জাতীয়তাবাদি ছাত্রদলের প্রতক্ষ্য অংশগ্রহনে মেধারক্ষার অন্তরালে বিএনপি রক্ষার আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

তথাকথিত মেধাবীদের শাহবাগে করা আন্দোলন যে সম্পূর্নভাবে বিএনপি-জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য শুরু হয়েছিল এতে কোন সন্দেহ নেই। শাহবাগ নামটি পাকিস্তানিদের দেয়া, তাই এটি পরিবর্তন করে প্রজন্ম চত্বর রাখার দাবি ওঠে। কিন্তু প্রজন্ম চত্বরের পরিবর্তে মেধা চত্বর নামকরনের পেছনে যৌক্তিকতা একেবারেই অস্পষ্ট। হয়তোবা প্রজন্ম চত্বরের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলনের আত্বপ্রকাশ।


তথাকথিত মেধাবীদের শাহবাগে করা আন্দোলন যে সম্পূর্নভাবে বিএনপি-জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য শুরু হয়েছিল এতে কোন সন্দেহ নেই। শাহবাগ নামটি পাকিস্তানিদের দেয়া, তাই এটি পরিবর্তন করে প্রজন্ম চত্বর রাখার দাবি ওঠে। কিন্তু প্রজন্ম চত্বরের পরিবর্তে মেধা চত্বর নামকরনের পেছনে যৌক্তিকতা একেবারেই অস্পষ্ট। হয়তোবা প্রজন্ম চত্বরের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলনের আত্বপ্রকাশ।

এই আন্দোলনে শিবিরের সংশ্লিষ্টতার বিভিন্ন খবর পাওয়া গেছে। তবে ছাত্রদল যে প্রত্যক্ষভাবে এতে অংশ নিয়েছে সেটি আলোচনার বাইরে থেকে যাচ্ছে। নাজমুল হোসাইন জিকু নামের ছেলেটি উত্তরা থানায় ছাত্রদল করে। সে বিইউএফটি ভার্সিটিতে ফ্যশন ডিজাইনিং এ পড়ে। এই ছাত্রদলের কর্মী এখনো তার বিএসসি শেষ করেনি, কিন্তু সে গতকাল তথাকথিত মেধা চত্বরে গিয়েছিল। অর্থাৎ সে ধরেই নিয়েছে সে একজন বিসিএসে টেকার মত মেধাবী। যদিও সে তার মহাসাগর সমান মেধা নিয়ে কোন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েও চান্স পায়নি।

জিকুর একটি ষ্ট্যটাসের স্ক্রীনশট দেখলেই তার মেধা চত্বরে উপস্থিতির প্রমান পাওয়া যায়। সে গতকাল আন্দোলনের সময়ে ষ্ট্যটাস দিয়ে সেটাতে প্লেস এর জায়গায় “@শাহবাগ মোড়” লাগিয়েছে।

জিকুকে নিচের ছবিতে দেখতে পাবেন ছাত্রদলের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে বিএনপির রাজনীতিতে বড় ভূমিকা পালনকারী আমান উল্লাহ আমানের পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায়। অর্থাৎ বিএনপির হাইকমান্ডের এই আন্দোলনে ভূমিকা রাখাটা স্পষ্ট বুঝা যায়।

এবার দেখুন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি আনোয়ারুল হক রয়েলও ছিল শাহবাগে মেধা রক্ষার আন্দোলনে। নিচের স্ক্রীনশটে তার উপস্থিতির প্রমান পাবেন।

আন্দোলন শুরু হওয়ার সাথে সাথে একদিনের মধ্যে আনোয়ারুল হক রয়েল শাহবাগের স্বঘোষিত মেধাবীদের সাথে আন্দোলনে যুক্ত হয়, এক্ষেত্রে সে দলের হাইকমান্ডের কোন নির্দেশের অপেক্ষা করেনি। কিন্তু শাহবাগে রাজাকারবিরোধী আন্দোলনে সে প্রথম দিন থেকে অংশ নেয়নি কেন! প্রথম দিকে তো কোন আস্তিক-নাস্তিক ইস্যু ছিল না। তখন ছিল শুধু সাধারন মানুষের প্রানের দাবির গনবিস্ফোরন। তখন তারা কারন হিসেবে বলেছিল দলের হাইকমান্ডের স্বিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে তারা। তবে এবার কেন তারা হাইকমান্ডের নির্দেশ পাওয়ার আগেই শাহবাগে উপস্থিত হল! তবে কি এই আন্দোলনে গোপনে তাদের হাইকমান্ড আগেই সবুজ সিগন্যল দিয়ে দিয়েছে? উত্তর যে হ্য সেটা সবাই নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন।

৮ thoughts on “জাতীয়তাবাদি ছাত্রদলের প্রতক্ষ্য অংশগ্রহনে মেধারক্ষার অন্তরালে বিএনপি রক্ষার আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

  1. অনেক ভাল লাগল । কোটা কাহিনী
    অনেক ভাল লাগল । কোটা কাহিনী নিয়ে অসংখ্য পোস্টের মধ্যে একমাত্র আপনার পোস্টটাই বিশেষ গুরুত্বের দাবী রাখে ।

  2. এখন অনেকটাই পরিষ্কার এই
    এখন অনেকটাই পরিষ্কার এই আন্দোলন কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে । ছাত্রদল গণজাগরণ মঞ্চের সাথে একাত্ম হতে পারল না হাই কমান্ড এর নির্দেশ না পাওয়ার কারণে । এখন তবে কার নির্দেশে আন্দোলন ???

    1. যার বাধার কারনে ছাত্রদল
      যার বাধার কারনে ছাত্রদল গনজাগরন মঞ্চের সাথে একাত্ম হতে পারেনি তার নির্দেশেই ছাত্রদল এইসব মেধাবীদের আন্দোলন শুরুর আগেই একাত্ম হয়ে আছে…

  3. আপনিতো দাদা হাটে হাড়ি ভেঙ্গে
    আপনিতো দাদা হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিলেন…
    আসলেই এই একটা পোস্টই সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়!!
    আর কোন যুক্তির দরকার পরে না; কিন্তু অবাক লাগে একটা ন্যায্য দাবিতে হাজার দিন আন্দোলন করলেও সরকার গায়ে মাখে না আর ২০০-৩০০ ছেলের রাজনৈতিক দলবাজি হুঙ্কারে একদিনেই ফলাফল স্থগিত করল পিএসসি!! আসলেই কিন্তু আজব লাগছে…
    সবগুলারে ধরে যাদের বিসিএস দেয়ার এডমিট কার্ড নাই তাদের দ্রুত বিচার আইনে বিচার করা উচিৎ… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. কোটা থাকা যৌক্তিক নাকি
      কোটা থাকা যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক, থাকলে কতটুকু থাকবে, এসব বিষয় আলোচনা সাপেক্ষ ব্যপার… আমি এগুলোর যেকোনটার পক্ষে, বিপক্ষে কিংবা আংশিক পক্ষে হতে পারি… তবে আমার সে অবস্থান মূখ্য নয়… শাহবাগে এই তথাকথিত মেধাবীরা যে একটি নির্দিষ্ট দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে নেমেছে সেটার বিপক্ষে আমার অবস্থান… এখানে সাধারন শিক্ষার্থীরা হয়তোবা সংখ্যায় অনেক বেশি আছে, তবে আন্দোলনের নিতিনির্ধারকরা কারো স্বার্থস্বিদ্ধি করতে চায়… মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য কোটাধারীদের সন্মানে আঘাত না করে মেধার মূল্যয়ন যত বেশি করা যায় আমি সেটার পক্ষে আছি, তবে সেই দাবীর কলা দেখিয়ে মেধাসর্বস্ব মাথাগুলোর ওপরে কাঠাল ভেঙে কেউ খেয়ে যাবে সেটার পক্ষে আমি নেই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *