রুপকথার গোলাম নামক আযম

>কি ব্যাপার বাবু, ঘুমাচ্ছ না কেন। রাত কতো হয়েছে দেখেছ। ঘুমাও তাড়াতাড়ি। দুষ্টুমি করে না।

<আগে গল্প শোনাও নইলে ঘুমুবো না। >উফ, কি যে জ্বালাতন কর না তুমি। বল কি গল্প শুনবে।

< ওই যে ইয়া বড় বড় দাত ওয়ালা আযমের একটা গল্প আছে না। ওই গল্পটা বল। >এক গল্প প্রতিদিন তোর ভাল লাগে?

<হ্যাঁ লাগে, তুমি বল না। নাইলে কিন্তু আমি ঘুমুব না। >আচ্ছা বলছি বলছি।

=======


>কি ব্যাপার বাবু, ঘুমাচ্ছ না কেন। রাত কতো হয়েছে দেখেছ। ঘুমাও তাড়াতাড়ি। দুষ্টুমি করে না।

<আগে গল্প শোনাও নইলে ঘুমুবো না। >উফ, কি যে জ্বালাতন কর না তুমি। বল কি গল্প শুনবে।

< ওই যে ইয়া বড় বড় দাত ওয়ালা আযমের একটা গল্প আছে না। ওই গল্পটা বল। >এক গল্প প্রতিদিন তোর ভাল লাগে?

<হ্যাঁ লাগে, তুমি বল না। নাইলে কিন্তু আমি ঘুমুব না। >আচ্ছা বলছি বলছি।

=======

এক দেশে এক আযম ছিল। তার ছিল ইয়া বড় বড় অদৃশ্য নাক, ইয়া বড় বড় অদৃশ্য দাত আর ইয়া বড় বড় বড় সদৃশ্য মেশিন। সবাই তাকে গোলাম আযম বলে ডাকতো। সে সব সময় মানুষের ক্ষতি করে বেড়াতো। সে তার অদৃশ্য দাত দিয়ে ছোট বড়, জোয়ান বুড়ো সবার রক্ত চুষে খেত। কিন্তু মুখে বলত ভাল কথা।

সে তার নিজের রাজ্যে কোন দাম পেত না। তাই অন্য রাজ্যে গিয়ে নেতামি করত। তার চেয়ে ওপরের লেভেলের আযমদের পা চেটে খাতির করত। তার পেটে ছিল শুধু কুবুদ্ধি। সে নিজেকে মুই কি হনুরে ভাবত। তো একবার তার খারাপ কাজের জন্যে তার সাঙ্গ পাঙ্গ সহ তাকে আটকানো হল। সবাই সিদ্ধান্ত নিল সাঙ্গ পাঙ্গদের শুলে চড়ানো হবে। কিন্তু সেই গোলাম নামক আযমকে শুলে চড়ানো হবে না। কারন তার বয়স বেশি। তাকে দিয়ে ছাগল চড়ানো হবে।

এই সিদ্ধান্তের ভয়াবহতা প্রজারা বুঝতে পারলেও হাকিমরা বুঝতে পারে নি। এরপর গোলাম নামক আযম ছাগলের পাল চড়াতে থাকলো আর ধিরে ধিরে নিজের দল ভারি করতে লাগলো। এক সময় পর্যাপ্ত সৈন্য সামন্ত নিয়ে সে আক্রমন করে সেই রাজ্য দখল করে নিয়ে আযম বিস্তার করতে লাগলো।

এই গল্পের সাথে বাস্তবের কোন মিল নাই। কেউ মিল খুইজা না পাইলে পাকিস্তান যাও 😉

৬ thoughts on “রুপকথার গোলাম নামক আযম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *