কিছু “ফকিন্নির পুত” ও অন্যান্য।।

কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে কোন কথাই বলি নি।। কখনো বলি নি কোটা চাই না।। কখনো বলি নি কোটা বাতিল করা হোক।।
কিন্তু তার ফলস্রুতিতে আজ শুনতে হল “ফকিন্নির পুত” গালি।।
হায়রে সেলুকাস।। ইচ্ছা করে মাটি ভেদ করে পাতালে ঢুকে যাই।। :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:


কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে কোন কথাই বলি নি।। কখনো বলি নি কোটা চাই না।। কখনো বলি নি কোটা বাতিল করা হোক।।
কিন্তু তার ফলস্রুতিতে আজ শুনতে হল “ফকিন্নির পুত” গালি।।
হায়রে সেলুকাস।। ইচ্ছা করে মাটি ভেদ করে পাতালে ঢুকে যাই।। :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

শাহবাগে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরী করা হয় তখন থেকেই তার সাথে যুক্ত ছিলাম।। ভার্সিটি থেকে প্রতিদিনই ক্লাস শেষ করে চলে যেতাম শাহবাগ।। স্লোগান দিতাম “ক’তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।।” মাঝে মাঝে ক্লাস ফাঁকি দিয়েও গিয়েছি।। ল্যাব থাকলে ক্লাস শেষে এক ঘন্টা লাঞ্চ ব্রেক পেতাম।। এই এক ঘন্টা লাঞ্চ ব্রেকে লাঞ্চ না করে চলে গিয়েছি শাহবাগ।। পুরো ডিপার্টমেন্টের সবাই মিলে কোন স্যারকে না জানিয়ে ক্লাস ড্রপ দিয়ে শাহবাগ গিয়েছি শত শত মানুষের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে।। কার্জনের সামনে বসে যখন আড্ডা দিতাম তখন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা এসে বলে যেত পরবর্তী কর্মসূচির কথা।। আর আজকে আমরাই নাকি ফকিন্নির পুত হয়ে গেলাম।। :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

যে শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিলাম “রাজাকারের ফাঁসী চাই।।” সেখানে নাকি আমরা স্লোগান দিলাম “মুক্তিযোদ্ধার দুই গালে *** মারো তালে তালে।।” হায়রে আজব মানুষ।। নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের ব্যবহার করে এখন যখন ব্যবহার ফুরিয়েছে তখন আমরা হয়ে গেলাম ফকিন্নির পুত।।

আমি হলে থাকতাম না।। কিন্তু হলের ছেলেদের দেখেছি কিভাবে প্রত্যেক রাত শাহবাগে কাটাতে।। যখন হেফাজতের কর্মীরা শাহবাগে আক্রমণ করতে আসতে চাইল তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরাই সামনে দাঁড়িয়েছিল।। আর সেই ছেলেরাই আজ ফকিন্নির পুত।।

৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে ২০১৩’র প্রজন্ম চত্বর পর্যন্ত এদেশে যতগুলো আন্দোলন হয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই সরব উপস্থিতি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের।। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে শহীদ হওয়া মানুষদের মাঝে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।। ৬৯’র গণঅভ্যুথানে সরব ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা।। ৭১’র ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানী আর্মি আক্রমণ চালিয়ে ছিল এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই হলগুলোতে।। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই অনেক ছাত্র।। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সরব ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।। আর আজকে তারাই পরিচিত হয় ফকিন্নির পুত বলে।। বাঙালি আসলেই গোল্ডফিশ মেমোরীর অধিকারী।।

আমরা সরকারী খরচে পড়ি।। কিন্তু এস্থানে উঠে আসতে আমাদের কি পরিমাণ কষ্ট করতে হয়েছে তা আপনাদের মত টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কিনে নেওয়া ব্যাক্তিরা বুঝবে না।। আমরা ২ টাকার খরচ আড়াই টাকা হলে আন্দোলন করি।। তার কারণ আমাদের বাবাদের সেই সামর্থ্য নেই।। তাদের টাকা নেই।। আছে সম্মান।। তাদের ছেলে দেশের সেরা বিদ্যাপীঠে পড়ে।। আছে সেই শান্তি।। যা নেই আপনাদের বাবাদের।। আমাদের বাবারা ঘুষের টাকায়, দূর্নীতির টাকায় সংসার চালায় না।। নিজেদের রক্ত পানি করা টাকা দিয়ে সংসার চালায়।।

আমাদের বাবাদের আমাদের পেছনে লাখ টাকা খরচ করে পড়ানোর ক্ষমতা নেই।। এজন্য, দিন রাত এক করে আমরা পড়েছি।। আপনারা যখন টিভিতে কার্টুন,হিন্দি সিরিয়াল দেখে সময় কাটিয়েছেন তখন আমরা পড়েছি।।
প্রেমিক প্রেমিকার কোমড়ে হাত রেখে বেল্লাপনা করতে করতে আপনারা যখন সীসাহাউজে ঢুকেছেন, আমরা তখন মুখ ডুবিয়ে ছিলাম ঐ বই এর পাতাতেই।।
কারন আমাদের বাবাদের টাকা নেই।।
এই মেধা টাই সব।।
যে ক্যাম্পাস কে আমরা জানের চেয়ে বেশি ভালোবাসি (যেটাকে আপনারা পার্ক মনে করে ঘুরতে আসেন), যে ক্যাম্পাস কে আমরা নিজের বাড়ির চেয়ে কম মনে করি না সেখানে আমরা আগুন দেব??? কিভাবে??? :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

আমরা যারা আপনাদের কাছে “ফকিন্নির পুত” ও “মেধাবী” বলে পরিচিত তারা তো কখনো নিজেদের মেধাবী বলি নি।। আপনারাই তো আমাদের মেধাবী বলেন।। রাস্তায় দেখা হলে বন্ধুদের বলেন, “দেখ ছেলেটা অনেক মেধাবী।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।।” তাহলে আমাদের দোষটা কোথায়???

সরকার আমাদের অযাচিত সুবিধা দেয় না।। তারা শুধু আমাদের মেধা, মনন আর পরিশ্রমের মূল্যায়ণ করে।। তারপরও আমরা ফকিন্নির পুত রয়ে গেলাম।।

তারপরও যাদের মনে হয় আমরা সরকারের কাছ থেকে অযাচিত সুবিধা নিচ্ছি তাদের বলবো আমরা সুবিধা যেমন নিই তেমনি তা আবার শুধিয়েও দিই।। ৫২ থেকে ২০১৩ দেশের প্রতিটি ক্রান্তিকালেই ঝাপিয়ে পড়েছে এই ফকিন্নির পুতেরা।। যেকোন সংকটময় মুহুর্তে আপনারা যখন এসি রুমে বসে গ্রিল চিকেন খেতে খেতে বিভিন্ন বুলি আওড়ান তখন ফকিন্নির পুতেরা সাত পাঁচ না ভেবেই প্রানের মায়া ত্যাগ করে রাজপথে নামে।। বুকের তাজা রক্ত বইয়ে দেয় অকাতরে।।

আমাদের আছে হৃদয়, আছে সত্য বলার ক্ষমতা, আছে প্রতিভা।। আর আপনাদের??? আপনাদের কিছুই নেই।। আছে শুধু মিথ্যা দম্ভ।। যাকে আঁকড়ে ধরে ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন।। সুতরাং, এখন বলুন আসল “ফকিন্নির পুত” কারা??? :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

২২ thoughts on “কিছু “ফকিন্নির পুত” ও অন্যান্য।।

  1. ভাই শকুনের দোয়ায় গরু মরে
    ভাই শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।
    যে মাধাবি! মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে জানে না তার কোন প্রয়োজন নাই বাংলাদেশে। বাংলাদেশে ফক্কিন্নির পুতের দরকার। ওদের মত বোধহীনদের দরকার নাই।

    1. ভাই, মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান
      ভাই, মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করতে তো কেও শাহবাগে জড় হয় নি।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা তো মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করেনি।। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করেছে কিছু দালাল এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শক্তির একটা অংশ।। তার ফলস্রুতিতে আমরা কেন গালি খাবো???
      আমরা তো কোঠা ব্যাবস্থা বাতিল চাইনি।। চেয়েছি সংস্কার।। আর তা আমরা চাইতেই পারি।। তাই বলে আমাদের নামে উলটাপালটা বক্তব্য দিয়ে আমাদের গালিগালাজ করার মানে কি???
      পুলিশ এবং ছাত্রলীগ দিয়ে সাধারণ ছাত্রদের পেটানোর মানে কি???
      কেও কি বিশ্বাস করবে ঢাবি’র কোন ছাত্র তার ক্যাম্পাসে আগুন দেবে???

      1. ছাত্রলী এহেন কর্মকাণ্ডের
        ছাত্রলী এহেন কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই । সংগঠনটি তার সংগ্রামী ঐতিহাসিক চরিত্র খুইয়ে এখন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী বাহিনী তে পরিণত হয়েছে । আওয়ামীলীগ কে ডুবানোর পেছনে এদের ভূমিকা সিংহভাগ । হাঁয় ছাত্রলীগ !!!

      2. আন্দোলনের ভিতরে জামাত শিবির
        আন্দোলনের ভিতরে জামাত শিবির ঢুকেছে , সেদিকে নজর দেওয়া উচিত ছিল।
        মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিয়েছে সে জন্য আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল যদি তারা একে সমর্থন না করে!।
        কিন্তু এমন কিছু করে নি তারা।
        তাহলে বলুন আন্দোলনকারীদের উপর ক্ষোভ আসবে কিনা!
        আর যে বলেছে পাবলিকে যারা পড়ে তারা ফক্কিন্নির পুত, সেও একটা গাধা।
        আমি গর্বিত একজন “ফকিন্নি পুত্রি” হতে পেরে।

        1. আচ্ছা শাহবাগে আমরা যে
          আচ্ছা শাহবাগে আমরা যে মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিলাম তার তো কোন প্রমাণই পেলাম না।। না কোন অডিও না কোন ভিডিও।। তাহলে আমরা দোষী হলাম কিভাবে??? একটি মহল থেকে ছড়িয়ে দেয়া হল শাহবাগে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়া হচ্ছে।। আর সেই ইস্যু ধরে আমাদের পিটিয়ে গেলো ছাত্রলীগ।। যে নেতারা তাদের পেছনে সবসময় আমাদেরই পেত তারাই আজকে আমাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে গেলো।। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় যেমন গুজব ছড়ানো হয়েছিল যে আমরা মোল্লাদের ফাঁসী চাচ্ছি তেমনি এখন গুজব ছড়ানো হল আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমাণ করছি।।
          আসলে সবাই ডবল স্ট্যান্ডার্ড।। যখন দরকার হয় সাথে থাকে আর দরকার ফুরালেই দে লাথি!!

  2. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা
    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা চান্স পায় তারা মেধার স্বাক্ষর রেখেই চান্স পায় । একটা রাষ্ট্রের সর্বচ্চ মেধাবীদের রাষ্ট্র তার প্রয়োজনেই সর্বচ্চ সুযোগ সুবিধা দেয় । কারণ এরাই একদিন দেশের হাল ধরবে । সো, কে কি বললো – ওসব আবাল দের কথায় কান না দিয়ে আপনার কাজটি ঠিকমত করুণ ।

    1. ধন্যবাদ।।
      কিন্তু এরকম

      ধন্যবাদ।। :খুশি: :খুশি:
      কিন্তু এরকম আবালমার্কা কথাবার্তা শুনলে তো শরীর জ্বলে।। :মনখারাপ: :মনখারাপ:

  3. বাবা মুক্তিযোদ্ধা বলে যারা
    বাবা মুক্তিযোদ্ধা বলে যারা বারতি সুবিধা চাচ্ছে তাদের মুখে থুঃ।
    একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কখন এই বৈষম্য সমর্থন করেনা।

    1. ভাই, আমরা মুক্তিযোদ্ধা কিংবা
      ভাই, আমরা মুক্তিযোদ্ধা কিংবা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অসম্মান করতে চাই না।। আমরা চাই কোটার মাধ্যমে যে বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে তা বন্ধ করতে।। একটি বাংলাদেশ এনে দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ এবং সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।। কিন্তু শুধু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেই তারা এত বড় সুবিধা পাবে তা মেনে নিতে পারবো না।। তার কারণ আমরা মুখে যত কিছুই বলি আমরা আসলে তো স্বার্থপর।। নিজের ক্ষতি করে অন্যের ভালো করার মন-মানসিকতা আমাদের নেই।। মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান দিতে কোটা ব্যবস্থার দরকার নেই।। দরকার শুধু সরকারের একটু সদিচ্ছার।। অনেক মুক্তিযোদ্ধাই কোটা ব্যবস্থার নাম শুনে অসম্মান বোধ করেন।।

  4. :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

    :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

    খুব ভাল লাগল পড়ে…

    আপনার মত লোক-ই চাই যারা কিনা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে..
    অনায়ের প্রতিবাদ করতে শিখায়..

  5. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে
    সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘ফকিরনির পুত’ গালি দেওয়া ফেসবুক ব্যবহারকারী নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে এ নিয়ে আর বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্যও তিনি অনুরোধ করেছেন।

    কাওছার আহমেদ নামে নরসিংদীর ছেলে শুক্রবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে এই অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে এখানেও কাওছার তার লেখাটিকে স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক) দাবি করে এ নিয়ে ফিরতি সাফাই গেয়েছেন। বলেছেন, ‘পোস্টে আমি আমার ক্ষোভের কথা বলেছি মাত্র। মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠসন্তান। তাদের যারা অপমান করেছে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকাই স্বাভাবিক।’

    কাওছার বলেছেন, ‘আমার একটা ব্যঙ্গ লেখা নিয়ে অনেক ক্যাচাল হচ্ছে দেখলাম। ইতোমধ্যে স্ট্যাটাস খেয়ে দেয়া হয়েছে, আমার আইডি’র বিরুদ্ধেও ব্যাপক রিপোটিং হচ্ছে…।’

    তিনি দাবি করে বলেন, ‘তাছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রদের আমি গালি দেইনি। যারা নিজের সুবিদার জন্য আজ জাতির শ্রেষ্ঠসন্তানদের অপমান করছেন, আগুন নিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন দেশের সম্মান তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছি মাত্র।’

    কাওছার লিখেছেন, ‘আমি নিজেও ছাত্রজীবনের বেশিরভাগ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানেই পড়েছি। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমার লেখায় আঘাত পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত। আমি তাদের চেয়ে ভিন্ন কিছু না। আমিও মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান।’

    তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমার নিজের সুবিধার জন্য আমি মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি অথবা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কোটার বিপক্ষে না। আজ যদি আমরা সামান্য সুবিদার আশায় কোটা তুলে দেই, তা এক সময় আমাদের জন্য লজ্জা আর গ্লানিই বয়ে আনবে।’

    ‘আশা করি আমার ব্যঙ্গ লেখাটি নিয়ে আর কেউ বিভ্রান্তি ছড়াবেন না’ যোগ করেন কাওছার।

    এর আগে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ‘ফকিরন্নির পুত’ গালি দিয়ে কাওছার আহমেদ একটি পোস্ট দেন। পরে এই পোস্ট যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়ে শাহবাগে গড়ে তোলা আন্দোলনকারী খ্যাত গণজাগরণ মঞ্চের ফেসবুক পেজ ‘ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম-বিওএএন’ শেয়ার করে।

    1. হা হা!! অনেক মজা পেলাম।।
      হা হা!! অনেক মজা পেলাম।। BOAN-এর অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে বলছে বিষয়টার সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব লেখকের।। তাদের কোন এডমিন এটা শেয়ার করেছে তা তারা খতিয়ে দেখবে।। আর এখন এই পোস্টের লেখক বলছেন এটা ব্যাঙ্গাত্মক।। নিজের যেকোন ধরণের মতামত থাকতেই পারে।। তাই বলে কাওকে এত বড় অপমাণ করার দায়িত্ব কেও আপনাকে দেয়নি।। নিজে সরকারী প্রতিষ্ঠানে পড়ে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্রদের ফকিন্নির পুত বলে গালি দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি কেমন মন-মানসিকতার লোক।। তার পর তিনি বলেছেন তিনি কোটা ব্যবস্থার পক্ষে।। তা উনি কোটা ব্যবস্থার পক্ষে হয়ে এটার সাথে সংগতিপূর্ণ পোস্ট দেবেন।। তা না করে তিনি কেন একটি বিশেষ মহলের চামচামি করে পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্রদের অপমাণ করে পোস্ট দেবেন??? কই, আমরা যারা কোটা ব্যবস্থার বিপক্ষে বলছি তারা তো কখনো মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে কিংবা তাদের ব্যাঙ্গ করে কোন পোস্ট দেই নি??? এখানেই তার মত লোকের এবং আমাদের পার্থক্য।।
      আর আমরা কেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছি না।। আমরা তার দেয়া পোস্টের গঠনমূলক প্রতিবাদ করছি মাত্র।।

    1. ভাই, কোথাকার কে বলেছে বা
      ভাই, কোথাকার কে বলেছে বা কাওসার আহমেদ-এর নাম আমরা জানতাম না।। কিন্তু BOAN-এর অফিসিয়াল পেইজে সেটা শেয়ার দিয়ে আমাদের আঘাত দিয়েছে।। হুজুগ শুধু শুধু সৃষ্টি হয় না।। এটা সৃষ্টি করা হয়।।

  6. একটা ভুল তত্ব নিয়ে এত
    একটা ভুল তত্ব নিয়ে এত লাফালাফি ঠিক নয় ।BOAN বলেছে তারা এই স্ট্যাটাস দেয়নি ।তাছাড়া তারা তাৎক্ষনিক ক্ষমা চেয়ে পোস্টটি ডিলিট ও দিছে।এরপর ও এত দোষ খোজার মানে হয়? রাগের বশত একজন কটু কথা বলেছেই তাতে এত কি আসে যায়?যে বলেছে সে কি মন্ত্রী এমপি না কোন সরকারি কর্মকর্তা?
    ফালতু বিষয় নি ঘাপলা লাগানোর চেষ্টা বাদ দিন ।দয়া করে বাদ দিন ।

    1. একটা ভুল তত্ব নিয়ে এত

      একটা ভুল তত্ব নিয়ে এত লাফালাফি ঠিক নয় ।BOAN বলেছে তারা এই স্ট্যাটাস দেয়নি ।

      আপনি বললেন যে BOAN এটা দেয় নি।। পরে বললেন,

      তাছাড়া তারা তাৎক্ষনিক ক্ষমা চেয়ে পোস্টটি ডিলিট ও দিছে।

      তাহলে তারা না দিলে ক্ষমা কেন চাইবে???
      এখন BOAN এক কথা বলছে, কাওসার আহমেদ এক কথা বলছে।। অপরদিকে পিনাকিদা বলল,

      কোটা বিরোধী আন্দোলনকে নিয়ে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের পেজের যে স্ক্রিন শটে কাওসার আহমেদের শেয়ার করা একটা স্ট্যাটাস এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের “ফকিরনির পুত” বলা হয়েছে দাবী করে যে স্ক্রিন শট ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে সেই বক্তব্য BOAN এর নয়। কাওসার আহমেদ নামে BOAN এর কোন সদস্য নেই। কিছুক্ষণ আগে ইমরানের সাথে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। ইমরান সেই স্ক্রিন শট নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সবাইকে অনুরোধ করেছে।

      এটা কার ষড়যন্ত্র সেটা BOAN এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখছে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। কেন কীভাবে এই অগ্রহণযোগ্য লেখাটা পোস্ট হোল সেটাও অনুসন্ধান করে তাঁরা ব্যবস্থা নেবে।

      তাহলে এত মুখে এত কথা কেন???

      আর ফালতু বিষয় নিয়ে কেও ঘাপলা লাগায় নি।। কেও একজন বিষয় সৃষ্টি করে দেয়।। এবং বিষয়টা ফালতুও হয় না।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *