শূকরশ্রেষ্ঠ এর বিজয়ের হাসি এবং এক সেলুকাসের অরণ্যে রোদন

এই লেখাটা লিখেছিলাম দুই দিন আগে।ভেবেছিলাম আমি মুভি অ্যাডিকটেড, মুভির বাইরে অন্যকিছু নিয়ে ইশটিসনে লিখব না, কিন্তু আমার প্রিয় জারজ,শুওরের পেটে জন্মানো শুওরের বাচ্চা শিবির ও শিবিরের ভাই হেফাজতের ভাইয়েরা আমায় কলম ধরতে বাধ্য করলেন…


এই লেখাটা লিখেছিলাম দুই দিন আগে।ভেবেছিলাম আমি মুভি অ্যাডিকটেড, মুভির বাইরে অন্যকিছু নিয়ে ইশটিসনে লিখব না, কিন্তু আমার প্রিয় জারজ,শুওরের পেটে জন্মানো শুওরের বাচ্চা শিবির ও শিবিরের ভাই হেফাজতের ভাইয়েরা আমায় কলম ধরতে বাধ্য করলেন…

“”” আমার পরিচয় কি? আমি একজন সাধারন ধর্মপ্রাণ ও নির্বিবাদী মানুষ। ঝামেলা থেকে দূরে থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করতাম বলে পরিচিত মহলে আমার ভয়াবহ দুর্নাম ছিল। সেই আমিই হঠাৎ ৫ই ফেব্রুয়ারির পরে অদ্ভুতভাবে চেঞ্জ হয়ে গেলাম। যে পাকিজন্মের শুয়োরগুলো ৭১রে আমার দেশকে জন্মাতে দিতে চায়নি, আমার মায়ের উপর কল্পনার অতীত নির্যাতন করেছে, সেই শুয়োরগুলোর একটাকে সরকারী খরচে তার জঘন্য জীবনের আরও কিছু দিন বাঁচিয়ে রাখা হবে, আমি তা মানতে পারিনি। আর যেহেতু আমি ইসলাম রক্ষা(কোরআন শরীফ পোড়ানো, ইসলামের নামে হত্যা, নির্যাতন, ধোঁকাবাজি, প্রতারনা এবং তালিবানি জিহাদ করা)আন্দোলনের সমর্থক ক্যাটাগরিতে পড়ি না এবং এই মহাবিশ্ব আপনা আপনি তৈরি হয়ে গেছে,এর কোন স্রস্টা নেই,এইরকম উদ্ভট গাঁজাখুরি তত্ত্ব বিশ্বাস করি না, সুতরাং ছুটে গেলাম শাহবাগে। গলা ফাটিয়ে স্লোগান দিলাম কিছু নিকৃষ্ট জানোয়ারের ফাসির দাবিতে।আমার হঠাৎ এই চেঞ্জ দেখে পরিচিত সবার চোখ কপালের উপ্রে উঠে গেলেও সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছিলেন বোধহয় আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব। তেতুল শুপির মতাদর্শে বিশ্বাসী বলে সর্বজন বিদিত এবং ছুপাছাগু বলে সমধিক পরিচিত এই লোক আমাকে দেখে বেশ কিছুক্ষন মাছের মত খাবি খেতে খেতে বললেন,”তুমিও নাস্তিক হয়া গেলা রাআদ? ”

সেই থেকে শুরু। যে মহল্লার শতকরা ৬০ ভাগ পুরুষ(এবং প্রায় সমপরিমান মহিলা) তাবলীগ জামায়াত নামে জামাতের এক কাভার সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত এবং সেই সুত্রে ছুপাছাগু আর বাকি ৪০ ভাগের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ তেতুল শুপির মতাদর্শে বিশ্বাসী(এদের সন্তানরা কিন্তু আবার স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে পড়ে), সেখানে মুক্তিযুদ্ধের কথা উচ্চারন করা যে কতটা উদ্ভট আর ভয়াবহ, তা আমাকে হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেয়া হল। সবার প্রথমে বদলে গেলো আমার বেশির ভাগ ছোটবেলার বন্ধুরা। ২৩ বছরের বন্ধুদের বদলে যেতে ২৩ সেকেন্ডও লাগলো না। আমার পরিবারকে পরোক্ষ ভাবে একঘরে করে ফেলা হল, তাদের দোষ তারা এক ভয়াবহ নাস্তিককে এতকাল প্রতিপালন করেছে এবং আজ যখন সেই নাস্তিকের নাস্তিকতা পুরোদমে শুরু হয়েছে(পড়ুন শাহবাগে ফাঁসি চাইতে গেছে), তখন তারা এই নাস্তিককে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে হুমকি দেয়া হয়েছে। আর আমার কথা তো বাদই দিলাম। মোবাইলে,সামনা-সামনি, চিঠি দিয়ে- সম্ভাব্য সব উপায়ে হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়া থেকে শুরু করে আল্লাহর নামে জবাই করে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও আমার যুদ্ধ থেকে আমি একচুল সরে আসিনি। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম,গনজাগরন মঞ্চ তার উদ্দেশ্য ছেড়ে বহুদূরে চলে গেছে,রাজনৈতিক শর্ত পালন করতে গিয়ে ডাঃ ইমরান হয়ে গেছে এক বিখ্যাত ঘুঁটির নাম,তখন থেকে আমি গনজাগরন মঞ্চে যাওয়া বন্ধ করে দেই।কিন্তু ফেসবুক, চায়ের আড্ডা, আমার বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি রাস্তা-ঘাটে যেখানে সুযোগ পেয়েছি, আমি আমার যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছি। পিছু হঠিনি।

তারপর পদ্মা-মেঘনা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেলো।শুয়োরের বীর্যে জন্ম সাইদি চাঁদে ঘুরে এল। “হেফাজতে শুয়োর” এর জন্ম হল। তারা দেশকে আফগানিস্তান বানানোর এক মহড়া দিল মতিঝিলে।তালিবানি সংবিধানের ১৩ দফা ঘোষণা করল এবং দেশকে আস্তিক-নাস্তিক এই দুই ভাগে ভাগ করে ফেলল। দেশের আপামর জনসাধারন কোন ভাগে যাওয়া শ্রেয়, তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে আর ঝগড়া করতে করতে পার করে দিল কিছু মহামূল্যবান। যার সবচেয়ে বড় দায়ভার পড়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্মুনত রাখার বুলি আউরে ক্ষমতায় থাকা লীগ সরকারের কাঁধে। তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মানুষের ব্রেনওয়াশ হতে দেখল, কোন পদক্ষেপ নিল না। শুয়োরের বীর্যে জন্মানো তালিবান রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টারা ততদিনে ৫ সিটি কর্পোরেশন জয় করল।লীগ সরকার বরাবরের মতই তাদের দুর্নীতি আর নপুংসতার বৈশিষ্ট্য নিয়ে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে ডঃ ইউনুস আর গ্রামীণ ব্যাংকে মুখ গুজে থাকল। তারা বরাবরের মত মানুষের ভাতের ক্ষুধা বুঝতে অসমর্থ হয়ে হাওয়াই মিঠাই এর স্বপ্ন দেখিয়ে যেতে থাকল। আর এই সুযোগে কিছু শুয়োরের ফাসির দাবিতে স্লোগান দেয়া শাহবাগে কিছু বেজম্না জারজ শিবিরের খা…কির পুলারা এক যুক্তিযুক্ত দাবির মধ্যে সাধারন শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁসির দাবি তুলল। হায় সেলুকাস,আজ তুমি থাকলে দেখতে, বিস্ময়ের সংজ্ঞা আমাদের দেশে প্রতিমুহূর্তে নতুন করে লেখা হয়। এরই মাঝে ঘটল এক মজার ঘটনা, মেহজাবিন আপু ফাকিস্থানের এক বিশিষ্ট বান…দের রেম্প শোতে উপস্থিত হয়ে জানান দিলেন, হেফাজতের ১৩ দফা অনুযায়ী ভাবী পাকিদেশের আপুদের জন্য কি পোশাক নির্ধারণ করা হবে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই পোশাক পরে রেম্প করা পাকি আপুদের দেখে জনাব শুপির কত বালতি লালা পড়ছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অব্যাহতভাবে চার মাস চরম মানসিক যন্ত্রণা দেয়ার পর শিবিরের শুয়োরগুলো বোধহয় মাদ্রাসার পোলাপানের হাতে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে এখন একটু বিস্রাম নিচ্ছে।কারন ইদানিং রাত দেড়টা বা দুইটার সময় কল দিয়েই উনারা কোরআনশরিফের আয়াত বলা শুরু করেন। আমাকে বুঝাতে চেষ্টা করেন, রাজাকারের ফাঁসি চাইলে একজন নামাজ-রোযা পালন করা মানুষ কিভাবে নাস্তিক হয়ে যায়। তবে শেষ দিকে তাদের বেশিরভাগ থ্রেট থাকে এইরকম- “৭১রে আর কি হইছে, খালি ক্ষমতাটা হাতে আসুক, তোর পরিবারকে ৭১রের চেয়েও ভয়াবহভাবে ধ্বংস করা হবে। শালা নাস্তিকের বাচ্চা” আমার বলতে মন চায়, আপনার শুঁয়োর বাবারা ৭১রে যা করেছিলো,তা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। বলি না। কারন আমি জানি যার সাথে আমি কথা বলছি, সে হয়তোবা অন্ধকার যুগের কোন মানুষ। মাদ্রাসার অন্ধকার প্রকোষ্ঠের বাইরের দুনিয়া দেখার মত সৌভাগ্য তার হয়নি। তাকে তার হুজুর যা বলেছে, তাই করতে হবে। নইলে রাস্তায় ভিক্ষা করা ছাড়া তার আর কোন উপায় নেই। মাঝে মাঝে নিজের উপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলি। মন চায় এক ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে। পরিকল্পনাটা খুব ইরোটিক, তাই যদি পরবর্তীতে ইসটিশন মাস্টার একে মুছে ফেলতে বলেন, আমি মুছে ফেলব। আমার পরিকল্পনাটা হল ওই রাজাকার শুয়োরগুলোকে প্রথমে জাতীয় কোন মঞ্চে উপুড় করে থুথু ও জুতার বাড়ি দেবে সারা দেশের মানুষ। তারপর যদি পাকিস্তান থেকে কিছু গে কে নিয়ে এসে ওই অবস্থাই তাদের পিছন দিক দিয়ে বোঙ্গা বোঙ্গা দেয়া হবে(ওদের অনেকেরই এইটা থাকবে শেষ ইচ্ছা,আমি কনফারম)(আর যদি একান্তই পাকি গে পাওয়া না যায়, তবে বিহারিগুলাই সই) তারপর ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে শটগান দিয়ে দু-টুকরো করে ফেলতে হবে(কম হয়ে গেল)তারপর চামড়া ছাড়িয়ে কয়েকশো টুকরো করে প্যাকেট করে পাঠিয়ে দিতে হবে ওদের প্রিয় মাতৃভূমি/জন্মভুমি ফাকিস্থানে। ওদের বিশেষভাবে অনুরোধ করতে হবে যেন ওরা এই পচা মাংসের টুকরাগুলো তাদের ভুখা কুকুরগুলোকে খাইয়ে দেয়, অথবা তাদের নোংরা শহরগুলোর আরও নোংরা ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। আর ওদের চামড়াগুলো জাতীয় ঘৃণার প্রতীক হিসাবে ঝুলিয়ে রাখতে হবে শহরের বড় কোন রাস্তার মোড়ে, যেন মানুষ সবসময় তাদের ঘৃণা প্রকাশ করতে পারে। খুব ইচ্ছা করে জানয়ারদের এভাবে ধ্বংস করে ফেলতে। খুব””””

আজ শুয়োরশ্রেষ্ঠ গোলাম আজমের রায় দেয়া হয়েছে। গোলাম মানে চামচা/চাকর আর আজম মানে বড়। ৭১রে ফাকিস্থানের হায়েনাদের সবচেয়ে বড় চামচা ছিল এই গুয়াজম। জাস্ট এই বিষয়টাস ওকে কয়েকশোবার ফাঁসি দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। নেক্সটটাইম পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিরাকল না ঘটলে আওয়ামিলিগের ক্ষমতার আসার কোন সম্ভাবনা নেই। আর আমার এলাকার মহামান্য শুয়োরের বীর্যে জন্মানো শুয়োরগুলো তারই অপ্পেক্ষায় আছে। হয়তোবা নির্বাচনের রাতেই তারা আসবে। খুব সাবধানে হায়েনার মত পা ফেলে। আমিও অপ্পেক্ষায় আছি। আসুক তারা। আমি আমার সহব্লগারদের কাছে ওয়াদা করছি, ঐ শুয়োরগুলোর সাথে শেষবারের মত লড়াই না করে আমি মরব না। কেননা তাহলে আমার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা চাচার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই বৃথা যাবে, একজন রাজাকারের মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট “ম্যানেজ” করার দৃশ্য দেখে আমার বাবার ঘৃণাভরে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ছুড়ে ফেলে দেয়াকে অপমান করা হবে। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে তা আমি হতে দিতে পারি না। কখনো না…

২০ thoughts on “শূকরশ্রেষ্ঠ এর বিজয়ের হাসি এবং এক সেলুকাসের অরণ্যে রোদন

    1. এই নির্মম সত্যটা খুব ভয়াবহ
      এই নির্মম সত্যটা খুব ভয়াবহ হলেও মানতে কেন যেন খুব কষ্ট হয়… কিন্তু কিছু করার নেই… এটাই সত্য এবং এটাই বাস্তব…

  1. এক অদ্ভুত সময়ের সহযাত্রী আমরা
    এক অদ্ভুত সময়ের সহযাত্রী আমরা । এই ঘৃণা ‘র আগুন জ্বলছে আমাদের সবার বুকে । ভাষা জানা নেই – কী লিখবো আমি ?

    1. বহুদিন জমিয়ে রেখেছিলাম… আজও
      বহুদিন জমিয়ে রেখেছিলাম… আজও কাউকে বলতে চাইনি… কিন্তু যন্ত্রণাগুলো আজ আর ভেতরে থাকতে চাইল না… এক শুয়োরের বীর্যে জন্মগ্রহনকারী শুয়োর আমার সরকারী খরচে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাজার হালে থাকবে আর বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলে মানুষের কাছে হাত পেতে জীবন কাটাবে, এটা একমাত্র এই বিচিত্র দেশেই সম্ভব… শত ধিক এই জাতিকে…

      http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=f61a08177e25d57f132ff2bd8b6e1610&nttl=14072013210450

  2. কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি
    কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি বহু আগেই… কয়েকদিন পর হয়তোবা “”আমার সোনার বাঙলা”” গানটাও হারিয়ে ফেলব… তার বদলে গাইতে হবে আল্লামা ইকবালের পাক সার জমিন সাদ বাদ…।

  3. আমাদের কিছুই করার নেই চেয়ে
    আমাদের কিছুই করার নেই চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া!

    তবে একদিন… সবাইকেই এর জবাব দিহি করতে হবে এবং সেদিন আর বেশি দুরে নয়।

    1. মনে হয় না শাহিন ভাই… কারন
      মনে হয় না শাহিন ভাই… কারন আম্লিগের নপুংশতায় নেক্সট টাইম এদেশের গনতন্ত্রমনা মানুষ বিম্পিকে ক্ষমতায় আনবে… তারপর… তারপর মুক্তিযুদ্ধ নামক শব্দটা মুছে যাবে এই দেশের ইতিহাস থেকে… মুছে দেবে এই বাঙ্গালিরাই… এবং তারপর তাহারা সুখে শান্তিতে বাংলাস্থানে বসবাস করিতে থাকিবে…

  4. তোর কাহিনীতো পুরাই আমার ছোট
    তোর কাহিনীতো পুরাই আমার ছোট ভাই’য়ের মতনরে…তাওতো ভালো যে তুই সাহস করে ওদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পেরেছিস…এটাই হলো ওদের বিরুদ্ধে আমাদের সফলতা… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  5. রক্তস্নাত ১৯৭১ যেমন দিয়েছে
    রক্তস্নাত ১৯৭১ যেমন দিয়েছে স্বাধীনতা,
    ঠিক বিপরীত ধারার বিশ্বাসঘাতকতা ১৯৭৫ বাঙলাকে আবার করল রক্তাক্ত;
    শুধু সেখানেই ক্ষান্ত হয়নি হায়েনার দোসরেরা! একে একে মানবিক এবং আদর্শিক সকল রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে দূষিত করেছে ধর্মীয় উন্মাদনায়… সেই সাথে সকল নক্ষত্রের পতন ঘটেছে স্বেচ্ছাচারী মৌলবাদী উত্থানে।। নিয়মসিদ্ধভাবেই দুনিয়ার কোন দেশ রক্তপাতহীনভাবে গণতন্ত্রের সাধ পাই নি… সকল অনৈতিকতার এবং আদর্শহীনতার বিনাশও তাই রক্তপাতহীন হবে আশাকরা দিবাস্বপ্নেড় মত! সেই ইতিহাসের দেনা শোধ করছে জাতি!!

    তুমি ভয় পেয়ো না…
    আমার মাটি আমার মা,
    পাকিস্তান হবে না…

    1. আমার মাটি আমার মা,
      পাকিস্তান

      আমার মাটি আমার মা,
      পাকিস্তান হবে না.

      না ভাই, আপনাদের মতো সহযোদ্ধারা পাশে থাকলে ভয় পাবার প্রশ্নই উঠে না, আর আমরা ভয় পেলে ওই জারজদের নির্মূল করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বে কারা?? সেদিন বেশী দূরে নয়, যেদিন ওই শুয়োরদের আমার সোনার বাংলা থেকে নিশ্চিহ্ন করে আমরা উৎসব করবো… :বুখেআয়বাবুল: সেদিনের অপেক্ষায়… :থাম্বসআপ: :অপেক্ষায়আছি:

    1. এই ক্ষোভটাই শক্তিতে পরিনত
      এই ক্ষোভটাই শক্তিতে পরিনত করতে হবে … :ভাবতেছি: আমরা এই ক্ষোভের আগুনেই ওই জারজদের নিশ্চিহ্ন করবো… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :অপেক্ষায়আছি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *