নবুয়ত প্রাপ্ত কবির একটি প্রেমের কবিতা :: প্রবস্ট্যাস সমূহ— [২]

কবিতা কি আপনার ফ্যাক্ট্রিতে হয়, ডেইলি হওন লাগবো?
আমি তো গাছ লাগাইছি, কালে ফলন দেয়, কালে ফলন দেয় না।

________________________________________

মুখ দিয়া বের হইতে পারতাছে না দেইখা চোখ দিয়া বাইর হয়—

তোমরা তাকিয়ে দেখ দূরে দিগন্তে মাটির সাথে মিলেছে আকাশ।
“”আরে তোমার পায়ের নিচেও তো তাই-ই।—

কিন্তু আমি ইদানিং দু পায়ার যায়গায় চার পায়া হইয়া যাইতাছি।—



কবিতা কি আপনার ফ্যাক্ট্রিতে হয়, ডেইলি হওন লাগবো?
আমি তো গাছ লাগাইছি, কালে ফলন দেয়, কালে ফলন দেয় না।

________________________________________

মুখ দিয়া বের হইতে পারতাছে না দেইখা চোখ দিয়া বাইর হয়—

তোমরা তাকিয়ে দেখ দূরে দিগন্তে মাটির সাথে মিলেছে আকাশ।
“”আরে তোমার পায়ের নিচেও তো তাই-ই।—

কিন্তু আমি ইদানিং দু পায়ার যায়গায় চার পায়া হইয়া যাইতাছি।—

মুখ চালানের ইচ্ছা করতাসে, মুখ চালাই
হাত চালানের ইচ্ছা করলে পা ও চালাইতে পারি।
শিশ্ন??—

খাঁ—

মুরিদ ছাড়া ব্যাবসা জমে না।—
খালি মাইকিং করলেই হয় না,
ঢোলও পিটান লাগে।
মুরিদ ঢোল পিটায়—
মুর্শিদ মাইকে মুরিদ ঢোল
বাকিরা সব বাইরের ঢোলের আওয়াজে ভাবে
না খাইলেও চলত এমন ফাঁক পাইলেই বাতাসা খাওয়ার লোভ উপর্যুপুরি বেহেস্তেও।—

ঠান্ডা মাথায় খুন করা যায়,
রাজনীতি করা বোধ করি একটু কঠিন।—

বদলাতে হবে শুধু না, ভেঙ্গেই বদলাতে হবে।।—

চেহারা না দেহাইয়া সোনাডা দেহাও।—

কবিতার নবুয়ত পাইছি,
আপনারা যেমনে পাইছেন কাঁঠালের বিচি কলার থোর। —

তদন্তময় হয়ে উঠছে প্রতিটি ঘটনা ও ঘটনার আড়াল।
বাড়া ঢুকে যাচ্ছে চিপা গলির ভিতর।—

একটা সাচ্চল্লিশ—

দেখি
খুব ভাল করে দেখি,
অপুষ্টতা—

ওরা খুব ভাল কইরাই জানে ওরা যা করতাসে তা
ভাল করে নাই। ওরা যে কইরাই হোক সর্বোচ্চ
সুবিধাটা নিতাসে। ওরা এটাও জানে এভাবে চলে
না বেশি দিন।ওরা হারবো না, কারণ পালানোটা ওদের চরিত্র।—

আমার মাথা কাইটা ফালাইতে চাও, ফালাও।
কিন্তু আমি যাতে আমার হাত কে নির্দেশ
দিতে পারি তোমাকে হত্যা করতে।—

মানুষ পোশাক পড়ে ন্যাংটো হওয়া আড়াল করতে, আর আড়াল খোঁজে ন্যাংটো হইতে।—

পকেটে রুমাল রাখুন,
চুমু খাওয়ার আগে নারীর ঠোঁট মুছে নিন।—

গাঁ বাঁচাইয়া চলি
নাইলে ঠিক চলা যায় না,
প্যাক-কাদায়।—

আকাশ,
কার পক্ষে যাবে?
রাত কার পক্ষে যাবে??
রৌদ্র কার পক্ষে যাবে???
ভাঙ্গা রেডিওর এটাই এখন খবর।—

এক-দুইজন ছাড়া বাকি নারীদের মা-বোন ভাবতে আমি অপছন্দ করি।
মা-বোন ছাড়া অন্য কোন সম্পর্ককে যার নিরাপদ মনে করেন না তারা তফাতে থাকুন।
-কনডম নিরাপদ রাখে।—

ত্যাগেই প্রকৃত সুখ নাই,
ভোগ-উপভোগ-গ্রহন না করলে ত্যাগ করা যায় না।—

মাটির ওপর থেকে দূরে গেলে বাকি থাকে আকাশ—

“”কিন্তু আমি তাদের
কিভাবে দেখাব? সবাইকে বলব দেয়াল টপকে আসুন— সবার সংগতি নাও থাকতে পারে, ইচ্ছা না হওয়ার আলসেমি থাকতে পারে, ভয় থাকতে পারে। দেয়ালের জন্য দেখা যায় না বলে তারা উপরের দিকে তাকিয়ে থাকে।—

তোমরা সমবেদনা প্রকাশ করবা ওর প্রতিও,
আর সাপোর্ট করবা আমারে!¿?!—

-তোমার কথা শোনার জন্য যখন যাব বইলাও দাড়াইয়া ছিলাম—
-অনেকক্ষন চুপ কইরা থাইকা তুমি বললা,
“”আমি কি তোমারে ধইরা রাখছি?—

কথা বলবা না—
চুপ থাকলে তো একাও চুপ থাকতে পারো।—

মাফ চাওয়া একটা দুর্গন্ধময় ব্যাপার।—

শুধু শরীরের জন্য যতটুকু—
নারীর সাথে আমার আর কোন সম্পর্ক নাই।
—আর ভালবাসা তোমার নির্যাতনের শেকলকেই নুপুর বানাইসে। নুপুরও বাঁধেই, ভালবাসাও।—

“””তুমি যখন ঘর থেকে বেড় হও,
সারা পৃথীবি ঘুইড়া ঘরে ফের খালি হাতে—
“””আমি যতক্ষন বাইড়ে থাকি ততক্ষন তো থাকিই। যখন ঘরে থাকি, তখনো বাইড়ে বৃষ্টি হইলে আমি ভিজি।—

“”অপমানে পরিতৃপ্তির ঢেকুর
এবার পুর্ণ হল ঘড়া।””
[[শুধু এই কথাটুকু বলেছে ‘অন্বী’]]

________
বি:দ্র:— এই লেখাগুলো আমি বিগত কয়েক
দিনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়েছি।
লেখাগুলো কিছুটা প্রবচনের মত দেখতে হওয়াতে, “স্ট্যাটাস” ও “প্রবচন” এই শব্দ দুটোকে মিলিয়ে লেখাগুলোর নাম দিলাম “”প্রবস্ট্যাস””।।।

৩ thoughts on “নবুয়ত প্রাপ্ত কবির একটি প্রেমের কবিতা :: প্রবস্ট্যাস সমূহ— [২]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *