আমাদের নিশ্চুপতাই হয়তো রাজাকারের দল জামাত শিবির এর ইন্ধন।

গত ফেব্রুয়ারী মাসে রাজাকার কাদের মোল্লার ফাসির রায় না দিয়ে যাবজ্জীবনের রায় দেয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙ্গালী জাতি। সবার একই দাবী “রাজাকারের ফাসি”।
গত কয়েক দশকে দেশপ্রেমের এমন দর্শন দেখা যায় নি। লাখ লাখ মানুষ আন্দোলনে ফেটে পড়ে। রাজধানী ঢাকাতে এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল না, দেশের অন্যান্য বিভাগেও একই সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে থাকে এই আন্দোলন।

গত ফেব্রুয়ারী মাসে রাজাকার কাদের মোল্লার ফাসির রায় না দিয়ে যাবজ্জীবনের রায় দেয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙ্গালী জাতি। সবার একই দাবী “রাজাকারের ফাসি”।
গত কয়েক দশকে দেশপ্রেমের এমন দর্শন দেখা যায় নি। লাখ লাখ মানুষ আন্দোলনে ফেটে পড়ে। রাজধানী ঢাকাতে এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল না, দেশের অন্যান্য বিভাগেও একই সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে থাকে এই আন্দোলন।
এই আন্দোলন ছিল শান্ত। অন্যান্যদের মত হিংস্র ছিল না এই আন্দোলন। দেশের ছেলে বুড়ো, নারী পুরুষ, ধণী গরিব সকল ভেদাভেদ ভুলে সকলেই একই সাথে স্লোগানে মুখরিত করেছিল শাহবাগ সহ অন্যান্য আন্দোলন স্থল। এই বিপুল পরিমান লোকের জাগরণ ঘটে এর মাধ্যমে তাই এর নাম দেয়া হয়েছিল গণজাগরণ মঞ্চ।

কিন্তু এই আন্দোলন কে রাজাকারের দল, জামাত-শিবির ভিন্ন দিকে প্রবাহের চেষ্টা করেছে সব সময়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো তারা সফল ও হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত দেশ প্রেমিক দের দমাতে পারে নি তারা পরবর্তিতে অনলাইন এ চলতে থাকে আন্দোলন, অনলাইনে একত্রিত হয়ে এর পরেও কিছু ছোট আন্দোলন ও সমাবেশ হয়। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই নগন্য।

হয়তো এই নিশ্চুতার সুযোগে জামাত –শিবির চক্র চালচ্ছে আবার প্রচারনা। এবং নতুন নতুন ফন্দি করছে তারা। কিছু দিন আগে মূক্তিযোদ্ধা কোটা সহ সকল কোটা বাতিলের জন্য আন্দোলন করে কিছু লোক। তাদের মেধাবি(!) বলে অক্ষ্যায়িত করা হয়েছে।কিন্তু তাদের কাজ দেখেই তাদের পরিচয় মেলে। গাড়ী ভাংচুর, সিএনজি তে আগুন, ভাস্কর্য এর ক্ষতি কারা, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে নানা কটূক্তি করে। এতেই বুঝা যায় এরা আর কেউ নয় বাংলাদেশ বিরোধি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধি জামাত-শিবির।

আমাদের আন্দোলনের নিশ্চুপতায় এই জামাত শিবির গোলাম আযম, কাদের মোল্লা, সাঈদী নিজামী সহ রাজাকার গুলোর মুক্তির দাবিতে নানা পোস্টার ছাপিয়ে বিভিন্ন এলাকায় তা লাগাচ্ছে।যেখানে এই সব রাজাকার এর পক্ষে কথা বলার জন্য কোঠর শাস্তি দেয়া হচ্ছে সেখানে প্রকাশ্যে মুক্তির দাবী করছে এই জামাত শিবির।

এর জন্য দায়ী কারা?
আমারা। হ্যা ভুল বলছি না আমরা ই দ্বায়ী এর জন্য। কেন এই নিশ্চুপতা? আমাদের কি দেশপ্রেমের ঘাটতি হয়েছে?নাকি অন্য কোন ভয়?
আসুন আবার নামি আন্দোলনে।

এই ছবি গুল আমাদের এলাকার ভিন্ন জায়গায় লাগানো হয়ছে। আমি আজ খেয়াল করলাম এবং আপনাদের জানানোর প্রয়োজন বোধ করে এই পোস্ট দিলাম


চিত্র -১
জামাত প্রকাশ্যে রাজাকার দের মুক্তির দাবীতে পোস্টার লাগিয়েছে।

চিত্র – ২
এখানে শিবির এর একটি পোস্টার এর ছবি দেয়া হয়েছে যেখানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি এর মুক্তির জন্য পোস্টার ছাপানো হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে “মেধাবি” ও জনপ্রিয় ছাত্র নেতা। আচ্ছা কোটা পদ্ধতির বিপক্ষে তা হলে এই মেধাবিরাই আন্দোলন করেছিল।

চিত্র -৩
সেখানে যদিও রমজানের কথা বলে পোস্টার ছাপানো হয়েছে কিন্তু দাবি গুলোর বেশির ভাগ ই রাজনৈতিক।
আচ্ছা সংবিধানের কোন আইন কোরান হাদিস বিরোধি আমি জানতে চাচ্ছি।
মানোবতা বিরোধি আন্দোলনের নামে ইসলামি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে হত্যা ষড় যন্ত্র (অর্থাৎ রাজাকারের বিচার) এর বিরুদ্ধে রুখে দারান
এখানেও রাজাকারের মুক্তির দাবী করা হয়েছে।
দিনের বেলা রোস্তোরা ও হোটেল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তারা কি জানেন না রমজানে দিনের বেলায় খাবার আয়োজন খুব কম হোটেলেই থাকে। আর খেটে খাওয়া কায়িক শ্রমজীবী অনেক মানুষ ই রোজা রাখতে পারে না। তারা এই হোটেল গুলোর উপর ই নির্ভরশীল আর হোটেল মালিক ও কর্মচারীদের ও তো সংসার আছে তাদের খরচ দিবে কে?

আর দেরি কেন আসুন গর্জে উঠি আবার।
আপনার মতা মত কি?

৮ thoughts on “আমাদের নিশ্চুপতাই হয়তো রাজাকারের দল জামাত শিবির এর ইন্ধন।

  1. আর খেটে খাওয়া কায়িক

    আর খেটে খাওয়া কায়িক শ্রমজীবী অনেক মানুষ ই রোজা রাখতে পারে না। তারা এই হোটেল গুলোর উপর ই নির্ভরশীল আর হোটেল মালিক ও কর্মচারীদের ও তো সংসার আছে তাদের খরচ দিবে কে?

    — ঠিক ধরেছেন । এছাড়া যারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী তারা কি না খেয়ে থাকবে ? তাহলে শিবির কোন যুক্তিতে দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখার কথা বলে ?

    1. ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কথা
      ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কথা ইচ্ছে করেই লিখি নি কারণ ওদের চোখে আমরা তো আর মানুষ না!!!

      ভাই আমার মূল বক্তব্য টা কিন্তু শিবিরের সমালোচনা নিয়ে ছিল না আমাদের কার্যক্রম নিয়ে সেই বিষয়ে সকলের মন্তব্য চাচ্ছি

      1. ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কথা

        ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কথা ইচ্ছে করেই লিখি নি কারণ ওদের চোখে আমরা তো আর মানুষ না!!!

        — কাদের চোখে মানুষ না ?
        আমাদের অনৈক্য ওদের শক্তির উৎস । একেবারে পরিষ্কার । একটা সুনির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে আমরা এক থাকতে পারলাম না । বাম,চিনা বাম, ইত্যাদি ইত্যাদি বলে খামোখা কারা আন্দোলনের বারোটা বাজালও সে কারো অজানা নয় ।

        1. ওদের বলতে জামাত শিবির এর কথা
          ওদের বলতে জামাত শিবির এর কথা বলেছি ওরা তো ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কথা চিন্তা করে না

          আপনার নিচের প্যরার কথার সাথে আমি সম্পূর্ন একমত!

    1. কেন দেখতে চান না ব্রহ্ম পুত্র
      কেন দেখতে চান না ব্রহ্ম পুত্র ?
      মজার ব্যাপার হল ইদানিং আপনি সবচেয়ে বেশি দেখছেন … :খুশি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *