আমাদের গল্প.

চাচার কিছু বদ অভ্যাস আছে এই আর কি বোতল খাওয়া,পার্টির মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করা।

চাচার কিছু বদ অভ্যাস আছে এই আর কি বোতল খাওয়া,পার্টির মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করা।
রাজকুমারী অবশ্যই প্রথম প্রথম বোতল খেতে বারন করতো,নাক সিটকাতো এক সময় সয়ে যায়।এখন চাচা বাড়িতে নরম কোমল পার্টির মেয়েদের বাসায় আনে।রাজকুমারীর দেহে আরেক জন এসে গেছে তাই সে চোঁখ বুজে থাকে।প্রথম দুমাস ও শেষ তিন মাস তো আর স্বামীকে আদর দিতে পারবে না পুরুষ মানুষ থাকবে কেমন করে।একটু খেলুক না নিজের মতো করে।শেখ চাচা অনেক খুশি,বৌয়ের প্রতি ভালবাসা ইদানিং ব্যাপক ভাবে বেড়ে গেছে।যে লোক সপ্তাহে তিন দিন বৌ পেটাতো সে এখন সকাল,সন্ধ্যা বৌয়ের সেবা যত্ন করে।নিজ হাতে খাইয়্যে দে,ঘুম পাড়িয়ে দে।তার নাইট শো কিন্তু থেমে নেই নিয়মিত চলে।রাজকুমারীকে শুইয়্যে দিয়ে ধুপধাপ মিউজিকের তালে তালে চলতে থাকে হাল্কা আলোতে।রাত গভীর হলে যে যার গন্তব্যে ফিরে যায়।চাচা যেয়ে রাজকুমারীর পাশে শুয়ে পড়ে।সকাল হতেই তার কাজ শুরু ইদানীং চাচার কাজের খুব ক্ষতি হচ্ছে,নাইট গেম পর্যন্ত অফ।রাজকুমারীর কাছাকাছি থাকতে হয় তাকে প্রায় সময় হয়ে এল।এদিকে প্রায় প্রতি রাতেই ভয়ানক দুঃসপ্ন দেখে রাজকুমারীর ঘুম ভেঙ্গে যায়।চাচা তখন আলতো করে জড়িয়ে ধরে রাখেন প্রিয়তমাকে।রাজকুমারীর দুচোঁখ বেয়ে ভেজা স্রোত নামে তখন।চাচার বুকটা কেঁপে উঠে আনমনে।এল সেই সপ্নীল সময় রাজকুমারীর ফোলা পেট দুমড়ে,মুচড়ে তীব্র ব্যাথা আর এতদিনের চাপা কান্নাকে ছাপিয়ে বেরিয়ে আসে একটা সুতীব্র আর্তনাদ,আর সাথে নতুন শিশুর কান্না।
যথা সময়ে রাজকুমারী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেল।
মন্ত্রী কন্যার নাম রাখা হবে বিশাল আয়োজন মন্ত্রী পরিষদ বর্গ আসবে।খাওয়া দাওয়া,আনন্দ ফুর্তি আরো কত বিষয়াশয়।চাচা বেশ আনন্দের সাথে বৌয়ের সাথে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন।সবাই নানা রকম উপহার সামগ্রী এনেছে।রাজকুমারী বেশ অবাকই হচ্ছে এত লোক সমাগম সকলের আন্তরিকতা দেখে।নিজের বাড়িতে নিজেকেই অচেনা লাগছে।
একটা সোফায় তার মেয়ে সেতুকে কোলে নিয়ে বসে আছে।
সবার শেষে শেখ চাচা রাজকুমারীকে উপরে পাঠিয়ে দিলেন।
নিচে মন্ত্রী সকল খোশ গল্পে মেতে উঠেছে রাত বাড়ছে
রাজকুমারীর স্বামীকে খুব কাছে পেতে মন চাইছে।
সেই উদ্দেশ্যে রাজকুমারী নিচে এসে যা দেখল তার চোঁখ দুটো ঠিক রস গোল্লার আকৃতি পেল।
দু জন মহিলা মন্ত্রী একে অন্যকে আদর করছে।পুরুষ মন্ত্রীদের কেউ কেউ কচি কচি মেয়েদের সাথে ডলাডলি করছে।কেউ কেউ আবার সমলিঙ্গের সাথে ও।চাচাকে কোথাও দেখা গেল না,তিনি মদ গিলে চুর হয়ে ছিলেন।
সেতুর কান্না শুনে রাজকুমারী চলে গেছে বিছানায়।

২ thoughts on “আমাদের গল্প.

  1. উদ্যেশ্যটা পরিস্কার করেননি
    উদ্যেশ্যটা পরিস্কার করেননি ।তাছাড়া উপন্যাস যে এত ছোট হয় আগে জানতাম না!
    ধন্যবাদ ।আরো ভাল লিখবেন ।

    1. ভাই আমার ব্লগে পূর্ববর্তী
      ভাই আমার ব্লগে পূর্ববর্তী পর্ব আছে যদি পড়েন তবে বুঝতে পারবেন।না ছোট নয় আরো অনেক পর্ব বাকি আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *