স্বাধীনতার জন্য আরো একটি যুদ্ধের প্রয়োজন!

আমরা নিপীড়িত নিগৃহীত ছিলাম। কিছু সাহসী সন্তান তাদের জীবন বাজি রেখে আমাদেরকে মুক্ত করেছে পাকিস্থানী হায়েনাদের কবল থেকে।
আমরা তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সূর্য সন্তান। তাদের ঋণ শোধ হওয়ার নয়। তাদের প্রত্যেক কে আলিশান বাড়ি গাড়ি দেয়া হউক। তাদের ১৪পুরুষের দায় ভার সরকার গ্রহণ করুক তাতে আমি গর্বিত এই ভেবে যে এভাবে তাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা যাবে।
কিন্তূ তাই বলে মেধা প্রতিযোগিতায় বৈষম্য মেনে নেয়া যায়না।
মুক্তিযোদ্ধারা কি বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল বাংলাদেশকে বৈষম্য মুক্ত করার জন্য নাকি বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য???

আমরা নিপীড়িত নিগৃহীত ছিলাম। কিছু সাহসী সন্তান তাদের জীবন বাজি রেখে আমাদেরকে মুক্ত করেছে পাকিস্থানী হায়েনাদের কবল থেকে।
আমরা তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সূর্য সন্তান। তাদের ঋণ শোধ হওয়ার নয়। তাদের প্রত্যেক কে আলিশান বাড়ি গাড়ি দেয়া হউক। তাদের ১৪পুরুষের দায় ভার সরকার গ্রহণ করুক তাতে আমি গর্বিত এই ভেবে যে এভাবে তাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা যাবে।
কিন্তূ তাই বলে মেধা প্রতিযোগিতায় বৈষম্য মেনে নেয়া যায়না।
মুক্তিযোদ্ধারা কি বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল বাংলাদেশকে বৈষম্য মুক্ত করার জন্য নাকি বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য???
০.১৩% মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০%কোটা সংরক্ষণ এবং তা নাতি নাতনী পর্যন্ত প্রসারণে কি আসল মেধাবিরা ঝরে পড়েনা?
পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সরকারি চাকুরির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হতেন। বঙ্গবন্ধু ওই বৈষম্য থেকে মুক্তি দিয়ে নতুন এই বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য বাংলাদেশকে স্বাধীন করেন নি নিশ্চয়ই।
প্রশ্ন হল, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মানেই কি প্রতিবন্ধী?
নাকি স্বাধীনতার জন্য আরো একটি যুদ্ধের প্রয়োজন?

৫ thoughts on “স্বাধীনতার জন্য আরো একটি যুদ্ধের প্রয়োজন!

  1. আপনার ১৪গোষ্টির কেউ হয়তো
    আপনার ১৪গোষ্টির কেউ হয়তো মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়নি তাই এই যুদ্ধ ও অংশগ্রহনকারী যোদ্ধাদের মান মর্যাদা ও প্রাপ্যতা নিয়ে আপনা ধারনা না থাকাটাই স্বাভাবিক মনে হচ্ছে ।

    1. আমার চাচা সনদ প্রাপ্ত
      আমার চাচা সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
      সনদ প্রাপ্ত মানেই ভুয়া তা বলছিনা।
      কিন্তু তিনি সুবিধা লাভের আশায় মুক্তিযুদ্ধ করেননি। তিনি নিজে বলেছেন।
      তবুও টাকে সুবিধা দেয়া উচিত। এবং তা দেয়া হচ্ছে। তবে তার সন্তানরা তোমাদের মতো ডামিশ হয়ে কৌটার পক্ষ নেয়নি।

  2. হাজার হাজার ভুয়া সনদ প্রাপ্ত
    হাজার হাজার ভুয়া সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যেমন আছে, তেমনি এমন অনেক সনদ ছাড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাও আছে।
    সনদ প্রাপ্তরা কেও এখন না খেয়ে থেকেনা তাছাড়া এটি কাম্য ও নয়।
    তাদের বংশধরদের পড়ালেখার জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা প্রণয়ন করা সরকারের কর্তব্য।
    কিন্তু তাই বলে প্রতিযোগীতায় তাদের জন্য ফিতা এগিয়ে ধরেটা তাদের মেধাকেই অপমান করা হয়।
    অন্যান্য কৌটার মত তারাও কী প্রতিবন্ধী?
    এই ভুয়া সনদ ধারীদের উত্তরসুরীরা ছাত্র জীবনে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে নিশ্চিন্তে।
    কারণ তাদের জন্য কৌটা আছে।
    আর নারীদের কথা কি বলব।
    অবলা বললে তাদের গা জ্বলে, বাট প্রতিবন্ধীদের মতো কৌটা চাই সবখানে।
    আর প্রতিবন্ধী কৌটাইবা রাখতে হবে কেন?
    একজন স্বয়ং সম্পূর্ণ ব্যাক্তি ই তো উন্নয়নের প্রধান শর্ত।
    প্রতিবন্ধী তো উন্নত কান্ট্রীতেও আছে। তারা কি তাদের যুব সেক্টরে প্রতিবন্ধী নিয়োগে কৌটা রাখে?
    প্রতিবন্ধী বা আদিবাসীদের জন্য আমরা এমন কিছু করবো যাতে তারা আমাদের সাথে প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে টিকতে পারো।
    ঠিক এই কথাটি সব কৌটার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
    তাই শেষ কথা হলো, কৌটা প্রথার অবসান চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *