স্বঘোষিত মেধাবীদের কিছু যুক্তি এবং আমার উর্বর মস্তিষ্কের যুক্তিখন্ডন…

মেধাবী যুক্তি ১
মুক্তিযোদ্ধারাও সবাই ভাল না। মুজিব এবং জিয়া দুজনের খুনিরাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তাই দেশের সব মুক্তিযোদ্ধারা খুনি।

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ১

মেধাবী যুক্তি ১
মুক্তিযোদ্ধারাও সবাই ভাল না। মুজিব এবং জিয়া দুজনের খুনিরাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তাই দেশের সব মুক্তিযোদ্ধারা খুনি।

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ১
নর্থ সাউথের ছেলেরাই রাজিবকে হত্যা করেছিল। তার মানে নর্থ সাউথের সব শীক্ষার্থী খুনী। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হোক। আমি নিজে প্রাইভেটে পড়ি বলে প্রাইভেটকে দিয়াই বিসমিল্লাহ করলাম। যাতে পাবলিক বনাম প্রাইভেট যুদ্ধ কেউ না লাগাতে পারেন। পাবলিক ভার্সিটিতে রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় কত যে খুনি পড়াশুনা করছে তার তো হিসেব নেই। এখন বলেন মেধাবীদের মাঝেও খুনী আছে বলে কি আপনি মেধাবীদের জন্য সরকারের দেয়া বরাদ্দ উঠিয়ে দিতে বলেন!!! যদি না বলেন তাহলে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে থাকা দু-একজন কালপ্রিটের জন্য দেশের বীরদের নামে কলঙ্ক দিতে আপনার লজ্জা করেনা কেন!

মেধাবী যুক্তি ২
মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে। তাই তাদের জন্য নির্ধারিত কোঠা উঠিয়ে দেয়া প্রয়োজন।

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ২
ভর্তি বানিজ্যের মাধ্যমে অসংখ্য মেধাহীনরাও মেধাবী সেজে ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে। মেডিকেলের মত উচ্চমানের পড়াশুনাতেও ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসের ঘটনা প্রায় প্রতিবছরই ঘটে। তাহলে কি বলা যায় যে মেধাবীদের মাঝে অনেক ভূয়া মেধাবী আছে, তাই মেধাবীদের জন্য দেয়া সকল সুযোগ-সুবিধা সরকারের প্রত্যাহার করা উচিৎ।

মেধাবী যুক্তি ৩
মুক্তিযোদ্ধার ঘরে জন্ম নিলেই কি সব সুবিধা পাবে! সাধারন মানুষ কিছু পাবেনা কেন!

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ৩
সাধারন মানুষকে আপনি কি সব সুবিধা দিতে প্রস্তুত! যদি বলি আপনি নিজেও উচ্চশিক্ষা গ্রহন করে সাধারন মানুষের অধিকার নষ্ট করছেন তাহলে কি সে অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আপনি আপনার উচ্চশিক্ষার সুবিধাটুকু ছেড়ে দিবেন!

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারের আওতাধীন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নামেমাত্র মূল্যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহন করছে। একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে সরকারের যদি খরচ হয় ২ লাখ টাকা তাহলে সরকার হয়তোবা মাসে ২০০-৩০০ করে তুলে মোট ৫০০০০ টাকাই নেয়। বাকিটা সরকার ভর্তূকী দেয়। এখন এই সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থাকার কারনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর ওপরে চাপ অনেক কম পড়ছে। ফলে তাদেরও টিউশন ফি একটু কম হচ্ছে। সরকারী প্রতিষ্ঠান না থাকলে তাদেরও আরো বেশি টাকা গুনতে হত।

ফলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্ররা সরকারের কাছ থেকে পাচ্ছে অনেক লাভ, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও একটু লাভ পাচ্ছে। কিন্তু যে চাষার ছেলে, কিংবা রিকশাওয়ালার ছেলে অর্থকষ্টে মাধ্যমিকের গন্ডি পার হতে পারেনা সে তো কিছুই পাচ্ছে না। আপনি আমি রাষ্ট্রের এত সুবিধা পেয়েও যদি সীমাহীন স্বার্থপরের মত মুক্তিযোদ্ধাদের কোঠা একেবারে তুলে দিতে বলি তবে রাষ্ট্র থেকে প্রায় কিছুই না পাওয়া সন্তানগুলো কেন বলবেনা, “সব সুবিধা কি চাকরিজীবি আর ব্যবসায়ীর ঘরে জন্ম নেয়া সন্তানদের দেয়া হবে। আমরা কি কিছুই পাব না!”

যদি এই তথাকথিত মেধাবীদের দাবী শুনে মুক্তিযোদ্ধা কোঠা একেবারে বাতিল করা হয় তবে ঐসব গরীব সন্তানদের দাবী শুনে মেধাবীদের শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের বরাদ্দ সকল সুবিধাও কিন্তু তুলে দিতে হবে।

মেধাবী যুক্তি ৪
দেশের মোট জনসংখ্যার খুব অল্পসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা। তাদের জন্য ৩০% আর বাকি ১৫ কোটির জন্য মাত্র ৪৫% কেন!

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ৪
সংখ্যার হিসেব যদি করতে চান তবে আপনার আবার ৩ নম্বরের বলা কথাগুলো মনে করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চেয়ে মেধাবীদের সংখ্যা বিসিএসে অনেক বেশি। তাই সেই বেশী সংখ্যকের দাবি মেনে মুক্তিযোদ্ধা কোঠা বাতিল করা যায়। এখন উচ্চশিক্ষা নিতে পারা মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তের সন্তানের চেয়ে দেশে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত গরিবের সন্তানদের সংখ্যা অনেক বেশি। তারা যদি দাবি করে মেধার বিচার না করে বরং দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা সবাইকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অল্প বেতনে পড়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হোক তাহলে আপনি কি এই বিশাল অংশের দাবীকে উপেক্ষা করতে পারবেন! যদি বেশি সংখ্যক দাবী করে দেশের সবচেয়ে দরিদ্রদেরকে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ দেয়ার পরে ধনীদের মেধাবী সন্তানদের চান্স দেয়া হোক, তবে আপনি আমি আর সেটা মেনে নিতে পারব না। তখন আমাদের ১৫ কোটি সাধারন মানুষের কথা মনে থাকবে না। আসলে আপনি আমি ১৫ কোটির দোহাই দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সরিয়ে কিভাবে নিজের সুবিধা আদায় করা যায় সেই ধান্দায় আছি।

মেধাবী যুক্তি ৫
যাদের মেধা আছে তারাই তো বেশি সুবিধা পাবে, এতে এত গাইগুই করার কি আছে।

উর্বর মস্তিস্কের যুক্তিখন্ডন ৫
এদেশের আইনের কোথাও বলা নাই মেধা না থাকা একটা পাপ কিংবা অপরাধ। তাহলে যার মেধা নাই কিংবা থাকলেও আপনার আমার মত মেধা প্রকাশের মত পরিবার ও সুযোগ পায়নি, তারা কোন পাপ না করেও কেন শিক্ষা গ্রহনের ক্ষেত্রে মেধাবীদের থেকে পিছিয়ে থাকবে। মেধা থাক আর না থাক সরকারের তো সবার জন্য সমানভাবে শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ দেয়ার কথা। যার কম মেধা তার আরো বেশি শিক্ষা অর্জন প্রয়োজন।

ফাইনাল কথাঃ
ওপরের আলোচনা থেকে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোঠার মত মেধাও একটা কোঠা। আমাদের দেশের অসংখ্য কুলি, কামার, দিনমজুর, গার্মেন্টস কর্মী এমনকি এই মেধাবীদের বাবাদেরও সামগ্রিক অর্জনের অর্থেরই কিছু অংশ এই মেধাবীদের পেছনে রাষ্ট্র ব্যয় করে। এই অসংখ্য মানুষ চিন্তা করেছে তাদের নিজের সন্তান যদি মেধাবী নাও হয় তারপরও আরেকজনের মেধাবী সন্তান যেন উচ্চশিক্ষা গ্রহন করে তাদের সকলের স্বার্থ সংরক্ষন করে। এই অসংখ্য মানুষ ভেবেছে তাদের দেশটি যে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্লোভ ত্যগের ফসল সেই মুক্তিযোদ্ধাদেরকে একটু কোঠা দিয়ে নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের সমান কাতারের না হলেও পেছনের কাতারের একজন হিসেবে যেন প্রতিষ্ঠিত করা যায়। এই অসংখ্য মানুষ একইভাবে তাদের সুবিধাবঞ্চিত নারী, উপজাতি ও অবহেলিত জেলাগুলোর কথা ভেবেও কোঠা রেখেছে। এই অসংখ্য মানুষ যদি এখন ভাবে মেধাবীদের ৪৫% কোঠা উঠিয়ে ওটা এদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য বরাদ্দ করা উচিৎ তবে মেধাবীদের কিচ্ছু করার থাকবে না।

মেধাবীদের বোঝা উচিৎ, রাষ্ট্রই তার প্রয়োজনে এই শীক্ষার্থীদের করেছে মেধাবী এবং তার থেকেও হয়তোবা অনেক বেশি বুদ্ধিমান একটা রিকশাওয়ালার ছেলেকে করেছে আরেকটা রিকশাওয়ালা। সুতরাং মেধাবী, তুমি যতটা কষ্ট নিয়ে আজ মুক্তিযোদ্ধার গালে জুতা মারতে যাচ্ছ, তার থেকে অনেক বেশি কষ্ট নিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা ক্রুদ্ধ চোখে তাকিয়ে দেখেছে রাজাকারের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা। যে মেধার জোড়ে তুমি আজ মুক্তিযোদ্ধাদের জুতা নিক্ষেপ করতে যাও তার থেকে অনেক বেশি মেধা নিয়ে মুনীর চৌধূরী, ফজলে রাব্বী তোমার মেধা বিকাশের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজেকে বিসর্জন দিয়েছে। কোটার বলি হয়ে তুমি যেমন ৭০ পেয়েও চান্স না পেয়ে কাদছ, তেমনি তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার খরচ নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রের একজন সাধারন রিকশাওয়ালার জীবন থেকে একবেলার ভাত কমে যাওয়াতে সে ক্ষুধায় কাদছে। তুমি মুক্তিযোদ্ধার জন্য ছাড় না দিলে, তোমার জন্য সেই রিকশাওয়ালা কেন ছাড় দিবে! ও আচ্ছা, তুমি শিক্ষিত হয়ে রাষ্ট্রের জন্য অনেক কিছু করবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা যে এই রাষ্ট্রটাকে জন্ম দিয়ে রেখেছে সেটা কি খেয়াল আছে! তোমার রাষ্ট্রের সেবা করার প্রতিশ্রুতি অনিশ্চিত, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার ত্যগ অতীতে পরীক্ষিত। কোনটাকে কোটা দেয়া উচিৎ, তোমার অনিশ্চিত মেধা, যেটা দেশের ক্ষতিতেও ব্যবহৃত হতে পারে, নাকি মুক্তিযোদ্ধার পরীক্ষিত দেশপ্রেমকে!!! আরে ধুর, এই হাবিজাবি লিখতে লিখতে আমিও মুক্তিযোদ্ধা আর এইসব স্বঘোষিত মেধাবীদের এক কাতারে এনে ফেলেছি। সরি, মুক্তিযোদ্ধাদের কোঠা চাই। শতকরা হিসেবে সেটা কমানো উচিৎ নাকি বাড়ানো উচিৎ তা জানিনা। তবে পুরোপুরি কোটা ওঠানোর বিপক্ষে আমৃত্যু অবস্থান থাকবে।

[বিদ্রঃ আমার নানা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলছে। পরে বিশেষ কারনে ঘৃনার বশবর্তী হয়ে সেটা ওঠানোর কোন প্রয়োজন মনে করেনি। তাই আমি যেকোন ধরনের মুক্তিযোদ্ধা কোটার বাইরেই আছি। এজন্য কোন আফসোস নেই। আমার নানা কোটা পাওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করতে যান নাই। কিন্তু তাই বলে রাজাকারদের গাড়িতে ফ্লাগ লাগানোর ব্যবস্থা করার জন্যেও মুক্তিযুদ্ধে যান নাই। রাষ্ট্র রাজাকারদের এতবড় সুবিধা দিতে পারলে মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্মের জন্য কোটা দিতে পারবে না কেন সেটা ভাববার বিষয়।]

১৫ thoughts on “স্বঘোষিত মেধাবীদের কিছু যুক্তি এবং আমার উর্বর মস্তিষ্কের যুক্তিখন্ডন…

  1. ভাল বলেছেন ভাই
    আর একটা কথা

    ভাল বলেছেন ভাই

    আর একটা কথা আপনারা তো মেধাবি ই আপনাদের চিন্তা কোথায় মেধাবিরা তো সর্বত্র সমাদৃত তাহলে আপনারা বিসিএস দিয়েন না কম মেধাবিদের সুযোগ দেন .।

    1. হা হা হা… সেটাই… এত্ত
      হা হা হা… সেটাই… এত্ত মেধা লইয়া আবার আমুক কোঠা তমুক কোঠা নিয়ে চিল্লায়… ৫৫% এর কথা বলা হলেও কোটায় যায় সর্বোচ্চ ৩০%… বাকি ৭০% ই মেধায় যায়… তাইলে এই ৩০% কোটা উঠালেই বা লাভটা কি হইবে… পরীক্ষা যদি দেয় ১০০০০০ আর সিট যদি থাকে ৭০ তাইলে ৩০ টা সিট বাড়াইলেই বা লাভটা কি… এদের তো ভাব এমন যে ওই চান্স না পাওয়া ৯৯৯৭০ জনের সবাই এই ৩০ জন হতে পারে… ওদের সবাই মনে হয় এই ১০০ জনের মত মেধাবী… বিসিএস ফর্ম কিনলেই এখন মেধাবী…

  2. অকাট্য যুক্তি।
    সুতরাং

    অকাট্য যুক্তি। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    সুতরাং মেধাবী, তুমি যতটা কষ্ট নিয়ে আজ মুক্তিযোদ্ধার গালে জুতা মারতে যাচ্ছ, তার থেকে অনেক বেশি কষ্ট নিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা ক্রুদ্ধ চোখে তাকিয়ে দেখেছে রাজাকারের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা। যে মেধার জোড়ে তুমি আজ মুক্তিযোদ্ধাদের জুতা নিক্ষেপ করতে যাও তার থেকে অনেক বেশি মেধা নিয়ে মুনীর চৌধূরী, ফজলে রাব্বী তোমার মেধা বিকাশের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজেকে বিসর্জন দিয়েছে। কোটার বলি হয়ে তুমি যেমন ৭০ পেয়েও চান্স না পেয়ে কাদছ, তেমনি তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার খরচ নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রের একজন সাধারন রিকশাওয়ালার জীবন থেকে একবেলার ভাত কমে যাওয়াতে সে ক্ষুধায় কাদছে। তুমি মুক্তিযোদ্ধার জন্য ছাড় না দিলে, তোমার জন্য সেই রিকশাওয়ালা কেন ছাড় দিবে!

    এই কথাগুলোর জন্য স্যালুট। :bow:

    1. ধন্যবাদ… আমি যুক্তি ভাল
      ধন্যবাদ… আমি যুক্তি ভাল দিতে পারি না… আবেগ এসে যায় বেশি… তবে এখানে অকাট্য যুক্তি দিতে পেরেছি ভেবে ভাল লাগছে…

  3. রাজাকারদের গাড়িতে ফ্লাগ

    রাজাকারদের গাড়িতে ফ্লাগ লাগানোর ব্যবস্থা করার জন্যেও মুক্তিযুদ্ধে যান নাই। রাষ্ট্র রাজাকারদের এতবড় সুবিধা দিতে পারলে মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্মের জন্য কোটা দিতে পারবে না কেন সেটা ভাববার বিষয়।]

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    মুক্তিযোদ্ধা কোটা আর প্রতিবন্ধী কোটা বহাল থাকবে।
    একটা কথাই মনে রাখতে হবে দেশ স্বাধীন করেছিল বলেই আজ আপনারা গলা ফাটিয়ে অধিকারের কথা বলছেন। স্বাধীন না হলে এই পূর্ব পাকিস্তানেই চাকর হয়ে থাকতেন।

  4. কোটা নিয়ে যারা এতো উদ্বিগ্ন,
    কোটা নিয়ে যারা এতো উদ্বিগ্ন, তাদের বলছি, কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করবেন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বার্থে। আসুন পরিক্ষা করি।

    1. যারা মুক্তিযোদ্ধা কোঠা
      যারা মুক্তিযোদ্ধা কোঠা একেবারে তুলে দিতে বলছে, মুক্তিযোদ্ধাদের গালে জুতা মারতে চেয়েছে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১ শতাংশ ছাড় দিতেও প্রস্তুত নয়। আন্দোলনটা হতে পারত কোঠা কমানোর, কিন্তু খুব পরিকল্পিতভাবে এটাকে কিন্তু কোঠা বাতিলের আন্দোলনে পরিনত করা হয়েছে।

  5. আমি বুঝলাম না এদের এত মেধা তো
    আমি বুঝলাম না এদের এত মেধা তো বিসিএস এই যাওয়ার দরকার কি? বিসিএস ক্যাডারদের তো এত বেতন না। এদের প্রধান নজর হল​, সরকারি অফিসে ঘুষ বেশি খাওয়া যায় তাই।

    1. মোট পরীক্ষার্থীর মাত্র ৫-৭%
      মোট পরীক্ষার্থীর মাত্র ৫-৭% পদ আছে বিসিএসের জন্য… সব কোঠা উঠিয়ে দিলেও ৯০% এর বেশি পরীক্ষার্থীই কিন্তু অকৃতকার্য থাকবে… অথচ আন্দোলন কিন্তু করছিল যারা পরীক্ষা দিছে তারা সবাই। ভাবটা এমন বিসিএসের ফর্ম কিনলেই মেধাবী…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *