শেষ নক্ষত্রের পতন আর বাংলার অন্ধকার যুগের উত্থান এবং সমসাময়িক বাংলাদেশ

প্রাসঙ্গিক কারনেই আজ কর্নেল তাহেরকে নিয়ে লিখতে বসলাম। আজ এই বাঙ্গালী জাতি ৩৭ বছর পর আরেক সত্যের জয় দেখল। বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) এম এ তাহেরসহ (বীর উত্তম) অন্যদের গোপন বিচার, সাজা কার্যকর এবং বিচারের জন্য ১৯৭৬ সালের ১৬ নম্বর সামরিক আইন আদেশের মাধ্যমে সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠনকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে আজ


প্রাসঙ্গিক কারনেই আজ কর্নেল তাহেরকে নিয়ে লিখতে বসলাম। আজ এই বাঙ্গালী জাতি ৩৭ বছর পর আরেক সত্যের জয় দেখল। বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) এম এ তাহেরসহ (বীর উত্তম) অন্যদের গোপন বিচার, সাজা কার্যকর এবং বিচারের জন্য ১৯৭৬ সালের ১৬ নম্বর সামরিক আইন আদেশের মাধ্যমে সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠনকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে আজ


কর্নেল তাহের (নভেম্বর ১৪, ১৯৩৮ – জুলাই ২১, ১৯৭৬)

২০১০ সালের ২৩ আগস্ট কর্নেল তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের, ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের (বীর বিক্রম) স্ত্রী ফাতেমা ইউসুফ ও অপর ভাই ড. আনোয়ার হোসেন গোপন বিচার চ্যালেঞ্জ করে প্রথম রিটটি করেন।

এইখানে লক্ষণীয় ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর তাঁর নেতৃত্বে সিপাহি-জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়, যা খালেদ মোশাররফ সরকারের পতন ঘটায়, এবং জেনারেল জিয়াউর রহমানকে কারামুক্ত করে। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের সরকারের আনীত এক হত্যা মামলায় ১৯৭৬ সালের ২১শে জুলাই তাহেরকে ফাঁসী দেয়া হয়।

আর আজ সত্য উন্মোচনেরও পর জাতি জানতে পারল তাহের হত্যাকাণ্ডে একমাত্র পরিকল্পনাকারী হিসেবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে উল্লেখ করেছেন আদালত। ওই বিচারে দণ্ডিতদের ক্ষতিপূরণ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আজকের এই রায়ে।
মৃত্যুর তিনদিন আগে পরিবারের কাছে লেখা তাহেরের শেষ চিঠিতে কর্নেল তাহের যা লিখে গেলেন তা পড়লে রায়ের সার্থকতা আমরা বুঝতে পারব। কীভাবে একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার বিচার হয় সামরিক আইনে তার স্বরূপ আর তাহেরের স্বপ্ন বুঝতে আমাদের চিঠিটি পড়া বাঞ্ছনীয়।


শেষ চিঠি- ইতি তোমাদের তাহের

এখন আসি একটা ছোট ব্যাখ্যায়, কেন আমি কর্নেল তাহেরকে শেষ নক্ষত্র বলেছি? ১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ এর পর যখন জাতীয় ৪ নেতাকে জেলখানায় ৩ নভেম্বের ১৯৭৫ এ হত্যা করা হল তখন আসলেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারনকারী আর এই নক্ষত্রই দীপ্তিময় ছিল।
তার প্রমান, একবার তিনি তার ব্রিগেডের অফিসারদের নিয়ে বসেন আর বলেন:

“আমাদের আর্মির হিস্ট্রিকে তোমাদের ক্রিটিক্যালি দেখতে হবে। পাকিস্তান আর্মি যাদের নিয়ে তৈরী হয়েছিল এরা তো সব ব্রিটিশ আর্মিরই লোকজন। ব্রিটিশদের চাকরি করতো পরে পাকিস্তান হওয়াতে তারাই হয়েছে পাকিস্তান আর্মি। ব্রিটিশ আর্মিতে যে ইণ্ডিয়ানরা চাকরি করত, হোয়াট ওয়াজ দেয়ার রোল? ওরা ছিল একটা ভাড়াটে বাহিনী। লোকাল আপরাইজিংগুলোকে ঠেকানোর জন্য এই আর্মিকে ব্যবহার করা হতো। ঐ বাহিনীকে তারা লেলিয়ে দিয়েছিল সিরাজদৌল্লার বিরুদ্ধে, টিপু সুলতান- বাহাদুর শাহ জাফরের বিরুদ্ধে। ইণ্ডিয়ার সোলজার, অফিসার দেশের মানুষের বিদ্রোহগুলোর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছে। এরা ছিল স্রেফ ব্রিটিশদের তাবেদার, ঠেঙ্গার বাহিনী। পাকিস্তান আর্মি তো ঐ ধরণের ব্রিটিশ ভাড়াটে বাহিনীরই কন্টিনিউশন। তাদের মাইণ্ড সেটটাও তো তাই, শুধু কারো না কারো তাবেদারি করা আর ঠেঙ্গানো। কিন্তু আমরা বাংলাদেশ আর্মি তো গড়ে তুলেছি একটা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। আমরা কেন ঐ লেগাসি ক্যারি করব? আর্মি এদেশের মানুষ দিয়েই তৈরি কিন্তু এই অর্গানাইজেশনটাকে সমাজের সবরকম কাজকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার চেষ্টা আছে সবসময়। আর্মির লোকের সাথে সাধারণ মানুষের মেলামেশার কোন সুযোগ নেই। এতে করে একটা এলিটিস্ট মানসিকতা তৈরি হয়। যেন আর্মির কাজ হচ্ছে দেশের মানুষের উপর খবরদারি করা। এটা একটা তাবেদার আর্মির এজেণ্ডা হতে পারে। বাংলাদেশ আর্মির মাইন্ড সেটটা এমন হবে কেন- যার জন্ম হয়েছে একটা জনযুদ্ধের মধ্যে। আমাদের আর্মিকে হতে হবে পিপলস আর্মি”।

এই ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ “ক্রাচের কর্ণেল”- শাহাদুজ্জামান আর সামুর এই ‘কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি‘ পোস্টটি।

আজকের রায়ে আরও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা বলা হয় যেমন, “জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেয়েছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে শিশু পার্ক স্থাপন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধীদের পূনর্বাসনসহ বিভিন্ন কাজ করেছিলেন জিয়া। ওই সব অপরাধীদের শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি কাজ করেন। তিনি সংবিধানে সাম্প্রদায়িকতা ঢুকিয়েছেন। দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পথ খুলে দিয়েছেন।”
এইকথা আগে দলীয় কথা মনে হত। আসলে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১-কে অন্ধকার যুগ বলার সার্থকতা এইখানে। জাতিকে বাংলার রাজনীতির ইতিহাসের মিথ্যাচারে ঐ ১৫ বছর অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে আজ দেশের একাংশ হচ্ছে ইতিহাসের দূষণের কারণে রাজনৈতিক নীতিভ্রষ্ট।


রাজাকারের লালন ও জেনারেল জিয়া
জিয়ার আমলে আনা Second Proclamation Order No. IV of 1978 এর বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের শর্তাংশটি বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে ৩৮ অনুচ্ছেদটি দাঁড়ায়ঃ
” জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।”

অথচ ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিলঃ
“জনশৃংখলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে; তবে শর্ত থাকে যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী কোন সাম্প্রদায়িক সমিতি বা সঙ্ঘ কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক অন্য কোন সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার বা তাহার সদস্য হইবার বা অন্য কোন প্রকারে তাহার তত্পরতায় অংশগ্রহণ করিবার অধিকার কোন ব্যক্তির থাকিবে না।”

মূল সংবিধানের এই বিধানের কারণে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী ইত্যাদি রাজনৈতি দলগুলো নিষিদ্ধ হয়ে যায়। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়নি।

Image and video hosting by TinyPic
১৯৭৩ সালের নির্বাচনের বিস্তারিত ফলাফল

পরবর্তীতে জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক দল বিধিমালা নামে অধ্যাদেশ জারি করে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদকে বদলে দেন। একইসঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেন। একবার উপরের চার্টটির দিকে দেখুন ৭৩ এর নির্বাচনের ফলাফল কি বলে? আজ যদি আমাদের রাজনীতিতে এদের কেউ হত সরকারীদল আর কেউ প্রধান বিরোধী তাহলে কেমন হত? এরপর এর তারহাত ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির জোকার লেঃ জেনারেল এরশাদ আজ তার কৃতকর্মের ফিরিস্তি নাহয় নাই দিলাম।
তবে ৭২-এর মূল সংবিধানের সকল গুনগত দূষণ করেছেন এই দুই সামরিক জান্তা। তাদের একটা ছোট লিস্টঃ
ক) সংবিধানে বিসমিল্লাহ্‌ এর সংযুক্তি,
খ) রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ব্যাপক পরিবর্তন,
গ) ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমোদন,
ঘ) রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম করা।
মোটা দাগের এমন কিছু মৌলিক বিষয়ের দূষণ যার একটিও দেশের আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক উন্নয়নে কোন ধনাত্মক অবদান না রাখেলেও এই দুই সামরিক জান্তাকে সাময়িক জনপ্রিয়তা দিয়েছে, তাদের উদ্দেশ্যও ছিল তা। আর তাই এই ১৫ বছরের শাসনামলকে আমি বাংলার রাজনীতির অন্ধকার যুগ বলছি, আর এই যুগের উত্থানটা হয়েছে জেনারেল জিয়ার হাত ধরে।
আজ জামাত-শিবির, ইসলামি ঐক্যজোট, হেফাজতে ইসলাম সহ অনেক ইসলামিক দল শুধু রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করে নাই ইসলামেও এনেছে অনৈক্য। যা ধর্ম আর রাষ্ট্র উভয়ের জন্যেই ধ্বংসাত্মক হয়েছে। আর আমরা আজকে যতই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর তাদের সংগঠন জামাত এর বিচার করি না কেন তারা আবার এমন হাজারো নামে তারা পুনঃসংঘটিত হবে তাদের হীন স্বার্থ হাসিলে ৬১ জেলা বা পরবর্তীতে দেশের ৫০৭ উপজেলায় একযুগে বোমা হামলা করতে পিছপা হবে না। এরই মধ্যে গবেষণায় তাদের ১৫৩ রকমের ছদ্ধ নামের তালিকা করেছে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বরাকত! আর তাই, উত্তরণের একটাই উপায় ১৯৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া।
জয় বাংলা… জয় বঙ্গবন্ধু…
জয় ক্রাচের কর্ণেল…

১৭ thoughts on “শেষ নক্ষত্রের পতন আর বাংলার অন্ধকার যুগের উত্থান এবং সমসাময়িক বাংলাদেশ

  1. একজন মুক্তিযোদ্ধা কিভাবে
    একজন মুক্তিযোদ্ধা কিভাবে রাজাকারদের পুনর্বাসন করতে পারে তা জিয়া না থাকলে বোধহয় শিখতেই পারতাম না। অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করে রাস্তাঘাটে, ,গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ধর্মপ্রচার করত!!!
    ভন্ডামীর কি নমুনা!!

    1. আমার কাছে মাঝে মাঝে জিয়াকে
      আমার কাছে মাঝে মাঝে জিয়াকে পাকিস্থানি হানাদার আর বাঙ্গালী রাজাকারদের প্ল্যান-বি মনে হয়… আজকের এই বাংলাদেশের জন্যে এই একজনই সবচে বেশী দায়ী… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

      1. আসলেই যে জিয়া পাকিস্তানীদের
        আসলেই যে জিয়া পাকিস্তানীদের লাস্ট অপশন ছিল, তার কিন্তু বহু প্রমান আছে… পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে থাকার সময় জিয়া ছিল পাকিস্তান আর্মির অন্যতম সেরা আন্ডারকাভার এজেন্ট। আর যোগ্যতার দিক থেকেও সে ছিল অন্যতম সেরা। সুতরাং পাকিস্তানের প্রতি বিশ্বস্ততার কোন অভাব যেহেতু তার মাঝে ছিল না, তাই পাকিস্তানের শেষ অপশন হিসাবে ডাবল এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশকে আবার ফাকিস্তানে রুপান্তর করার এই প্ল্যানে তার থাকা অসম্ভব কিছুই না… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

        1. ডন-ভাই বাঙলায় একটা চলচ্চিত্র
          ডন-ভাই বাঙলায় একটা চলচ্চিত্র হওয়া উচিৎ…

          উভচর গুপ্তচর…


          নাম চরিত্রটি হবে জেনারেল জিয়া’র…

  2. ইতিহাস কখনও কাউকে ক্ষমা
    ইতিহাস কখনও কাউকে ক্ষমা করেনা, সেটা আরেকবার প্রতিষ্ঠিত হলো। তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কর্নেল তাহেরের জন্য করুণা হয়, যাকে রক্ষা করার জন্য একটা সেনা বিদ্রোহের মতো সাহসী কাজ করেছিলেন, তার হাতেই নির্মমভাবে খুন হতে হলো উনাকে।

    1. বরাবরের মত ইতিহাসে কিছু
      বরাবরের মত ইতিহাসে কিছু মীরজাফরের জন্যে এই জাতি বারবার পিছিয়ে যায়!!
      কিছুই করার নেই, শুধু সত্যের জয়ের অপেক্ষায় থাকব…
      ৩০ লাখ শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না, সত্যের জয় হবেই!!
      রিভিউ দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ, ডাঃ সাব…

  3. বরাবরের মত
    ইতিহাসে কিছু

    বরাবরের মত
    ইতিহাসে কিছু মীরজাফরের জন্যে এই
    জাতি বারবার পিছিয়ে যায়!!
    কিছুই করার নেই, শুধু সত্যের জয়ের
    অপেক্ষায় থাকব…
    ৩০ লাখ শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না, সত্যের
    জয় হবেই!!
    সহমত!

    1. সত্যের জয় প্রত্যাসন্ন ও
      সত্যের জয় প্রত্যাসন্ন ও অবধারিত… ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      ৩০ লাখ শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না, সত্যের
      জয় হবেই!!

    1. আজ আমরা দেশে সরকারি দল আর
      আজ আমরা দেশে সরকারি দল আর বিরোধীদল উভয়কেই পাইতাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির… আর তাই বাংলাদেশ হত স্বপ্নের মত!!

  4. এক কথায় অনন্য সাধারণ একটা
    এক কথায় অনন্য সাধারণ একটা পোস্ট…
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    তথ্যবহুল এই পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ…

    1. ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে…
      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      আর শেষ নক্ষত্রকে স্যালুট অফুরন্ত… :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  5. পাপ যেমন বাপকেও ছাড়ে না ।
    পাপ যেমন বাপকেও ছাড়ে না । ইতিহাস তেমনই কাউকে ক্ষমা করে না ! অন্যায়কারি যত কৌশলেই অন্যায় করুক না কেন সময় তাকে ঠিকই বের করে আনে েএটি আবারও প্রমাণিত হলো…. মহামান্য আদালতের ভাষায় বলতে চাই একজন স্বাধীনতা বিরোধীর চরিত্র উম্মোচিত হয়েছে….

    1. ‘মহামান্য আদালতের ভাষায় বলতে
      ‘মহামান্য আদালতের ভাষায় বলতে চাই একজন স্বাধীনতা বিরোধীর চরিত্র উম্মোচিত হয়েছে…’–
      বস! একটু ছোট সংশোধন… হবে,
      “মহামান্য আদালতের ভাষায় বলতে চাই একজন ছদ্ধ স্বাধীনতা বিরোধীর চরিত্র উম্মোচিত হয়েছে!”— সহমত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *