‘আইনের আদালত’ আর ‘মানবতার অবতার- স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ’ এক কথা নয়

রায়টি এসেছে মূলত একটি সাংবিধানিক আদালতের মাধ্যমে। আদালত এবং এর রায়কে স্বতস্ফূর্ত ভাবে স্বাগত জানানোর কোন কারন একাত্তরের ৩০ লক্ষ শহীদ পরিবারের নাই। আমারও নাই।

আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েও বলা যায়, একাত্তরের ৩০ লক্ষ শহীদ পরিবার এই রায়ে “সংক্ষুব্ধ-আশাহত-হতভম্ব।” আমার ন্যায় বিচার পাইনি।

আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেও প্রশ্ন করা যায়ঃ

-গো. আযম যখন এই অপরাধ করেছিল, তখন তার বয়স কত ছিল? সেই বয়সটাকেই বিচারিক আমলে নেয়া উচিত ছিল কি-না?


রায়টি এসেছে মূলত একটি সাংবিধানিক আদালতের মাধ্যমে। আদালত এবং এর রায়কে স্বতস্ফূর্ত ভাবে স্বাগত জানানোর কোন কারন একাত্তরের ৩০ লক্ষ শহীদ পরিবারের নাই। আমারও নাই।

আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েও বলা যায়, একাত্তরের ৩০ লক্ষ শহীদ পরিবার এই রায়ে “সংক্ষুব্ধ-আশাহত-হতভম্ব।” আমার ন্যায় বিচার পাইনি।

আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেও প্রশ্ন করা যায়ঃ

-গো. আযম যখন এই অপরাধ করেছিল, তখন তার বয়স কত ছিল? সেই বয়সটাকেই বিচারিক আমলে নেয়া উচিত ছিল কি-না?

-গো. আযম যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ করেছিল, তাদের মধ্যে কি শিশু ছিল না? ছিল নাকি ৯০ বছরের কোন বৃদ্ধ? তখন কি এই নরপশু কুকুর গো. আযম বয়সের ব্যাপারটি আমলে নেয়ছিল?

ট্রাইব্যুনাল তাঁর রায়ে বলেছে- “তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়াটাই শ্রেয় (মৃত্যুদন্ড), কিন্তু বয়স ও শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় তাকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।

আমার প্রশ্নঃ

-অপরাধের সাজা হিসেবে ‘মৃত্যুদন্ড’ মানে আসামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার জীবনাবসন ঘটানো। অথচ বেশ হাস্যকর ভাবেই দেখা যায়, অপরাধের কারনে যার জীবনাবসন ঘটানে হবে, তার সেবা-সুশ্রষায় নিয়োজিত হল আদালত। ‘পেশাগত দায়িত্ব’ বলতে আমরা যা বুঝি, এখানে কি তার সম্পূর্ন লঙ্ঘন ঘটেনি?

তারপরেওঃ-

এ রায়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সফলতা হচ্ছেঃ-

-একাত্তরের নরপশু গোলাম আযমের মানবতাবিরোধী অপরাধের সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়া। অর্থাৎ গো. আযম একজন যুদ্ধাপরাধী, যা সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে ধিকৃত অপরাধ হিসেবে পরিগনিত হয়। একারনে গো. আযমের সাথে তার পরবর্তি চৌদ্দ পুরুষ যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিগণিত হবে।”

-এই রায়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামকে একটা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।”

আমার প্রশ্নঃ-

– এই রায়কে আমলে নিয়ে কেন সরকার জামায়াত ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করবে না?

– কেন নির্বাচন কমিশন দল হিসেবে জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করবে না?

ভুলে গেলে চলবে নাঃ

অপরাধীর সাজা মওকুফ করা মানেই হচ্ছে, অপরাধকে উৎসাহিত করা

২ thoughts on “‘আইনের আদালত’ আর ‘মানবতার অবতার- স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ’ এক কথা নয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *