা শিরোমণি
    আলবদরকূল গডফাদার ও থিংকট্যাঙ্ক গোলাম আযমেরে বয়সের দোহায় দিয়ে ৯০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে; এইবার এই হারামির বাচ্চা তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের একেএকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখবে!!
    প্রতি ফাঁসির পরদিনের জাতীয় সকল দৈনিক পত্রিকা তার কাছে পাঠানো হবে সে পড়বে আর ভাব্বে ১৯৭১ সালের তার ষড়যন্ত্রের কথা…
    এই অমানুষের জন্যে ফাঁসির চেয়ে এইটাই বড় শাস্তি হবে বোধকরি।।
    অপেক্ষায় রইলাম…

  4. সত্য কথাই লিখেছেন। তবু বলি
    সত্য কথাই লিখেছেন। তবু বলি যতই আতাত করে চলুক আওয়ামীলীগ। প্রজন্মের জন্য এই আওয়ামীলীগই বাকি আছে। তাছাড়া তরুণ প্রজন্ম না ভোট দিলেও গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো বিএনপিকেই ভোট দিবে। ফলত ক্ষমতায় বিএনপিরই আসার সম্ভাবনা।

  5. মুজাহিদের ফাঁসি! যাক আতাঁত যে
    মুজাহিদের ফাঁসি! যাক আতাঁত যে হয়নি তা আবারো প্রমানিত হল।

    রায়ের আগে দেয়া আদালতের বক্তব্য ভাল লেগেছে ।গোলামের ব্যাপারে আদালত উচ্চ আদালতে যাবার পরামর্শ দিয়েছেন ।

    সবকিছুর পরও যে কথাটি বলতে চাই, আদালত মানবতা দেখাতে পারে না ।আদালত বাদী বা ভিকটিম নয় ।ভিকটিম হল রাষ্ট্র তথা ১৬কোটি জনগন ।মানবতা দেখানোর অধিকার ভিকটিম বা রাষ্ট্রের থাকা উচিৎ ।মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারে গোলামের প্রতি যে মানবতা দেখানো হয়েছে তা আসলেই ন্যাক্কার জনক।

  6. একেবারে শেষ সময়ে এসে তারা

    একেবারে শেষ সময়ে এসে তারা কাদের মোল্লা এবং গোলাম আজমের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।

    — ইতোমধ্যে কাদের মোল্লার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে । আর নিয়ম হচ্ছে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা । আপনার মূল্যবান পোস্ট এর জন্য ধন্যবাদ !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *