বাসে একদিন-একটি লুল পরিবেশনা(ভরাপেটে পড়া নিষেধ) ;)

পুরো ইস্টিশন জুড়ে শোকের মাতম|জাগতিক দু:খ,গ্লানি,হতাশা আর ব্যার্থতা পাড়া দিয়ে লিখতে বসলাম|

আমার জীবনে যত লুলীয় ঘটনা ঘটেছে তার বেশিরভাগ পাবলিক বাসকে ঘিরেই একারণে বাপের প্রাইভেট কারটার চেয়ে পাবলিক বাস আমায় বেশি টানে(সিষ্টেম কইরা কইয়া দিলাম যে আমরা একটা গাড়ির মালিক 😉 )
.
.
.
.


পুরো ইস্টিশন জুড়ে শোকের মাতম|জাগতিক দু:খ,গ্লানি,হতাশা আর ব্যার্থতা পাড়া দিয়ে লিখতে বসলাম|

আমার জীবনে যত লুলীয় ঘটনা ঘটেছে তার বেশিরভাগ পাবলিক বাসকে ঘিরেই একারণে বাপের প্রাইভেট কারটার চেয়ে পাবলিক বাস আমায় বেশি টানে(সিষ্টেম কইরা কইয়া দিলাম যে আমরা একটা গাড়ির মালিক 😉 )
.
.
.
.

বাসে করে ভার্সিটি যাচ্ছিলাম|পাশের সিটে রাগী মুখাবয়বের এক আদমী বসে আছে।মুখটা দেখলেই মনে হয় স্বর্গ থেকে নেমে এসেছেন মাত্র আর এই দুনিয়ার সবকিছুতেই মহা বিরক্ত।মেটাসোটা শরীর নিয়ে আমার সিটের তিন ভাগের এক ভাগ তিনি নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছেন 🙁 আমার হাতটা উনার গা চাপিয়ে উরুতে অবস্থান করছে।ভদ্রলোক চরম বিরক্তি নিয়ে বললেন ”এই যে নিজের হাত নিজের কাছে রাখেন”
দেখচুইন ভাইসাব আমার সিটের অংশ দখল করে রেখেছে আবার আমাকেই ধমক :O
হাত সরিয়ে ফেললাম ছোট্ট জায়গাটাতে কুনসুঠি মেরে বসে রইলাম আর ভাবছিলাম এই ময়দার বস্তারে কেমনে শিক্ষা দেয়া যায়!!

উদাস নয়নে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি।জানালায় চোখ পড়তেই দেখি দুই পিপড়া দম্পতি ভুচুংভাচুং খেলছে।এহ হে হে আমারে ঠেকায় কে মমিন? 😀
অতিসতর্কতায় তুলে নিলাম বড় পিপড়াটা|দুই হাতের উছিলায় সামান্য করে চাপ দিলাম পিপডার গায়ে যেন
মহাশয় রেগেমেগে অস্থির হয়|এবার আস্তে করে হাতটা ঐ
ময়দার বস্তার মাথার উপরে নিয়ে গিয়ে সাবধানে পিপডাটা ঘাড় আর শার্টের কলারের ফাক বরাবর ছেড়ে দিলাম 😀
মনে মনে এত্ত খুশি হলাম যেন মেহেজাবিন আর আমি লিটনের ফ্লাটে :p !সব ফিলিংস চেপে কানে হেডফোন লাগিয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকলাম,অপেক্ষার পালা কবে ড্রামা শুরু হবে ..

1. . 2 . . 3 . . 5 . . 7 মিনিট গেল কোন রেসপন্স নেই!হতাশ হয়ে নিচের ঠোটটা কমডে ধরলাম আর সাথে সাথে ”উহ” করে উঠল হারামিটা!!বুঝলাম ওষুধ কাজ শুরু করেছে ”উহ আহ” আর ঘন ঘন শরীর বাকানো দেখে হাসি চেপে রাখতে বেসম্ভব কষ্ট হচ্ছিল!
.
.
.
.
বাস থামানো হল,শার্ট খুলে পিপডাটা বের করা হল।
পরিস্থিতি হালকা করতে বললাম ”পিঁপড়ার হাতে কুপোকাত মানব সন্তান”

সবাই মুখ চেপে হাসল আর হারামিটা চোখ লাল
করে তাকিয়ে থাকল!!32টা দাত বের করে হাসি দিয়ে বললাম ”সরি”

‘সরি’টা যে পিপডা ঢুকিয়ে দেয়ার জন্য তা হয়ত
বুঝতে পারেনি ভদ্রলোক 😀

১৭ thoughts on “বাসে একদিন-একটি লুল পরিবেশনা(ভরাপেটে পড়া নিষেধ) ;)

    1. নাহ রে ভাই । ইষ্টিশন মাস্টার
      নাহ রে ভাই । ইষ্টিশন মাস্টার রে ডাক দেন :টাল: :টাল: :টাল: :চোখমারা: :চোখমারা: :চোখমারা: :চোখমারা:

      1. মাস্টার সাব নয়া বিয়া করল
        মাস্টার সাব নয়া বিয়া করল শুনলাম এখন ডিস্টার্ব করলে নগদে ব্যান খামু :p

        কয়েকটা প্রবলেম ফেস করছি,আপনি পুরান মানুষ জানা থাকলে আমাকে একটু জানাবেন|
        ✔পোস্ট কেমন্ট ডিলিট করার কোন অপশন খুজে পাচ্ছি না
        ✔পোস্ট ড্রাফট করার সিস্টেম কি?

    1. মজা পেলাম ।কিন্তু
      হাসি তো এলো

      মজা পেলাম ।কিন্তু
      হাসি তো এলো না!

      ———
      আপনার মন্তব্যটা কিভাবে নিব বুঝতে পারছিনা কারণ হিউম্যান সাইকোলজি বলে মানুষ যখন কোন কিছুতে মজা পায় তখন আনমনে তার ঠোঁট প্রসস্থ হতে থাকে!মনে হচ্ছে পুরো পোস্ট না পড়েই মন্তব্য করেছেন

  1. ঢাকা টু চট্টগ্রাম জার্নি তে
    ঢাকা টু চট্টগ্রাম জার্নি তে এই জাতীয় গল্পের জুড়ি মেলা ভার । ট্রেনের হালকা দুলুনির মধ্যে এই ধরণের গল্প পড়ার মজাই অন্যরকম । বেশ মজা দিলেন ভাই । ধন্যবাদ !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *