ফালতু ইমোশনাল গল্প। অ্যালার্জি থাকলে তফাৎ যান

কাঁপা কাঁপা হাতে রাফসান কি বোর্ডে আঙ্গুল চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটি ম্যাসেজ লেখা । ম্যাসেজের destination তার পছন্দের একটা মেয়ের facebook chat window

রাফসানঃ আচ্ছা বল তো আমি ক্যামন?
মিষ্টি মেয়েঃ ক্যামন আবার? তুমি যেমন তেমন।
রাফসানঃ আরেহ না মানুশের category থাকে না? ভালো মন্দ? তো আমি কোন প্রজাতির?
মিষ্টি মেয়েঃ LOL তুমি না পারো বটে। প্রজাতি কথা টা ভাল্লাগসে আমার
রাফসানঃ দেখ মেয়ে topic change এর চেষ্টা কর না বলে দাও তো answer
মিষ্টি মেয়েঃ তুমি ছেলে হিসেবে অনেক ভালো। একটু পাগল type এর কিন্তু ভালো
আমার খুব পছন্দ
রাফসানঃ আচ্ছা thank you for your feedback!!!!

কাঁপা কাঁপা হাতে রাফসান কি বোর্ডে আঙ্গুল চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটি ম্যাসেজ লেখা । ম্যাসেজের destination তার পছন্দের একটা মেয়ের facebook chat window

রাফসানঃ আচ্ছা বল তো আমি ক্যামন?
মিষ্টি মেয়েঃ ক্যামন আবার? তুমি যেমন তেমন।
রাফসানঃ আরেহ না মানুশের category থাকে না? ভালো মন্দ? তো আমি কোন প্রজাতির?
মিষ্টি মেয়েঃ LOL তুমি না পারো বটে। প্রজাতি কথা টা ভাল্লাগসে আমার
রাফসানঃ দেখ মেয়ে topic change এর চেষ্টা কর না বলে দাও তো answer
মিষ্টি মেয়েঃ তুমি ছেলে হিসেবে অনেক ভালো। একটু পাগল type এর কিন্তু ভালো
আমার খুব পছন্দ
রাফসানঃ আচ্ছা thank you for your feedback!!!!

আঙ্গুল আর চোখ একই সাথে চলে গেল আরেকটা window তে। আজকে সে সবাইকে জিজ্ঞেস করছে এই প্রশ্ন টা। জানতে চায় সে তার ঠিক কোন জিনিস টা তাকে আর দশ টা মানুষ থেকে আলাদা করে রাখে

কোন জিনিসটার জন্য তাকে সবাই এতোটা অসহ্য মনে করে

ছোট থেকেই কাজিন আর ফ্রেন্ড ছাড়াও মামা খালু সবার কাছে থেকে শুনে এসেছে সে পাগল । এমন কি এও শুনতে হয়েছে তার কোন feelings ই নাই। তাকে ইচ্ছামতন hurt করা যায় কিন্তু সে কোন কষ্ট পায় না।

এ কথাটা তাদের মুখে শুনে সে খুব অবাক হত। ভাবত এ হয় কিভবে? সেও তো মানুষ। তাহলে অন্যদের মত তার অনুভূতি গুলো কেন অন্যরা দেখতে পায় না ?

না এখন আর তাকে এসব ভাবায় না

সবাই তাকে নাহয় একটু পাগল বললই। তারা তো আর জানে না যে তাকে রোজ টিন বেলা নিয়ম করে anti-depression pills নিতে হয়

হয়তবা সে মানুষটাই এমন। সবার কাছে অসহ্য।

সবাই তার হাসি মাখা মুখ দেখে ধরেই নিয়েছে যে তার কোন অনুভূতি নেই। কিংবা তার মত মানুষদের হয়ত অনুভূতি থাকতে নেই। ভুল করে তার মাঝে কিছু পরিমানে ঢুকে গিয়েছিল। আর সেটা প্রকাশ পাওয়া শুরু হতেই শুরু হল বিপত্তি

এতদিন সে এতোটা গা লাগায়নি এওব কথাতে। কিন্তু আজকে যখন খন্দকার স্যার তাকে বলেই ফেলল, ” আচ্ছা রাফাসান? তোমার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউনড তো অনেক ভালো।তাহলে তুমি এমন কেন? তোমাকে ক্লাস এ দেখলেই বিরক্ত লাগে। ”

রাফসান কিছু বলে নি।কারন সে জানে সে কেন অন্যরকম।স্যার তাকে বলেছিল, ” দেখ আমি যতদুর জানি এরকম আচরন সাধারনত জেনেটিকালি হয়ে থাকে।but you know what?you’re the only black sheep in your family”

এই কথা টা তাকে এর আগেও শুনতে হয়েছে । না বাইরের কেউ না তার মামা খালু রাই বলেছে।

কেউ জানুক আর না জানুক তার বাবা স্কিজোফ্রেনিয়াক ছিল

হয়তবা তাই . . . . . .

না থাক আর কিছু চিন্তা করতে পারছে না সে

যারা তাকে সহ্যই করতে পারে না তাদের মাঝে থাকার দরকার কি?

আস্তে আস্তে কাঁপা কাঁপা হাতে deactivate account বাটন টা তে click করল সে

কাউকে কিছু জানানোর প্রয়োজন নেই তার

হাতে কিছুক্ষন drum stick জোড়া নিয়ে কি যেন ভাবল

তার পর ধীরে ধীরে Frotofoxin এর শিশি টা ড্রয়ার থেকে বের করে নিল সে
যাক ফাইনালি সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে

বিঃ দ্রঃ suicide নিয়ে যে আপনারা এত ফালা ফালি করেন !!!! যারা তা করে তাদের কে শুধু attention seeker বা কাপুরুষ বলে গালি দেন তাদের বলছি
you know their name not their story

এদের কে হুদাই গাইল না দিয়া এদের কষ্ট টা বুঝার চেষ্টা করেন। একটা মানুষ কতটা কষ্ট পাইলে জীবন শেষ করে দেওয়ার মতন কাজ করে you have no idea about that

সারাজীবন barbie world এ ছিলেন তো এইগুলা বুঝবেন না
bubble এর ভিতরে থাকলে সবকিছু smooth ই মনে হয়
bubble ফাটলে টের পাবেন

হুদাই গাইল না পাইরা পারলে চেষ্টা করেন একজন আত্মঘাতী মানুষকে ফিরিয়ে আনার সেই পথ থেকে

পারলে help করেন

আজাইরা পার্ট নিবেন না :টেকোবস:

৮ thoughts on “ফালতু ইমোশনাল গল্প। অ্যালার্জি থাকলে তফাৎ যান

  1. লেখার মূল স্পিরিটের সাথে
    লেখার মূল স্পিরিটের সাথে পুরোপুরি একমত। আমাদের দেশে কেউ সুইসাইড করতে গেলে তাকে নিয়ে সবাই হাসাহাসি করে। কিন্তু পেছনের কারণটা কেউ বুঝতে চায় না। সব মানুষ একরকম নয়। সবার সহ্য করার শক্তিও একরকম নয়। তাই সবাইকে এক পাল্লায় মাপাও ঠিক না। আগে আমিও হাসাহাসি করতাম। কিন্তু সাইকিয়াট্রি বিভাগে ইন্টার্নশীপ করার সময় আমাদের এক ম্যাডাম (টিচার) ব্যাপারটা খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। তারপর থেকে আর ব্যাপারটা ন্যে হাসাহাসি করিনা। অদ্ভুত ব্যাপার কি জানেন? আমাদের দেশে কেউ সুইসাইড করতে গিয়ে ব্যর্থ হলে, ধরুন কেউ বিষ খেলো, তাকে জেনারেল মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অথচ তাকে ভর্তি করার কথা সাইকিয়াট্রি বিভাগে। আমাদের চিকিৎসকদের মধ্যেও অনেককেই দেখেছি এই ধরনের রোগী নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করতে। ব্যাপারটা খুব দুঃখজনক।

  2. যথার্ত বলেছেন।আত্মহত্যা
    যথার্ত বলেছেন।আত্মহত্যা প্রবনতা একটি রোগ।এর প্রাদুর্ভাব দেখা বা বুঝা মাত্রই মানসিক ডাক্তারের শরনাপন্ন করা উচিৎ ।

  3. আত্মহত্যা ব্যাপারটা এমন না যে
    আত্মহত্যা ব্যাপারটা এমন না যে 10Tk দিয়ে বেনসন কিনলাম আর আগুন ধরিয়ে কয়েকটানে শেষ করে দিলাম||
    এর জন্য প্রয়োজন জমিদারি সাহস|মানুষ তার ইচ্ছেমত দুনিয়ায় আসতে পারে না এনিয়ে অবচেতন মনে সামান্য অভিযোগ অবশ্যই আছে |তাই যাওয়ার বেলার পদ্মতিটা সইচ্ছার বাস্তবায়নে হওয়া উচিত!

    যার মরা তারে মইত্যে দাও,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে মইত্যে দাও – আসহনী বাবু(PhD,London Business School)

    1. lol
      প্রথম যেদিন ধুম্রশলাকা

      lol
      প্রথম যেদিন ধুম্রশলাকা জ্বালাই আমি কিন্তু তাই ভাবসিলাম যে এক প্যাকেট শেষ করেই মরে যাব :p

      তাও আবার মারলবোর 😛

      কি গাধা ছিলাম রে ভাই

      সেইরকম suicide attempt যারা নেয় তারাও গাধাই। গাধাগুলান রে মূলা দেখায়া ঠিক রাস্তায় আইনাই দেখেন গাধা গুলা যতদিন বাইচা থাকব আপনারই বোঝা টানব 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *